শিক্ষা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দারুল ইহসানের সনদ বৈধ

বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দারুল ইহসানের সনদ বৈধ বলে ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় উপস্থিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক ড.মান্নান জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়কে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সনদ অবৈধ ঘোষণা করা হয়নি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারী যে যেখানে কর্মরত আছেন তাদের সনদ বৈধ বলে গণ্য করা হবে। ওই সনদের ভিত্তিতে তাদের পদোন্নতিও দেয়া হবে।

মালিকানা সংকট, অনিয়ম-দুর্নীতি ও ‘সনদ বাণিজ্যের’ অভিযোগে জর্জরিত বেসরকারি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে গত বছরের ১৩ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন আদালত।

দারুল ইহসানের সনদ বৈধ
                                  

বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দারুল ইহসানের সনদ বৈধ বলে ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় উপস্থিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক ড.মান্নান জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়কে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সনদ অবৈধ ঘোষণা করা হয়নি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারী যে যেখানে কর্মরত আছেন তাদের সনদ বৈধ বলে গণ্য করা হবে। ওই সনদের ভিত্তিতে তাদের পদোন্নতিও দেয়া হবে।

মালিকানা সংকট, অনিয়ম-দুর্নীতি ও ‘সনদ বাণিজ্যের’ অভিযোগে জর্জরিত বেসরকারি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে গত বছরের ১৩ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন আদালত।

বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা থেকেই যাচ্ছে প্রাথমিক শেষ করা শিক্ষার্থীদের
                                  

প্রতি বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রায় সবাই পাস করছে। যদিও বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা থেকেই যাচ্ছে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরোনো এসব শিক্ষার্থীর।

প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতি নিয়ে প্রতি বছর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। সম্প্রতি চলতি বছরের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ডিপিই। ‘বাংলাদেশ প্রাইমারি এডুকেশন: অ্যানুয়াল সেক্টর পারফরম্যান্স রিপোর্ট-২০১৭’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে গত কয়েক বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর পাসের হার ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৫ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে পাসের হার ছিল ৯৮ দশমিক ৫২ শতাংশ। ওই বছর পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বাংলা বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের হার ছিল ২৩ শতাংশ আর গণিত বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের হার ছিল মাত্র ১০ শতাংশ। অর্থাত্ ২০১৫ সালে সমাপনী পরীক্ষায় পাস করা অধিকাংশ শিক্ষার্থীরই বাংলা ও গণিত বিষয়ে দুর্বলতা ছিল।

২০১৩ সালের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বাংলা ও গণিত বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের হার ছিল ২৫ শতাংশ। যদিও ওই বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে পাসের হার ছিল ৯৮ দশমিক ৫ শতাংশ। আর ২০১১ সালে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বাংলা বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের হার ছিল ২৫ শতাংশ ও ইংরেজিতে ৩৩ শতাংশ। ওই বছর সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ৩ শতাংশ।

প্রতি বছরই বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের হারের চিত্র বেশ হতাশাজনক। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ছেলেমেয়েদের দক্ষতা অর্জন ও পরীক্ষার ফলাফলে অগ্রগতির মধ্যে যে তফাত রয়েছে, এটি সত্য। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে এর উত্তর দিতে পারবেন বিশেষজ্ঞরা, শিক্ষকরা। এ বিষয়ে আমি তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যালয়গুলোয় বর্তমানে শিক্ষকরা যেভাবে পাঠদান করেন, তা শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো বুঝতে পারে না। কারণ শিক্ষকরা পাঠদান করেন নম্বরের উদ্দেশ্যে, শেখানোর উদ্দেশ্যে নয়। এছাড়া পাঠদানের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট শিক্ষাক্রম ও শিক্ষক সহায়িকা অনুসরণের কথা বলা হলেও অধিকাংশ শিক্ষকই তা অনুসরণ করেন না। সবমিলিয়ে ত্রুটিপূর্ণ শিখন পদ্ধতির কারণে প্রকৃত শিখনফল বা দক্ষতা অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ না দেয়া ও মানসম্মত শিক্ষকের অভাবকেই দক্ষতা অর্জন ও পাসের হারের মাঝে ফারাকের মূল কারণ বলে মনে করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা ভর্তি হচ্ছে, ক্লাস করছে, পাস করে বের হচ্ছে ঠিকই; কিন্তু তারা কতটুকু শিখছে? সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। বিষয়ভিত্তিক ও যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠ্যবইকে সহজবোধ্য করা যাচ্ছে না। তাই শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় নিয়মিত পরিদর্শন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

পাঠদানের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের বড় একটি অংশের শিক্ষা নির্দেশিকা অনুসরণ না করার তথ্য উঠে এসেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভাল্যুয়েশন বিভাগের এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনেও। বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য সারা দেশের ১ হাজার ১৮৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ওপর জরিপ চালায় মনিটরিং অ্যান্ড ইভাল্যুয়েশন বিভাগ। জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশ করা হয় ‘ন্যাশনাল স্টুডেন্টস অ্যাসেসমেন্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদন।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রেণীকক্ষে পরিকল্পিত পাঠদানের লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য রয়েছে শিক্ষক সংস্করণ, সহায়িকা ও নির্দেশিকা। এর প্রধান লক্ষ্য শিক্ষকদের পাঠদান কার্যক্রম সহজীকরণ ও শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত শিখনফল অর্জন। পাঠদানের ক্ষেত্রে এ নির্দেশিকা অনুসরণে শিক্ষকদের বিশেষ নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। যদিও তা অনুসরণ করছেন মাত্র ৩৬ শতাংশ শিক্ষক। অর্থাত্ প্রাথমিক শিক্ষকদের ৬৪ শতাংশই পাঠদানের ক্ষেত্রে এ নির্দেশিকা আমলে নিচ্ছেন না। এর ফলে প্রকৃত দক্ষতা অর্জন থেকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান এ প্রসঙ্গে বলেন, শিক্ষক সহায়িকায় শিখনফল, শিখন শেখানো কৌশল বা কার্যাবলি, শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের কথা বলা হয়েছে। অথচ অত্যন্ত জরুরি হওয়া সত্ত্বেও আমাদের দেশে শিক্ষকরা এ নির্দেশিকা ঠিকমতো পড়েন না। এর ফলে শিক্ষার উদ্দেশ্য যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। পাশাপাশি ফলপ্রসূ হচ্ছে না শিক্ষকের পাঠদানও।

সার্বিক বিষয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় অংশগ্রহণের হার সন্তোষজনক পর্যায়ে এসেছে। কিন্তু ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ভিত্তিক ভিতটা তৈরি করে দিতে ব্যর্থ হচ্ছি। এ দুর্বলতার প্রভাব পড়ছে মাধ্যমিক শিক্ষায়ও। বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতার কারণে সেখানে গিয়ে খাপ খাওয়াতে না পারায় অনেকেই ঝরে পড়ছে। প্রসারের তুলনায় গুণগত মানে মনোযোগ কম দেয়ার ফলে এমনটা হচ্ছে।

বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলে দেশে মোট প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৬১৫টি। এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদানে নিয়োজিত রয়েছেন ৫ লাখ ৪৮ হাজার ২০১ জন শিক্ষক। আর অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ কোটি ৮৬ লাখ ২ হাজার ৯৮৮ জন। এর মধ্যে মেয়েদের অংশগ্রহণের হার ৫০ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থাত্ অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী মেয়ে। এছাড়া প্রায় এক লাখ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে তিন লাখের বেশি শিশু প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করার সুযোগ পাচ্ছে। বছরপ্রতি প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষায় অংশগ্রহণের হার বাড়ছে। যদিও এসব শিক্ষার্থীর প্রায় ২০ শতাংশই প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন না করেই ঝরে পড়ছে। পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতা ও বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ঝরে পড়ছে এসব শিশু। বাকিরা বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা নিয়েই পেরোচ্ছে প্রাথমিকের গণ্ডি

ডিনসহ দুই শিক্ষক পরীক্ষার কার্যক্রমে ১০ বছর বহিষ্কার
                                  

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চারুকলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ধর্মীয় উসকানিমূলক দুটি প্রশ্ন রাখার দায়ে অনুষদের ডিনসহ দুই শিক্ষককে ১০ বছরের জন্য সব ধরনের পরীক্ষা কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া আইনগত বাধা না থাকলে ডিনকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে।

বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৪৭৪তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন হয়।

বহিষ্কৃত শিক্ষকরা হলেন- চারুকলা অনুষদের ডিন ও ‘গ্রাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস’ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ‘চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র’ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জিল্লুর রহমান।

এর মধ্যে প্রশ্ন প্রণয়নকারী হিসেবে অভিযুক্ত হওয়ায় মো. জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে আরও একটি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তা হল- নিয়মানুযায়ী তিনি যখন ‘সহকারী অধ্যাপক’ থেকে সহযোগী অধ্যাপকে উন্নীত হতে আবেদন করতে পারবেন, তখন তাকে আরও পাঁচ বছর পর ‘সহযোগী অধ্যাপক’ হতে আবেদন করতে হবে।

রাবির সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক আখতার ফারুক ও কেবিএম মাহবুবুর রহমান যুগান্তরকে জানান, গত ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘আই’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নে ‘পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থের নাম কী?’ এবং ‘মুসলমান রোহিঙ্গাদের ওপর মায়েনমারের (মিয়ানমার) সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা সশস্ত্র হামলা চালায় কত তারিখে?’, এমন দুটি প্রশ্ন রাখা হয়, যা নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়।

বিষয়টি তদন্তের জন্য গত ২৮ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহাকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করে। তদন্ত শেষে ওই কমিটি সুপারিশসহ সিন্ডিকেটে বিষয়টি উত্থাপন করে। তার ওপর ভিত্তি করে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত অনুমোদন হয়।

আইনগত বাধা না থাকলে ডিন অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে। আর চারুকলার প্রশ্ন প্রণয়ন কমিটির অন্য সদস্যদের সতর্কমূলক চিঠি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তারা।

এদিকে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইন্টার্নশিপ পেপারে স্বাক্ষর করানো নিয়ে ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) অধ্যাপক মোহা. হাছানাত আলীকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত আবু নাহিদ মোহাম্মদ হায়দার নামে এক শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে।

অধ্যাপক আখতার ফারুক ও কেবিএম মাহবুবুর রহমান যুগান্তরকে জানান, আবু নাহিদ আইবিএর এমবিএ (দিবা) ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। একই সঙ্গে অধ্যাপক হাছানাত আলীকেও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার ও দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উত্তাল রাবি
                                  

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বাংলা বিভাগের অপহৃত ছাত্রীকে অক্ষত উদ্ধারের দাবিতে দুপুর ২টা পর্যন্ত আল্টিমেটামসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শনিবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এ দাবি জানানো হয়।

প্রেসব্রিফিংয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সাতটি দাবি উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে-অপহৃত ছাত্রীকে অক্ষত ফেরত, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, ছাত্রী হলের সামনে চেকপোস্ট, হল গেট ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রবেশ পথে সিসিটিভি ক্যামেরা, সান্ধ্য আইন বাতিল, সকল হলে অভিভাবক প্রবেশের অনুমতি এবং বিভাগগুলোকে তাদের শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করা।

এর আগে বেলা ১১টায় তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন করেন। তবে কর্মসূচি পালনের জন্য পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী সকাল ১০টার দিকে তাপসী রাবেয়া হল থেকে ছাত্রীরা বের হতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বাধার মুখে পড়ে।

এসময় তাপসী রাবেয়া হলের সামনে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ওই ছাত্রীর অবস্থান জানা গেছে। খুব তাড়াতাড়ি তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

এর কিছুক্ষণ পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান তাপসী রাবেয়া হলে প্রবেশ করেন। অপহৃত ওই ছাত্রীকে দ্রুত ফেরত আনার আশ্বাস দিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দেন।

এক পর্যায়ে বেলা পৌনে ১১টার দিকে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুরু নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন নেতাকর্মী ওই হলের সামনে আসেন। পরে ওই হলের গেটে ধাক্কাধাক্কি ও স্লোগান দিতে থাকলে ছাত্রীদের বের হতে দেন প্রক্টর। সেখানে প্রায় দুইশত ছাত্রী বের হয়ে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এসে মানববন্ধনে মিলিত হয়।

মানববন্ধন শেষে প্রেসবিফিংয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ওই ছাত্রীর সন্ধান পাওয়া গেছে বললেও ছাত্রীর পরিবারে সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, তারা সন্ধান পায়নি। তাই আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছি। পরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল তাদের দাবির বিষয়ে জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে যান।

দুপুর ১টার দিকে মতিহার থানার ওসি মেহেদী হাসান জাগো নিউজকে বলেন, ওই ছাত্রীর সন্ধানে আমরা অভিযান চালাচ্ছি। উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, গতকাল শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সকালে ওই ছাত্রী স্নাতক (সম্মান) চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা দেয়ার জন্য বের হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হলের সামনে রাস্তা থেকে মাইক্রোবাসে ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। তিনি বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী। তাপসী রাবেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তার বাড়ি নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজি এলাকায়।

পরে ওই ছাত্রীর সন্ধান চেয়ে বিকেল ৪টা থেকে উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেটা স্থগিত করা হয়। ওইদিন সন্ধ্যায় নগরীর মতিহার থানায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে অপহরণ মামলা করেন। মামলায় ওই ছাত্রীর সাবেক স্বামী সোহেল রানাসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়। পরে রাতে ওই ছাত্রীর শ্বশুর জয়নার আবেদীনকে নওগাঁর পত্নীতলা থেকে আটক করা হয়।

 

‘চিরকাল জ্ঞান আমদানী নয়, রপ্তানী করতে চাই’
                                  

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞান চর্চা, অনুসন্ধানের জায়গা। আমরা চিরকাল জ্ঞান আমদানী করবো যে তাই না, আমরা জ্ঞান রপ্তানী করতে চাই। সে লক্ষে নতুন প্রজন্মকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তর করতে চাই। তাই উচ্চ শিক্ষায় আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে

বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘শিক্ষাক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সরকারের অর্জন’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটি এ সেমিনারের আয়োজন করে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এমিরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান।

সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল কাসেম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য-সচিব শামসুন নাহার চাপা।

মন্ত্রী বলেন, শুধু জ্ঞান-প্রযুক্তি দিয়ে শিক্ষার্থীদের মাথা ভর্তি করতে চাই না। সততা, ন্যায়পরায়ণতার শিক্ষার মাধ্যমে তাদেরকে গড়ে তুলতে চাই। তিনি বলেন, জাতীয় লক্ষ্যের সাথে সম্পৃক্ত করে শিক্ষার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সে লক্ষ্য হচ্ছে জাতীয় পরিবর্তন। শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রে নয় বরং সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সকল ক্ষেত্রেই উন্নতি অর্জন করা। সে লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, প্রচলিত শিক্ষার মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়। শিক্ষা ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে চাই। শিক্ষার্থীদের উন্নত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য চাই বিশ্বমানের শিক্ষা।

তিনি আরো বলেন, নতুন প্রজন্মের জন্য আধুনিক গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাদেরকে আগামী দিনের বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাই শিক্ষায় আমুল, মৌলিক গুণগত পরিবর্তন চাই। আমরা চাই আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্বমানের শিক্ষা নিশ্চিত করা। 

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে দরিদ্র হলেও নতুন প্রজন্ম মেধার দিক থেকে দরিদ্র নয়। বাংলাদেশ হলো উন্নয়নশীল দেশ সমূহের মধ্যে শিক্ষার ক্ষেত্রে অনুকরণীয়। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞান চর্চা, অনুসন্ধানের জায়গা। আমরা চিরকাল জ্ঞান আমদানী করবো যে তাই না, আমরা জ্ঞান রপ্তানী করতে চাই। নতুন প্রজন্মকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তর করতে চাই। তাই উচ্চ শিক্ষায় আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, দক্ষ মানব সম্পদ তৈরী করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ। বাংলাদেশে শিক্ষা ক্ষেত্রের অর্জন নিয়ে আজ আমরা গর্ববোধ করি। আজ আমরা শিক্ষার যে উচ্চস্তরে পৌঁছেছি, তার পেছনে রয়েছে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বল্প সময়ের শাসন আমলে নেয়া বিভিন্ন সাহসী পদক্ষেপ। এ প্রসঙ্গে উপাচার্য উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধু ৩৬ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করে এবং বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ-১৯৭৩ প্রদান করে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা থেকে শুরু করে উচ্চ শিক্ষার উন্নয়নে যে বীজ বপণ করেছিলেন, তার সুফল আজ আমরা পাচ্ছি।

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মান্নান বলেন, দেশের তরুণ সমাজকে যদি সঠিক অর্থে শিক্ষিত করে তুলতে পারি তবে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে নিজেদের অবস্থার আরো উন্নতি করা সম্ভব।

 

ঠাকুরগাঁওয়ে যাত্রা শুরু করলো ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
                                  

যুগে যুগে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলাতে অনেক প্রতিযোগিতার মোকাবিলা করতে হয়। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষার জ্ঞানের পাশাপাশি ইংরেজি ও তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে পূর্ণজ্ঞান এবং কারিগরি জ্ঞানে সমৃদ্ধ করতে ঠাকুরগাঁওয়ে যাত্রা শুরু করলো ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

বুধবার সন্ধ্যা থেকে ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়ায় ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ২০১৮ শিক্ষা বর্ষের প্রি-প্লে হতে সপ্তম শ্রেণীর ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে।

 ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মাহফুজ কবির বলেন, উত্তরের জণপদের জেলা ঠাকুরগাঁও শিক্ষার দিক থেকে অনেক পিছিয়ে পড়েছে। এই জেলায় প্রতিবছর দু’টি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য হুমড়ী খায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এই দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসন সংখ্যা অনেক সীমিত থাকায় বঞ্চিত হয় অনেক শিক্ষার্থী। সেই লক্ষেই ঠাকুরগাঁওয়ে ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের যাত্রা শুরু করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এই প্রতিষ্ঠানে বাংলা ও ইংরেজি দুটোই কার্যক্রম চালুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কারণ বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, অন্যদিকে ইংরেজি একটি আন্তর্জাতিক ভাষা। বহির্বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় দেশকে এগিয়ে নিতে হলে ইংরেজি ভাষার কোনো বিকল্প নেই।

প্রযুক্তি গোটা বিশ্বকে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। এটি জাতীয় জীবনে স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ আশীর্বাদ। তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারে পড়াশোনায় বেশ গতি এসেছে। তবে বর্তমান সমাজে এর বিরূপ প্রভাবও কম নয়। তাই প্রযুক্তি সমাজে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে এবং শিক্ষার্থীদের মেধাকে বিকশিত করবে এমনটাই প্রত্যাশা আমাদের।

প্রযুক্তিনির্ভর ও অত্যাধুনিক শিক্ষার সব ধরনের সুবিধাসম্বলিত একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা করছে। তাছাড়া আমাদের রয়েছে অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিকক্ষমন্ডলী দ্বারা ও ডিজিটাল হলরুমে পাঠদানের ব্যবস্থা। প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট বা কোচিং করতে হয় না সেটা আমরা নিশ্চিত করতে চাই কর্মের মাধ্যমে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া বিএন মসজিদের সামনে ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে নতুন ভবনের যাত্রা শুরু করেন।
এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা অরুনাশু দত্ত টিটো, জেলা যুবদলের সভাপতি ও প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা মহেলবুল্লাহ চৌধুরী আবু নূর, ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের জাহিদ হোসেন, হারুন অর রশীদসহ প্রমুখ।

জেএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে নিয়মিত
                                  

জেএসসি পরীক্ষার অন্যান্য বিষয়ের মতো গণিতের প্রশ্নও ফাঁস হয়েছে, অনেক অভিভাবক সন্তানকে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন-উত্তর দেখতে সহায়তা করলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ।এভাবে পরীক্ষা নেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে একজন অভিভাবক বলেছেন, পরীক্ষার নামে জীবনের শুরুর দিকেই ছেলে-মেয়েদের অনৈতিক পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।আরেক অভিভাবক বলেছেন, তার ছেলে প্রথম দিকে পড়ে পরীক্ষা দিলেও প্রশ্ন ফাঁসের জন্য এখন বেকে বসেছে, অসহায় হয়ে পড়েছেন তারা।রোববার রাজধানীর কয়েকটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, পরীক্ষা শুরুর ঘণ্টাখানেক আগে সকাল ৯টার পর থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রশ্ন খোঁজার ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে। পরীক্ষার্থীদের অনেকেই জটলা করে প্রশ্ন ও এর উত্তর দেখতে থাকেন। অনেকে আবার হন্যে হয়ে গাইডে খুঁজতে থাকেন প্রশ্নের উত্তর। অনেক শিক্ষার্থীকে সহায়তা করছিলেন তাদের অভিভাবকরাই।

মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউট পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের অনেককে স্মার্টফোনে প্রশ্ন খুঁজতে দেখা যায়। ওই কেন্দ্রের সামনে সকাল ৯টা ১০মিনিটে মিরপুর ল্যাবরেটরি স্কুলের এক শিক্ষার্থী গণিত পরীক্ষার ‘খ সেট’র প্রশ্ন এবং এর বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর পেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে তা দেখতে থাকেন।প্রশ্ন কীভাবে পেয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, পরিচিত ভাইয়া আছে, তার কাছ থেকেই প্রশ্ন পাই। এ প্রশ্ন পরীক্ষায় আসবে কি না- প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ভাইয়া শিওর হয়েই প্রশ্ন দেয়।

পাশেই দাঁড়ানো এই জটলার আরেক শিক্ষার্থীর অভিভাবক প্রশ্ন ফাঁসের কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা কেউই তো চাই না আমার বাচ্চাটা পরীক্ষায় খারাপ করুক। সবাই তো প্রশ্ন পাচ্ছে। যা পড়ার আগেই তো পড়ছে, কিন্তু এখন একটু চোখ বুলিয়ে যাওয়া।এর ফলে সন্তানের ‘নৈতিক অবক্ষয়’ হচ্ছে জেনেও এ অভিভাবক বলেন, আমি তো ওকে মোবাইল দিচ্ছি না। ওর বন্ধুরা পাচ্ছে, সেখান থেকে ও দেখে নিচ্ছে।এ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসা পুলিশ স্মৃতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নবাবেরবাগ সেন্ট্রাল হাই স্কুল, মিরপুর ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছে তাদের স্মার্টফোনে পরীক্ষার প্রশ্ন দেখা যায়।

নবাবেরবাগ সেন্ট্রাল হাই স্কুলের এক শিক্ষার্থীর কাছে প্রশ্নের কপিও দেখা গেছে, যা নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকেন তিনি। পরে পরীক্ষা শেষে দেখা যায়, সেই ফাঁসকৃত প্রশ্নের সাথে পরীক্ষার প্রশ্ন হুবহু মিলে গেছে।একই চিত্র দেখা গেছে খিলগাঁও মডেল হাই স্কুল কেন্দ্রে। পরীক্ষা শুরুর ঘণ্টাখানেক আগে থেকে জটলা করে মোবাইলে প্রশ্ন খুঁজছিলেন কয়েকজন পরীক্ষার্থী।এই কেন্দ্রে মেয়েকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে আসা স্থানীয় ব্যবসায়ী মকবুল হোসেন বলেন, ফাঁসকৃত প্রশ্ন ছেলেদের হাতে আগে আসে।আমার মেয়ে প্রশ্ন পাইছে স্বীকার যাই। কিন্তু প্রশ্নটা পাইছে তার ছেলে বন্ধুর কাছে। ওদের গ্রুপ আছে, এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে দেয়, এইভাবেই ছড়িয়ে পড়ে সবার কাছে। ছেলেরাই বেশি দুষ্ট হয় এসব ক্ষেত্রে। আর বাচ্চারা বন্ধুর কথায় প্রভাবিত হয় বেশি।

এই কেন্দ্রে জটলা করে প্রশ্নোত্তর দেখতে থাকা শিক্ষার্থীদের একটু দূরে দাঁড়ানো একজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমার ছেলে প্রথম কয়েকটা পরীক্ষা পড়েই দিসিল। আইসিটি পরীক্ষার পর থেকে বাসায় হুলস্থূল করে ফেলছে সবাই প্রশ্ন পায়, ও কেন পাবে না তা নিয়ে। অনেক বুঝিয়েও কুল পাইতেসি না আপা। আমরা এক রকম অসহায় এই সিস্টেমের কাছে।বিগত পরীক্ষাগুলোর ফাঁস হওয়া প্রশ্নও হাতে এসেছিল সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে। নিয়মিত প্রশ্ন ফাঁস হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক অভিভাবক।

মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ছেলেকে নিয়ে আসা আব্দুল মাজিদ নামে বলেন, প্রশ্ন ফাঁস যেহেতু বন্ধ করা যাচ্ছে না, তাহলে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে কেন?পরীক্ষার নামে জীবনের শুরুর দিকেই আমরা বাচ্চাদের অনৈতিক পথে নিয়ে যাচ্ছি। আর উত্তরসহ প্রশ্ন পাওয়া গেলে মেধাবী ও মেধাহীনের পার্থক্য কী হবে ফলাফলে?নিয়মিত প্রশ্ন ফাঁস হলেও তা ঠেকাতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার বলেন, পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস বন্ধে আমাদের পক্ষ থেকে যা যা করার আমরা তা করছি। ব্যবস্থা নিচ্ছি না তা তো না। গোয়েন্দা সংস্থা ও বিটিআরসিকে তথ্য দিয়েছি। তারাও কাজ করছে।

এদিকে পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার নিয়ম থাকলেও তা হচ্ছে না। এই ফাঁকে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন এর উত্তর দেখে নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।খিলগাঁও মডেল হাই স্কুল কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী গভর্নমেন্ট কলোনি হাই স্কুলের একজন শিক্ষার্থী বলেন, সকাল ১০টা ২০ মিনিট পর্যন্ত এই কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা ঢুকতে পারে। নির্ধারিত সময়ের পরেও শিক্ষার্থীদের ঢুকতে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে সেখানকার কেন্দ্র সচিব মো. আসলাম উদ্দীন মোল্লা বলেন, মানবিক দিক বিবেচনা করে অনেক সময় বাচ্চারা দেরি করে আসলেও ঢুকতে দিতে হয়।

রাস্তায় যানজট, অনেকের বাসা দূরে ইত্যাদি কারণে একটা বাচ্চার বোর্ড পরীক্ষা নিয়ে সমস্যা হলে কী করার থাকতে পারে! দেরি করে ঢোকার পেছনে যদি অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকে, তবে এগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে খতিয়ে দেখা উচিত বলে আমি মনে করি।এ বিষয়ে মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউট কেন্দ্রের সহকারী সচিব জিনাত ফারহানা বলেন, এটা তো পাবলিক পরীক্ষা। বাচ্চারা রিকোয়েস্ট করলে তাদের ঢুকতে দেই। অনেকে তো আবার যানজটের কারণে দেরি করে ফেলে। সেজন্য মানবিক দিক বিবেচনায় তাদের সুযোগটা দেই।

 

‘টাইম বোমায়’ জাবি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি
                                  

প্রশাসনে রদবদল করা না হলে ‘টাইম বোমা’ মেরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের কাছে লেখা এক চিঠিতে বুধবার এ হুমকি দেওয়া হয়েছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বৃহস্পতিবার আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে। হুমকির বিষয়টি প্রশাসন দু’দিন গোপন রাখলেও শুক্রবার সকালে জানাজানি হয়।
.
উড়ো চিঠিতে বলা হয়, ‘৫ থেকে ৯ নভেম্বরের মধ্যে প্রশাসনে রদবদল করা না হলে নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবন বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হবে।’
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘চিঠিতে বলা হয়েছে আমার প্রশাসনিক কার্যক্রম ভালো না। প্রশাসনকে ৫-৯ তারিখের মধ্যে ঢেলে সাজাতে হবে। নইলে বোমা দিয়ে নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবন উড়িয়ে দেওয়া হবে। ৯ তারিখ তো গতকাল (বৃহস্পরিবার) চলে গেল।’
তিনি বলেন, ‘চিঠিতে আরও বলা আছে- আমাদের অজ্ঞাতেই ওই দু’টি ভবনে টাইম বোমা ফিট করা হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পরপরই আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। জিডি করেছি। পুলিশ ভবন দু’টি তল্লাশি করার কথা জানিয়েছে।’

ভিসি আরও বলেন, ‘আমরা আতঙ্কিত নই। তারপরও দায়িত্বের জায়গা থেকে পুলিশকে জানিয়েছি। এখন অনেক কিছুই হতে থাকবে। সামনে যেহেতু সিনেট ইলেকশন আছে।’

লেকহেড গ্রামার স্কুল খুলে দিতে হাইকোর্টের রুল
                                  

ধর্মীয় উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে রাজধানীর ধানমন্ডি ও গুলশানের লেকহেড গ্রামার স্কুলের বন্ধ শাখা দুটি কেন খুলে দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।বৃহস্পতিবার তিনটি পৃথক রিট আবেদনের আংশিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এছাড়া রিটের শুনানির জন্য আগামী রোববার পর্যন্ত মামলাটি মুলতবি রাখা হয়েছে।আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন এএফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার আকতার ইমাম ও ব্যারিস্টার রাসনা ইমাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।এর আগে গত ৬ নভেম্বর ধানমন্ডি ও গুলশানের দুটি শাখাসহ লেকহেড স্কুলের সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সালমা জাহান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ঢাকা জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।চিঠিতে বলা হয়, এই প্রতিষ্ঠানটি সরকারের অনুমোদন নেয়নি। প্রতিষ্ঠানটি ধর্মীয় উগ্রবাদ, উগ্রবাদী সংগঠন সৃষ্টি, জঙ্গি কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতাসহ স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত।
পরের দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্কুলটি সিলগালা করে দেয়।এরপর স্কুল বন্ধের নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হলে আদালত আজ এই রুল জারি করেন।

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল-কলেজ বন্ধ করার কে : হাইকোর্ট
                                  

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থাকতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল-কলেজ বন্ধ করার কে এমন প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার রাজধানীর লেকহেড গ্রামার স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের চ্যালেঞ্জে দায়ের করা রিটের শুনানিতে হাইকোর্ট এ মন্তব্য করেন। সেই সঙ্গে শিগগিরই কেন স্কুল খুলে দেয়া হবে না এবং বন্ধের আদেশ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেন আদালত।শিক্ষাসচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আগামী রোববার (১২ নভেম্বর) এ রুলের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এদিন হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে হাইকোর্ট বলেন, স্কুল-কলেজ বন্ধ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করবে কেন? তারা অভিযোগ দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এগুলো দেখবে। এখানে (ওই প্রতিষ্ঠানে) ১১শ’ এর ঊর্ধ্বে শিক্ষার্থীর আছে তাদের ভবিষ্যৎ কি হবে? হঠাৎ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করবে কেন দেশে তো যুদ্ধ লাগেনি!রিটের পক্ষে ছিলেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ ও ব্যারিস্টার আখতার ইমাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর ধানমন্ডি ও গুলশানের দুটি শাখাসহ লেকহেড স্কুলের সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব সালমা জাহান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ঢাকা জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, এ প্রতিষ্ঠানটি সরকারের অনুমোদন নেয়নি।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ধর্মীয় উগ্রবাদ, উগ্রবাদী সংগঠন সৃষ্টি, জঙ্গি কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতাসহ স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

জানা গেছে, এ প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক রেজোয়ান হারুন সম্প্রতি লন্ডন থেকে ঢাকায় এসে লাপাত্তা হয়ে যান। এখন পর্যন্ত পুলিশ তাকে গ্রেফতার বা খুঁজে পায়নি।রেজোয়ানের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে অর্থায়ন ও মদদের অভিযোগ রয়েছে। চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদনে রেজোয়ান হারুনকে আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেয়া হয়।উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে ধানমন্ডির ৬/এ সড়কে প্রতিষ্ঠিত হয় লেকহেড গ্রামার স্কুল। প্রতিষ্ঠানটির গুলশানে আরও দু’টি শাখা রয়েছে।

 

৩৭তম বিসিএসের মৌখিক ২৯ নভেম্বর, ৩৮তমের প্রিলি ২৯ ডিসেম্বর
                                  

৩৭তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা চলতি মাসের ২৯ তারিখে এবং ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানে থেকে চূড়ান্ত হয়ে এলে পরীক্ষা গ্রহণের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মঙ্গলবার সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) একটি বিশেষ বৈঠকে ৩৭, ৩৮ ও ৩৯তম বিসিএসের বিষয়ে এসব চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বলেন, কমিশনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে ৩৭তম বিসিএসের ভাইভা এ মাসের অর্থাৎ ২৯ নভেম্বর, ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে ৩৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষায় কেবল প্রিলিমিনারি এবং ভাইভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে লিখিত পরীক্ষা হবে না। যে কারণে ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের আয়োজনের জন্য নতুন করে বিধিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত হয়েছে; যার খসড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে চূড়ান্ত হয়ে এলে পরীক্ষাবিষয়ক পদক্ষেপ নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, ৩৮তম বিসিএসের আবেদন কার্যক্রম গত ১০ আগস্ট শেষ হয়েছে। এতে ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫৩২ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। এ বিসিএসে ২ হাজার ২৪ জন ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে পিএসসি।

 

দিনাজপুরে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩৩২২ জন
                                  

দিনাজপুরে জেএসসি পরীক্ষার চতুর্থ দিনে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় ৩ হাজার ৩২২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। গড় অনুপস্থিতির হার ১.৪৫ শতাংশ। এদিন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পাঁচজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার জেএসসি পরীক্ষার চতুর্থ দিনে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৭ জন পরীক্ষার্থীর ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করার কথা। কিন্তু ২ লাখ ২৫ হাজার ১৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। অনুপস্থিত ছিল ৩ হাজার ৩২২ জন।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. মানিক অনুপস্থিতির সংখ্যা নিশ্চিত করে জানান, গতবার জেএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অনুপস্থিতির হার ছিল ১.২৫ শতাংশ। এবার তা ০.২০ শতাংশ বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৪৫ শতাংশে।

 

জেএসসিতে বহিষ্কারের রেকর্ড
                                  

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার চতুর্থ দিনে ৬২ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এ দিন অসাধুপন্থা অবলন্বন করায় রেকর্ড ১২২ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কার হয়েছেন চট্টগ্রাম বোর্ডের এক শিক্ষক।

এর আগে পরীক্ষা শুরুর প্রথম দিন বুধবার (১ নভেম্বর) অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৬ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার বহিষ্কার করা হয় ১৯ জনকে।

তৃতীয় দিন গতকাল শনিবার জেএসসির কোনো পরীক্ষা ছিল না। এদিন শুধু জেডিসির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় ২০ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। আর অসাধুপন্থা অবলম্বনের কারণে ১২ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।

আজ (রোববার) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং বিভাগ থেকে পাঠানো তথ্যে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

আজ জেএসসির ইংরেজি ১ম পত্র, জেডিসির আরবি ২য় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ পরীক্ষায় সব কয়টি বোর্ডে মোট ২৩ লাখ ৯০ হাজার ১৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণের কথা থাকলেও ৬২ হাজার ৬১৮ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এছাড়াও অসাধু কার্যক্রমের অপরাধে আজ প্রথমবারের মতো একজন শিক্ষক বহিষ্কার হয়েছেন।

জানা গেছে, জেএসসি পরীক্ষায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৫৪৫ জন। এরমধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৭০২ জন। আর অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৮৪৩ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের জন্য ঢাকা বোর্ডে বহিষ্কার হয়েছে ৫৮ জন শিক্ষার্থী।

রাজশাহী বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ২৪১ জন। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭৭০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭১ জন। বহিষ্কার হয়েছে ৪ জন শিক্ষার্থী।

কুমিল্লা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৪১ হাজার ৪২৭ জন। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৩৩ জন। অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ১৯৪ জন। বহিষ্কার হয়েছে ৯ জন শিক্ষার্থী।

যশোর শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৫১৩ জন। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৩৫০ জন। অনুপস্থিত ছিল ৫ হাজার ১৬৩ জন শিক্ষার্থী। এ বোর্ডে বহিষ্কার নেই।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩১১ জন। পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৫৮ জন। আর অনুপস্থিত ছিল ৩ হাজার ১৫৩ জন। বহিষ্কার হয়েছে ৫ জন শিক্ষার্থী। এছাড়াও অনৈতিক কাজের জন্য একজন পরিদর্শককে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো একজন শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়।

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭ জন। আর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৪৭২ জন। অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৫৩৫ জন। বহিষ্কার হয়েছে একজন শিক্ষার্থী।

বরিশাল বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২১ হাজার ৯৪ জন। আর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৬৪৬ জন। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ৪৪৮ জন। এ বোর্ডে বহিষ্কার হয়েছে ১৩ জন শিক্ষার্থী।

দিনাজপুর বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৭ জন। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ১৮৬ জন। অনুপস্থিত ছিল ৩ হাজার ২৮১ জন। বহিষ্কার হয়েছে ১ জন।

মাদ্রাসায় জেডিসিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩ লাখ ৭০ হাজার ৭৯৫ জন। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৬৪ জন। এই বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ২১ হাজার ৫৩০ জন। বহিষ্কার হয়েছে ৩১ জন শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, এবারও বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া অন্যসব বিষয়ের পরীক্ষা সৃজনশীল প্রশ্নে নেয়া হবে। এ বছর থেকে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এবং চারু ও কারুকলা বিষয়ের পরীক্ষা হবে না। তিন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে সরবরাহ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গত বুধবার জেএসসিতে বাংলা প্রথম পত্র ও জেডিসিতে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ পরীক্ষার মাধ্যমে এ পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ১৮ নভেম্বর।

 

 

শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালকের পিএইচডি ডিগ্রি ভুয়া!
                                  

ভুয়া পিএইচডি ডিগ্রি সনদ দিয়ে নিজের নামের আগে ডক্টর উপাধি ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। এছাড়াও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি পরিচালক ড. মোঃ সৈয়দ আহমদও পিএইচডি ডিগ্রি কিনেছেন। জানা যায়, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আমেরিকান ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি কিনেছেন। সম্প্রতি ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি চ্যানেলের অনুসন্ধানে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি আমেরিকান ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি থেকে অনলাইনে পিএইচডি করেছি। যার ক্যাম্পাস ছিল কাকরাইলে। কাকরাইলের সেই ক্যাম্পাস আছে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এখন সেই ক্যাম্পাস আর নেই।
এখান থেকে যারা তথাকথিত পিএইচডি করে ডিগ্রি করে সনদ নিয়েছেন তাদের ডিগ্রি তো ভুয়া বা অবৈধ। তাহলে আপনার ডিগ্রিও কী ভুয়া? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, এখন কিছু বলা যাবে না। পরে বিস্তারিত লিখিত দেব।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান এ বিষয়ে বলেন, আমেরিকায় এ ধরণের অসংখ্য ইনস্টিটিউট রয়েছে যেগুলোকে সেখানে ব্রিফকেস বা এ্যাপার্টমেন্ট ইউনিভার্সিটি বলে। এগুলো অনলাইনে ডিগ্রি বিক্রি করে। বাংলাদেশে এই ধরণের ইউনিভার্সিটির শাখা বা এজেন্ট রয়েছে।

তিনি বলেন, এসব শাখা বা এজেন্টদের কাছে যদি কোনো ধরনের ডিগ্রি চাওয়া হয় তাহলে তারা বলবে- ডিগ্রির দাম নির্ধারণ করবে, কি বিষয়ে ডিগ্রি দরকার এবং কতদিনের মধ্যে ডিগ্রি লাগবে তাও একজনে চাহিদা অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠান ডিগ্রি দেয়। এমনকি যদি কারও বাড়িতে এসে ডিগ্রি দিয়ে যেতে হয় সেক্ষেত্রে বাড়তি ফি দিলে এসব প্রতিষ্ঠান ডিগ্রি দিয়ে দিবে।
টাকার বিনিময়ে এসব প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া সনদ কখনোই ব্যবহার করা যাবে না এবং এটা অবৈধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এভাবে টাকা দিয়ে ডিগ্রি কিনে নিজের নাম ভারি করার লোকের তালিকা ছোট নয়। এ তালিকায় সরকারি উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন লোকের নাম রয়েছে যারা এসব প্রতিষ্ঠান থেকে টাকার বিনিময়ে পিএচডি ডিগ্রি কিনে নিজের নামের আগে ডক্টরেট উপাধি ব্যবহার করছেন এবং সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন।

আমেরিকান ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ স্টাডি সেন্টার থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েছেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ডাক্তার রেজোয়ানুর রহমান। তার সনদ ঘেটে জানা যায়, তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০৮-২০০৯ শিক্ষা বর্ষে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি একটা কাজ করছি। ওই কাজ করার পর যদি কেউ আমাকে ডিগ্রি দেয় তাহলে আমি নেব না কেন? আমি তো বলব না যে, এটা আমাকে দিয়েন না।

ডিগ্রি বিক্রি করে এমন প্রতিষ্ঠানের কোন হিসেব নেই। এ তালিকায় রয়েছে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যারা টাকার বিনিময়ে সনদ বিক্রি করে। এ প্রতিষ্ঠান থেকেই সনদ কিনেছেন অসংখ্য ব্যক্তি।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উত্তরার ক্যাম্পাসে গেলে সেখানে কেয়ারটেকার ছাড়া আর কাউকে পাওয়া যায় না। তবে ব্যাংক এ্যাকাউন্টসহ ছাত্র ভর্তির অনেক তথ্যই পাওয়া যায় সেখানে। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আরেক ক্যাম্পাস বিজয়নগরে গেলে তারা এসব বিষয় অস্বীকার করে। কোন পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া হয় না বলে তারা জানায়।

এইসব প্রতিষ্ঠানগুলো একবার ধরা পড়লে অন্য নাম ধারণ করে আবার রমরমা ব্যবসা শুরু করে।
অনুসন্ধানের বিষয়ে খবর পেয়ে আমেরিকান ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়। তবে বন্ধ করার আগে সেখান থেকে সব ধরনের তথ্য অনুসন্ধান টিম জব্দ করে। এসব তথ্য ঘেটে বেরিয়ে পড়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এখান থেকে ডিগ্রি নিয়েছেন যা দেখলে চোখ কপালে ওঠার অবস্থা হবে পাঠকদের।

এ তালিকায় রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ ওয়াজেদ আলী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রকল্পের প্রশিক্ষণ বিশেষজ্ঞ ড. মোঃ মনোয়ার হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য ড. নিলুফার চৌধুরী, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক ড. হুমাউন কবির চৌধুরী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. শ্যামা পদ দে, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের উপসচিব ড. রবিউর রেজা সিদ্দিকী, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের আরেক উপসচিব ড. মোঃ তাজুল ইসলাম।

তালিকায় আরো রয়েছেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. জনেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারি সচিব ড. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মোঃ কামাল উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী ড. দেওয়ান মোঃ মতিনুর রহমান।

 

 

চবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটির আভাস
                                  

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি দেয়ার চিন্তা করছে কেন্দ্রীয় সংসদ। এ লক্ষ্যে নতুন কমিটিতে পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবন বৃত্তান্ত নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থগিতাদেশ থাকা ২৬১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিও বিলুপ্ত করা হবে।

রোববার দুপুরে এসব তথ্য জানান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও চবি ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত মশিউর রহমান শরীফ।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্থগিত কমিটি এ মাসের মধ্যেই বিলুপ্তের সম্ভাবনা রয়েছে। তার আগেই আমরা নতুন কমিটিতে যারা পদপ্রত্যাশী তাদের জীবন বৃত্তান্ত সংগ্রহ করব।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২০ জুলাই আলমগীর টিপুকে সভাপতি ও এইচ এম ফজলে রাব্বী সুজনকে সাধারণ সম্পাদক করে কেন্দ্র থেকে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কিন্তু পর পর দুইবার দলীয় সংঘর্ষ-সংঘাত ও ইউনিটকে গতিশীল করতে এ কমিটির কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ জারি করে কেন্দ্র। সর্বশেষ চলতি বছরের ৪ মে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দেয়া হয়।

 

ভ্যাটমুক্ত হতে পারে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল
                                  

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ব্যয় কমাতে ভ্যাটমুক্ত করার ঘোষণা আসতে পারে। এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। সম্প্রতি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ওনার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী এমন ইঙ্গিত দেন বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গত ৩০ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থমন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব ও একজন যুগ্ম সচিবের সঙ্গে তিনটি এজেন্ডা নিয়ে বৈঠক হয় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ওনার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের। বৈঠকে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ভ্যাট আরোপের ফলে বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন স্কুল প্রতিনিধিরা। পাশাপাশি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ভর্তি, টিউশন ফিসহ অন্যান্য ব্যয়ে সাড়ে সাত শতাংশ ভ্যাট আরোপ করায় শিক্ষা ব্যবস্থায় কীরূপ বৈষম্য হচ্ছে তাও তুলে ধরেন তারা।

বৈঠকে প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অ্যাসিস্টেন্ড ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড স্কুলের প্রিন্সিপাল মো. মোর্শেদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ভ্যাট আরোপ করায় বাংলা ও ইংলিশ শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের বৈষম্য তৈরি হয়েছে। ভর্তি ও টিউশন ফি-তে ভ্যাটযুক্ত হওয়ায় পড়ালেখায় ব্যয় বেড়ে গেছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থায় বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

‘ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের মালিক সমিতির দুটি সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি আমরা অর্থমন্ত্রীকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। ভ্যাট বাতিলে দ্রুত ইতিবাচক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন’-বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সভায় ভ্যাট মওকুফ ছাড়া আরও দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তা হলো- সংশোধনী নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা এবং স্কুল পরিচালনায় অভিভাবক ও শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন প্রক্রিয়া।

‘সংশোধনী নীতিমালায় শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়াসহ বাংলা মাধ্যমের সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। এতে নিয়োগে সময়ক্ষেপণসহ নতুন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া স্কুল অভিভাবক ও শিক্ষক প্রতিনিধি গঠনের কথা বলা হলেও কোন প্রক্রিয়ায় হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।’

মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল পরিচালনায় সরকারি কোনো সহায়তা দেয়া হয় না। সেক্ষেত্রে বাংলা মিডিয়ামের আদলে আমাদের পরিচালনা করা কতটা যৌক্তিক তা তুলে ধরা হয় বৈঠকে। বিষয়গুলো সহজীকরণে অর্থমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পরামর্শ দিয়েছেন। দ্রুত এসব বিষয়ে সহজীকরণ করা হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সভায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব বলেন, সভায় তিনটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে অরোপিত সাড়ে সাত শতাংশ ভ্যাট মওকুফের বিষয়টি মূল বিষয় হিসেবে উত্থাপিত হয়। অর্থমন্ত্রী ভ্যাট মওকুফের ইঙ্গিত দিয়েছেন। দ্রুত এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হবে বলেও মন্ত্রী ইংলিশ মিডিয়াম ওনার সমিতির প্রতিনিধিদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগ সহজীকরণ ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনে গাইডলাইন চাওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষক নিয়োগে একটি প্যানেল তৈরি ও কমিটি গঠনে নতুনভাবে দিকনির্দেশনা দেয়া হবে বলে তাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে সাত শতাংশ ভ্যাট থেকে বাড়িয়ে সাড়ে সাত শতাংশ আরোপ করা হয়। এ নিয়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায়। সানিডেল ও সানবিম স্কুলের দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবকের করা রিটের শুনানি শেষে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের টিউশন ফির ওপর আরোপিত সাড়ে সাত শতাংশ ভ্যাট ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। এরপর দুই মাস ভ্যাট দিতে হয়নি অভিভাবকদের।

তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৪ অক্টোবর আপিল বিভাগের চেম্বার জজ বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন হাইকোর্টের ওই আদেশ স্থগিত করেন। ফলে নভেম্বর মাসে থেকে স্কুলগুলোকে আবার ভ্যাট দেয়া শুরু করতে হয়।


   Page 1 of 14
     শিক্ষা
দারুল ইহসানের সনদ বৈধ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা থেকেই যাচ্ছে প্রাথমিক শেষ করা শিক্ষার্থীদের
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ডিনসহ দুই শিক্ষক পরীক্ষার কার্যক্রমে ১০ বছর বহিষ্কার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
উত্তাল রাবি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘চিরকাল জ্ঞান আমদানী নয়, রপ্তানী করতে চাই’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ঠাকুরগাঁওয়ে যাত্রা শুরু করলো ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জেএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে নিয়মিত
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘টাইম বোমায়’ জাবি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
লেকহেড গ্রামার স্কুল খুলে দিতে হাইকোর্টের রুল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল-কলেজ বন্ধ করার কে : হাইকোর্ট
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
৩৭তম বিসিএসের মৌখিক ২৯ নভেম্বর, ৩৮তমের প্রিলি ২৯ ডিসেম্বর
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
দিনাজপুরে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩৩২২ জন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জেএসসিতে বহিষ্কারের রেকর্ড
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালকের পিএইচডি ডিগ্রি ভুয়া!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
চবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটির আভাস
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ভ্যাটমুক্ত হতে পারে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জেএসসি-জেডিসি: প্রথম দিন অনুপস্থিত ৬০৮৯৩, বহিষ্কার ১৬
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘বিমান হামলার টার্গেটে ছিলেন সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিরা’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ছাত্রীদের ছাত্র হোস্টেলে রাখতে হবে– দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ঢাকা মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
অনলাইনে পাস, নম্বরপত্রে ফেল!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
স্ট্যাম্পফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা হান্নান ফিরোজ আর নেই
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘ধ্বংসের প্রান্তসীমা থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উঠে দাঁড়িয়েছে’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
৩৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫৩৭৯
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ভর্তি পরীক্ষায় পাসের পর সার্টিফিকেট রেখে ব্ল্যাকমেইল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শেষ, জালিয়াতির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ১৪
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
কোচিং বাণিজ্য : ১১১ শিক্ষকের তালিকা কমিশনে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রাবির ভর্তি পরীক্ষায় থাকছে ভ্রাম্যমাণ আদালত
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যুক্ত হচ্ছে ছাত্রলীগ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আট মাসেও দ্বন্দ্ব কাটেনি দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জিপিএ–৫ না পেয়েও কেমব্রিজে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ঢাবি ভিসির আশ্বাসে আস্থা পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
প্রশ্নপত্র ফাঁস : নার্স নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ঢাবিতে নিজের বসার জায়গা নিয়ে বিপাকে আরেফিন সিদ্দিক
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনুমোদনে পরিবর্তন আসছে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ১৫ অক্টোবর
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনুমোদনে আসছে বড় পরিবর্তন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
মাস্টার্স শেষ ও প্রথম পর্বের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
HSC admission: First merit list published
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘অনৈতিক কাজ করে কেউ রেহাই পাবে না’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ঢাবিতে ঈদের ছুটি ৩৯ দিন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জাবির আবাসিক হল খুলছে ৮ জুন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
দক্ষতা দেশের কাজে লাগাতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ইংলিশ মিডিয়ামে ফের খরচ বাড়বে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বাকৃবিতে পানির দাবিতে ছাত্রীদের বিক্ষোভ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বেরোবির নতুন উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
৩৮ দিনের ছুটিতে জবি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
গণবিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ বিভাগ খুলে দেয়ার দাবিতে আন্দোলন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......