-
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কিডনি বিক্রির হুমকি দিত পাচারকারীরা : র‌্যাব

নব আলো:ভুয়া ও জাল ভিসায় বিদেশে লোক পাঠিয়ে তাঁদের আটক করে নির্যাতন করা হতো। তারপর তাঁদের আত্মীয় স্বজনদের কাছে দফায় দফায় ফোন দেওয়া হতো দেশ থেকে টাকা পাঠানোর জন্য।

ফোনে বলা হতো চাহিদা অনুযায়ী টাকা না পাঠালে আটক ওই ব্যক্তিকে মেরে ফেলা হবে, নয়তো তাঁর কিডনি বিক্রি করে দেওয়া হবে। এ ধরনের হুমকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশে লোক পাঠিয়ে ওই ব্যক্তির স্বজনদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা আদায় করছে আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্রের সদস্যরা।

শনিবার দুপুরে র‌্যাব-৩ এর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার গোলাম সারোয়ার এ তথ্য জানান। তবে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সুদান ও লিবিয়ায় মানবপাচারকারী চক্রের সাত সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব।

তাঁরা হলেন- আবদুল কাইয়ুম, খোকন আহমেদ আজগর ওরফে আলী, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. নাসির উদ্দিন, ফারুকুল ইসলাম রাসেল, মো. রুবেল হাওলাদার ও মো. বাদল হাওলাদার। খন্দকার গোলাম সারোয়ার বলেন, সমর আলী নামে পাচার হওয়া এক ব্যক্তি এখন লিবিয়ার বাংলাদেশি দূতাবাসে রয়েছেন।

তাঁর মাধ্যমে জানা যায়, তাঁকে যে গাড়িতে পাচার করা হচ্ছিল, ওই গাড়িতে একজন ইয়ামেনি নাগরিকের মৃত্যু হয়। এ সময় সমর আলীকেও গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া হয়। সমর আলীকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে।

কিডনি বিক্রির হুমকি দিত পাচারকারীরা : র‌্যাব
                                  

নব আলো:ভুয়া ও জাল ভিসায় বিদেশে লোক পাঠিয়ে তাঁদের আটক করে নির্যাতন করা হতো। তারপর তাঁদের আত্মীয় স্বজনদের কাছে দফায় দফায় ফোন দেওয়া হতো দেশ থেকে টাকা পাঠানোর জন্য।

ফোনে বলা হতো চাহিদা অনুযায়ী টাকা না পাঠালে আটক ওই ব্যক্তিকে মেরে ফেলা হবে, নয়তো তাঁর কিডনি বিক্রি করে দেওয়া হবে। এ ধরনের হুমকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশে লোক পাঠিয়ে ওই ব্যক্তির স্বজনদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা আদায় করছে আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্রের সদস্যরা।

শনিবার দুপুরে র‌্যাব-৩ এর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার গোলাম সারোয়ার এ তথ্য জানান। তবে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সুদান ও লিবিয়ায় মানবপাচারকারী চক্রের সাত সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব।

তাঁরা হলেন- আবদুল কাইয়ুম, খোকন আহমেদ আজগর ওরফে আলী, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. নাসির উদ্দিন, ফারুকুল ইসলাম রাসেল, মো. রুবেল হাওলাদার ও মো. বাদল হাওলাদার। খন্দকার গোলাম সারোয়ার বলেন, সমর আলী নামে পাচার হওয়া এক ব্যক্তি এখন লিবিয়ার বাংলাদেশি দূতাবাসে রয়েছেন।

তাঁর মাধ্যমে জানা যায়, তাঁকে যে গাড়িতে পাচার করা হচ্ছিল, ওই গাড়িতে একজন ইয়ামেনি নাগরিকের মৃত্যু হয়। এ সময় সমর আলীকেও গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া হয়। সমর আলীকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে।

শৈলকুপায় স্কুলগামী ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ
                                  

শিক্ষায় জাতির মেরুদন্ড” আজকের শিশু আগামি দিনের ভবিষ্যত এই ¯েøাগান কে সামনে রেখে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ৫০ জন স্কুলগামী ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে শৈলকুপা উপজেলার বসন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর স্কুল ব্যাংকিং কর্মসুচী ও মাইক্রোক্রেডিটের আওতায় এ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। ঝিনাইদহ সোনালী ব্যাংক প্রিন্সিপ্যাল অফিস এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হাসিম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝিনাইদহ-১ আসনের সাংসদ আব্দুল হাই। বিশেষ অতিথি ছিলেন শেখপাড়া রাহাতুননেছা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদ করিম, বসন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আক্কাচ আলী, সিবিএ নেতা কাজী মোমিনুজ্জামান সিপার, জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহŸায়ক শফিকুল ইসলাম শিমুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল আহম্মেদ, ত্রিবেনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী, সোনালী ব্যাংক প্রিন্সিপ্যাল অফিসের সিনিয়র অফিসার এনামূল হক, ,আর এফ এল গ্রæপের সিনিয়র ম্যনেজার এস এম আবু জাফর,ও শেখপাড়া সোনালী ব্যংকের শাখা ব্যবস্থাপক আরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা শেষে ৫০ জন স্কুল গামী ছাত্রীদের হাতে বাইসাইকেল তুলে দেওয়া হয়।


   Page 1 of 1
    
কিডনি বিক্রির হুমকি দিত পাচারকারীরা : র‌্যাব
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
শৈলকুপায় স্কুলগামী ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......