-
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মধ্যপ্রাচ্যে দেশীয় পণ্য বিপননের অন্যতম বাজার সংযুক্ত আরব আমিরাত

দেশে আমরা স্বদেশী পণ্য সামগ্রীর ব্যাপারে কিছুটা হলেও উদাসীন থাকি। কিন্ত প্রবাসে স্বদেশপ্রেম ও দেশীয় পণ্য সামগ্রীর প্রতি প্রতিটি প্রবাসীর অধীর আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। আর  দেশীয় পণ্য সামগ্রীর প্রতি প্রবাসীদের ব্যাপক চাহিদার কারণেই মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি পণ্য সামগ্রীর একটি সম্ভাবনাময় বাজার হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। পণ্যের গুণগতমান নিয়ন্ত্রন ও বিদ্যমান সমস্যা দূর করা সহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করা হলে আমিরাত হতে পারে বাংলাদেশি পণ্য আমদানীকারক দেশগুলির মধ্যে একটি অন্যতম।

বর্তমানে সংযু্ক্ত আরব আামিরাতে বসবাসকারী প্রায়  ১০ লাখের বেশি বাংলাদেশি সর্বদা ব্যাকুল থাকেন স্বদেশের পণ্য সামগ্রী ক্রয় তথা ব্যবহারের জন্য। প্রবাসীদের এ চাহিদা পূরণে যে দু`চারটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান সংযুক্ত আরব আমিরাতে মালামাল আমদানী করছে তারা মূলত  প্রবাসী বংলাদেশিদের চাহিদার একটা ক্ষুদ্রতম অংশই পুরণ করতে পারছে। হাতে গোনা যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশি পণ্য আমদানী করছে তারা নির্দিষ্ট এলাকার দোকান ও সুপার মার্কেটে সরবরাহ করে  থাকে এবং পণ্যের দাম নির্ধারণ করে থাকে ইচ্ছেমতো। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ইচ্ছে থাকা সত্বেও প্রবাসীদের ক্রয়সীমার বা নাগালের বাহিরে চলে যাচ্ছে নিজ দেশের পণ্য। ফলে বাধ্য হয়ে প্রবাসীরা ক্রয় করছে ভীনদেশ তথা ভারত, চীন ও পাকিস্তানী পণ্য।আর বাংলাদেশ হারাচ্ছে বিপুল অংকের বৈদেশিক মূদ্রা। বাংলাদেশি পণ্য সামগ্রীর মধ্যে ব্যবহার্য্য পণ্য যেমন  জামা –কাপড় শাড়ী, জুতা সেন্ডেল, পাটের ব্যাগ, খাদ্র দ্রব্য যেমন শাক সবজি, ফল মূল, মুড়ি বিস্কুট, মরিচ মসল্লা, তেল, চাপাতা, হিমায়িত মাছ-মাংস ও শুটকী, ঘর সাজানোর  মাটি-কাঁচ ও সিরামিকের তৈরি বিভিন্ন জিনিষপত্র, ইলেকট্রিক ও পাইপফিটিংসের জিনিসপত্র উল্লেখযোগ্য ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পন্য  আমদানী -রপ্তানী ব্যবসার এ ক্ষেত্রটি সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল নন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরাও। তেমনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীরাও সম্যক অবগত নন বাংলাদেশি পণ্য সম্পর্কে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী যোগান অপ্রতুল এবং সে কারনেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি পণ্য মূল্যেরও তেমন কোন নিয়ন্ত্রণ নেই । উল্লেখ্য যে, দুবাই আমিরাতের  বাণিজ্যিক রাজধানী ও ব্যাবসার প্রাণ কেন্দ্র হলেও দুবাইস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারের লক্ষ্যে তেমন কোন জোরালো ভূমিকাও লক্ষ্য করা যায় না । এমন কি আবুধাবী দূতাবাসেরও এ ব্যাপারে তেমন কোন উদ্যোগ চোখে লাগার মত নেই।  সরকারিভাবে বাংলাদেশি পণ্যসামগ্রী সংযুক্ত আরব আমিরাতে রপ্তানী করার কোন সুনিদিষ্ট নীতিমালাও নেই । যে সমস্ত বাংলাদেশি পণ্য খানে আসছে বা প্রবাসীরা পাচ্ছে তা ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত উদ্যোগে বা বেসরকারি উদ্যোগে। বাংলাদেশি পণ্যসামগ্রী রপ্তানীতে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে যৌথ মেলা, সেমিনার, বাণিজ্যিক দলের সফরের মত কার্যক্রম বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলে অভিজ্ঞ মহলের অভিমত ।

সংযুক্ত আারব আমিরাতে বাঙ্গালী অধ্যুষিত মার্কেট গুলোতে কতগুলো বাংলাদেশি পণ্য অন্যান্য দেশের পণ্যের চেয়ে সস্তা ও উত্তম । আবার কতগুলো পণ্য বাংলাদেশ থেকে আমদানীকৃত পণ্যের  সঙ্গে স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত ও পাশ্ববর্তী দেশ থেকে আমদানীকৃত পণ্যমূল্যের মধ্যে রয়েছে অনেক পার্থক্য। আবার একই পণ্য বাংলাদেশের বাজারের সঙ্গে আরব আমিরাতের মার্কেটে ব্যাপক পার্থক্য। বাংলাদেশি এসব মার্কেটে বাংলাদেশি পণ্যের বিপুল

সমাহার লক্ষনীয়। শাক-সব্জি, আম ,কাঠাল, হিমায়িত মাছ, চাল, তেল, মুড়ি, গুড়, চানাচুর, সেমাই, বিস্কুট, সাবান, জুস, জামা কাপড়, টুপি-লুংগি, মরিচ মসল্লা কি নেই এসব মার্কেটে। কিন্তু ক্রেতাদের অভিযোগ রয়েছে দাম ও মানের বিষয়টিতে।

প্রতিদিন মার্কেট গুলোতে প্রচুর প্রবাসী বাংলাদেশি ক্রেতার ভীড় থাকলেও তাদের চাহিদা অনুযায়ী এসব পণ্য সামগ্রী তাদের হাতে সুলভে তুলে দেয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায় বলে অনেক প্রবাসী ব্যবসায়ীরা জানায়। কারন, বাংলাদেশ থেকে আসা পণ্যগুলোর উচ্চমূল্য। আবার আমিরাতের প্রতিটি এলাকায় নামকরা সব দোকান, সুপার মার্কেট ও হাইফার মার্কেটগুলোতে বাংলাদেশি পণ্য সামগ্রী পাওয়া যায় না । ফলে অনেক প্রবাসী ইচ্ছে থাকা সত্তেও তাঁরা নিজ দেশের পণ্য কিনতে পারছেন না । তবে আশার কথা যে, ইদানিং বাংলাদেশি কয়েকটি প্রতিষ্টান বাংলাদেশি পণ্যসামগ্রী আরব আমিরাতের  প্রতিটি এলাকায়  সামান্য  হলেও সরবরাহ করছে  বা সরবরাহ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এদের মধ্যে আলম সুপার মার্কেট গ্রুপ এবং প্রাণ গ্রুপ উল্লেখযোগ্য। যার মাধ্যমে অনেক প্রবাসী তাদের আকাংখার সামান্যতম অংশ হলেও পূরণ করতে সম্মত হচ্ছে। যদি সঠিক পরিকল্পনা গ্রহন করে এবং সরকারি – বেসরকারি উদ্যোগে দেশীয় পণ্যসামগ্রী আমিরাতে রপ্তানীর ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশী পণ্যের  অন্যতম বাজারে পরিনত হবে ।

মধ্যপ্রাচ্যে দেশীয় পণ্য বিপননের অন্যতম বাজার সংযুক্ত আরব আমিরাত
                                  

দেশে আমরা স্বদেশী পণ্য সামগ্রীর ব্যাপারে কিছুটা হলেও উদাসীন থাকি। কিন্ত প্রবাসে স্বদেশপ্রেম ও দেশীয় পণ্য সামগ্রীর প্রতি প্রতিটি প্রবাসীর অধীর আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। আর  দেশীয় পণ্য সামগ্রীর প্রতি প্রবাসীদের ব্যাপক চাহিদার কারণেই মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি পণ্য সামগ্রীর একটি সম্ভাবনাময় বাজার হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। পণ্যের গুণগতমান নিয়ন্ত্রন ও বিদ্যমান সমস্যা দূর করা সহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করা হলে আমিরাত হতে পারে বাংলাদেশি পণ্য আমদানীকারক দেশগুলির মধ্যে একটি অন্যতম।

বর্তমানে সংযু্ক্ত আরব আামিরাতে বসবাসকারী প্রায়  ১০ লাখের বেশি বাংলাদেশি সর্বদা ব্যাকুল থাকেন স্বদেশের পণ্য সামগ্রী ক্রয় তথা ব্যবহারের জন্য। প্রবাসীদের এ চাহিদা পূরণে যে দু`চারটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান সংযুক্ত আরব আমিরাতে মালামাল আমদানী করছে তারা মূলত  প্রবাসী বংলাদেশিদের চাহিদার একটা ক্ষুদ্রতম অংশই পুরণ করতে পারছে। হাতে গোনা যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশি পণ্য আমদানী করছে তারা নির্দিষ্ট এলাকার দোকান ও সুপার মার্কেটে সরবরাহ করে  থাকে এবং পণ্যের দাম নির্ধারণ করে থাকে ইচ্ছেমতো। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ইচ্ছে থাকা সত্বেও প্রবাসীদের ক্রয়সীমার বা নাগালের বাহিরে চলে যাচ্ছে নিজ দেশের পণ্য। ফলে বাধ্য হয়ে প্রবাসীরা ক্রয় করছে ভীনদেশ তথা ভারত, চীন ও পাকিস্তানী পণ্য।আর বাংলাদেশ হারাচ্ছে বিপুল অংকের বৈদেশিক মূদ্রা। বাংলাদেশি পণ্য সামগ্রীর মধ্যে ব্যবহার্য্য পণ্য যেমন  জামা –কাপড় শাড়ী, জুতা সেন্ডেল, পাটের ব্যাগ, খাদ্র দ্রব্য যেমন শাক সবজি, ফল মূল, মুড়ি বিস্কুট, মরিচ মসল্লা, তেল, চাপাতা, হিমায়িত মাছ-মাংস ও শুটকী, ঘর সাজানোর  মাটি-কাঁচ ও সিরামিকের তৈরি বিভিন্ন জিনিষপত্র, ইলেকট্রিক ও পাইপফিটিংসের জিনিসপত্র উল্লেখযোগ্য ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পন্য  আমদানী -রপ্তানী ব্যবসার এ ক্ষেত্রটি সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল নন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরাও। তেমনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীরাও সম্যক অবগত নন বাংলাদেশি পণ্য সম্পর্কে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী যোগান অপ্রতুল এবং সে কারনেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি পণ্য মূল্যেরও তেমন কোন নিয়ন্ত্রণ নেই । উল্লেখ্য যে, দুবাই আমিরাতের  বাণিজ্যিক রাজধানী ও ব্যাবসার প্রাণ কেন্দ্র হলেও দুবাইস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারের লক্ষ্যে তেমন কোন জোরালো ভূমিকাও লক্ষ্য করা যায় না । এমন কি আবুধাবী দূতাবাসেরও এ ব্যাপারে তেমন কোন উদ্যোগ চোখে লাগার মত নেই।  সরকারিভাবে বাংলাদেশি পণ্যসামগ্রী সংযুক্ত আরব আমিরাতে রপ্তানী করার কোন সুনিদিষ্ট নীতিমালাও নেই । যে সমস্ত বাংলাদেশি পণ্য খানে আসছে বা প্রবাসীরা পাচ্ছে তা ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত উদ্যোগে বা বেসরকারি উদ্যোগে। বাংলাদেশি পণ্যসামগ্রী রপ্তানীতে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে যৌথ মেলা, সেমিনার, বাণিজ্যিক দলের সফরের মত কার্যক্রম বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলে অভিজ্ঞ মহলের অভিমত ।

সংযুক্ত আারব আমিরাতে বাঙ্গালী অধ্যুষিত মার্কেট গুলোতে কতগুলো বাংলাদেশি পণ্য অন্যান্য দেশের পণ্যের চেয়ে সস্তা ও উত্তম । আবার কতগুলো পণ্য বাংলাদেশ থেকে আমদানীকৃত পণ্যের  সঙ্গে স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত ও পাশ্ববর্তী দেশ থেকে আমদানীকৃত পণ্যমূল্যের মধ্যে রয়েছে অনেক পার্থক্য। আবার একই পণ্য বাংলাদেশের বাজারের সঙ্গে আরব আমিরাতের মার্কেটে ব্যাপক পার্থক্য। বাংলাদেশি এসব মার্কেটে বাংলাদেশি পণ্যের বিপুল

সমাহার লক্ষনীয়। শাক-সব্জি, আম ,কাঠাল, হিমায়িত মাছ, চাল, তেল, মুড়ি, গুড়, চানাচুর, সেমাই, বিস্কুট, সাবান, জুস, জামা কাপড়, টুপি-লুংগি, মরিচ মসল্লা কি নেই এসব মার্কেটে। কিন্তু ক্রেতাদের অভিযোগ রয়েছে দাম ও মানের বিষয়টিতে।

প্রতিদিন মার্কেট গুলোতে প্রচুর প্রবাসী বাংলাদেশি ক্রেতার ভীড় থাকলেও তাদের চাহিদা অনুযায়ী এসব পণ্য সামগ্রী তাদের হাতে সুলভে তুলে দেয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায় বলে অনেক প্রবাসী ব্যবসায়ীরা জানায়। কারন, বাংলাদেশ থেকে আসা পণ্যগুলোর উচ্চমূল্য। আবার আমিরাতের প্রতিটি এলাকায় নামকরা সব দোকান, সুপার মার্কেট ও হাইফার মার্কেটগুলোতে বাংলাদেশি পণ্য সামগ্রী পাওয়া যায় না । ফলে অনেক প্রবাসী ইচ্ছে থাকা সত্তেও তাঁরা নিজ দেশের পণ্য কিনতে পারছেন না । তবে আশার কথা যে, ইদানিং বাংলাদেশি কয়েকটি প্রতিষ্টান বাংলাদেশি পণ্যসামগ্রী আরব আমিরাতের  প্রতিটি এলাকায়  সামান্য  হলেও সরবরাহ করছে  বা সরবরাহ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এদের মধ্যে আলম সুপার মার্কেট গ্রুপ এবং প্রাণ গ্রুপ উল্লেখযোগ্য। যার মাধ্যমে অনেক প্রবাসী তাদের আকাংখার সামান্যতম অংশ হলেও পূরণ করতে সম্মত হচ্ছে। যদি সঠিক পরিকল্পনা গ্রহন করে এবং সরকারি – বেসরকারি উদ্যোগে দেশীয় পণ্যসামগ্রী আমিরাতে রপ্তানীর ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশী পণ্যের  অন্যতম বাজারে পরিনত হবে ।

ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন চত্বরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি
                                  
ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রাঙ্গণে অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহীদ মিনারে একুশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে আজ পালন করা হয়েছে।মহান ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের লক্ষ্যে পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সোহরাব হোসেন মিশনের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ইসলামাবাদে প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন এবং অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
 
হাইকমিশন সভাকক্ষে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার শুরুতেই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। হাইকমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং কর্মকর্তা কর্মচারীগণের সন্তানগণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং কবিতা পাঠ করেন।
 
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ভাষাসৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে হাইকমিশনার সংশ্লিষ্ট সকল বাংলাদেশিকে দেশের উন্নয়নে নিজ নিজ পর্যায় থেকে আন্তরিকতার সাথে আরো আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান। হাইকমিশনার তাঁর বক্তৃতায় ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।
 
দিবসটি উপলক্ষে চ্যান্সারি প্রাঙ্গণে বাংলা বর্ণমালা ও ভাষা দিবসের পোস্টারে সজ্জিত করা হয়। এ উপলক্ষে সবাই কালোব্যাজ ধারণ করেন।মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘আমার মাতৃভাষা’ প্রদর্শন করা হয়। মিশনের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ বাংলাদেশি নিহত
                                  

সৌদি আরবে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ একই পরিবারের ৪ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। তাদের হাসপাতালের আইসিউতে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় শনিবার বিকেল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের ঘনিষ্ঠজন সৌদি আরব প্রবাসী আব্দুল হালিম হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে মক্কা থেকে রিয়াদে ফেরার পথে আল খাঁচরা নামক স্থানে মর্মান্তিক এ সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়।

নিহতরা হলেন যশোর জেলার কেশবপুরের ভোগতী গ্রামের আব্বাস উদ্দিন (৩৯), তার স্ত্রী রেহানা পারভীন (৩২), আব্বাস উদ্দিনের ভাগীনা সাইফুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা বেগম (৩৫) ও সাইফুলের ছেলে ওমর আল সায়েদ (১৮)।

এছাড়া, গুরুতর আহত সাইফুল ইসলামসহ বাকি ৩ জনকে আল গুয়াইয়া হাসপাতালের আইসিউতে রাখা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আব্বাস উদ্দিন ও সাইফুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে মক্কা থেকে তাদের কর্মস্থল রিয়াদে ফিরছিল। পথে মক্কা-রিয়াদ রোডে একটি ফ্লাইওভার অতিক্রম করার সময় তাদের গাড়িটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন প্রাণ হারান। নিহতদের লাশ আল খাঁচরা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিহত আব্বাস উদ্দিন ও আহত সাইফুল ইসলাম রিয়াদে একটি হাউস পেইন্ট কোম্পানিতে কাজ করতেন বলে জানা গেছে। তাদের পরিবার গত দুই সপ্তাহ আগে ভ্রমণ ভিসায় সৌদি আরব আসেন।

সিডনিতে ভাষা শহীদ স্মৃতিসৌধর এক দশক
                                  
সিডনিতে পৃথিবীর প্রথম ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ স্মৃতিসৌধ স্থাপনের ১০ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়া। ১৪ ফেব্রুয়ারি রবিবার সিডনির এশফিল্ড হাইস্কুল অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
 
এ সময় বক্তব্য রাখেন একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নেহাল নেয়ামুল বারী, বর্তমান সভাপতি ড. আবদুল ওহাব, অস্ট্রেলিয়ান লেবার পার্টির নেতা কার্ল সালেহ, স্ট্রাথফিল্ড সিটি কাউন্সিলের মেয়র রাজদত্ত, টুংগাবী সিটি কাউন্সিলের সাবেক মেয়র প্রবীর মৈত্র, এসবিএস বাংলা রেডিও সাংবাদিক আবু রেজা আরেফিন, মুক্তমঞ্চ-এর সম্পাদক, একুশে একাডেমির সংগঠক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা আল-নোমান শামীম প্রমুখ।
 
এতে বাংলাদেশ কনস্যুলর জেনারেল, অস্ট্রেলিয়ান সংসদ সদস্য, সিটি কাউন্সিলের, মেয়র এবং কাউন্সিলরসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অংশ নেন। আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক লরেন্স ব্যারেলের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এছাড়া সব প্রগতিশীল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রবাসী বাঙ্গালীরা উপস্থিত ‍ছিলেন।
 
ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করার পরে এটি পৃথিবীর প্রথম নির্মিত মনুমেন্ট। একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়া ১৯৯৯ সাল থেকেই শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে প্রতি বছর বইমেলার আয়োজন করে আসছে।
 
সিডনির এশফিল্ড হেরিটেজ পার্কে ২০০৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীর প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মনুমেন্ট (শহীদ মিনার) নির্মাণ করে একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়া। অর্থায়ন করে তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার ১২হাজার ডলার, প্রবাসী বাংলাদেশীরা এবং স্টেট গভরমেন্ট।
 
একুশে একাডেমি গত ১৬ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বাঙ্গালী চেতনা ও ঐতিহ্যের সাথে অস্ট্রেলিয়ার মুলধারার সম্মেলনে অন্যতম অনশীদার হয়ে রক্তদান ও সরকারের অন্যতম সমাজসেবা মুলক কাজের সাথে সম্পৃক্ত।

কানাডার ইমিগ্রেন্ট সহজ করা হচ্ছে
                                  
জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল সরকার কানাডার ইমিগ্রেন্ট সহজ করার পদক্ষেপ নিচ্ছে। অভিবাসন মন্ত্রী জন ম্যাককালাম জানিয়েছেন, শিগগিরই তাদের সরকার নাগরিকত্ব আইনে বেশ কিছু পরিবর্তন আনবেন।
 
বিগত করজারভেটিভ সরকার অভিবাসীদের জন্য নাগরিকত্ব অর্জনের প্রক্রিয়া নানা বিধানের বেড়াজালে ফেলে জটিল করে রেখেছে। এছাড়া আলোচিত সিরিয়ার আয়ান পরিবারকে বিগত হারপার সরকার রিফিউজির আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে, সেখানে জাস্টিন সরকার এসেই পঁচিশ হাজার সিরিয়ানদের সাদর আমন্ত্রণে ইমিগ্রেশন দিচ্ছে।
 
২০১৪ সালে নাগরিকত্বের গ্রহণের জন্য ভাষায় দক্ষতা ক্ষেত্রে ইংরেজি বা ফরাসি বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল, তাও বাতিলের বিধান আসছে। বিদেশি ছাত্রদের সহজে ইমিগ্রেন্ট করার জন্য পি আর কার্ডসহ নানা সুযোগ দেয়ার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিচ্ছে।
 
   Page 1 of 1
    
মধ্যপ্রাচ্যে দেশীয় পণ্য বিপননের অন্যতম বাজার সংযুক্ত আরব আমিরাত
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন চত্বরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ বাংলাদেশি নিহত
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সিডনিতে ভাষা শহীদ স্মৃতিসৌধর এক দশক
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
কানাডার ইমিগ্রেন্ট সহজ করা হচ্ছে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......