শিক্ষা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মহাসমাবেশ স্থগিতের ঘোষণায় শিক্ষকদের মধ্যে সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয়করণসহ ১১ দফা দাবিতে সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে মহাসমাবেশ স্থগিত ঘোষণা দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন সাধারণ শিক্ষকরা। ফলে শিক্ষকদের মধ্যে দুই দফায় সংর্ঘষ সৃষ্টি হয়। মানি না মানবে না বলে সাধারণ শিক্ষকরা বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ আবুবকর সিদ্দিকী আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা দেয়ার পরও শিক্ষকরা রাজপথ না ছাড়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

‘শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটির’ নেতৃত্বে বুধবার সকাল থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মহাসমাবেশ পালন করেন তারা। দুপুর ১২টায় শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. আবুবকর সিদ্দিকী মহাসমাবেশ স্থগিত করে দাবি আদায়ে আগামী সাত দিনের আল্টিমেটাম ঘোষণা করলে সাধারণ শিক্ষকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। কেউ কেউ খালি পানির বোতল, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। মানি না মানবো না বলে তারা বিক্ষোভ করতে থাকেন। দাবি আদায় ছাড়া তারা রাজপথ ছাড়বেন না বলেও ঘোষণা দেন।

পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে উঠলে শিক্ষকনেতা আবুবকর সিদ্দিকী সেখান থেকে সরে পরেন। এ সময় সাধারণ শিক্ষকরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য সব শিক্ষকের প্রতি আহ্বান জানান। ফলে শিক্ষকদের আন্দোলন দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যায়। আন্দোলন স্থগিত ঘোষণাকালে সংগ্রাম কমিটির সভাপতি আবুবকর সিদিক্কী বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। আমাদের দাবি বাস্তবায়নে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন। আমাদের যৌক্তির দাবির বিষয়টি তিনি প্রাধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবেন’।

 

তিনি বলেন, আগামী ৭ দিন সারাদেশে সব এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হবে। এরপরও যদি আমাদের দাবি বাস্তবায়নে সরকার কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তবে নতুন করে আমাদের কঠোর আন্দোলন শুরু হবে। সভাপতির এ সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ শুরু করেন সাধারণ শিক্ষকরা। তারা ঘোষণা দেন দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না। আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এর কিছুক্ষণ পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে শিক্ষকদের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

উল্লেখ্য, সারাদেশের ১০টি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনের সম্বন্বয়ে যুক্ত হয়ে শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটি গড়ে তোলা হয়েছে। গত ১০ মার্চ থেকে জাতীয়করণসহ ১১ দফা দাবিতে তারা বিভিন্ন আন্দোলন করে আসছেন।

 

মহাসমাবেশ স্থগিতের ঘোষণায় শিক্ষকদের মধ্যে সংঘর্ষ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয়করণসহ ১১ দফা দাবিতে সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে মহাসমাবেশ স্থগিত ঘোষণা দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন সাধারণ শিক্ষকরা। ফলে শিক্ষকদের মধ্যে দুই দফায় সংর্ঘষ সৃষ্টি হয়। মানি না মানবে না বলে সাধারণ শিক্ষকরা বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ আবুবকর সিদ্দিকী আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা দেয়ার পরও শিক্ষকরা রাজপথ না ছাড়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

‘শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটির’ নেতৃত্বে বুধবার সকাল থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মহাসমাবেশ পালন করেন তারা। দুপুর ১২টায় শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. আবুবকর সিদ্দিকী মহাসমাবেশ স্থগিত করে দাবি আদায়ে আগামী সাত দিনের আল্টিমেটাম ঘোষণা করলে সাধারণ শিক্ষকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। কেউ কেউ খালি পানির বোতল, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। মানি না মানবো না বলে তারা বিক্ষোভ করতে থাকেন। দাবি আদায় ছাড়া তারা রাজপথ ছাড়বেন না বলেও ঘোষণা দেন।

পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে উঠলে শিক্ষকনেতা আবুবকর সিদ্দিকী সেখান থেকে সরে পরেন। এ সময় সাধারণ শিক্ষকরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য সব শিক্ষকের প্রতি আহ্বান জানান। ফলে শিক্ষকদের আন্দোলন দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যায়। আন্দোলন স্থগিত ঘোষণাকালে সংগ্রাম কমিটির সভাপতি আবুবকর সিদিক্কী বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। আমাদের দাবি বাস্তবায়নে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন। আমাদের যৌক্তির দাবির বিষয়টি তিনি প্রাধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবেন’।

 

তিনি বলেন, আগামী ৭ দিন সারাদেশে সব এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হবে। এরপরও যদি আমাদের দাবি বাস্তবায়নে সরকার কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তবে নতুন করে আমাদের কঠোর আন্দোলন শুরু হবে। সভাপতির এ সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ শুরু করেন সাধারণ শিক্ষকরা। তারা ঘোষণা দেন দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না। আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এর কিছুক্ষণ পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে শিক্ষকদের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

উল্লেখ্য, সারাদেশের ১০টি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনের সম্বন্বয়ে যুক্ত হয়ে শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটি গড়ে তোলা হয়েছে। গত ১০ মার্চ থেকে জাতীয়করণসহ ১১ দফা দাবিতে তারা বিভিন্ন আন্দোলন করে আসছেন।

 

কারিগরি শিক্ষায় অনেক পিছিয়ে : শিক্ষামন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : কারিগরি শিক্ষাই হবে দেশের টেকসই উন্নয়নের মূল হাতিয়ার। তবে এ ক্ষেত্রে আমরা এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছি। তাই কারিগরি শিক্ষাকে যুগোপযোগী করে ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর এক হোটেলে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ আয়োজিত ‘স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (এসটিইপি)’ এর আওতায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দু’দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র অপারেশন অফিসার ড. মো. মোখলেসুর রহমান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, স্টেপ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এ বি এম আজাদ, বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি মি. শিরো নাকাতা, সিঙ্গাপুরের নানইয়াং পলিটেকনিকের পরিচালক মি. এন্থনি উন, জাতিসংঘের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আবদুল মোমেন বক্তব্য দেন।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, বিশ্বের উন্নত যে কোনো দেশে কারিগরি শিক্ষার হার ৬০ শতাংশের অধিক। আমরা এখনো অনেক পেছনে আছি। তবে ২০০৯ সালের আগে এ হার ছিল ১ শতাংশ। বর্তমানে তা ১৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রণয়ন করা হয়েছে বাস্তবভিত্তিক কর্ম-পরিকল্পনা।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা হতে হবে দক্ষতা নির্ভর। প্রত্যাশিত দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে অধিকাংশকেই বেকারত্বের জ্বালা ভোগ করতে হয়, সঙ্গে সঙ্গে পরিবার ও রাষ্ট্র বেকারত্বের বোঝা বহন করে। বর্তমান সরকার শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে আর এরমধ্যে কারিগরি শিক্ষাকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, এ সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে কারিগরি শিক্ষাকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরাসহ কারিগরি শিক্ষায় অগ্রসর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা ও সহযোগিতা আদান-প্রদানের পথ প্রশস্ত করা।

সম্মেলনে চীন, সিংঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ভারত ও স্কটল্যান্ডের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ, উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, অধ্যক্ষ, শিল্প-কারখানার মালিক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

 

৭ মার্চ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা করার নির্দেশ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : এ বছর ৭ মার্চ ভিন্নভাবে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এবার দিনটিতে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের নিয়ে আলোচনা সভা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ‘বিশ্ব প্রমাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ অসামান্য অর্জন। এ বিষয়ে গত ৪ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের নিয়ে আলোচনা সভা করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ নির্দেশনা মঙ্গলবার জরুরি ভিত্তিতে দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অঞ্চলের পরিচালক, অধ্যক্ষ, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং প্রধান শিক্ষককে পাঠানো হয়েছে।

১৯৭১ সালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ডাক দেন। গত বছরের ৩০ আক্টোবর বঙ্গবন্ধুর ওই ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। এর ফলে এ ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে নিবন্ধিত হয়েছে। এটিই প্রথম কোনো বাংলাদেশি দলিল, যা আনুষ্ঠানিক ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হবে। বর্তমানে ডকুমেন্ট ও সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪২৭টি।

 

‘৩৮তম বিসিএসে ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দিলে চেয়ার ছেড়ে দিব’
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়নের দাবি তুলেছেন বেশ কিছু প্রার্থী। এ দাবিতে গত দুই দিন ধরে আগারগাঁও বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি) ভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা।

তারা ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন করতে পিএসসির চেয়ারম্যানের কাছে একটি আবেদনপত্র দিয়েছেন। এসব প্রার্থীর দাবি, ফলাফল সঠিক হয়নি। প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য যে নির্দিষ্ট নম্বর (কাট মার্কস) রাখা হয়েছিল, তা সঠিক ছিল না বলেও দাবি তাদের।

তাদের দাবি নাকচ করে পিএসসি চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক জাগো নিউজকে বলেন, ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফলে ভুল-ক্রটি ধরিয়ে দিলে চেয়ার ছেড়ে দিব। আমরা সতর্কতার সঙ্গে ফল প্রকাশ করেছি। তাই ফল পুনর্মূল্যায়ন করা হবে না।

তিনি বলেন, যারা ভালো ফল করতে পারেনি তারাই ফল পুনর্মূল্যায়নের দাবি তুলছেন। এ দাবিতে তাদের পক্ষ থেকে একটি আবেদন করা হয়েছে। আমরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ফলাফল তৈরি করেছি। তাই এ পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়ন হবে না বলে জানিয়েছেন পিএসসি চেয়ারম্যান।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে পিএসসি। এতে ১৬ হাজার ২৮৬ জন উত্তীর্ণ হন। তারা এখন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেবেন। বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অতিসত্বর লিখিত পরীক্ষার সময় ঘোষণা করবে পিএসসি। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর এ প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা হওয়ার প্রায় দুই মাসের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

 

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সমাপনী পরীক্ষায় চার পরিবর্তন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ী পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর মধ্যে শতভাগ কাঠামোবদ্ধ পদ্ধতিতে (সৃজনশীল) প্রশ্ন প্রণয়ন, নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা বাতিল, নতুন সফটওয়ারের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে প্রশ্ন বিতরণ, আগের চেয়ে প্রশ্নসেট বেশি ছাপানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষার প্রায় প্রতিটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ রয়েছে। এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকায় প্রায় শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড নিয়ে সারাদেশে সৃষ্টি হয়েছে বির্তক। এ কারণে সমাপনী-ইবতেদায়ি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে আরও সর্তকতা অবলম্বন করছে মন্ত্রণালয়।

 

জানা গেছে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মাসিক সমন্বয় সভায় পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ (নৈর্ব্যক্তিক) বাদ দিয়ে রচনামূলক কী কী প্রশ্ন যুক্ত করা যায় সে বিষয়েও কাজ শুরু হয়েছে।

এছাড়া শিক্ষানীতি অনুযায়ী শতভাগ সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা আয়োজন, প্রশ্ন বিতরণের সময় প্রশ্নপত্র যেন ফাঁস না হয় সে কারণে সফটওয়ারের মাধ্যমে ৮ দিনের মধ্যে প্রশ্ন বিতরণ (আগে ২৫ দিন সময় প্রয়োজন ছিল) করা হবে, ৬ সেট প্রশ্নপত্রের বদলে ৮ সেট তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই সভায় মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরসহ প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানান, ২৫ ফেব্রুয়ারি সভায় মন্ত্রী মোস্তফিজুর রহমান ফিজার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় নৈর্ব্যত্তিক বা বহু নির্বাচনী প্রশ্ন তুলে দেওয়া সমীচীন হবে উল্লেখ করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন। এছাড়া প্রশ্নপত্র ছাপানোর ক্ষেত্রে বিজি প্রেসের বিকল্প আরেকটি প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এদিকে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি চলতি বছরের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) থেকে চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার এমসিকিউসহ (নৈর্ব্যতিক) প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজের রূপরেখা সারাদেশের স্কুলগুলোতে পাঠানো হয়েছে। এই আদেশ জারির মাত্র ৮ দিন পর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ (নৈর্ব্যতিক) পদ্ধতি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে মন্ত্রণালয়।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, নানা পর্যবেক্ষণে নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্নফাঁস হওয়ার ঘটনা জানা গেছে। এ কারণে আগামী নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এমসিকিউ (নৈর্ব্যত্তিক) অংশ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নৈর্ব্যত্তিক বাদ দিয়ে কোন ধরনের রচনামূলক প্রশ্ন যুক্ত হবে তা নির্ণয় করার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে অনুয়ায়ী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর নেপকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বৈঠকে পাবলিক পরীক্ষা থেকে এমসিকিউ বাদ দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। সেই মোতাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পিইসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ অংশ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে এমসিকিউ অংশ তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা। শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. কায়কোবাদ এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে না পেরে এমসিকিউ পদ্ধতি উঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক হয়নি। সারা পৃথিবী যেখানে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হয় সেখানে আমরা এটা পারছি না। কেন পারছি না?

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, পৃথিবীর বহু দেশে পরীক্ষায় এমসিকিউ অংশ রয়েছে এবং ভালো ফলাফলও দিচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশে এটি ভালো নয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের বড় কারণ হয়ে দাঁড়ানোর পাশাপাশি এ পদ্ধতি মুখস্থবিদ্যাকেও বাড়িয়ে তুলছে। এখন এ পদ্ধতি (নৈর্ব্যত্তিক) তুলে দেওয়ায় ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনতে পারে।

তথ্যমতে, প্রাথমিকের ৬টি বিষয়ের পরীক্ষার মধ্যে বাংলায় ১০, ইংরেজিতে ২০, গণিতে ২৪, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে ৫০, প্রাথমিক বিজ্ঞানে ৫০ এবং ধর্ম বিষয়ে ৫০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্নপত্র রয়েছে। কিন্তু নতুন নির্দেশনার আলোকে এমসিকিউ বাদ দিয়ে এসব জায়গায় রচনামূলক প্রশ্ন যুক্ত করা হবে।

এদিকে অন্যান্য সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানালেও সমাপনী পরীক্ষায় নৈব্যত্তিক বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে শিক্ষকসহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা পড়ছেন বিপাকে। তারা বলছেন, বুঝে ওঠতে পারছি না, ৯ মাস পরে ঠিক কোন পদ্ধতিতে চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

একাধিক শিক্ষক জাগো নিউজকে বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ভেবেচিন্তে কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। আর ভুলের খেসারত দিতে হয় আমাদের মতো শিক্ষকদের। ৯ মাস আগে পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার হলে আমরা এই সময়ের মধ্যে বাচ্চাদের কিভাবে গড়ে তুলব?

রাজধানী মতিঝিল এলাকার বাসিন্দা অভিভাবক জহিরুল ইসলাম বলেন, গত বছর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, পঞ্চম শ্রেণিতে সমাপনী পরীক্ষা হবে না। এই সিদ্ধান্ত জানানোর তিনদিন পরে মন্ত্রণালয় থেকে আবারও ঘোষণা দেয়া হয়, সমাপনী পরীক্ষা হবে। এবার বলছে এমসিকিউ থাকবে না। এমসিকিউ পরীক্ষা হবে না ভালো কথা, কিন্তু এটি ৯ মাস আগে কেন বলবে? ভেবেচিন্তে আরও আগে বলা উচিত ছিল। এমসিকিউ বাদ দিলেই কি প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না?

 

প্রশ্ন ফাঁসের ছয়টি কারণ তুলে ধরলেন শিক্ষামন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন আপলোডকারীদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এবং সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলোকেও শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ধরেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা ও চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এমন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপত্বিতে সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, আইসিটি সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিবসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সব দফতর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত রয়েছেন।

এ সংক্রান্ত করণীয় ও প্রশ্ন ফাঁসের ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরা হয়েছে। সর্বোপরি পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণকে কষ্টসাধ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বিজি প্রেস প্রশ্ন কম্পোজ এডিট, প্রিন্ট ও প্যাকেজিং পর্যায়ে প্রায় ২৫০ ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রায়েছে। তারা প্রশ্নপত্র কপি করতে না পারলেও তা স্মৃতিতে ধারণ করা সম্ভব। এভাবেও প্রশ্ন ফাঁস করা সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছে শিক্ষা-মন্ত্রণালয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে ট্রেজারি বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে অনেক কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। অতিরিক্ত কেন্দ্রের অনুমতি দেয়া হয়েছে। অথচ সেখানে পর্যাপ্ত জনবলের অভাব রয়েছে। তাছাড়া ভেন্যুগুলো থেকে মূল কেন্দ্রগুলোর দূরত্ব অনেক বেশি। ফলে ৩০ মিনিটের আগে কেন্দ্র সচিব প্রশ্ন খুলতে বাধ্য হচ্ছেন। সেখান থেকেও প্রশ্ন ফাঁস হতে পারে।

বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থী বা পরীক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্তদের স্মার্টফোন নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে। গুটি কয়েক কর্মকর্তা-কর্মচারীর কারণে মূল প্রশ্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসকারীদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীরা তৎপরতা আরও বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এটা পরীক্ষার শুরুর ১৫ দিন আগে থেকেই শুরু করা হলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।

গোয়েন্দা বাহিনীর লোকবল ও অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত স্বল্পতার কারণে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নজরদারী করা সম্ভব হচ্ছে না। দুষ্কৃতিকারীদের তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার ও শস্তির আওতায় আনতে না পারায় অন্যরাও অপরাধ করতে ভয় পাচ্ছে না। ফলে প্রশ্ন ফাঁস রোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিটিআরসি কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন আপলোডকারীদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এবং সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলোও শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।

পাবলিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সভায় কার্যপত্রে এসব বিষয় তুলে ধরেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এসব সমস্যা কীভাবে সমাধান করা সম্ভব সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে।

উল্লেখ, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে চলমান এসএসসি পরীক্ষা। এরপর ২ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এইচএসসি পরীক্ষা।

 

চবিতে ছাত্রলীগের লাগাতার অবরোধের ডাক
                                  

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরীর অপসারণের দাবিতে লাগাতার অবরোধের ডাক দিয়েছে চবি ছাত্রলীগের একাংশ। সোমবার মধ্যরাতে প্রশাসন কর্তৃক হলে তল্লাশি অভিযানের নামে পুলিশ দিয়ে ছাত্রদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

অবরোধের বিষয়টি নিশ্চিত করে চবি ছাত্রলীগের সাবেক উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হোসাইন টিপু জাগো নিউজকে বলেন, ঘুমন্ত ছাত্রলীগের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নকারী প্রক্টরকে যতক্ষণ পর্যন্ত অপসারণ করা হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত লাগাতার অবরোধ চলবে। এ সময় আটক ১০ নেতাকর্মীর মুক্তির দাবিও জানান সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী এই ছাত্রলীগ নেতা।

এর আগে সকাল থেকে হোসপাইপ কেটে দেয়ায় বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল। চাবিও কেড়ে নেয়া হয়েছে শিক্ষক বাসের।

গতকাল বিকেলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন অনুসারী ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের পর মধ্যরাতে শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় শাহজালাল হল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুইটি কাটা বন্দুক ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১০ নেতাকর্মীকেও আটক করে হাটহাজারী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

 

আবারো প্রশ্ন ফাঁস!
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষার প্রশ্নও ফাঁস হলো। প্রশ্নফাঁসকারী চক্র এ বিষয়টির বহুনির্বচনি প্রশ্নপত্রও পরীক্ষার এক ঘণ্টা আগে ছেড়ে দিয়েছে ইন্টারনেটে। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষার প্রশ্নের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

পরীক্ষা শুরুর আগে সকাল ৯টা ৩ মিনিটে রসায়নের ‘খ’ সেট প্রশ্নপত্রটি হোয়াটসঅ্যাপের গ্রুপে পাওয়া যায়।  ওই প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষা শেষে হাতে পাওয়া প্রশ্ন হুবহু মিলে গেছে।

এ ব্যাপারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে আমরা নতুন নতুন কোনও পথ খোঁজার চেষ্টায় আছি। মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’

এদিকে নানা রকম ব্যবস্থা নেওয়ার পরও প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পারছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘বিদ্যমান পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো সম্ভব নয়।’

উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি বাংলা প্রথমপত্রের বহুনির্বাচনি অভীক্ষার ‘খ’ সেট পরীক্ষার প্রশ্ন ও ফেসবুকে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল ছিল। পরীক্ষা শুরুর একঘণ্টা আগেই তা ফেসবুকে পাওয়া যায়। ৩ ফেব্রুয়ারি সকালে পরীক্ষা শুরুর প্রায় ঘণ্টাখানেক আগে বাংলা দ্বিতীয়পত্রের নৈর্ব্যক্তিক (বহুনির্বাচনি) অভীক্ষার ‘খ’ সেটের উত্তরসহ প্রশ্নপত্র পাওয়া যায় ফেসবুকে। 

যার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া যায়। ৫ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শুরুর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে সকাল ৮টা ৪ মিনিটে ইংরেজি প্রথমপত্রের ‘ক’ সেটের প্রশ্ন ফাঁস হয়। এর সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৪৮ মিনিট আগে সকাল ৯টা ১২ মিনিটে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের ‘খ’ সেটের গাঁদা প্রশ্নপত্রটি হোয়াটসঅ্যাপের একটি গ্রুপে পাওয়া গেছে। ৮ ফেব্রুয়ারি হোয়াটসঅ্যাপের একটি গ্রুপে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষার বহুনির্বাচনি অভীক্ষার ‘খ’ সেটের চাঁপা প্রশ্নপত্রটি পাওয়া যায়। 

১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা ৫৯ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপের একটি গ্রুপে গণিতের ‘খ-চাঁপা’ সেটের প্রশ্নপত্রটি পাওয়া যায়। ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা ৫১ মিনিটে হোয়াটসআপের একটি গ্রুপে আইসিটির ‘ক’ সেট প্রশ্ন পাওয়া যায় এবং সকাল ৯টা ৩ মিনিটে ‘গ’ সেটের প্রশ্নও ফাঁস হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শুরু আগেই পদার্থ বিজ্ঞান এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের প্রশ্নপত্রও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাওয়া যায়।

এছাড়াও বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ছিল বিজ্ঞান গ্রুপের রসায়ন, বাণিজ্য গ্রুপের ব্যবসায় উদ্যোগ এবং মানবিক গ্রুপের পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয়ের পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরুর আগে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে রসায়নের ‘খ’ সেট প্রশ্নপত্রটি হোয়াটসঅ্যাপের গ্রুপে পাওয়া যায়। এসব ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষা শেষে হাতে পাওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

পদত্যাগ করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি : শিক্ষামন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কিছু গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন তিনি। তবে এ নিয়ে অপপ্রচার না চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

তিনি বলেন, আমার পদত্যাগ করা নিয়ে কিছু অনলাইনে নিউজ প্রকাশ করা হয়েছে। পদত্যাগের ফাইল নাকি প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে জমা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতালি সফর থেকে দেশে ফিরলেই আমি পদত্যাগ করতে যাব।

শনিবার রাজধানীর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পদত্যাগ করার বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে তিনি জাগো নিউজকে একান্তে এসব কথা জানান।

জাগো নিউজকে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসব সংবাদের কোনো সত্যতা ও ভিত্তি নেই। আমার পদত্যাগ করার মতো কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। কোনো অন্যায়কারীকে আমরা প্রশ্রয় দেই না। শক্তহাতে তা প্রতিরোধ করা হচ্ছে। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য কিছু গণমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

এসব বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ থেকে সর্বসাধারণকে বিরত থাকার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ বিষয় নিয়ে গতকাল সিলেটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বলে জানান।

উল্লেখ্য, এবারের এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন থেকেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। এমন প্রেক্ষাপটে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে নানাভাবে গুঞ্জন ওঠে। গত সপ্তাহে পদত্যাগ করতে শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছেও গিয়েছিলেন বলে তার মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন বলেও তারা জানান।

 

আন্তর্জাতিক মানরক্ষায় ব্রিটিশ বদ্ধপরিকর-মাহফুজ কবির-
                                  

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঠাকুরগাঁও -এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব মাহফুজ কবির বলেন আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসমৃদ্ধ শিক্ষা প্রদানে বিআইএস পরিবার বদ্ধপরিকর। আজ শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকায় বিআইএস স্কুল ভবনে অবিভাবক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিআইএস চেয়ারম্যান বলেন দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা আধুনিক শিক্ষাসহায়ক পরিবেশে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে। তিনি অবিভাবকগণকে আরো সক্রিয় হবার আহবান জানিয়ে বলেন ভালো একটি স্কুল বিনির্মাণে দায়িত্বশীল অবিভাবকের বিকল্প নেই। পরে তিনি সকল অবিভাবকগণের পরামর্শসমূহ মনোযোগ ও গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং তা সমাধানে যথাসাথ্য ভূমিকাগ্রহণের আশ্বাস দেন। পুরো সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন বিআইএস প্রিন্সিপাল কর্ণেল অবঃ সাহেলউদ্দিন খান।

অবিভাবকগণ প্রতিষ্ঠানটির চলমান কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে সামনে দিনে তা এগিয়ে নেবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এসময়। কর্ণেল সাহেলউদ্দিন তার বক্তব্যে অবিভাবক ও শিক্ষার্থীদের ভূয়সী প্রশংসা করে বিআইএসকে আধুনিক ও উচ্চমান সমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরকরণে নিজের আকাংঙ্কার কথাও ব্যক্ত করেন। অবিভাবকের পরামর্শকে তিনি গুরুকর্তব্য মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নে নিজেকে উড়াজ করে দেবার বাসনাও প্রস্ফুটিত করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এসময় প্রতিষ্টানটির সকল কর্মকর্তা -কর্মচারী ও বিপুল সংখ্যক অবিভাবক সেমিনারে অংশ নেয়

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
                                  

আগামী ২ এপ্রিল থেকে শুরু হবে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা। চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। বুধবার ঢাকা শিক্ষাবোর্ড এ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড বা ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠালে তা চূড়ান্ত করা হয়।

রুটিন অনুযায়ী, আগামী ২ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথমপত্র (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ মে পর্যন্ত চলবে তত্ত্বীয় পরীক্ষা। ১৪ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ২৩ মে পর্যন্ত।

এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

ঢাকা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার কম্পিউটার বিষয়ে আলাদাভাবে পরীক্ষার আয়োজন হবে। আইসিটি বিষয়ের মধ্যে কম্পিউটার বিষয়টি আন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ কারণে প্রতি বছর এইচএসসি পরীক্ষা মোট ৪৪ দিন ধরে আয়োজিত হলেও এবার ৪২ দিন পর্যন্ত চলবে।

সারা দেশে মোট ৫৮টি কেন্দ্র এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নফাঁস ও নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ায় গত বছরের চাইতে এবার ছয়টি কেন্দ্র কমানো হয়েছে। ঢাকায় অবস্থিত বাতিল কেন্দ্রগুলো হলো- ড. শহীদুল্লাহ কলেজ, লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, ধানমন্ডির নিউ মডেল কলেজ, ঢাকা ক্যান্ট. গালর্স কলেজ, আবতাব নগরের ইমপেরিয়াল কলেজসহ আরো একটি কলেজ।

ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার জাগো নিউজকে বলেন, চলতি বছর শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন তৈরি হয়েছে। সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দেয়া হলে তা প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, প্রতি বছর ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। এবার সেদিন স্টার সানডে হওয়ায় পরীক্ষার রুটিন একদিন পিছিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি : 

 

ইংরেজী প্রথমপত্রের প্রশ্নও ফাঁস!
                                  

কিছুতেই যেন প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো যাচ্ছে না। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয়পত্রের পর এবার ইংরেজি প্রথমপত্রের প্রশ্নও ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরীক্ষা শুরুর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে সকাল ৮টা ৪ মিনিটে ইংরোজি প্রথমপত্রের ‘ক’ সেটের প্রশ্ন হোয়াসটঅ্যাপের একটি গ্রুপে পাওয়া যায়। যার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

সোমবার সকাল ১০টায় ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষাটি শুরু হয়। শেষ হয় দুপুর ১টায়।

পরীক্ষা হওয়া প্রশ্নরবিবার রাত থেকে ফেসবুক, হোয়াসটঅ্যাপ, ইমোসহ বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে নজর রাখার পর সকাল ৮টা ০৪ মিনিটে ইংরেজি প্রথমপত্রের ক সেটের প্রশ্নপত্রটি হোয়াসটঅ্যাপের ‘English 1st part 2018’ নামের একটি গ্রুপে পাওয়া যায়। এরপর ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নটি ছড়িয়ে যায়। পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া প্রশ্নের সঙ্গে ওই প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া যায়। তবে, রবিবার রাত ১১টা ৪৪ মিনিটে প্রশ্ন দেওয়ার দাবি করছে একটি ফেসবুক আইডি।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার বলেন, ‘ইংরেজি প্রথমপত্র প্রশ্নও ফাঁস হয়েছে আপনার কাছ থেকেই প্রথম জানলাম। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়সহ আমরাও তদারকিতে আছি।’

এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্ন একই কায়দায় ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া যায়। বাংলা প্রথম পত্রের বহুনির্বাচনি অভীক্ষার ‘খ’ সেট প্রশ্নপত্র পরীক্ষার প্রশ্ন ও ফেসবুকে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল ছিল।  পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগেই তা ফেসবুকে পাওয়া যায়।

 এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকালে পরীক্ষা শুরুর আগে প্রায় ঘণ্টা খানেক আগে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের নৈর্ব্যক্তিক (বহুনির্বাচনি) অভীক্ষার ‘খ’ সেটের উত্তরসহ প্রশ্নপত্র পাওয়া যায় ফেসবুকে। যার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল যায়।

 


ফাঁস হলো বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নও
                                  

এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনেও প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। আগের মতোই পরীক্ষা শুরুর আগে এবং পরে ফেসবুকে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ এর প্রশ্ন ও উত্তর প্রকাশ করে বিভিন্ন গ্রুপ। এসব গ্রুপ আগে থেকে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রশ্ন ফাঁস করে আসছে। আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা শুরুর আগে সকাল সোয়া ৯টার মধ্যেই উত্তরসহ `খ` সেট বহুনির্বাচনী প্রশ্ন এসব গ্রুপে ফাঁস করা হলে তা ভাইরাল হয়ে যায়। পরীক্ষা শেষে দেখা যায়, বহু নির্বাচনী প্রশ্নের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন হুবহু মিলে গেছে। এদিকে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অভিযোগ প্রমাণ হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে।এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনও এমসিকিউ`র প্রশ্ন একইভাবে ফেসবুকে ফাঁস হয়। সেদিন অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বোর্ড সংশ্লিষ্টরা বলেছিলেন, অভিযোগের সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

 

   Page 1 of 1
     শিক্ষা
মহাসমাবেশ স্থগিতের ঘোষণায় শিক্ষকদের মধ্যে সংঘর্ষ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
কারিগরি শিক্ষায় অনেক পিছিয়ে : শিক্ষামন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
৭ মার্চ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা করার নির্দেশ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘৩৮তম বিসিএসে ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দিলে চেয়ার ছেড়ে দিব’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সমাপনী পরীক্ষায় চার পরিবর্তন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
প্রশ্ন ফাঁসের ছয়টি কারণ তুলে ধরলেন শিক্ষামন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
চবিতে ছাত্রলীগের লাগাতার অবরোধের ডাক
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আবারো প্রশ্ন ফাঁস!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
পদত্যাগ করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি : শিক্ষামন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আন্তর্জাতিক মানরক্ষায় ব্রিটিশ বদ্ধপরিকর-মাহফুজ কবির-
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ইংরেজী প্রথমপত্রের প্রশ্নও ফাঁস!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ফাঁস হলো বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নও
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......