আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
খিদে মেটাতে প্রতি রাতে রাস্তায় নামে ১৮ হাজার তরুণী!

ভয়াবহ আর্থিক সংকটের মুখোমুখী ইউরোপীয় দেশ গ্রিস। গত ছয় বছর ধরে আর্থিক সংকট এখন রীতিমত সামাজিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে সেখানে।

বিলাসী জীবন নয়, শুধু পেটের জ্বালা মেটাতে রাস্তায় নামতে হচ্ছে হাজার হাজার তরুণীকে।
একটি জরিপে দেখা গিয়েছে, খিদে মেটাতে প্রায় ১৮ হাজার তরুণী দেহব্যবসা শুরু করেছেন। সেই সুবাদে পূর্ব ইউরোপে দেহব্যবসায় শীর্ষ অবস্থানে এখন গ্রিস।
গ্রিসের জনজীবন নিয়ে ৩ বছর ধরে জরিপ চালানো অ্যাথেন্স-এর পেন্টিয়ন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক লাক্সসের কথায়, কোনও কোনও নারী একটু চিজ বা একটা স্যান্ডউইচের জন্যও দেহ বেচতে রাজি হয়ে যাচ্ছেন। কারণ তাঁরা ক্ষুধার্ত। তাঁদের খাবার চাই। কেউ কেউ আবার বিল মেটানো, কর দেওয়া, জরুরি চাহিদা বা ওষুধ কেনার জন্য এই পথে পা বাড়াচ্ছেন।

গ্রিসে যখন অর্থনৈতিক সংকট শুরু হয়, তখন একজন নিশিকন্যার দর ছিল ৫৩ ডলার। এখন তা ঠেকেছে ২.১২ ডলারে। ৩০ মিনিটের বিনিময়ে এই টাকা হাতে পান দেহব্যবসায়ীরা।

লাক্সসের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ন্যূনতম টাকার বিনিময়ে বিছানায় যাচ্ছেন তাঁরা। এক টুকরো খাবারের জন্য গ্রিসের রাতে পথে বেরুচ্ছেন প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার তরুণী। যাঁদের অধিকাংশেরই বয়স ১৭ থেকে ২০-র মধ্যে।

খিদে মেটাতে প্রতি রাতে রাস্তায় নামে ১৮ হাজার তরুণী!
                                  

ভয়াবহ আর্থিক সংকটের মুখোমুখী ইউরোপীয় দেশ গ্রিস। গত ছয় বছর ধরে আর্থিক সংকট এখন রীতিমত সামাজিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে সেখানে।

বিলাসী জীবন নয়, শুধু পেটের জ্বালা মেটাতে রাস্তায় নামতে হচ্ছে হাজার হাজার তরুণীকে।
একটি জরিপে দেখা গিয়েছে, খিদে মেটাতে প্রায় ১৮ হাজার তরুণী দেহব্যবসা শুরু করেছেন। সেই সুবাদে পূর্ব ইউরোপে দেহব্যবসায় শীর্ষ অবস্থানে এখন গ্রিস।
গ্রিসের জনজীবন নিয়ে ৩ বছর ধরে জরিপ চালানো অ্যাথেন্স-এর পেন্টিয়ন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক লাক্সসের কথায়, কোনও কোনও নারী একটু চিজ বা একটা স্যান্ডউইচের জন্যও দেহ বেচতে রাজি হয়ে যাচ্ছেন। কারণ তাঁরা ক্ষুধার্ত। তাঁদের খাবার চাই। কেউ কেউ আবার বিল মেটানো, কর দেওয়া, জরুরি চাহিদা বা ওষুধ কেনার জন্য এই পথে পা বাড়াচ্ছেন।

গ্রিসে যখন অর্থনৈতিক সংকট শুরু হয়, তখন একজন নিশিকন্যার দর ছিল ৫৩ ডলার। এখন তা ঠেকেছে ২.১২ ডলারে। ৩০ মিনিটের বিনিময়ে এই টাকা হাতে পান দেহব্যবসায়ীরা।

লাক্সসের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ন্যূনতম টাকার বিনিময়ে বিছানায় যাচ্ছেন তাঁরা। এক টুকরো খাবারের জন্য গ্রিসের রাতে পথে বেরুচ্ছেন প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার তরুণী। যাঁদের অধিকাংশেরই বয়স ১৭ থেকে ২০-র মধ্যে।

ছাত্রীর পোশাকে রক্তের দাগ, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ স্কুল
                                  

স্কুল থেকে বৃহস্পতিবার বাড়ি ফেরার পর চার বছরের মেয়ের পোশাকে রক্তের দাগ লেগে থাকতে দেখেন মা। তারপরই জানা যায়, ওই শিশুটিকে স্কুলেরই দুই শিক্ষক যৌন নির্যাতন করেছেন।

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হতে চলেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সেই জি ডি বিড়লা স্কুল। রবিবার স্কুলের প্রিন্সিপাল স্কুল বন্ধের ঘোষণা দেন। নোটিসও লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে স্কুলের দেওয়ালে। তাতে লেখা রয়েছে, আগামী সোমবার থেকে স্কুল বন্ধ থাকছে।

এই ঘটনায় অভিষেক ও মফিজউদ্দিন নামের শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চকলেটের লোভ দেখিয়ে স্কুল চলাকালে ওই ছাত্রীকে তারা টয়লেটে নিয়ে যায় এবং যৌন নির্যাতন করে। এই ঘটনা সামনে আসার পর শুক্রবার সকালে বিক্ষোভ শুরু করে অভিভাবকরা। 

অভিভাবকরা বেশ কিছু দাবি সামনে এনেছেন। স্কুলে পর্যাপ্ত সিসিটিভি লাগাতে হবে, নিচু ক্লাসে কোনও পুরুষ শিক্ষক রাখা যাবে না, প্রত্যেকটা শৌচালয়ের বাইরে মহিলা সহকারি রাখতে হবে, স্কুলের বিভিন্ন বিষয়ে পর্যবেক্ষণের জন্য অভিভাবকদের নিয়ে একটা কমিটি তৈরি করতে হবে।

অভিভাবকদের এই সমস্ত দাবি যত দিন না পূর্ণ হচ্ছে, তত দিন স্কুল বন্ধ রাখা হবে বলে প্রিন্সিপাল জানান।

বাবা-কাকা-দাদা মিলে গণধর্ষণ করল যুবতীকে!
                                  

মাসখানেক আগে প্রেমিকের সঙ্গে ঘর ছেড়েছিলেন তিনি। সেই ‘অপরাধে’র শাস্তি দিতে নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করলেন এক ব্যক্তি! তাতে যোগ দিলেন মেয়েটির দাদা-কাকারাও। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরনগরের। ওই চার অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মুজফ্ফরনগরের ধনেড়া গ্রামের বাসিন্দা ওই যুবতীর অভিযোগ, প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর জন্যই তাকে ঘরে আটকে রেখে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, ওই চার জন মিলে ধর্ষণ করে তাকে। রাজ্য পুলিশের এক আধিকারিক কুশল পাল সিংহ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ইলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশে ওই চার জনের বিরুদ্ধেই মামলা রুজু করা হয়েছে।

পুলিশের কাছে ওই যুবতীর আরও অভিযোগ, গণধর্ষণের পর তাকে হুমকিও দেওয়া হয়েছে। আদালতে এক বিচারপতির কাছে ওই যুবতীর বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

পোপকে ‘রোহিঙ্গা’ উচ্চারণ করতে মানা
                                  

আগামীকাল সোমবার মিয়ানমার সফরে যাচ্ছেন ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। আর এই সফরকালে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ না করার জন্য পোপের প্রতি আহবান জানিয়েছেন মিয়ানমারের বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনের আর্চবিশপের প্রধান কার্ডিনাল চার্লস মং বো। 

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস- এ খবর প্রকাশ করেছে। 

প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, রোহিঙ্গা শব্দ উচ্চারণে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চি এবং দেশটির সেনাবাহিনী আপত্তি থাকায় কার্ডিনাল চার্লস মং বো পোপকে তা উচ্চারণ করতে নিষেধ করেছেন।

 

ওবামাকন্যার পাশে ইভাঙ্কা-চেলসি
                                  

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মেয়ে মালিয়াকে ঘিরে ক্রমেই বিতর্ক বাড়ছে। হার্ভার্ডের ছাত্রী মালিয়ার চুম্বনের দৃশ্য নিয়ে বিতর্কের পর এবার ধূমপানের ভিডিও ঘিরে বিতর্কের পারদ চড়ছে।

তবে ওবামাকন্যার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকন্যা ইভাঙ্কা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকন্যা চেলসি।

বাবাদের মধ্যে রাজনৈতিক ও আদর্শগত অবস্থানের বিরোধিতা থাকলেও প্রেসিডেন্টকন্যাদের একজনের আরেকজনের প্রতি সমর্থনের বিষয়টি এখন আলোচনায় নতুনমাত্রা যোগ করেছে।

সম্প্রতি একটি ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে মালিয়া ওবামার প্রকাশিত ছবি থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। মালিয়াকে ওই ছবিতে চুম্বনরত অবস্থায় দেখা যায়। অন্য আরও একটি ছবিতে ধূমপান করতে দেখা গেছে তাকে।

এসব ছবি পরবর্তী সময়ে অনলাইনে ভাইরাল হয়ে পড়ে। নেটিজেনরা মিলে মালিয়ার সমালোচনায় মুখর হন। একদা মার্কিন ফার্স্ট ডটারের কী কী করা দরকার তা নিয়ে তালিম দেয়া শুরু হয় চারদিক থেকে।

এ অবস্থায় ওবামাকন্যা মালিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামা বা তার স্ত্রী মিশেলও কিছু বলেননি।

তবে মালিয়ার হয়ে সমালোচকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান আমেরিকার বর্তমান ফার্স্ট ডটার ইভাঙ্কা ট্রাম্প।

সমালোচকদের পাল্টা সমালোচনা করে বললেন, সাবেক প্রেসিডেন্টের কন্যা বলে মালিয়াকে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা উচিত নয়।

ইভাঙ্কা বলেন, মালিয়া তার আর পাঁচটা কলেজ যাওয়া বন্ধুর মতোই সদ্য তারুণ্যে পা রাখা এক ছাত্রী। তার বয়সী অন্য ছাত্রছাত্রীর মতো তাকেও গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার দেয়া উচিত। মালিয়া আমেরিকার একজন সাধারণ স্বাধীন নাগরিক। আর আমেরিকার যে কোনো বাসিন্দা নিজের পারিবারিক ও সামাজিক জীবন যতটা ব্যক্তিগত রাখতে চান, মালিয়াও নিশ্চয়ই তাই চান।

ইভাঙ্কার এ বক্তব্যের পরই মালিয়াকে সমর্থন করেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকন্যা চেলসিও।

টুইটারে তিনি লেখেন- মালিয়ার জীবন বা নাগরিক হিসেবে সে কী করছে, তার কোনোটাই আলোচনার বিষয়বস্তু হতে পারে না। আক্রমণ করবেন না।

 

মিসরে মসজিদে গুলি ও বোমা হামলা : নিহত ১৮৪
                                  

মিসরের উত্তর সিনাই প্রদেশের একটি মসজিদে গুলি ও বোমা হামলায় অন্তত একশ ৮৪ জন নিহত এবং আরও একশ ২৫ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় হামলার ঘটনা ঘটে। বির আল আবেদ শহরে হামলার ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, হামলাকারীরা নামাজ আদায়কারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে চারটি গাড়ি থেকে। অন্তত একশ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সে ক্ষেত্রে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইতোমধ্যেই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি।

২০১৩ সাল থেকে অঞ্চলটিতে জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছে মিসর সরকার। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর সমর্থকরা ছিল হামলার টার্গেট। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি।

এর আগে সিনাইয়ে জঙ্গিদের গ্রেফতারের জন্য মিসরের নিরাপত্তা বাহিনী অ্যামবুশে গেলে পাল্টা আক্রমণে ৫০ পুলিশ নিহত হয়। মিসর সরকার পরে জানায় ১৬ জন পুলিশ মারা গেছে।

যুদ্ধের জন্য অস্ত্র নির্মাতাদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ পুতিনের
                                  

যুদ্ধ বাধলে স্বল্প দিনের নোটিসে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র নির্মাণের জন্য ব্যবসায়ীদের প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বুধবার সেনাপ্রধান ও অস্ত্র নির্মাতাদের এক সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে সোচিতে গিয়ে এই কথা বলেন পুতিন।

 

পুতিন জানিয়েছেন, স্বল্প দিনের নোটিশে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র নির্মাণের দক্ষতা থাকলে তবেই বোঝা যায় কোনও দেশ প্রতিরক্ষা খাতে কতটা উন্নত। পুতিন আশা প্রকাশ করেছেন, কৌশলগত দিক থেকে এগিয়ে থাকতে রুশ অস্ত্র ব্যবসায়ীরা নিশ্চয় প্রচুর পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র নির্মাণের জন্য তৈরি রয়েছেন।

এই বক্তব্যের মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই দেশের সেনার দুই প্রধান বাহিনী, পদাতিক ও নৌসেনা বাহিনীকে নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রুশ সেনা যে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে যে কোনও যুদ্ধের মোকাবেলা করতে, সেটাও বুঝিয়ে দিতে ছাড়েননি তিনি।

২০০৮-এর জর্জিয়ান যুদ্ধের পর থেকে রুশ মিলিটারির বৈপ্লবিক আধুনিকীকরণ হয়েছে। সোভিয়েত জমানার পুরনো সমস্ত সামরিক সরঞ্জাম ফেলে নতুন মারণাস্ত্র নিয়ে ম্যারাথন পরীক্ষা নিরীক্ষা হয়েছে। বেড়েছে প্রতিরক্ষা খাতে খরচও। এবার রুশ সেনার জন্য বার্ষিক ৩ ট্রিলিয়ন রুবল বরাদ্দ করা হয়েছে। যা দেশের মোট জিডিপির প্রায় ৩.৩%। 

পুরুষ ঠাসা ক্লাসরুমে কলা খেয়ে গ্রেফতার সঙ্গীত শিল্পী!
                                  

অপরাধ একটায় কলা খেয়েছিলেন তিনি। আর সেই কারণেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মিশরে। মিশরের নামকরা পপ তারকা শাইমা তার এক মিউজিক ভিডিওতে একটি কলা খাওয়ার অপরাধে এখন অভিযুক্ত।

মিউজিক ভিডিওতে তার কলা খাওয়া নিয়ে এখন তোলপাড় বিনোদন দুনিয়া। মিশরে কলা খাওয়ার ওপরে কোনো নিষেধ নেই। কিন্তু শাইমা তার ভিডিওতে এমন কাণ্ড করেছেন যে, তাকে গ্রেফতার না করে উপায় ছিল না আইন রক্ষকদের।

ভিডিওটিতে দেখানো হয়েছে, একটা পুরুষ ঠাসা ক্লাসরুমে তিনি নাচ করছেন। ক্লাসের বোর্ডে বড় করে লেখা রয়েছে 69 এবং তিনি অন্তর্বাস পরে নাচতে নাচতে কখনো একটা কলা খাচ্ছেন, কখনো একটা আপেল চাটছেন।

বলাই বাহুল্য এই সবকটি কাণ্ডই দারুণ রকমের ইঙ্গিতবাহী। কলা খাওয়া, আপেল চাটা থেকে শুরু করে এই 69 সবকিছুই পর্নোগ্রাফির অনুষঙ্গ বহন করে।

প্রাথমিক ভাবে ২১ বছেরের এই তারকাকে গ্রেফতার করা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। সেই সঙ্গে মিশরের কোথাও তার অনুষ্ঠান করার ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয়নি।

আল্টিমেটাম শেষ, পদত্যাগ করেননি মুগাবে
                                  

জিম্বাবুয়ের ক্ষমতাসীন দলের বেঁধে দেয়া সময় পেরিয়ে গেলেও পদত্যাগ করেননি প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবে। জাতির উদ্দেশে তার দেয়া ভাষণ শুনেও হতাশ হয়েছে জনগণ।

জনগণের প্রত্যাশা ছিল, বোববার বিকেলে জাতির উদ্দেশে দেয়া সরাসরি ভাষণে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন মুগাবে। কিন্তু গত ৩৭ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার পরেও পদত্যাগ করতে রাজি নন তিনি।

দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্টকে বরখাস্তের এক সপ্তাহের মাথায় অভ্যুত্থান ঘটিয়ে গত ১৫ আগস্ট মুগাবেকে গৃহবন্দী করে রাখে সেনাবাহিনী। তারপর মুগাবের দল এবং হাজার হাজার নাগরিক তার পদত্যাগ দাবি করে বিক্ষোভ শুরু করে।

জানু-পিএফ পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে গত রোববার বরখাস্ত করে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানায়। তবে সোমবার বিকেল পর্যন্ত বেঁধে দেয়া সময়সীমা শেষ হলেও পদত্যাগ করেননি তিনি।

সূত্র : আল জাজিরা

 

নওয়াজ কন্যার টুইটে শেখ হাসিনা ও এসকে সিনহা
                                  

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা করতে গিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার উদাহরণ টেনেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের কন্যা মরিয়ম নওয়াজ শরীফ।

একাধিক টুইট বার্তায় তিনি বাংলাদেশের বিচার বিভাগে পাকিস্তানের প্রসঙ্গ টানায় নিজের দেশকে ছোট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে বলেন, এভাবেই অন্য দেশ আপনাদের (বিচার বিভাগ) দেখছে। একটি খারাপ সিদ্ধান্ত ন্যায় বিচারের সমস্ত সুনাম ক্ষুন্ন করে।

মরিয়ম তার একটি টুইটা বার্তায় টেলিভিশনে দেখানো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ছবিও যুক্ত করে দেন। গত জুলাই মাসের শেষ দিকে দুর্নীতির অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে অযোগ্য ঘোষণা করেন পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট।

এরপরই পদত্যাগ করেন নওয়াজ শরীফ। বর্তমানে দুর্নীতির দায়ে বিচারের মুখোমুখি পুরো নওয়াজ পরিবার। সম্প্রতি আপিল বিভাগে এক শুনানিতে পাকিস্তানের বিচার বিভাগের উদাহরণ টানেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা।

ওই শুনানিতে তিনি বলেন, আমরা অনেক ধৈর্যশীল। পাকিস্তানের আদালত তাদের প্রধানমন্ত্রীকে সরিয়ে দিয়েছেন। সেখানে কি এ নিয়ে কোন সমালোচনা হয়েছে? তার এই বক্তব্যের পরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এস কে সিনহার নাম উল্লেখ না করে সমালোচনা করে বলেন, তার পদত্যাগ করা উচিত। পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা করা সবচেয়ে অপমানজনক বিষয়। এটি সহ্য করা হবে না।

ষোড়শ সংশোধনীকে কেন্দ্র করে নানা আলোচনা-সমালোচনার মুখে ছুটিতে যান সাবেক প্রধান বিচারপতি। এক পর্যায়ে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিরও অভিযোগ উঠে। শেষ পর্যন্ত ছুটিতে থাকা অবস্থাতেই রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান এস কে সিনহা।

 

‘পদত্যাগে রাজি হয়েছেন মুগাবে’
                                  

‘জিম্বাবুয়ের নেতা রবার্ট মুগাবে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগে রাজি হয়েছেন। এ জন্য তিনি একটি খসড়া চিঠিও প্রস্তুত করেছেন।’ সেনাবাহিনীর সঙ্গে মুগাবের পদত্যাগ আলোচনার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট জিম্বাবুয়ের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ওই কর্মকর্তা বলছেন, নিজের, স্ত্রীর এবং তার ব্যক্তিগত সম্পত্তির পূর্ণ নিরাপত্তাসহ মুগাবের বেশ কিছু দাবি মেনে নিয়েছেন দেশটির সেনা প্রধান।

তিনি বলেন, রোববার টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে মুগাবে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলকে সাংবিধানিকভাবে বৈধ ঘোষণা করবেন বলে প্রত্যাশা করেছিলেন সেনা জেনারেলরা। এমনকি সেনাবাহিনীর সঙ্গে মুগাবের বোঝাপড়াও হয়েছিল সেরকম।জিম্বাবুয়ের ওই কর্মকর্তা বলেছেন, পদত্যাগের জন্য প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই সংসদের স্পিকারের কাছে একটি চিঠি পাঠাতে হবে। জিম্বাবুয়েতে অনিশ্চয়তার নতুন একটি সপ্তাহ শুরু হয়েছে। রোববার মুগাবের নিজ দল জানু-পিএফ প্রধানের পদ থেকে বহিষ্কারের পর দেশটির স্বাধীনতা যুদ্ধের এ গেরিলা নেতাকে প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়তে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে তিনি পদত্যাগ না করলে সংসদে অভিশংসনের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হবে বলেও হুমকি দিয়েছে জানু-পিএফ। রোববার টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে অনেকে প্রত্যাশা করেছিলেন ৩৭ বছরের দেশ শাসনের অবসানে নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন মুগাবে। কিন্তু সেই ঘোষণা না দেয়ায় অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেন।এর আগে শনিবার মুগাবের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী হারারের রাস্তায় সেনাবাহিনী ও জানু-পিএফের সমর্থনে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ মিছিল করেন। বুধবার দেশটির শাসনক্ষমতা সেনাবাহিনী কেড়ে নেয়ার পর থেকে গৃহবন্দি রয়েছেন মুগাবে।

রোববারের ভাষণে মুগাবে কোথাও যাবেন না বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি তার রাজনৈতিক দল জানু-পিএফ’র আগামী কংগ্রেসে নেতৃত্ব দেয়ার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন।রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে মুগাবের ওই ভাষণের পর জিম্বাবুয়ের রাস্তায় অনেকেই নেমে আসেন; এসময় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। হারারের বাসিন্দা টিনা মাদজিমুর মুগাবের ওই ভাষণকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি সেনা জেনারেলদের বোকা বানিয়েছেন।’মাদজিমুর বলেন, ‘এই মানুষটি জিম্বাবুয়েকে তার হাতে নিয়ে কবরে যাবেন।’

 

হঠাৎ জার্মান থেকে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার
                                  

অাজ শনিবার দুপুরে সৌদি সরকার জার্মানি থেকে তাদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
সৌদি আরবের বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমের সূত্র মতে জার্মানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গিবারটিল লেবাননের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আলাপ কালে বলেছিলেন যে, সৌদি সরকার লেবাননের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সা‘দ আল হারিরিকে জোরপূর্বক রাজধানী রিয়াদে আটকে রেখেছে।

সৌদি সরকার বলছে জার্মান মন্ত্রীর এমন ভিত্তিহীন কথা বিবাদমান পরিস্থিতির আরো অবনাতি ঘটাবে।
প্রতিবাদ স্বরূপ সৌদি সরকার জার্মান থেখে তাদের রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এবং জার্মান দূতাবাসে প্রতিবাদলিপি পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সূত্র: আল আরাবিয়া

ইরানের বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে ইসরাইলের সহযোগিতার প্রস্তাব

ইরানের মোকাবেলায় সৌদি আরবকে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইল সেনাপ্রধান এ প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তার দেশ মধ্যপ্রাচ্যে ইরানী প্রভাব হ্রাসে সৌদির সাথে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত।’

জেনারেল ‘গাদি ইজিনকোত ’ সৌদিনিউজ এজেন্সি ‘ইলাফ’ কে দেয়া একসাক্ষাৎকারে বলেন, ইরানকে মোকাবেলায় ইসরাইল সৌদির সাথে গোয়েন্দাতথ্য বিনিময়ে প্রস্তুত। তবে ইরানের কৌশলগত মিত্র লেবাননের হিযবুল্লাহ এর ওপর আক্রমণের কোন ইচ্ছা তার দেশের নেই বলে জানান।

ইলাফ জানায়, নজিরহীন এ-সাক্ষাৎকার তেল আবিবে সেনাপ্রধানের কার্যালয়ে ফিলিস্তিনি একসাংবাদিক গ্রহণ করেন।

সম্প্রতি সৌদি আরব ইরানের প্রতি অভিযোগ করে, তারা হিযবুল্লাহসহ বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে আরবদেশগুলোতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে।

ইরান ও রিয়াদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং ইরানের ব্যপারে ইসরাইল ও সৌদির অভিন্ন অভিযোগই হয়তো এ-দুই দেশকে তাদের দৃষ্টিতে অভিন্ন হুমকি মোকাবেলায় একযোগে কাজ করার অবস্হানে নিয়ে এসেছে।

যদিও সৌদি এখনও মনে করে, রিয়াদ ও তেল আবিবের সম্পর্ক ১৯৬৭ সালে দখলীকৃত ভূমি হতে ইসরাইলের সরে যাওয়ার ওপর নির্ভর করে।

দখলদার সেনাপ্রধান জানান, হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের আগমন মধ্যপ্রাচ্যে নতুন জোট তৈরির সুযোগ এনে দিয়েছে।

তিনি ইরানি হুমকি মোকাবেলায় ব্যপকভিত্তিক ও কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

তার ভাষায়, ইরানকে মোকাবেলায় মধ্যপন্হী আরবদেশগুলোর সাথে গোয়েন্দাতথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে তার দেশ প্রস্তুত রয়েছে।

সম্প্রতি লেবানের প্রধানমন্ত্রী সাদ আল হারিরি ইরান ও হিযবুল্লাহকে অভিযুক্ত করে সৌদি হতে পদত্যাগ করেন। এরপর হতেই ইসরাইলের পক্ষ হতে লেবানে হিযবুল্লাহের ওপর সামরিক আগ্রাসনের আশংকা দেখা দেয়।

এ ব্যপারে দখলদার সেনাপ্রধান জানান, লেবানের হিজবুল্লাহের ওপর তার দেশের আক্রমনের ইচ্ছা নেই, তবে আমরা ইসরাইলের বিরুদ্ধে কৌশলগত কোন হুমকি মেনে নিব না।

সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স ও আল জাজিরা

রমরমা শুক্রাণু ব্যবসা
                                  

বলিউডের ‘ভিকি ডোনার’ ছবিটি অনেকেই দেখেছেন। শুক্রাণু বিক্রি করে বেশ টাকা কামানো এক যুবককে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় ছবির গল্প। শুধু রূপালী পর্দায়ই নয়, শুক্রাণু দানের চর্চা কিন্তু বাস্তবেও আছে। পশ্চিমে এক সময় চর্চাটা সীমিত ছিল পড়াশুনার ফাঁকে টুপাইস কামানোর চিন্তায় থাকা শিক্ষার্থীদের মাঝে। কিন্তু শুক্রাণু দানের ব্যবসা এখন বেশ রমরমা! লন্ডন-ভিত্তিক ম্যাগাজিন ইকোনমিস্টের এক নিবন্ধে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এই ব্যবসার আদ্যপান্ত।
আশির দশকে এইডসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকে এই ব্যবসা নিয়ে রাখঢাক দূর হয়।

দানকৃত শুক্রাণু পরীক্ষা-নীরিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার খরচ ও ঝুঁকি দুইই এ সময় বেড়ে যায়। তখন শুক্রাণু দানের ব্যবসা লুফে নেন অনেক উদ্যোক্তা। ব্লাড ব্যাংকের আদলে গড়ে উঠে শুক্রাণু ব্যাংক! আর আজ দক্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো, বিশেষ করে যারা বিদেশেও শুক্রাণু রপ্তানি করতে পারছে, তারা বেশ ভালো অঙ্কের ব্যবসাই করছে। কিন্তু কীভাবে?

মূলত, দু’টি কারণে উদ্যোক্তারা সুবিধা করতে পেরেছে। প্রথমত, অনেক দেশেই শুক্রাণু দানের ক্ষেত্রে নানা বিধিনিষেধ আছে। ফলে সেসব দেশে চাহিদা অনুযায়ী শুক্রাণুর জোগান নেই। বৃটেন সহ অনেক দেশেই বেনামে শুক্রাণু দান করা অবৈধ করা হয়। কিন্তু, বেশিরভাগ দাতাই স্বনামে শুক্রাণু দানে আগ্রহী নন। আবার কিছু দেশে শুক্রাণু দান করা যায়, কিন্তু বিনিময়ে টাকা নেওয়া অবৈধ। এ কারণেই এই দেশগুলোতে শুক্রাণু দান করার মতো লোক পাওয়াই মুশকিল হয়ে পড়ে। আর এই সংকটের কারণেই সন্তান ধারণে অক্ষম লোকজন বিদেশ থেকে শুক্রাণু কেনার কথা ভাবতে শুরু করে।

দ্বিতীয়ত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সমকামীতাকে মেনে নেওয়া হচ্ছে। এসব পরিবারের সবচেয়ে বড় অভাবই হলো সন্তান। এই অপূর্ণতা গুছাতেই নারী-সমকামী দম্পত্তি বা স্বামীহীন নারীরা বিকল্প উপায়ে সন্তান ধারণের কথা ভাবেন। অনেক দেশেই আবার দানকৃত শুক্রাণুর মাধ্যমে নারীদের সন্তান ধারণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে। ফলে এসব নারীরা শুক্রাণুর জন্য বিদেশমুখী হতে দ্বিধা করেন না।

সবচেয়ে চতুর প্রতিষ্ঠানগুলো এসব দেশকেই টার্গেট করে। তারা শুক্রাণু সরাসরি সেসব দেশের ক্লিনিকে রপ্তানি করে, যেসব দেশে শুক্রাণু দানের ওপর কড়াকড়ি আছে। সম্ভবত, আরও বেশি অর্থ পাওয়া যায় যদি সরাসরি আগ্রহী দম্পত্তি বা ব্যক্তির কাছে শুক্রাণু বিক্রি করা যায়। ইন্টারনেট আর কুরিয়ার সার্ভিসের এই যুগে, বিদেশী প্রতিষ্ঠান থেকে শুক্রাণু অর্ডার দিয়ে ঘরে নিয়ে আসাটা কঠিন কোনো কাজ নয়।

আমেরিকান শুক্রাণু ব্যাংকগুলো ব্যবসার ক্ষেত্রে বেশ এগিয়ে। এদের কেউ কেউ দাবি করে, একজন শুক্রাণু দাতা মাসে সর্বোচ্চ ১৫০০ ডলারও আয় করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত যৌনক্রিয়া থেকে অনেকটাই অনিয়মিত হয়ে যেতে হয় দাতাকে।
প্রত্যেক বারের জন্য সাধারণত দাতা ১০০ ডলার পেয়ে থাকেন। প্রতিবার যে পরিমাণ শুক্রাণু পাওয়া যায়, তা ৫টি বোতলে রাখা যায়, যেগুলোর প্রত্যেকটি ৫০০ থেকে ১০০০ ডলারে বিক্রি করা সম্ভব। আর বেশিরভাগ ক্রেতাই একাধিক বোতল কেনেন। দাতা খুঁজে পাওয়া, পরীক্ষা, পুনঃপরীক্ষা, শুক্রাণু সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের খরচ একেবারে কম নয়। তবে সব খরচ বাদ দিয়েও মুনাফা থাকে ঢের।

এই ব্যবসায় প্রতিযোগিতাও আছে ব্যপক। গ্রাহকদের বাড়তি সুবিধা দিতে অনেক প্রতিষ্ঠানই তাদের ‘পণ্য’ তথা শুক্রাণুর নিরাপত্তার ওপর জোর দিয়ে থাকে। অনেকে আবার নিজেদের ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন দেন জনপ্রিয় ডেটিং সাইটে। ওয়েবসাইটে ক্রেতারা পছন্দসই বৈশিষ্ট্যের শুক্রাণুও বেছে নিতে পারেন। চোখের রং, শিক্ষা বা শখ — দাতার নানাবিধ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী অনেকে শুক্রাণু বেছে নেন। অনেক প্রতিষ্ঠান আবার বেশি অর্থের বিনিময়ে দাতার অতিরিক্ত তথ্য জানার সুযোগ দেয় গ্রাহককে। যেমন, ২৫ ডলার দিয়ে হয়তো দাতার ছোটবেলার ছবি দেখে নিতে পারেন গ্রাহক। কারণ, ধরেই নেওয়া হয়, শুক্রাণু দাতার অনেক বৈশিষ্ট্য পাবে সন্তান।

এই ব্যবসা নিয়ে বিতর্ক যে নেই তা নয়। মুক্ত বাজার অর্থনীতির সবচেয়ে কট্টর সমর্থকরাও এই প্রশ্নে একমত নন যে, শুক্রাণু বা দেহের অন্যান্য টিস্যু আর দশটা পণ্যের মতো বাধাহীনভাবে বিক্রি করতে দেওয়া উচিত কিনা। দানকৃত শুক্রাণু থেকে যে সন্তান জন্ম নেবে তার স্বার্থের কথা চিন্তা করে, শক্ত যুক্তি খাড়া করা যায় যে, এই ব্যবসায় কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা উচিত। যেমন, সব শুক্রাণুধার রোগমুক্ত কিনা তা পরীক্ষা করার বাধ্যবাধকতা আরোপের কথা বলেন অনেক।
কিন্তু কে দানকৃত শুক্রাণুর মাধ্যমে সন্তান ধারণ করতে পারবেন, আর কে পারবেন না, তা যদি নৈতিকতা-উদ্ভূত নীতিমালার মাধ্যমে নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হয়, তবে বৈষম্যমূলক হয়ে যায়। আবার এখনকার ইন্টারনেট শপিং-এর যুগে এসব বিধিনিষেধ অকার্যকরও।

শুক্রাণু দানের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণমূলক নীতিমালা, অপ্রতুলতা ও উচ্চমূল্যের (এক দশকে দ্বিগুণ হয়েছে দাম) কারণে গ্রাহকরা শুক্রাণুর অন্য উৎসও খুঁজছেন। এর মধ্যে আছে এক আন্তর্জাতিক কালোবাজার, যা নজরদারির আওতায় নেই। ফলে নিয়ন্ত্রণ আরোপও খুব কাজের কথা নয়।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সে বাঁধবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ
                                  

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানবজাতির বিকাশে ‘খুবই তাৎপর্যপূর্ণ’। মূলত আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স হিসেবে পরিচিত মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কম্পিউটারের মাধ্যমে অনুকৃত ও প্রতিস্থাপিত করার এই চেষ্টা ও গবেষণাকে সভ্যতার জন্য হুমকি বলছেন প্রযুক্তি বিজ্ঞানীরা। স্টিফেন হকিংয়ের মতো বিজ্ঞানী আর এলন মাস্কের মতো ধনকুবের উদ্যোক্তা এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিকে আঙুল তুলে সরাসরি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধেরই শঙ্কা প্রকাশ করছেন।

আসলে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাটা কী, আর কীভাবেই বা এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ধ্বংসের মুখে ফেলবে মানবজাতিকে? এ নিয়ে একটি খোলামেলা আলোচনায় কথা বলছিলেন প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলের আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স (এআই) ও ভবিষ্যবাদের গুরু রে কার্জওয়েল। তার মতে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সকে নিয়ে যেভাবে কাজ চলছে, আর মাত্র ২০ বছরের মধ্যেই মানুষ ও যন্ত্রের আচরণ এক হয়ে যাবে।

নানা বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী দিয়ে এর আগে প্রসিদ্ধি লাভ করা কার্জওয়েল প্রথমে কিছু ছোট ছোট তথ্য দেন। যেমন— এই মুহূর্তে বিশ্বে দারিদ্র্য ও ক্ষুধার্ত মানুষের হার অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় কম; এখন বিশ্বে প্রায় তিনশ’ কোটি মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করে, কিছু বছরের মধ্যে এ সংখ্যা দাঁড়াবে ছয়শ’ কোটিতে।

রক্তচাপেই সেলফোনের নির্দেশনা। ছবি: প্রতীকী
৭২ বছর আগে শেষ হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে মনুষ্য-সভ্যতা এখন সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ সময় কাটাছে। এই শান্তিপূর্ণ সময়ে কেন তাহলে মনুষ্যজাতির অস্তিত্ব নিয়ে ভয়?

কার্জওয়েল মনে করেন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সকে ডেভেলপ করতে থাকার ফল দাঁড়াতে পারে মনুষ্য-সভ্যতার এই শান্তি-প্রগতিতে ব্যাঘাত এবং আমাদের পরবর্তী বিলুপ্তির পর্যায়ে ঠেলে দেওয়া।

ব্যাপারটা খানিকটা ভিন্ন মনে হলেও কার্জওয়েল প্রাসঙ্গিক করতে চান এভাবে যে, শত বছর আগের প্রযুক্তিতে নির্মিত পারমাণবিক বোমায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যদি এমন ধ্বংসযজ্ঞ চালানো যায়, তাহলে এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যুগে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ গড়ালে সেটা কি আরও ভয়াবহ হবে না? কথা বলছেন রে কার্জওয়েলপ্রযুক্তিতে নির্ভরশীল হয়ে মানুষ ধীরে ধীরে কম জৈবিক হয়েযাবে বলে মনে করেন কার্জওয়েল। তার মতে, মানুষ প্রতিনিয়তই বিবর্তিত হচ্ছে। আর প্রাযুক্তিক এ যুগের পরবর্তী বিবর্তন হচ্ছে, মানুষের ভেতরে প্রযুক্তির অভ্যন্তরীণ বাস্তবায়ন। এটা কিন্তু মানুষ-রোবটের মিশ্রণে কোনো যান্ত্রিক মূর্তি হিসেবে দেখা যাবে না। এটা বাস্তবায়ন হবে স্মার্টফোনের আদলে মগজে প্রযুক্তি ঢুকে যাওয়ার মধ্য দিয়ে।

প্রত্যেকটা কাজ, প্রত্যেকটা চিন্তা মানুষ আর তার জৈবিক সত্তায় করবে না। আশ্রয় নেবে যন্ত্রের। যেমন ঘরে বসে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের আবহাওয়ার তথ্য জানবে। এতে তার আঙুলও স্পর্শ করতে হবে না। কেবল বলবে, ‘হেই গুগল, বলো তো মরিশাসের আবহাওয়া এখন কেমন?’ ব্যস পরের পুরো কাজটা স্মার্টফোন বা ডিজিটাল ডিভাইসটাই করে দেবে।

কার্জওয়েলের মতে, মনুষ্যজাতির ভবিষ্যৎ অবিশ্বাস্য পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। বেশ ক’বছর আগেও স্মার্টফোনকে এতোটা দ্রুতগতির বা আধুনিক ভাবা হয়নি। এখনকার স্মার্টফোন স্বর নির্দেশনা (ভয়েস কমান্ড) শুনছে এবং তার জবাব দিচ্ছে। যেমন কোনো অ্যালবাম খুঁজে বের করতে বললে বের করে দিচ্ছে। প্লে স্টোর বা গুগল থেকে কিছু বের করে দিতে বললে সেটা বের করে দিচ্ছে। আমাদের স্বর চিনতে পারছে। এমনকি পাশাপাশি গান চলতে থাকলেও স্মার্টফোন স্বর শুনে তার জবাব দিয়ে দিচ্ছে।প্রযুক্তির কাছে জীবন বাঁধা। ছবি: প্রতীকী কার্জওয়েল বিশ্বাস করেন, আগামী ২০২৯ সালের মধ্যেই দেখা যাবে মেডিকেল রোবট আমাদের মগজে ঢুকে বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্লেষণী অংশ বা নিওকর্টেক্সের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে কাজ শুরু করবে। এবার আর মুখেওকিছু বলতে হবে না। খোদ মেডিকেল রোবটই বের করে আনবে মস্তিষ্কের চাওয়া-পাওয়া।

গুগলের এই ভবিষ্যবাদীর মতে, জীবনের এমন কোনো অংশ নেই যেটা সরাসরি প্রযুক্তি দ্বারা প্রভাবিত হবে না। ব্যক্তিগতভাবে আমরা হয়তো সঠিক সময়ে ব্যাপারটি খেয়াল করতে পারি না। কিন্তু এটা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে যে, যন্ত্রের ওপর আমাদের নির্ভরতা সূচকীয় হারে বেড়ে চলেছে।

২০ বছরের মধ্যে মানুষ আর যন্ত্রের এভাবে একাকার হয়ে যাওয়ার এই ভবিষ্যদ্বাণী উদ্বেগেরই বটে। উদ্বেগটা এই কারণে আরও বেশি যে, কার্জওয়েলের ভবিষ্যদ্বাণী খুব কমই ভুল হয়। প্রযুক্তি বিষয়ে তিনি শতাধিক ভবিষ্যদ্বাণী দিয়েছেন, যার ৯০ শতাংশই সঠিক হয়ে গেছে।জীবনের সঙ্গে সেলফোন। ছবি: প্রতীকী নব্বই দশকের শুরুতে তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, কম্পিউটারের কাছে দাবা খেলায় মানুষ পরাজিত হবে ১৯৯৮ সালের মধ্যেই। এক বছর আগেই ১৯৯৭ সালে যন্ত্রচালিত কম্পিউটার ‘ডিপ ব্লু’র কাছে হেরে যান তত্কালীন বিশ্বসেরা দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভ।

থানায় নারী সহকর্মীকে দিয়ে শরীর টেপালেন পুলিশ কর্মকর্তা!( ভিডিও )
                                  

এক পুলিশ কর্মকর্তা বেঞ্চের উপর শুয়ে রয়েছেন। আর তার শরীর টিপে দিচ্ছেন তারই এক নারী সহকর্মী। ভারতের তেলেঙ্গানার একটি থানায় এ ঘটনা ঘটেছে। আর এর ভিডিও আবার সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার সাথে সাথে তীব্র সমালোচনাও শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ সুপার ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম হাসান। তিনি জেলা সদর দফতরের আর্মড রিজার্ভ ইউনিটে কর্তব্যরত রয়েছেন। এই ‍পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, পুলিশ স্টেশনে শুয়ে তিনি এক নারী সহকর্মীকে দিয়ে তার শরীর টিপিয়েছেন। 

ওই পুলিশ কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

এবার পুতিনের বিরুদ্ধে নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ থেরেসা মের
                                  

রাশিয়ার বিরুদ্ধে এবার নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। অত্যন্ত তীর্যক ও কঠোর ভাষায় রুশ প্রসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আক্রমণ করেছেন তিনি।

লন্ডনের ব্যানকোয়েটে দেশটির নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে ব্রিটেনের এ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে মস্কোর বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ ও সাইবার গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনেন। থেরেসা মে বলেন, মুক্ত সমাজ ধ্বংসের চেষ্টা করছে ভ্লাদিমির পুতিন সরকার।

 

থেরেসা বলেন, পশ্চিমাবিরোধী বিবাদের বীজ বপণ করতে ভুয়া গল্প ছড়িয়েছিল মস্কো। কিন্তু রাশিয়াকে চিরস্থায়ী ছাড় দিতে চায় না ব্রিটেন। তিনি বলেন, ব্রিটেন তার স্বার্থ রক্ষা করবে। তবে তার এ মন্তব্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পুরো উল্টো। গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনে পুতিনের হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকারে তিনিও বিশ্বাস করেন।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বোরিস জনসন আগামী মাসে রাশিয়া সফরে যাবেন। লর্ড মেয়র ব্যানকোয়েটের ম্যানসন হাউসে পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক এ বক্তৃতায় থেরেসা ‘তার এ অভিযোগকে প্রেসিডেন্ট পুতিনের জন্য সাধারণ বার্তা’ বলে বর্ণনা করেন।

তিনি বলেন, ক্রিমিয়া ও ইউক্রেন সংঘাতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মস্কো যা দেখেছে; তা থেকে ভিন্ন পথ বেছে নিতে হবে পুতিনকে। ইউরোপজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকার ও পার্লামেন্টের ওপর সাইবার হামলা থেকে রাশিয়াকে বিরত থাকতে হবে।

থেরেসা যুক্তি দিয়ে বলেন, রাশিয়া পশ্চিমা বিশ্বের মূল্যবান অংশীদার হতে পারে। কিন্তু শাসন নিয় খেললে তা হবে না। রাশিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশের জাতীয় আকাশসীমা বারবার লঙ্ঘন ও সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি এবং ভাঙন ধরানোর নীতির চর্চা করেছে।

নির্বাচনে হস্তক্ষেপ, ডেনমার্ক প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও বুন্দেসত্যাগসহ আরো অনেক কিছু হ্যাকিংয়ের সঙ্গে রাশিয়া জড়িত।

 


   Page 1 of 127
     আন্তর্জাতিক
খিদে মেটাতে প্রতি রাতে রাস্তায় নামে ১৮ হাজার তরুণী!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ছাত্রীর পোশাকে রক্তের দাগ, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ স্কুল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বাবা-কাকা-দাদা মিলে গণধর্ষণ করল যুবতীকে!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
পোপকে ‘রোহিঙ্গা’ উচ্চারণ করতে মানা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ওবামাকন্যার পাশে ইভাঙ্কা-চেলসি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
মিসরে মসজিদে গুলি ও বোমা হামলা : নিহত ১৮৪
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
যুদ্ধের জন্য অস্ত্র নির্মাতাদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ পুতিনের
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
পুরুষ ঠাসা ক্লাসরুমে কলা খেয়ে গ্রেফতার সঙ্গীত শিল্পী!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আল্টিমেটাম শেষ, পদত্যাগ করেননি মুগাবে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নওয়াজ কন্যার টুইটে শেখ হাসিনা ও এসকে সিনহা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘পদত্যাগে রাজি হয়েছেন মুগাবে’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
হঠাৎ জার্মান থেকে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রমরমা শুক্রাণু ব্যবসা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সে বাঁধবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
থানায় নারী সহকর্মীকে দিয়ে শরীর টেপালেন পুলিশ কর্মকর্তা!( ভিডিও )
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
এবার পুতিনের বিরুদ্ধে নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ থেরেসা মের
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
যে কারণে বার বার ভূমিকম্প হয় ইরানে?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
দেখা হলেও কথা হয়নি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রোহিঙ্গা ফেরতে কড়া শর্ত সু চির
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ট্রাম্প-পুতিনের বৈঠক হচ্ছে না : হোয়াইট হাউস
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বাবার কাঁধে নিহত সৌদি প্রিন্সের মরদেহ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
শিক্ষিকাকে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক, অতঃপর...
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
৬ বছর বয়সী ‘কূটনীতিক’ দিয়ে চীন মাতালেন ট্রাম্প ( ভিডিও )
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বংশ রক্ষার্থে পুত্রবধূকে ধর্ষণ!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ইয়েমেনের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করছে সৌদিজোট
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
এবার প্যারাডাইস পেপারস ফাঁস, কেলেঙ্কারিতে ট্রাম্প-ট্রুডো-রানি!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
মিয়ানমারকে শাস্তি নয়, সমাধান চায় যুক্তরাষ্ট্র
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
মিয়ানমারকে চাপ দিন : অস্ট্রেলিয়াকে তোফায়েল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সু চি ভান ধরে থাকলে সমাধান আসবে না: কানাডা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
দুবাই কোরআন প্রতিযোগিতায় হাফেজ খাদিজা বাংলাদেশের প্রতিনিধি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সৌদি প্রিন্স ও মন্ত্রীদের আটকের নেপথ্যে কী?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জাপানে নেমেই কিম জং-কে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিশ্বব্যাংকের তালিকায় প্রমাণ আমরা কতটা ‘খারাপ’ কাজ করেছি: মোদী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ডোকলামে ফের চীনা সেনা, উদ্বিগ্ন ভারত
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘রিপড জিনস পরা মেয়েদের ধর্ষণ করা জাতীয় কর্তব্য’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
অবশেষে মালয়েশিয়ায় ঠাঁই হলো জাকির নায়েকের
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আরও ২০ পৃথিবীর খোঁজ পেল নাসা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রোহিঙ্গাদের দেখতে সু চি’কে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জিন্স পরা নারীদের ধর্ষণে মিসরীয় আইনজীবীর সাফাই
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে দেরি করছে বাংলাদেশ: মিয়ানমার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আজ পৃথিবীতে আসবে মৃতদের আত্মা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
উ. কোরিয়া ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাকে ব্যহত করছে রাশিয়া: ট্রাম্প
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
তাজমহলে বোমাতঙ্ক
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামপন্থিদের নিয়ে টুইট করে বৃটেনে কড়া সমালোচিত ট্রাম্প
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘তিন জন সৈন্য আমাকে ধরে ফেললো, আমার জামা-কাপড় ছিঁড়ে ফেললো’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
তেহরানের বিরুদ্ধে কোন ঘোষণা দিয়ে বিপাকে ওয়াশিংটন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সু চি-সেনাপ্রধানের সঙ্গে জাতিসংঘের ‘নিস্ফল’ বৈঠক, শূন্য হাতে ফিরলেন কর্মকর্তা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
যেকোনো মুহূর্তে পরমাণু যুদ্ধ বাঁধতে পারে : উ. কোরিয়া
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রোহিঙ্গা স্রোতের সঙ্গে থাকবে তিস্তার পানিও
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
তাজমহল বানিয়েছে বিশ্বাসঘাতকরা: বিজেপি বিধায়ক
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......