রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সারা পৃথিবীতে খোঁজ নিয়েছি, অস্তিত্বই নেই: মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রথম আলো ফাইল ছবিবিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সারা পৃথিবীতে তাঁরা খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তাঁর পরিবারের নামে বিদেশে যে সম্পদের কথা বলা হচ্ছে, সেই ধরনের সম্পদের কোনো অস্তিত্বই নেই।

আজ সোমবার সকালে হাইকোর্ট মাজার এলাকায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে গরিব ও দুস্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণ শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে এই কম্বল বিতরণ করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা সারা পৃথিবীতে খোঁজ নিয়ে দেখেছি, এ ধরনের কোনো কিছুর কোনো ভিত্তি নেই। এমনকি যে প্রোপার্টির (সম্পদ) কথা বলা হয়েছে, সেই প্রোপার্টিগুলোরও কোনো অস্তিত্ব নেই।’ তাঁর দাবি, সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে। তিনি সরকারকে তার বক্তব্যের বিপরীতে তথ্য উপস্থাপন ও অভিযোগ প্রমাণের আহ্বান জানান।

কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, সহসভাপতি শামসুল হুদা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সারা পৃথিবীতে খোঁজ নিয়েছি, অস্তিত্বই নেই: মির্জা ফখরুল
                                  

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রথম আলো ফাইল ছবিবিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সারা পৃথিবীতে তাঁরা খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তাঁর পরিবারের নামে বিদেশে যে সম্পদের কথা বলা হচ্ছে, সেই ধরনের সম্পদের কোনো অস্তিত্বই নেই।

আজ সোমবার সকালে হাইকোর্ট মাজার এলাকায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে গরিব ও দুস্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণ শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে এই কম্বল বিতরণ করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা সারা পৃথিবীতে খোঁজ নিয়ে দেখেছি, এ ধরনের কোনো কিছুর কোনো ভিত্তি নেই। এমনকি যে প্রোপার্টির (সম্পদ) কথা বলা হয়েছে, সেই প্রোপার্টিগুলোরও কোনো অস্তিত্ব নেই।’ তাঁর দাবি, সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে। তিনি সরকারকে তার বক্তব্যের বিপরীতে তথ্য উপস্থাপন ও অভিযোগ প্রমাণের আহ্বান জানান।

কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, সহসভাপতি শামসুল হুদা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনকালীন সরকার চান বাম নেতারা
                                  

আসছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা কী হবে, এ বিষয়ে আলোচনার কোনো দ্বার খুলবে কিনা, বড় রাজনৈতিক দল বিএনপিকে নির্বাচনে আনার জন্য সরকার কোনো উদ্যোগ থাকবে কিনা- এমন নানা প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো আশার আলো দেখাতে পারেননি বলে মনে করছেন বাম মোর্চার নেতারা। তারা মনে করেন, আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি না করা সরকারের একগুয়েমি মনোভাব। তারা আরও মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী সংবিধানের যে দোহায় দিচ্ছেন এটা তার একটা অজুহাত মাত্র।

বাম মোর্চার নেতারা বলছেন, সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন করতে হলে আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। অতীতে এমন সংকট অনেক সৃষ্টি হয়েছে। সব আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হয়েছে। সংবিধান বাধা হয়ে দাঁড়ালে সে ব্যাপারেও আলোচনা করে একটা জায়গায় উপনীত হওয়া যায়। প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করে নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যেতে পারে। সরকারপ্রধান যেভাবেই এড়িয়ে যান না কেন আগামী নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন সরকারটা খুব জরুরি।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে কার্যকর পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীকেই নিতে হবে

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবেই বলুন না কেন নির্বাচনকালীন সরকারের প্রয়োজন আছে। যে সরকার শুধু রুটিনমাফিক কাজ করবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংবিধানের বিষয়টি একটি অজুহাত। এ কথা বলে পার পাওয়া যাবে না। দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকেই নিতে হবে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচনের আগেই আলোচনা দরকার। এর মাধ্যমে ছোটখাট অনেক সমস্যার সমাধান বের হয়ে আসবে।

প্রিন্স বলেন, পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থার আমূল সংস্কার দরকার। কালো টাকা, পেশিশক্তি ব্যবহার হলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না। নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু নির্বাচনের সময় যে সরকার ক্ষমতায় থাকে সে সরকার যদি নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করতে না পারে তাহলে কখনই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। অতীতে এর অনেক উদাহরণ রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে কার্যকর পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীকেই নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংবিধান বাধা হয়ে দাঁড়ালে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করলে একটা সমাধান বেরিয়ে আসবে। অতীতেও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এমন সংকটের সমাধান হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে আলোচনার বিষয়ে রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জাতি যে আচরণ আশা করেছিল তা পায়নি। তিনি জাতিকে হতাশ করেছেন। এ ধরনের আচরণ নির্বাচনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টির পবিবর্তে সংকট আরও বাড়িয়ে দেবে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে বাম মোর্চার নেতা ও গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু বলেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারটি নাকোচ করে দেয়ায় জনমনে উদ্বেগ ও শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বারবার সংবিধানের কথা বলছেন। সংবিধান তো এ দেশের মানুষের জন্য করা হয়েছে। মানুষ যদি সে সংবিধানে স্বস্তিবোধ না করে, সেই সংবিধানে যদি গণতন্ত্র অনুপস্থিত থাকে, সেটি যদি মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়, তাহলে সংকটের কোনো সমাধান হবে না।

তিনি আরও বলেন, সকল রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে আনতে হলে আলাপ-আলোচনা করে একটা সমাধানে পৌঁছাতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

বুধবার সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদ কর্মসূচি
                                  

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সারাদেশে ‘প্রতিবাদ কর্মসূচি’ পালনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। আগামী বুধবার এ কর্মসূচি পালিত হবে।

রাজধানীর নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সোমবার দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি, সিটি করপোরেশনসহ পৌরসভার হোল্ডিং ট্যাক্স ও গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী ১৩ ডিসেম্বর সারাদেশের জেলা ও মহানগরে বিএনপি প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবে।

তবে রংপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী এলাকা প্রতিবাদ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

bnp

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে রুহুল কবির এ সময় বলেন, আপনি এতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছেন তাহলে সারাদেশে লোডশেডিং হচ্ছে কেন? আসলে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়েনি, ভারী হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়-স্বজনের পকেট।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, মাহবুবে রহমান শামীম, আব্দুস সালাম আজাদ, মুনির হোসেন, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঘরে ঘরে নয়, ছাত্রলীগকে যেতে হবে অন্তরে অন্তরে
                                  

``বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আনতে ঘরে ঘরে যাবে ছাত্রলীগ!``

শীর্ষ নেতার এই বয়ানে লাভ ইমোর পাশাপাশি প্রচুর হা হা আর অ্যাংরি ইমোও দেখলাম ফেসবুকে! ওগুলো বাইরের কেউ দেয়নি, খোদ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদেরই দেয়া। কারণ, আস্থা-বিশ্বাস-ভরসার প্রবল সংকট, আর তা সংগত কারনেই!

আমরা ছাত্রলীগ, বিগত দিনগুলোতে এমন কী জনসম্পৃক্ত মহান কাজ করেছি যে মানুষ আমাদের কথায় সিদ্ধান্ত নেবে, দৌড়ে গিয়ে ভোট দেবে।

আগে ঘর, তবে পর! নিজের ঘর ভাঙাচোরা, নোংরা, অগোছালো রেখে মানুষের ঘরে ঘরে গেলে মানুষ বরং আরো বিরক্ত হবে, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করবে!
কথায় নয়, কাজে প্রমাণ দিতে হবে। নইলে সবাই চেয়ার ধরে রাখতে মিছে প্রলাপ বকছে ভেবে ভুল করতেই পারে!

ঘরে ঘরে গিয়ে লাভ নাই, মানুষের মনে স্থান করে নিতে হবে আগে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ইলেকশনের কথা মনে আছে? আমরা কিন্তু ঠিক মানুষের ঘরে ঘরেই গিয়েছিলাম। ভোট আনতে পেরেছিলাম? আস্তিক-নাস্তিক গুজবে উল্টো মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে!

সামনে কঠিন সময়। কতজন সেই কঠিন সময় ফেস করার আদর্শিক সাহস ও মানসিক সামর্থ্য রাখে বিগত ৫ জানুয়ারির সৌজন্যে তা বেশ জানা আছে! আগে নিজেদের সংশোধন করতে হবে।

কেন্দ্রসহ দেশের ছোট-বড় প্রতিটি ইউনিটে বৈধ কমিটি দ্বারা সুশৃঙ্খলভাবে সংগঠন গুছিয়ে নিতে হবে সবার আগে। নিজেদের মাঝে গুণগত পরিবর্তন জরুরী। সুন্দর ব্যবহার, অন্যায়ের প্রতিবাদ, মানুষের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট, নিয়মিত জনহিতকর ও মানবিক কাজ দিয়ে মানুষের মনে স্থান করে নিতে হব। তবেই মানুষ কথা শুনবে, মানবে।

নিজ দলের লাখো বঞ্চিত নেতা-কর্মীর সংগত অভিমান ভাঙানোর উদ্যোগ নিতে হবে, দুঃসময়ের যে কর্মীরা নিজেদের মানুষ দ্বারা কষ্ট পেয়ে দূরে সরে গেছে তাদের সঠিক মূল্যায়ন করে আবার পাশে টেনে আনতে হবে। সবাইকে এক সুরে শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির গান গাইতে হবে।
মুখে বয়ান না দিয়ে বদলে যাবার সে প্রচেষ্টার বাস্তবায়ন দেখতে চাই! শুরু হোক আজ থেকেই, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়, এই মানসিকতা স্বীয় অন্তরে ধারণ করুন। সংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মীর দুঃখ, কষ্ট, অভিমান, বঞ্চনা, অপ্রাপ্তির কথা শুনুন, অনুভব করুন, সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করুন।

 তৃণমূলের পালস বোঝার চেষ্টা করুন। দলে শুদ্ধি অভিযান চালান, সুবিধা নিতে এবং সংগঠনকে কলুষিত করতে ঢোকা অনুপ্রবেশকারী ছাত্রদল-শিবির সব ঝেঁটিতে বিদেয় করুন। যোগ্যদের কাছে টানুন।

দিয়াজের মায়ের পাশে দাঁড়ান, দিয়াজ হত্যার ন্যায় বিচার নিশ্চিত করুন। ২৪ ঘন্টার মধ্যে সিলেটে আসিফ ও মামুনের উপর হামলাকারী শিবির ক্যাডারদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে আল্টিমেটাম দিন! আসিফ-মামুনের চিকিৎসার খরচ বহনের দায়িত্ব নিন, মামুনের আর্টিফিশিয়াল হাত লাগানোর ব্যবস্থা করুন। যারা অতীতে ছাত্রলীগের জন্য লাইফ রিস্ক নিয়েছে সেই মৃত্যুঞ্জয়ী তুহিন, তাকিম, বাদশাদের খোঁজ-খবর নিন, কর্মসংস্থান ও বেটার লাইফ নিশ্চিত করুন।

তাহলেই আওয়ামী লীগকে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আনতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত, শেখ হাসিনার লাখো ভ্যানগার্ডকে পাশে পাবেন।

আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে!

লেখাটি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ফেসবুক টাইম লাইন থেকে নেওয়া।

বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়েনি, প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়দের পকেট ভারি হয়েছে: রিজভী
                                  

বিদ্যুৎ উৎপাদনের নামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মীয়রা পকেট ভারি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, নিজেদের অপকর্ম ঢাকতেই ক্ষমতাসীনরা বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে। সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ‘বিএনপি ১৬শ’ আর আওয়ামী লীগ দিয়েছে ১৬ হাজার মেগওয়াট বিদ্যুৎ’ প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে সমালোচনা করে রিজভী বলেন, দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়েনি, প্রধানন্ত্রীর আত্মীয়দের পকেট ভারি হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, রংপুরে ক্ষমতাসীনরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। নিরাপদে ভোট প্রদানের পরিবেশ এখনও তৈরি করতে পারেনি ইসি।

 

জাপা-বিএনপির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর আ.লীগে যোগদান
                                  

রংপুরে জাতীয় পার্টি ও বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। রেবাবার রাতে নগরীর শাপলা চত্বরে জাতীয় শ্রমিকলীগ রংপুর মহানগর আহবায়ক কমিটির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টুর হাতে নৌকা প্রতীক তুলে দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন তারা। 

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ.এম এরশাদ মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি সাবেক রংপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান এবং সাবেক রংপুর সদর উপজেলার ১০নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি থেকে সদ্য পদত্যাগকারী ফতেআলী খোকনের নেতৃত্ব এসময় জাপা ও বিএনপির প্রায় ৫ শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু বলেন, রংপুরে নৌকার জোয়ার উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আমাকে নৌকা উপহার দিয়েছেন। আমি ও রংপুরবাসী এ মর্যদা ধরে রাখতে কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, এ সরকারের আমলে যে উন্নয়ন হচ্ছে তা বিগত কোনো সরকারের আমলে হয়নি। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে হলে নৌকার জয় নিশ্চিত করতে হবে।

জাতীয় শ্রমিকলীগ রংপুর মহানগর আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব এম.এ মজিদের সঞ্চালনায় নির্বাচনী জনসভা ও যোগদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোতাহার হোসেন মন্ডল মওলা, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, প্রচার সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিলন, মহানগর যুবলীগের যগ্ম আহবায়ক মুরাদ হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হানান সিদ্দীকি রনী প্রমুখ।

জিয়া পরিবারের টাকা পাচার : বিভিন্ন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোপ করেও সদুত্তর পায়নি বিএনপি
                                  

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সৌদি আরবে জিয়া পরিবারের ১২শ কোটি ডলারের যে বিনিয়োগের খবর এসেছে এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, আমরা দলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে খবর নিতে বিভিন্ন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলাপ করেছি। কেউ কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। কারণ খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

শনিবার দুপুরে জাতীয় রাজধানীর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ২০দলীয় জোটের শরিক দল কল্যাণ পার্টির ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভাটির আয়োজ কওে দলটি।

সরকারের উদ্দেশ্যে ফখরুল বলেন, প্রত্যাশা করি আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে, কথায় কথায় দেশের মানুষকে আন্ডার এস্টিমেট করবেন না। দেশের মানুষ সব কিছু মেনে নেবে, তা ভাববেন না। এরাই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে এবং অধিকার প্রতিষ্ঠায় হানাদারদের বিদায় করতে লড়াই করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করে কি অর্জন করতে চান? বিএনপিকে নির্বাচন ও রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চান? একটি কথা খুব স্পষ্ট, দেশের মানুষ আর কখনও ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন হতে দেবে না। আমরা নির্বাচন চাই। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই হবে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, যে সংসদে ১৫৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয় সে সংসদ দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না। যে আইন তৈরি করা হয়, সংবিধান যেভাবে পরিবর্তন করা হয় সেটা জনগণের জন্য আইন কিংবা সংবিধান নয়। এটাই বাস্তবতা।

বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, ক্ষমতায় যেতে যারা বাধা দেবে ও দিচ্ছে তাদেরকে গুম করছে আওয়ামী লীগ সরকার। শুধু তাই নয়, এরা অত্যান্ত সুপরিকল্পিতভাবে মানুষকে বোকা বানিয়ে অধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চায়। মূলত আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখন তাদের আসল চেহারায় ফিরে আসে। সেই চেহারা হচ্ছে ধ্বংসাত্মক ও ফ্যাসিস্ট। মনে রাখতে হবে ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের যে লড়াই তা অসম। তবে আমরা এখন নির্বাচনকে সামনে রেখে আন্দোলন করে যাচ্ছি। সকল দলের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।

‘খালেদার অর্থপাচারের বিষয়ে তদন্ত করবে দুদক’
                                  

খালেদা জিয়ার সৌদি আরবে অর্থপাচারের বিষয়ে অবশ্যই অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক তদন্ত করবে। কারণ প্রধানমন্ত্রী না জেনে, না শুনে অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়েন না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রবিবার (১০ ডিসেম্বর) বিকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বিজয় দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক আলোচনায় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। কাদের বলেন, সত্য চাপা থাকে না। ৩০০ সু্টকেস নিয়ে তিনি (খালেদা জিয়া) কেন সৌদি গিয়েছিলেন বেরিয়ে এসেছে। এখন চোরের মায়ের বড় গলা। তাদের দুর্নীতির কথা সবাই জানে। যুক্তরাষ্ট্রে তারেক রহমান আর সিঙ্গাপুরে কোকোর দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছিল।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সমালোচনা করে কাদের বলেন, সৌদিআরব অর্থপাচার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে বিএনপি যা বলছে, তা অত্যন্ত অশালীন। সৌদিআরব অর্থপাচারের বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচনায় এসে গেছে।

বিএনপি গণতন্ত্রের মায়াকান্না করছে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, তাদের গণতন্ত্র ছিল মার্শাল গণতন্ত্র, গ্রেনেড গণতন্ত্র, কার্ফু গণতন্ত্র। মানুষ পুড়িয়ে যখন মেরেছিল তখন গনতন্ত্র কোথায় ছিল? যারা ইতিহাস নিয়ে কানামাছি খেলে, মিথ্যাচার করে, ইতিহাস বিকৃত করে, তারা সবচেয়ে নিকৃষ্টতম 

জেরুজালেম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে খালেদা জিয়ার উদ্বেগ
                                  

যুক্তরাষ্ট্র জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেছেন, ‘এ সিদ্ধান্ত ওই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতি এবং একটি দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের জন্য দীর্ঘদিনের প্রয়াসকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’

আজ রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। গত বুধবার জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং নিজেদের রাষ্ট্রে স্বাধীনভাবে বসবাসের আকাঙ্ক্ষার ওপর ওই সিদ্ধান্ত একটি চপেটাঘাত। শুধু ফিলিস্তিনি নয়, বিশ্বের শান্তিকামী প্রতিটি মানুষকেই এই সিদ্ধান্ত গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। ফিলিস্তিনের নিপীড়িত জনগণের বিপক্ষে এই একতরফা স্বীকৃতির আমি তীব্র প্রতিবাদ করছি।’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমার আহ্বান, এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বের পুনর্বিবেচনা করা হোক।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বের ওই অঞ্চলে ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকারের স্বীকৃতি দিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আমি বিশ্ববিবেক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’

‘গুম হওয়াদের ফিরে না দিলে রোবট সুফিয়াকে দায়িত্ব দেয়া উচিত’
                                  

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, আপনি দয়া করে এই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ান। তাদের কান্না শোনার চেষ্টা করুন। আপনি যদি এদের দুঃখ মেটাতে না পারেন তাহলে সুফিয়ার মতো রোবটকেই এই দায়িত্ব দিয়ে দেয়া উচিত।

রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা এর আয়োজন করে।

তিনি বলেন, দেশে গুম-খুন বন্ধ হচ্ছে না। এজন্য সরকারই দায়ী। আরেকটি কারণ হচ্ছে বিচার বিভাগের নিস্ক্রিয়তা।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনিও স্বজনদের হারিয়েছেন। তাই স্বজন হারাদের কষ্ট আপনারই সবচেয়ে ভালো বোঝার কথা। কিন্তু আপনি কেন তাদের কান্না শুনতে পাচ্ছেন না? মানবতার নেত্রী হিসেবে আপনি পরিচিতি পাচ্ছেন। তাই এ স্বজনহারা মানুষগুলোর কষ্ট লাঘবে আপনাকেই উদ্যোগ নিতে হবে।

ফরহাদ মজহারের অপহরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফরহাদ মজহার ভাগ্যবান যে তিনি ফিরে আসতে পেরেছেন। পুলিশ-র‌্যাব সক্রিয় ছিল বলেই তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তারা যদি সক্রিয় না থাকতো তাহলে হয়তো আজ মজহারের লাশ মিলতো, নয়তো তাকেও পাশের কোনও দেশে পাওয়া যেত।

সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজদের স্বজনরা জানান, ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম সুমনসহ আটজনকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে গুম করা হয়। দীর্ঘ চার বছর পরও তাদের সন্ধান মেলেনি। তাই নিখোঁজদের পরিবার মায়ের ডাক ব্যানারে প্রতি বছরই এই সংবাদ সম্মেলন করে আসছে।

নিখোঁজ বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনের বড় বোন মারুফ ইসলাম ফেরদৌসী বলেন, আমাদের স্বজন হারানোর দায় কি কেউ নেবে না। কেউ কি তাদের খোঁজ দেবে না। চার বছরে অন্তত ২০ বার ভাইকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি। আমরা আর পারছি না, আপনারা আমাদের পাশে দাঁড়ান।

সুমনের আরেক বোন সানজিদা ইসলাম তুলি বলেন, ভাইয়ের সন্ধানে যখন প্রশাসনের কাছে গেলাম তখন তারা প্রশ্ন করেছিল আপনার ভাই কি রাজনীতিতে জড়িত ছিল। প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হয়ে তারা কীভাবে এই প্রশ্ন করেন তা আমার বোধগম্য নয়। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আর ফেরার উপায় নেই। প্রতি মুহূর্তে ভয়ে থাকি আমার ভাই কোন টর্চার সেলে আছে। তাকে না জানি কত টর্চার করা হচ্ছে। এটা কোনও মগের মুল্লুক না যে যখন যাকে ইচ্ছা ধরে নেয়া হবে, পরে লাশ মিলবে। এই অন্যায়ের প্রতিবাদে এখন সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

নিখোঁজ সূত্রাপুর থানা ছাত্রদলের সভাপতি সেলিম রেজা পিন্টুর বোন রেহানা বানু মুন্নি বলেন, আমরা পুলিশের কাছে গিয়েছি কিন্তু ভাইয়ের কোনও সন্ধান পাইনি। মামলাটি এখন সিআইডিতে আছে, তারাও কোনও কূল কিনারা করতে পারেনি। এখন শুধু প্রধানমন্ত্রীই পারেন আমাদের সাহায্য করতে। তাই তাকে বলতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি মাদার অব হিউম্যানিটি, আমাদের কান্না দেখুন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, আইনজীবী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাসহ নিখোঁজ ১৪ জনের পরিবারের সদস্যরা।
 

মির্জা ফখরুলের বক্তব্য দুর্নীতিবাজদের পক্ষে নির্লজ্জ আস্ফালন : হাছান মাহমুদ
                                  

মির্জা ফখরুলের বক্তব্য দুর্নীতিবাজদের পক্ষে নির্লজ্জ আস্ফালন

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য দুর্নীতিবাজদের পক্ষে নির্লজ্জ আস্ফালন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, জিয়া পরিবারের দুর্নীতির খবর নতুন নয়। সিঙ্গাপুরে কোকোর দুর্নীতি ধরা পড়েছিল। এফবিআই এসে তারেকের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিল। খালেদা জিয়া নিজেই জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করার কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন। যখন কোকোর দুর্নীতি ধরা পড়লো এবং তারেকের দুর্নীতির খবর প্রকাশ হলো তখনও বিএনপি নেতারা এ ধরনের আস্ফালন এবং সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলো এগুলো মিথ্যাচার। কিন্তু পরবর্তীতে সেগুলো প্রমাণিত হয়েছে। তাই মির্জা ফখরুলকে বলব অন্য কাউকে দোষারোপ না করে আপনার নেত্রীর দুর্নীতি ও তার পুত্রদের আগের দুর্নীতির জন্য আপনার নেত্রীকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা এখন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মানবাধিকারের কথা বলেন। যারা জীবন্ত মানুষের গায়ে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যা করে, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য দিনের পর দিন অবরোধের নামে দেশের মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখে, যারা ঘুমন্ত মানুষের উপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে পুড়িয়ে হত্যা করে, যারা বাস-ট্রাক ড্রাইভারদের উপর বোমা নিক্ষেপ করে, যারা সিএনজি অটোরিকশা চালকদের সিএনজি থেকে নামিয়ে গায়ে আগুন দেয় তাদের মুখে মানবাধিকার মানায় না।

হাছান বলেন, বিএনপি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন করেছেন। আর এটি শুরু করেছেন তাদের নেতা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম এ খালেকের সভাপতিত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব নুরুল ইসলাম, উপদেষ্টা ড. আব্দুল খালেক, কামরুল ইসলাম বিটু, হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েল, অরুন সরকার রানা প্রমুখ।

 

সরকার মানবাধিকার জলাঞ্জলি দিয়ে শক্তির জোরে ক্ষমতায় আছে : ফখরুল
                                  

সরকার মানবাধিকার জলাঞ্জলি দিয়ে শক্তির জোরে ক্ষমতায় আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আয়োজনে মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি। ১০ ডিসেম্বর ‘বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’ উপলক্ষে মানববন্ধনের আয়োজন করে বিএনপি।

মানববন্ধনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, গত কয়েক বছরে দেশের অসংখ্য পরিবার অসহায় হয়ে গেছে। তাদের সন্তান, পরিবার, সদস্য হারিয়েছে। সিলেটে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলীর সন্তান এখনো কাঁদে। প্রতিবছর ঈদের দিন তারা দরজার দিকে তাকিয়ে থাকে, এই বুঝি তাদের বাবা আসবে, তাদের সঙ্গে ঈদ করবে।

বর্তমান সরকারকে ‘অবৈধ সরকার’ মন্তব্য করে ফখরুল আরো বলেন, শুধুমাত্র ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সব গণতান্ত্রিক পদ্ধতিকে জলাঞ্জলি দিয়ে, মানবাধিকারকে জলাঞ্জলি দিয়ে, শুধুমাত্র শক্তির জোরে তারা ক্ষমতায় টিকে আছে। তাদের এ কাজে যারাই প্রতিবাদ করছে হয় তারা গুম হচ্ছে, না হয় খুন হচ্ছে।

‘আজকে খবরের কাগজ পড়লে দেখতে পারবেন ফরহাদ মজহারকে কিভাবে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। তিনি ৫ মাস পর তার বর্ণনা দিয়েছেন। তাকে গুম করার চেষ্টা করা হয়েছিলো’।

ফখরুল আরো বলেন, শুধু ফরহাদ মজহার নয়, কয়েকদিন আগে একজন সাবেক রাষ্ট্রদূত নিখোঁজ হয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র, সাংবাদিক উৎপল, রাজনৈতিক নেতা কেউ ফিরে আসেননি।

এসময় তিনি দলের করা একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, শুধুমাত্র বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলার সংখ্যা ৭৮ হাজার ৩২৩টি, আসামির সংখ্যা ৭ লাখ ৮৩ হাজার ২৩৮ জন, মোট খুনের সংখ্যা ৫২০, অপহরণের সংখ্যা ৬৪৭। এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন ১৫৭ জন, নির্যাতনের শিকার ৩৭ লাখ মানুষ।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সারাদেশে হত্যা, গুম, খুন, মামলায় জর্জরিত, একটি পরিবার নেই যারা হয়রানির শিকার নয়।

মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারপনের উপদেষ্টা আমানুল্লাহ আমান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের পক্ষে সানজিদা ইসলাম প্রমুখ।

এই মাঘের শীতেই রাজপথে শেষ ফয়সালা হবে
                                  
২০ দলীয় জোটের শরীক ও জাগপা সভাপতি অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রী ও সাবেক ৩ বারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে মুজিব তনয়া যে নির্লজ্জ মিথ্যাচার ভাষণ দিয়েছেন এটা লাগামহীন ঘোড়ার চারিত্রিক সনদতুল্য। এই ধরনের বক্তব্য পুরো জাতিকে কলঙ্কিত করেছে। তিনি শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে বলেন, অবিলম্বে এই ধরনের বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন। অন্যথায় মনে রাখবেন এই মাঘের শীতেই রাজপথে শেষ ফয়সালা হবে ইনশাআল্লাহ।
 
তিনি আরো বলেন, কথাবার্তা পরিস্কার। দেশবাসী জানতে চায় শেয়ার বাজারের মহালুট, ব্যাংক লুট, রিজার্ভ চুরিসহ হরিলুটের মহোৎসবে কারা জড়িত ? একনেকের প্রকল্প ও কাবিখা’র কাউয়া কারা ? কারা দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে ? কাদের টাকা সুইস ব্যাংকে ৫ গুণ বেড়েছে ? তিনি বলেন, সাহস করে সত্য বলতে হচ্ছে ৭৪’র মুজিব শাসনামলে ৫৪ জন দুর্নীতিবাজের তালিকায় কোন পরিবার জড়িত ছিল দেশবাসী তা ভাল করেই জানে। এখন কারা দুর্নীতি করে খালেদা জিয়ার দিকে আঙুল দেখাচ্ছে তাদের বিচারও বাংলার মাটিতে হবে ইনশাআল্লাহ।
 
তিনি বলেন, স্বৈরাচার বেষ্টনীতে নিমজ্জিত সরকার জাতিকে শৃঙ্খলিত করে গণতন্ত্রকে আবারো রক্তাক্ত করতে চায়। ছাত্র নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, স্বৈরাচার এরশাদ জামানায় যেভাবে ছাত্র-জনতা রাস্তায় লাশ ও রক্ত ঢেলেছে আমার বিশ্বাস জাগপা ছাত্রলীগ-সহ দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা, নব্য স্বৈরাচার জালিমশাহীকে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারমুক্ত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলবে।
 
তিনি আজ বিকাল ৩ টায় আসাদ গেট দলীয় কার্যালয়ে জাগপা ছাত্রলীগ আয়োজিত ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
 
জাগপা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রুবেলের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমান ফারুকীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ৯০’র ছাত্রনেতা, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, জাগপার সহ সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান খান, জাগপা ছাত্রলীগ যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক জীবন চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন জাগপা ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল অরণ্য, আমির হোসেন আমু, ইবরাহিম খলিল, আহমেদ শফি, রাফসান আহমেদ, অনিক, রুবেল আহমেদ, ইসহাক, আরমান প্রমুখ।

 

 
আ.লীগ এলেই গুম চালু করে: রিজভী
                                  

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষ মানবতাবিরোধী ভয়ংকর সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে বাস করছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই বিচারবহির্ভূত গুম, খুন, হত্যা, অপহরণ ও বন্দুকযুদ্ধের সংস্কৃতি চালু করে। 

আজ শনিবার দুপুর ১২টায় রিজভী কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘আমরা ভয়াল এক দ্বীপের মধ্যে বসবাস করছি। তারা (আ. লীগ) ক্ষমতা নিষ্কণ্টক করতে, কেউ যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায় এ জন্য ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সাইফুল ইসলাম হিরু, হুমায়ুন কবির পারভেজসহ ত্যাগী নেতাদের গুম করেছে। বন্দুকযুদ্ধের নামে তারা মানুষ খুন করছে।’

প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বৈধতার পক্ষে খোঁড়া যুক্তি দেখাচ্ছেন বলে দাবি করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ভোটারবিহীন জনবিচ্ছিন্ন এ সরকারের কাছে সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এমনকি সাধারণ মানুষ নিরাপদ নয়। তাদের লাঞ্ছনা ও নিষ্ঠুরতার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আগামীকাল রোববার ঢাকা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাবে।

বর্তমান গণতন্ত্র পুলিশের অনুমতিতে নির্ভর করছে বলে আক্ষেপ করেন রিজভী। তিনি বলেন, পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় বেগম রোকেয়া দিবস পালন করতে পারেনি বিএনপি। ভোটে নির্বাচিত না হওয়ায় বর্তমান সরকার জবাবদিহি নেই। তাই তারা হামলা-মামলা ও গ্রেপ্তারের রাজনীতি করছে।

প্রভাবিত করবে না এমন সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই
                                  

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা এমন সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই, যে সরকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে না। জনগণ তাদের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারবে। 

শনিবার (০৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আগেও বলেছি, এখনও বলছি এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। তাই একটি সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই।

সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে তিনি  বলেন, তার কথায় মনে হয় তিনি আবারও ২০১৪ সালের মতো একটি ভোটারবিহীন নির্বাচন করতে চান। কিন্তু সে রকম আর হতে দেওয়া হবে না। দেশের মানুষকে আন্ডারস্টিমেট করবেন না। এই দেশের মানুষ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। তাই আশা করবো সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদেরও একহাত নিলেন। তিনি সাংবাদিকদের বললেন, খালেদা জিয়া ও তার ছেলের বিরুদ্ধে নাকি ১২ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেই সংবাদ তারা কেন প্রকাশ করেননি। আমরা তার সেই বক্তব্যের পর তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেখলাম দেশের বাইরে তাদের কোথাও কোনো সম্পদ নেই। এটা এক ধরনের মিথ্যাচার। 

‘দেশের মানুষ আমাদের বলেন- আপনারা আন্দোলন করতে পারেন না কেন? আমরা বলি ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক শক্তির লড়াই অসম লড়াই।’

গণতন্ত্রের জন্য আওয়ামী লীগও অনেক লড়াই করেছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারাই আবার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। তারা যখনই ক্ষমতায় গেছে তখনই গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। ক্ষমতায় গেলেই আওয়ামী লীগের চেহারা পাল্টে যায়, ফ্যাসিস্ট হয়ে যায় তারা।

কল্যাণ পার্টির সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান নিখোঁজের ৯৭ দিন পেরিয়ে গেলেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি কেন? এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, অন্যদের কথা বাদই দিলাম, একটা দলের সাধারণ সম্পাদক হারিয়ে গেলো, তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না, এটা কী করে সম্ভব?

সভায় সভাপতিত্ব করেন দলটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। এ সময়

বহুমতে দেরি বিএনপির চূড়ান্ত্ম কর্মকৌশল
                                  

নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন আদায়ের দাবিতে বিএনপির শীর্ষপর্যায়ে থেকে শুরম্ন করে সর্বস্ত্মরের নেতাকর্মীরা একমত। তবে এই দাবি আদায়ে কর্মকৌশল প্রণয়নে দলটিতে রয়েছে বহুমত। অনেকে এখনই আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করতে চান, আবার অনেকে চান সরকারের সমঝোতার জন্য আরো সময় দিতে। সব মতের পক্ষেই গ্রহণযোগ্য যুক্তি থাকায় দাবি আদায়ের চূড়ান্ত্ম কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে পারছে না বিএনপি।জানা গেছে, দাবি আদায়ের কর্মকৌশল নির্ধারণে বিএনপিতে তিন ধরনের মত আছে। দলের একটি অংশ মনে করছেন, আগামী ৫ জানুয়ারি একতরফা নির্বাচনের এই দিনকে ঘিরে এখনই অল আউট আন্দোলনে যাওয়া উচিত।

আরেকটি বড় অংশ মনে করেন, আগামী জুন পর্যন্ত্ম শান্ত্মিপূর্ণভাবে সমঝোতার চেষ্টা করে তারপর আন্দোলনে যাওয়া উচিত হবে। আরেকটি অংশের বক্তব্য, যেহেতু সরকার একতরফা নির্বাচন করে মেয়াদ পূর্ণ করছে তাই আন্দোলনে যাওয়ারই দরকার নেই। শুধু সমঝোতার চেষ্টা করেই নির্দলীয় দাবি আদায় করা সম্ভব হবে। দলে এই তিন ধরনের মত উপস্থাপনকারী নেতারা নিজেদের মতের স্বপক্ষে গ্রহণযোগ্য যুক্তিও দিচ্ছেন।৫ জানুয়ারিতে আন্দোলনে যাওয়ার পক্ষে থাকা নেতাদের যুক্তি হচ্ছে, আন্দোলন ছাড়া কোনো অবস্থাতেই এই সরকারের কাছ থেকে দাবি আদায় করা সম্ভব হবে না।

যেহেতু আন্দোলন করতেই হবে তাহলে বিলম্ভ করে লাভ নেই। আগেভাগে আন্দোলন শুরম্ন করলে সরকার চাপে পড়ে হলেও একটি সমঝোতায় আসার উদ্যোগ নিতে পারে। আর জুনে আন্দোলন যাওয়ার পক্ষে থাকাদের যুক্তি হচ্ছে, এক বছর আগে আন্দোলন শুরম্ন করলে তা দমনে সরকার পর্যাপ্ত সময় পাবে। আর সময় দিলে সরকার বিগত সময়ের মতো আবারও মামলা হামলার মাধ্যমে বিএনপিকে আবারো দুর্বল করে ফেলার সুযোগ পাবে। তখন নির্বাচনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সঙ্গত কারণে নির্বাচনের কাছাকাছি সময়ে আন্দোলনের পরিকল্পনা করা উচিত।

অন্যদিকে আন্দোলনে না যাওয়ার পক্ষে থাকাদের যুক্তি হচ্ছে, তাদের কাছে তথ্য আছে, নির্বাচন করতে হলে যেসব উইং সরকারকে ব্যবহার করতে হয়, তারা সবাই সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পক্ষে। পশ্চিমা দেশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, দাতা সংস্থা এমনকি জাতিসংঘও সবার অংশগ্রহণে নির্বাচনের নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাই এবার সুষ্ঠু নির্বাচন ইসু্যতে শান্ত্মিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধানে ক্ষমতাসীনরা বাধ্য হতে পারে। এরপরেও যদি ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদী করতে সরকার আগের পথ বেছে নেয় সেক্ষেত্রে আন্দোলনের কথা ভাবা যাবে। আন্দোলনের মতো আন্দোলন হলে ৭ দিনের মধ্যেই সফল হওয়া সম্ভব বলেও তাদের যুক্তি।

বিএনপির সিনিয়র এক নেতা জানান, কর্মকৌশল নিয়ে বিএনপিতে নানা মত আছে। প্রতিটি মতের পেছনে গ্রহণযোগ্য যুক্তিও আছে। এরপরেও এবার সতর্ক পথ চলায় সিদ্ধান্ত্ম রয়েছে বিএনপির। তাই হুট করে কোনো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত্ম নেবে না বিএনপি। সময় নিয়ে হলেও কার্যকরী সিদ্ধান্ত্ম নেয়া হবে।দলের অপর এক সিনিয়র নেতা জানান, আন্দোলনের বিষয়ে চূড়ান্ত্ম কর্মকৌশল নির্ধারণে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে, যারা এখনই আন্দোলনে যাওয়ার পক্ষে তারা আন্দোলনে কোনো ভূমিকা রাখার কথা নয়। আর যারা আন্দোলনে যাওয়ার পক্ষে নন তারা আন্দোলন সফলের হাতিয়ার হিসেবে পরিচিত। তাই কর্মকৌশল চূড়ান্ত্ম করতে সময় লাগছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির এক নেতা জানান, আগামীতে যাতে আন্দোলন ব্যর্থ না হয় সেজন্য বিগত সময়ে কেন আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছিল, কাদের গাফিলতি এর জন্য দায়ী, সমন্বয়ে থাকা নেতাদের ভূমিকা কী ছিল, দলের কারো বিশ্বাসঘাতকতা ছিল কিনা এসব বিষয়গুলো নিয়ে দলের উচ্চপর্যায়ে বিশেস্নষণ হচ্ছে। সব পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করার পরে প্রতিটি ক্ষেত্রে সুযোগ্য নেতার নেতৃত্বে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। তাই সময় নিয়ে সতর্ক সিদ্ধান্ত্ম নেয়া হবে। তবে আগামী জুনের মধ্যেই চূড়ান্ত্ম কৌশল নিয়ে আন্দোলন মাঠে বা সমঝেতার টেবিলে থাকবে বিএনপি।

বিএনপি সূত্র জানায়, আন্দোলনের চূড়ান্ত্ম কর্মকৌশল যাই হোক না কেন ভেতরে ভেতরে সাংগঠনিক কর্মকা- খুব দ্রম্নতগতিতে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। শান্ত্মিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিনিয়ত জনমত নিজেদের পক্ষে আনার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে সুযোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের জন্যও জরিপ চলছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থায়ী নির্বাচনগুলোতে শতভাগ সফলতা পেতে এরই মধ্যে কাজ শুরম্ন হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রংপুর সিটি নির্বাচন দিয়ে শুরম্ন করে রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনের প্রচারণায় খোদ চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নামার সিদ্ধান্ত্ম হয়েছে।

এ ছাড়া ২০ দলীয় জোটের পরিধি আরো বৃদ্ধি এবং পরবর্তী সময়ে অন্য জোটের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন এবং নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে কার্যক্রম শুরম্ন করা হযেছে। আর নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা আরো বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।বিএনপির পরবর্তী কর্মকৌশলের বিষয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ বলেন, বর্তমান সরকার দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি করেছে, তাতে মানুষ ফুঁসে উঠেছে। কিন্তু বিএনপি বারবার সরকারকে সময় দিচ্ছে, যাতে তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হয়। কিন্তু ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গেলে মরণপণ আন্দোলনে নামতে হবে।
প্রসঙ্গত, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বন্ধে ২০১৩ সালের শেষ দিকে ধারাবাহিক আন্দোলন শুরম্ন করে বিএনপি।

হরতালের পাশাপাশি লাগাতার অবরোধ কর্মসূচিও ঘোষণা করে দলটি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরও বেশ কিছু দিন আন্দোলন অব্যাহত রাখে দলটি। পরে আন্দোলন থেকে সরে এলেও নির্বাচনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আবারও কর্মসূচিতে যায় তারা। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সভা করতে না দেয়ায় ২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি আবারও অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। কর্মসূচি চলাকালে বিভিন্ন সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হন দলের অধিকাংশ শীর্ষ নেতা। ফলে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে বিএনপি। এর পর থেকে আর কোনো আন্দোলন যেতে পারেনি দলটি।

 


   Page 1 of 359
     রাজনীতি
সারা পৃথিবীতে খোঁজ নিয়েছি, অস্তিত্বই নেই: মির্জা ফখরুল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নির্বাচনকালীন সরকার চান বাম নেতারা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বুধবার সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদ কর্মসূচি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ঘরে ঘরে নয়, ছাত্রলীগকে যেতে হবে অন্তরে অন্তরে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়েনি, প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়দের পকেট ভারি হয়েছে: রিজভী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জাপা-বিএনপির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর আ.লীগে যোগদান
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জিয়া পরিবারের টাকা পাচার : বিভিন্ন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোপ করেও সদুত্তর পায়নি বিএনপি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘খালেদার অর্থপাচারের বিষয়ে তদন্ত করবে দুদক’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জেরুজালেম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে খালেদা জিয়ার উদ্বেগ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘গুম হওয়াদের ফিরে না দিলে রোবট সুফিয়াকে দায়িত্ব দেয়া উচিত’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
মির্জা ফখরুলের বক্তব্য দুর্নীতিবাজদের পক্ষে নির্লজ্জ আস্ফালন : হাছান মাহমুদ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সরকার মানবাধিকার জলাঞ্জলি দিয়ে শক্তির জোরে ক্ষমতায় আছে : ফখরুল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
এই মাঘের শীতেই রাজপথে শেষ ফয়সালা হবে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আ.লীগ এলেই গুম চালু করে: রিজভী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
প্রভাবিত করবে না এমন সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বহুমতে দেরি বিএনপির চূড়ান্ত্ম কর্মকৌশল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রাজপথ থেকে জবাব পাবে সরকার : মওদুদ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
প্রধানমন্ত্রী আরও ভদ্র ভাষায় কথা বলতে পারতেন : বি. চৌধুরী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আটক
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থা: বিএনপি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘আন্দোলন ছাড়াই দমন চালাচ্ছে সরকার’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
পেছনের দরজা দিয়ে জেতানোর চেষ্টা করলে জবাব দিবে জনগণ: রিজভী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘খালেদার শাস্তি চেয়ে তলে তলে যোগাযোগে বিএনপি নেতারা’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘এরশাদও এতো খারাপ ছিলেন না’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আ.লীগ থাকবে তো? কাদেরকে দুদু
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিএনপি কোনও রাজনৈতিক দল নয়: খন্দকার মোশাররফ হোসেন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ক্ষমতায় গেলে বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীতি করবে না
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আগামীকাল নির্বাচন হলেও বিএনপি প্রস্তুত, তবে..: মির্জা ফখরুল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
খালেদা জিয়ার হাজিরার পর বিএনপির দেড় শতাধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
গণতন্ত্র এখনও শঙ্কামুক্ত নয় : খালেদা জিয়া
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
প্রধানমন্ত্রী আমার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন: খালেদা জিয়া
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
দেশে ফিরেছেন মির্জা ফখরুল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
কুরআনের আয়াত দিয়ে বক্তব্য শেষ করলেন খালেদা জিয়া
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আদালতে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি : খালেদা জিয়া
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নেতাকর্মীদের ডাটাবেজ তৈরি করছে আওয়ামী লীগ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব : রনি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
মির্জা আব্বাসকে ‘আহম্মকের মতো’ কথাবার্তায় বারণ বাণিজ্যমন্ত্রীর
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সিইসিকে খাঁচায় বন্দি তোতা পাখি না হবার পরামর্শ রিজভীর
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
দুই মামলায় জামিন নিতে মঙ্গলবার আদালতে যাবেন খালেদা জিয়া
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
অসুস্থ রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি বিএনপি : হানিফ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
যারা জেল-জুলুম ভয় পায় তারা বড় নেতা হতে পারে না : কাদের
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সরকার তরুণদের ধ্বংসের নীলনকশা করছে : খালেদা জিয়া
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
১০ বছর রাজনীতিমুক্ত দেশ চান সুশীলরা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আমি এদেশের মানুষের কাছে চির কৃতজ্ঞ : খালেদা জিয়া
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
পুলিশের বাধায় পণ্ড বিএনপির বিক্ষোভ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিএনপি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত-আব্বাস
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সত্য বললে বিএনপি নেতারা চুপ হয়ে যায় : হাছান মাহমুদ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রোববার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে বিএনপি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আবারও নির্বাচন বর্জনের পথে বিএনপি?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......