শিক্ষা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
প্রশ্ন ফাঁসের ছয়টি কারণ তুলে ধরলেন শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন আপলোডকারীদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এবং সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলোকেও শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ধরেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা ও চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এমন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপত্বিতে সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, আইসিটি সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিবসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সব দফতর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত রয়েছেন।

এ সংক্রান্ত করণীয় ও প্রশ্ন ফাঁসের ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরা হয়েছে। সর্বোপরি পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণকে কষ্টসাধ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বিজি প্রেস প্রশ্ন কম্পোজ এডিট, প্রিন্ট ও প্যাকেজিং পর্যায়ে প্রায় ২৫০ ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রায়েছে। তারা প্রশ্নপত্র কপি করতে না পারলেও তা স্মৃতিতে ধারণ করা সম্ভব। এভাবেও প্রশ্ন ফাঁস করা সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছে শিক্ষা-মন্ত্রণালয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে ট্রেজারি বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে অনেক কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। অতিরিক্ত কেন্দ্রের অনুমতি দেয়া হয়েছে। অথচ সেখানে পর্যাপ্ত জনবলের অভাব রয়েছে। তাছাড়া ভেন্যুগুলো থেকে মূল কেন্দ্রগুলোর দূরত্ব অনেক বেশি। ফলে ৩০ মিনিটের আগে কেন্দ্র সচিব প্রশ্ন খুলতে বাধ্য হচ্ছেন। সেখান থেকেও প্রশ্ন ফাঁস হতে পারে।

বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থী বা পরীক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্তদের স্মার্টফোন নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে। গুটি কয়েক কর্মকর্তা-কর্মচারীর কারণে মূল প্রশ্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসকারীদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীরা তৎপরতা আরও বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এটা পরীক্ষার শুরুর ১৫ দিন আগে থেকেই শুরু করা হলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।

গোয়েন্দা বাহিনীর লোকবল ও অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত স্বল্পতার কারণে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নজরদারী করা সম্ভব হচ্ছে না। দুষ্কৃতিকারীদের তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার ও শস্তির আওতায় আনতে না পারায় অন্যরাও অপরাধ করতে ভয় পাচ্ছে না। ফলে প্রশ্ন ফাঁস রোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিটিআরসি কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন আপলোডকারীদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এবং সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলোও শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।

পাবলিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সভায় কার্যপত্রে এসব বিষয় তুলে ধরেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এসব সমস্যা কীভাবে সমাধান করা সম্ভব সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে।

উল্লেখ, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে চলমান এসএসসি পরীক্ষা। এরপর ২ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এইচএসসি পরীক্ষা।

 

প্রশ্ন ফাঁসের ছয়টি কারণ তুলে ধরলেন শিক্ষামন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন আপলোডকারীদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এবং সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলোকেও শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ধরেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা ও চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এমন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপত্বিতে সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, আইসিটি সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিবসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সব দফতর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত রয়েছেন।

এ সংক্রান্ত করণীয় ও প্রশ্ন ফাঁসের ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরা হয়েছে। সর্বোপরি পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণকে কষ্টসাধ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বিজি প্রেস প্রশ্ন কম্পোজ এডিট, প্রিন্ট ও প্যাকেজিং পর্যায়ে প্রায় ২৫০ ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রায়েছে। তারা প্রশ্নপত্র কপি করতে না পারলেও তা স্মৃতিতে ধারণ করা সম্ভব। এভাবেও প্রশ্ন ফাঁস করা সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছে শিক্ষা-মন্ত্রণালয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে ট্রেজারি বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে অনেক কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। অতিরিক্ত কেন্দ্রের অনুমতি দেয়া হয়েছে। অথচ সেখানে পর্যাপ্ত জনবলের অভাব রয়েছে। তাছাড়া ভেন্যুগুলো থেকে মূল কেন্দ্রগুলোর দূরত্ব অনেক বেশি। ফলে ৩০ মিনিটের আগে কেন্দ্র সচিব প্রশ্ন খুলতে বাধ্য হচ্ছেন। সেখান থেকেও প্রশ্ন ফাঁস হতে পারে।

বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থী বা পরীক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্তদের স্মার্টফোন নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে। গুটি কয়েক কর্মকর্তা-কর্মচারীর কারণে মূল প্রশ্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসকারীদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীরা তৎপরতা আরও বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এটা পরীক্ষার শুরুর ১৫ দিন আগে থেকেই শুরু করা হলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।

গোয়েন্দা বাহিনীর লোকবল ও অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত স্বল্পতার কারণে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নজরদারী করা সম্ভব হচ্ছে না। দুষ্কৃতিকারীদের তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার ও শস্তির আওতায় আনতে না পারায় অন্যরাও অপরাধ করতে ভয় পাচ্ছে না। ফলে প্রশ্ন ফাঁস রোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিটিআরসি কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন আপলোডকারীদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এবং সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলোও শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।

পাবলিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সভায় কার্যপত্রে এসব বিষয় তুলে ধরেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এসব সমস্যা কীভাবে সমাধান করা সম্ভব সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে।

উল্লেখ, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে চলমান এসএসসি পরীক্ষা। এরপর ২ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এইচএসসি পরীক্ষা।

 

চবিতে ছাত্রলীগের লাগাতার অবরোধের ডাক
                                  

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরীর অপসারণের দাবিতে লাগাতার অবরোধের ডাক দিয়েছে চবি ছাত্রলীগের একাংশ। সোমবার মধ্যরাতে প্রশাসন কর্তৃক হলে তল্লাশি অভিযানের নামে পুলিশ দিয়ে ছাত্রদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

অবরোধের বিষয়টি নিশ্চিত করে চবি ছাত্রলীগের সাবেক উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হোসাইন টিপু জাগো নিউজকে বলেন, ঘুমন্ত ছাত্রলীগের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নকারী প্রক্টরকে যতক্ষণ পর্যন্ত অপসারণ করা হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত লাগাতার অবরোধ চলবে। এ সময় আটক ১০ নেতাকর্মীর মুক্তির দাবিও জানান সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী এই ছাত্রলীগ নেতা।

এর আগে সকাল থেকে হোসপাইপ কেটে দেয়ায় বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল। চাবিও কেড়ে নেয়া হয়েছে শিক্ষক বাসের।

গতকাল বিকেলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন অনুসারী ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের পর মধ্যরাতে শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় শাহজালাল হল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুইটি কাটা বন্দুক ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১০ নেতাকর্মীকেও আটক করে হাটহাজারী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

 

আবারো প্রশ্ন ফাঁস!
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষার প্রশ্নও ফাঁস হলো। প্রশ্নফাঁসকারী চক্র এ বিষয়টির বহুনির্বচনি প্রশ্নপত্রও পরীক্ষার এক ঘণ্টা আগে ছেড়ে দিয়েছে ইন্টারনেটে। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষার প্রশ্নের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

পরীক্ষা শুরুর আগে সকাল ৯টা ৩ মিনিটে রসায়নের ‘খ’ সেট প্রশ্নপত্রটি হোয়াটসঅ্যাপের গ্রুপে পাওয়া যায়।  ওই প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষা শেষে হাতে পাওয়া প্রশ্ন হুবহু মিলে গেছে।

এ ব্যাপারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে আমরা নতুন নতুন কোনও পথ খোঁজার চেষ্টায় আছি। মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’

এদিকে নানা রকম ব্যবস্থা নেওয়ার পরও প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পারছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘বিদ্যমান পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো সম্ভব নয়।’

উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি বাংলা প্রথমপত্রের বহুনির্বাচনি অভীক্ষার ‘খ’ সেট পরীক্ষার প্রশ্ন ও ফেসবুকে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল ছিল। পরীক্ষা শুরুর একঘণ্টা আগেই তা ফেসবুকে পাওয়া যায়। ৩ ফেব্রুয়ারি সকালে পরীক্ষা শুরুর প্রায় ঘণ্টাখানেক আগে বাংলা দ্বিতীয়পত্রের নৈর্ব্যক্তিক (বহুনির্বাচনি) অভীক্ষার ‘খ’ সেটের উত্তরসহ প্রশ্নপত্র পাওয়া যায় ফেসবুকে। 

যার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া যায়। ৫ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শুরুর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে সকাল ৮টা ৪ মিনিটে ইংরেজি প্রথমপত্রের ‘ক’ সেটের প্রশ্ন ফাঁস হয়। এর সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৪৮ মিনিট আগে সকাল ৯টা ১২ মিনিটে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের ‘খ’ সেটের গাঁদা প্রশ্নপত্রটি হোয়াটসঅ্যাপের একটি গ্রুপে পাওয়া গেছে। ৮ ফেব্রুয়ারি হোয়াটসঅ্যাপের একটি গ্রুপে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষার বহুনির্বাচনি অভীক্ষার ‘খ’ সেটের চাঁপা প্রশ্নপত্রটি পাওয়া যায়। 

১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা ৫৯ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপের একটি গ্রুপে গণিতের ‘খ-চাঁপা’ সেটের প্রশ্নপত্রটি পাওয়া যায়। ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা ৫১ মিনিটে হোয়াটসআপের একটি গ্রুপে আইসিটির ‘ক’ সেট প্রশ্ন পাওয়া যায় এবং সকাল ৯টা ৩ মিনিটে ‘গ’ সেটের প্রশ্নও ফাঁস হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শুরু আগেই পদার্থ বিজ্ঞান এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের প্রশ্নপত্রও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাওয়া যায়।

এছাড়াও বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ছিল বিজ্ঞান গ্রুপের রসায়ন, বাণিজ্য গ্রুপের ব্যবসায় উদ্যোগ এবং মানবিক গ্রুপের পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয়ের পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরুর আগে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে রসায়নের ‘খ’ সেট প্রশ্নপত্রটি হোয়াটসঅ্যাপের গ্রুপে পাওয়া যায়। এসব ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষা শেষে হাতে পাওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

পদত্যাগ করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি : শিক্ষামন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কিছু গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন তিনি। তবে এ নিয়ে অপপ্রচার না চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

তিনি বলেন, আমার পদত্যাগ করা নিয়ে কিছু অনলাইনে নিউজ প্রকাশ করা হয়েছে। পদত্যাগের ফাইল নাকি প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে জমা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতালি সফর থেকে দেশে ফিরলেই আমি পদত্যাগ করতে যাব।

শনিবার রাজধানীর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পদত্যাগ করার বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে তিনি জাগো নিউজকে একান্তে এসব কথা জানান।

জাগো নিউজকে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসব সংবাদের কোনো সত্যতা ও ভিত্তি নেই। আমার পদত্যাগ করার মতো কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। কোনো অন্যায়কারীকে আমরা প্রশ্রয় দেই না। শক্তহাতে তা প্রতিরোধ করা হচ্ছে। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য কিছু গণমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

এসব বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ থেকে সর্বসাধারণকে বিরত থাকার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ বিষয় নিয়ে গতকাল সিলেটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বলে জানান।

উল্লেখ্য, এবারের এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন থেকেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। এমন প্রেক্ষাপটে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে নানাভাবে গুঞ্জন ওঠে। গত সপ্তাহে পদত্যাগ করতে শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছেও গিয়েছিলেন বলে তার মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন বলেও তারা জানান।

 

আন্তর্জাতিক মানরক্ষায় ব্রিটিশ বদ্ধপরিকর-মাহফুজ কবির-
                                  

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঠাকুরগাঁও -এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব মাহফুজ কবির বলেন আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসমৃদ্ধ শিক্ষা প্রদানে বিআইএস পরিবার বদ্ধপরিকর। আজ শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকায় বিআইএস স্কুল ভবনে অবিভাবক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিআইএস চেয়ারম্যান বলেন দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা আধুনিক শিক্ষাসহায়ক পরিবেশে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে। তিনি অবিভাবকগণকে আরো সক্রিয় হবার আহবান জানিয়ে বলেন ভালো একটি স্কুল বিনির্মাণে দায়িত্বশীল অবিভাবকের বিকল্প নেই। পরে তিনি সকল অবিভাবকগণের পরামর্শসমূহ মনোযোগ ও গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং তা সমাধানে যথাসাথ্য ভূমিকাগ্রহণের আশ্বাস দেন। পুরো সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন বিআইএস প্রিন্সিপাল কর্ণেল অবঃ সাহেলউদ্দিন খান।

অবিভাবকগণ প্রতিষ্ঠানটির চলমান কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে সামনে দিনে তা এগিয়ে নেবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এসময়। কর্ণেল সাহেলউদ্দিন তার বক্তব্যে অবিভাবক ও শিক্ষার্থীদের ভূয়সী প্রশংসা করে বিআইএসকে আধুনিক ও উচ্চমান সমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরকরণে নিজের আকাংঙ্কার কথাও ব্যক্ত করেন। অবিভাবকের পরামর্শকে তিনি গুরুকর্তব্য মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নে নিজেকে উড়াজ করে দেবার বাসনাও প্রস্ফুটিত করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এসময় প্রতিষ্টানটির সকল কর্মকর্তা -কর্মচারী ও বিপুল সংখ্যক অবিভাবক সেমিনারে অংশ নেয়

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
                                  

আগামী ২ এপ্রিল থেকে শুরু হবে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা। চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। বুধবার ঢাকা শিক্ষাবোর্ড এ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড বা ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠালে তা চূড়ান্ত করা হয়।

রুটিন অনুযায়ী, আগামী ২ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথমপত্র (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ মে পর্যন্ত চলবে তত্ত্বীয় পরীক্ষা। ১৪ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ২৩ মে পর্যন্ত।

এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

ঢাকা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার কম্পিউটার বিষয়ে আলাদাভাবে পরীক্ষার আয়োজন হবে। আইসিটি বিষয়ের মধ্যে কম্পিউটার বিষয়টি আন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ কারণে প্রতি বছর এইচএসসি পরীক্ষা মোট ৪৪ দিন ধরে আয়োজিত হলেও এবার ৪২ দিন পর্যন্ত চলবে।

সারা দেশে মোট ৫৮টি কেন্দ্র এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নফাঁস ও নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ায় গত বছরের চাইতে এবার ছয়টি কেন্দ্র কমানো হয়েছে। ঢাকায় অবস্থিত বাতিল কেন্দ্রগুলো হলো- ড. শহীদুল্লাহ কলেজ, লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, ধানমন্ডির নিউ মডেল কলেজ, ঢাকা ক্যান্ট. গালর্স কলেজ, আবতাব নগরের ইমপেরিয়াল কলেজসহ আরো একটি কলেজ।

ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার জাগো নিউজকে বলেন, চলতি বছর শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন তৈরি হয়েছে। সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দেয়া হলে তা প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, প্রতি বছর ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। এবার সেদিন স্টার সানডে হওয়ায় পরীক্ষার রুটিন একদিন পিছিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি : 

 

ইংরেজী প্রথমপত্রের প্রশ্নও ফাঁস!
                                  

কিছুতেই যেন প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো যাচ্ছে না। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয়পত্রের পর এবার ইংরেজি প্রথমপত্রের প্রশ্নও ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরীক্ষা শুরুর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে সকাল ৮টা ৪ মিনিটে ইংরোজি প্রথমপত্রের ‘ক’ সেটের প্রশ্ন হোয়াসটঅ্যাপের একটি গ্রুপে পাওয়া যায়। যার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।

সোমবার সকাল ১০টায় ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষাটি শুরু হয়। শেষ হয় দুপুর ১টায়।

পরীক্ষা হওয়া প্রশ্নরবিবার রাত থেকে ফেসবুক, হোয়াসটঅ্যাপ, ইমোসহ বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে নজর রাখার পর সকাল ৮টা ০৪ মিনিটে ইংরেজি প্রথমপত্রের ক সেটের প্রশ্নপত্রটি হোয়াসটঅ্যাপের ‘English 1st part 2018’ নামের একটি গ্রুপে পাওয়া যায়। এরপর ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নটি ছড়িয়ে যায়। পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া প্রশ্নের সঙ্গে ওই প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া যায়। তবে, রবিবার রাত ১১টা ৪৪ মিনিটে প্রশ্ন দেওয়ার দাবি করছে একটি ফেসবুক আইডি।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার বলেন, ‘ইংরেজি প্রথমপত্র প্রশ্নও ফাঁস হয়েছে আপনার কাছ থেকেই প্রথম জানলাম। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়সহ আমরাও তদারকিতে আছি।’

এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্ন একই কায়দায় ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া যায়। বাংলা প্রথম পত্রের বহুনির্বাচনি অভীক্ষার ‘খ’ সেট প্রশ্নপত্র পরীক্ষার প্রশ্ন ও ফেসবুকে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল ছিল।  পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগেই তা ফেসবুকে পাওয়া যায়।

 এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকালে পরীক্ষা শুরুর আগে প্রায় ঘণ্টা খানেক আগে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের নৈর্ব্যক্তিক (বহুনির্বাচনি) অভীক্ষার ‘খ’ সেটের উত্তরসহ প্রশ্নপত্র পাওয়া যায় ফেসবুকে। যার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল যায়।

 

ফাঁস হলো বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নও
                                  

এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনেও প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। আগের মতোই পরীক্ষা শুরুর আগে এবং পরে ফেসবুকে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ এর প্রশ্ন ও উত্তর প্রকাশ করে বিভিন্ন গ্রুপ। এসব গ্রুপ আগে থেকে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রশ্ন ফাঁস করে আসছে। আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা শুরুর আগে সকাল সোয়া ৯টার মধ্যেই উত্তরসহ `খ` সেট বহুনির্বাচনী প্রশ্ন এসব গ্রুপে ফাঁস করা হলে তা ভাইরাল হয়ে যায়। পরীক্ষা শেষে দেখা যায়, বহু নির্বাচনী প্রশ্নের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন হুবহু মিলে গেছে। এদিকে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অভিযোগ প্রমাণ হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে।এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনও এমসিকিউ`র প্রশ্ন একইভাবে ফেসবুকে ফাঁস হয়। সেদিন অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বোর্ড সংশ্লিষ্টরা বলেছিলেন, অভিযোগের সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

 


   Page 1 of 1
     শিক্ষা
প্রশ্ন ফাঁসের ছয়টি কারণ তুলে ধরলেন শিক্ষামন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
চবিতে ছাত্রলীগের লাগাতার অবরোধের ডাক
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আবারো প্রশ্ন ফাঁস!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
পদত্যাগ করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি : শিক্ষামন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আন্তর্জাতিক মানরক্ষায় ব্রিটিশ বদ্ধপরিকর-মাহফুজ কবির-
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ইংরেজী প্রথমপত্রের প্রশ্নও ফাঁস!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ফাঁস হলো বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নও
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......