অর্থনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বড় দরপতনের পর বেড়েছে সূচক

নিজস্ব প্রতিবেদক : টানা তিন কার্যদিবস বড় দরপতনের পর বুধবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচক বেড়েছ। তবে ডিএসইতে কমেছে লেনদেন। বাজারটিতে ২০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে আজ।

মূল্যসূচকের পাশাপাশি এদিন উভয় বাজারে লেনদেন হওয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৯২টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৯টির দাম।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬৩৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দু’টি মূল্যসূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ৫ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৩৭ পয়েন্টে।

বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২২৪ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার। যা শেষ ২০ মাস বা ২০১৬ সালের ১০ জুলাই’র পর সর্বনিম্ন। ২০১৬ সালের ১০ জুলাই ডিএসইতে লেনদেন হয় ২০৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার।

টাকার অংকে আজ ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে মুন্নু সিরামিকের শেয়ার। কোম্পানিটির মোট ১০ কোটি ১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তীয় স্থানে থাকা গ্রামীণ ফোনের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৭ কোটি ১৩ লাখ টাকার । ৬ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইফাদ অটোস।

লেনদেনে এরপর রয়েছে- ব্র্যাক ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, এসিআই এবং ফরচুন সুজ।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ২২ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৫২০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ২৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট।

লেনদেন হওয়া ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৯টির শেয়ারের দাম গতকালের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৬৭টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির দাম।

বড় দরপতনের পর বেড়েছে সূচক
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : টানা তিন কার্যদিবস বড় দরপতনের পর বুধবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচক বেড়েছ। তবে ডিএসইতে কমেছে লেনদেন। বাজারটিতে ২০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে আজ।

মূল্যসূচকের পাশাপাশি এদিন উভয় বাজারে লেনদেন হওয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৯২টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৯টির দাম।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬৩৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দু’টি মূল্যসূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ৫ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৩৭ পয়েন্টে।

বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২২৪ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার। যা শেষ ২০ মাস বা ২০১৬ সালের ১০ জুলাই’র পর সর্বনিম্ন। ২০১৬ সালের ১০ জুলাই ডিএসইতে লেনদেন হয় ২০৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার।

টাকার অংকে আজ ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে মুন্নু সিরামিকের শেয়ার। কোম্পানিটির মোট ১০ কোটি ১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তীয় স্থানে থাকা গ্রামীণ ফোনের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৭ কোটি ১৩ লাখ টাকার । ৬ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইফাদ অটোস।

লেনদেনে এরপর রয়েছে- ব্র্যাক ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, এসিআই এবং ফরচুন সুজ।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ২২ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৫২০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ২৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট।

লেনদেন হওয়া ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৯টির শেয়ারের দাম গতকালের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৬৭টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির দাম।

বাংলাদেশে বিএমডব্লিউর নতুন মডেলের গাড়ি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক :  বাংলাদেশে উদ্বোধন করা হলো জার্মান অটোমোবাইল বহুজাতিক সংস্থা বিএমডব্লিউ’র নতুন মডেলের গাড়ি ‘বিএমডব্লিউ এক্স-থ্রি’। বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজেদের শো-রুমে গাড়িটির উদ্বোধন করে বাংলাদেশে একমাত্র বিএমডব্লিউ’র অথারাইজ আমদানিকারক এক্সিকিউটিভ মটরস লিমিটেড।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এক্সিকিউটিভ মোটরসের অপারেশনস ডিরেক্টর দেওয়ান মুহাম্মদ সাজিদ আফজাল এবং আফটার সেলস ডিরেক্টর মো. বজলুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

দেওয়ান মুহাম্মদ সাজিদ বলেন, বিএমডব্লিউ’র নতুন এ মডেলের গাড়ির শক্তিশালী ইঞ্জিন, কার্যকরী ড্রাইভিং সিস্টেম এবং আভিজাত্যের সমন্বয়ে নতুন অধ্যায়ের রচনা করবে। মডেলটিতে রয়েছে চমকপ্রদ ও নতুনত্বের প্রকাশ।

তিনি জানান, নতুন বিএমডব্লিউ ৭ ও ৫ সিরিজের মত এ মডেলেও রয়েছে বিএমডব্লিউ ডিসপ্লে-কি। এই ডিসপ্লে-কি দিয়ে গাড়িটির লক ও আনলক করা যাবে। এছাড়া এ কি’তে রয়েছে অভিনব সব ফিচার। যা চালককে ফুয়েলের স্তর সম্পর্কে সচেতন করবে। পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণের কোনো কাজ বাকি থাকলে জানাবে। এছাড়া জানালা ও সানরুফ বন্ধ রয়েছে কিনা তাও জানিয়ে দেবে এ কি।

অনুষ্ঠানে মো. বজলুল করিম বলেন, প্রতিটি বিএমডব্লিউ এক্স-থ্রি গাড়িতে ক্রেতারা পাবেন ৫ বছরের ফ্রি সার্ভিস, পার্টস, মেইনটেনেন্স এবং রিপেয়ার সুবিধা। অর্থাৎ প্রথম ৫ বছর গাড়ির মালিকের বাড়তি কোনো খরচই লাগবে না।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজিত সংবাদ সাম্মেলনে জানানো হয়, বিএমডব্লিউ এক্স-থ্রি দু’টি মডেলে পাওয়া যাবে। একটি ‘এক্স-থ্রি এক্স ড্রাইভ৩০আই’, যা ফোর হুইল ড্রাইভ এবং অন্যটি ‘এক্স-থ্রি এসড্রাইভ২০আই’, যা রেয়ার হুইল ড্রাইভ। প্রতিটি গাড়ির দাম পড়বে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি : বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ জামালকে ডেপুটি গভর্নর হিসেবে ৪ বছরের জন্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আহমেদ জামালের বর্তমান চাকরি হতে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ এবং অবসর উত্তর ছুটি (পিআরএল) বাতিলের শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ এর ১০ (৪) ধারা অনুসারে যোগদানের তারিখ হতে তার বয়স ৬২ বছর পর্যন্ত অর্থাৎ ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।

গত ২০১৬ সালের মার্চে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ড. আতিউর রহমান স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। এ ঘটনায় ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম ও নাজনীন সুলতানার নিয়োগ বাতিল করে সরকার। পরবর্তীতে ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদকে প্রধান করে ডিজি নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে ডিজি হিসেবে নিয়োগ পান এস এম মনিরুজ্জামান।

২০১৭ সালে পুনরায় ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদকে প্রধান করে ডিজি নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে ডিজি হিসেবে আজ নিয়োগ পেলেন আহমেদ জামাল।

 

সূচকের বড় পতন, লেনদেন অর্ধেকে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : এক প্রকার অতঙ্কের মধ্য দিয়েই শেষ সপ্তাহ পার করেছেন শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা। সপ্তাহের চার কার্যদিবসেই মূল্য সূচকের পতন হয়েছে। ফলে সপ্তাহজুড়ে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সবকটি সূচকের বড় পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে বাজারটিতে লেনদেন কমে আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে।

শেষ সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৪৩ দশমিক ২২ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইএক্সের এমন পতন হলেও আগের সপ্তাহে এ সূচকটির উত্থান হয়েছিল। আগের সপ্তাহে এ সূচকটি বাড়ে ৮৪ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪২ শতাংশ।

অপর দুটি সূচকের মধ্যে শেষ সপ্তাহে ডিএসই-৩০ কমেছে ৬০ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৭২ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এ সূচকটি বেড়েছিল ৫ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট বা দশমিক ২৪ শতাংশ।

আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক আগের সপ্তাহের তুলনায় শেষ সপ্তাহে কমেছে ২৯ দশমিক ৯২ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ১২ শতাংশ কমেছে। আগের সপ্তাহে এ সূচকটি বাড়ে ১৫ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১৪ শতাংশ।

শেষ সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩৮টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে মাত্র ৫৫টির দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। অপরদিকে দাম কমেছে ২৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টির দাম।

মূল্য সূচকের বড় পতনের পাশাপাশি শেষ সপ্তাহে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৭৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৫১৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা বা ২৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

গড় লেনদেনের পাশাপাশি মোট লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ২ হাজার ৫৭৯ কোটি ১২ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন কমেছে ১ হাজার ৮০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বা ৪১ দশমিক ৯০ শতাংশ।

গত সপ্তাহে মোট লেনদেনের ৮৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশই ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দখলে। এছাড়া বাকি ১০ দশমিক ৯৪ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, দশমিক ২৭ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ২ দশমিক ৭২ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের।

এ দিকে গত সপ্তাহে মূল্য সূচকের পাশাপাশি ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণও কমেছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৯ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৪ লাখ ১৭ হাজার ৭৮৪ কোটি টাকা।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইউনিক হোটেলের শেয়ার। কোম্পানিটির ৬২ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা সপ্তাহজুড়ে হওয়া মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ২০ শতাংশ।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। ৪১ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল।

লেনদেনে এরপর রয়েছে- গ্রামীণ ফোন, ফু-ওয়াং ফুড, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, ব্র্যাক ব্যাংক, মুন্নু সিরামিক, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল।

 

আইসিএমএবি’র নতুন সভাপতি সেলিম, সচিব রহমান খান
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস্ অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এর মোহাম্মদ সেলিম নতুন সভাপতি এবং মো. আবদুর রহমান খান সচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটির কাউন্সিল সভায় তারা নির্বাচিত হন।

এ ছাড়া সহ-সভাপতি পদে এম. আবুল কালাম মজুমদার এফসিএমএ ও আরিফ খান এফসিএমএ, এবং অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা এফসিএমএ কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন।

মোহাম্মদ সেলিম এর আগে ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি এবং বিভিন্ন মেয়াদে সহ-সভাপতি, সচিব ও কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০১ সালে ঢাকা ব্রাঞ্চ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

অপরদিকে মোহাম্মদ সেলিম বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট ট্যাকনিক্যাল ইউনিটের সিনিয়র ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট পদে কর্মরত আছেন।

এম. আবুল কালাম মজুমদার ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি এবং বিভিন্ন মেয়াদে সহ-সভাপতি, সচিব ও কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।

আবদুর রহমান খান বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে উপ-সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। ইতোপূর্বে তিনি আইসিএমএবি’র কোষাধ্যক্ষ ও সচিব ছিলেন।

অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা বর্তমানে বাংলাদেশ সিকিউিরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার হিসেবে কর্মরত আছেন। ইতোপূর্বে তিনি আইসিএমএবি’র কোষাধ্যক্ষ এবং ঢাকা ব্রাঞ্চ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

ব্যাংক খাত নিয়ে অস্বস্তিতে সরকার
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি :  বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাংক নিয়ে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। তাদের ধারণা ব্যাংক মানেই অনিয়মের আখড়া। ব্যাংক খাত নিয়ে সাধারণের মধ্যে এমন ধারা থাকায় সরকার এক ধরনের অস্বস্তির মধ্যে রয়েছে। মন্ত্রী-এমপিদের নানা জবাবদিহিতার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। শনিবার রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে অগ্রণী ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ শামস-উল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমান, অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফজলুল হক, অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালক মাহমুদা বেগম, সঙ্গীতা আহমেদ প্রমুখ।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আর্থিক খাতের অবস্থা ভালো কি-না সে ব্যাপারে প্রশ্ন আছে- উল্লেখ করে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে অবসর নেয়ার ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, আমাদের দেশে ব্যাংকিং সার্ভিস ততটা প্রসারিত হয়নি। ব্যাংকের শাখা আরও বাড়ানো উচিত। ব্যাংকে যত বেশি লোককে জড়িত করা যাবে, ততই আর্থিক কর্মকাণ্ড শক্তিশালী হবে। আর্থিক কর্মকাণ্ড শক্তিশালী হলে দেশের উন্নয়ন হয়।

কেওয়াইসি (গ্রাহকের পূর্ণাঙ্গ পরিচিত) ব্যাংকের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ব্যাংকারদের উদ্দেশে মুহিত বলেন, কে আপনার সেবা নিচ্ছে, সেই লোকটাকে, সেই প্রতিষ্ঠানকে চিনতে চেষ্টা করেন। সেই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একটা আত্মার সম্পর্ক সৃষ্টি করেন। কারণ সেখান থেকেই অাপনি অনেক সমৃদ্ধ হবেন, ঠিক তেমনি প্রতিষ্ঠানটিও সমৃদ্ধ হতে পারে এবং এ উদ্যোক্তার সমৃদ্ধি জাতীয় সমৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

ব্যাংকারদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, যখন কোনো প্রকল্প আসে, সেটাকে ভালো করে দেখেন। সেটা মূল্যায়ন করেন যথার্থভাবে। তার কী দোষ-ত্রুটি আছে সেগুলো বের করেন। তাকে সেই দোষ-ত্রুটি মেটানোর চেষ্টা করতে বলেন।

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ব্যাংকিং খাত নিয়ে আমরা যথেষ্ট অস্বস্তির মধ্যে আছি। এ খাত নিয়ে অনেক জবাবদিহিতার মধ্যে পড়তে হয়। এ অবস্থা থেকে উঠে আসতে আমাদের অনেক পরিশ্রম করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের রেগুলেটরি অত্যন্ত দুর্বল। পুরস্কারের পাশাপাশি তিরস্কারের ব্যবস্থা থাকা উচিত। আপনারা (ব্যাংকার) যেভাবে পুরস্কৃত হয়েছেন, সেই হারে সেবাটা আমরা পাচ্ছি না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, লক্ষ্য করছি ডিপোজিট রেট (আমানতের সুদ হার) বেড়ে যাচ্ছে। ডিপোজিট যাদের আছে, এটি তাদের জন্য সুখবর। কারণ ডিপোজিট রেট দীর্ঘদিন নেগেটিভ ছিল। ডিপোজিটররা এখন ভালো রেট পাচ্ছেন, তাতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু ল্যান্ডিং রেটটা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেটা ব্যবসার জন্য ভালো না, দেশের জন্য ভালো না।

বেসরকারি ব্যাংকগুলো তথ্য ঋণ আমানত অনুপাত (এডিআর) নিয়ে তথ্য লুকাচ্ছে উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, এডিআর ৮৩.৫ শতাংশ হওয়ার কারণে তারা বলছে ডিপোজিট অনেক বেশি ফল করছে। ডিপোজিট অনেক বেশি বাড়াতে হবে রেশিও (অনুপাত) ঠিক করার জন্য। সেটাও ঠিক নয়। কারণ ১১ হাজার কোটি টাকার মতো এডি রেশিও’র ওপরে আছে। তার মধ্যে কৃষি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন, বেসিক এবং ফারমার্স এ চারটি ব্যাংকের প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমান বলেন, সেবার দিক থেকে সরকারি ব্যাংকগুলো মারাত্মক খারাপ অবস্থায় আছে। সারাদেশ থেকে সরকারি ব্যাংকগুলো আমানত সংগ্রহ করে। সেই টাকা ঢাকা ও চট্টগ্রামে বড় বড় লোন দেয়, সেই লোন আদায় হয় না।

নতুন পে-স্কেলের কারণে সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের কাজে অলসতা এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন পে-স্কেলে বেতন-ভাতা বাড়ার কারণে সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তারা তেমন কাজ করতে চায় না। লোন প্রপোজাল (প্রস্তাব) গেলে তা ফেলে রাখেন। আমি সোনালী ব্যাংকের এমডির কাছে একজনকে পাঠালাম। তিনি তাকে ডিএমডির কাছে পাঠালেন। সেই ডিএমডি তাকে এমন সব কথা বললেন, ওই গ্রাহক বাধ্য হয়ে পরে একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে লোন নিলেন।

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেন, বাংলাদেশের বড় অংশের মধ্যে ব্যাংকের বিষয়ে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। মানুষের ধারণা ব্যাংক মানেই অনিয়মের আখড়া।

ব্যাংক খাতের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ানোর উপায় হিসেবে তিনি বলেন, আমাদের সবার আগে নজর দিতে হবে খেলাপি ঋণ কমানোর দিকে। ঋণ খেলাপি হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ আইনি দীর্ঘসূত্রিতা। উচ্চ আদালতে আর্থিক বিষয়ে আলাদা বেঞ্চ করলে সুফল পাওয়া যেতে পারে। বিষয়টির ওপর সংশ্লিষ্টদের মনোযোগ দেয়া উচিত।

 

বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে সিঙ্গাপুরও লাভবান হবে
                                  

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বিনিয়োগের জন্য খুবই লাভজনক স্থান বাংলাদেশ। সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতি ও পরিবেশ বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করছে। বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছে। সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন।

মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার, সিঙ্গাপুর আয়োজিত ‘টু প্রমোট ট্রেড অ্যান্ড কমার্স বিটুইন বাংলাদেশ অ্যান্ড সিঙ্গাপুর’ শীর্ষক বিজনেস সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার এ বক্তব্যের কথা জানানো হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি রয়েছে, এখানে কম খরচে বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোনে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এলে বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার আইন প্রণয়ন করে সুরক্ষা দিয়েছে। এখন বাংলাদেশে যে কোনো বিনিয়োগকারী শতভাগ বিনিয়োগ করতে পারে, প্রয়োজনে লাভসহ সমুদয় অর্থ ফিরিয়ে নিতে পারে বিনিয়োগকারী।

 

তোফায়েল আহমেদ বলেন, সরকার রফতানি বাণিজ্য প্রসারে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ (মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি) স্বাক্ষর করছে। প্রয়োজন হলে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে এফটিএ করার চিন্তা করবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক ট্যুরিস্ট সিঙ্গাপুরে আসে, সিঙ্গাপুরের জন্য ভালো ট্যুরিস্ট স্পট বাংলাদেশও হতে পারে। এজন্য বাংলাদেশ সরকার বিশেষ উদ্যোগ নেবে, যাতে সিঙ্গাপুরের ট্যুরিস্ট বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী হন। এজন্য উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বারের প্রেসিডেন্ট মো. শহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মোস্তাফিজুর রহমান। সিঙ্গাপুরের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা এবং সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

রিজার্ভ চুরি: মামলা হবে নিউইয়র্কে
                                  

রিজার্ভ চুরির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মামলাটি হবে নিউইয়র্কে। মামলায় ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক আমাদের (বাংলাদেশ) পক্ষে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, মামলা করার বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রিজার্ভ চুরির বিষয়ে ড. ফরাস উদ্দীনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এখনও প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে না।

 
 
 
বাণিজ্য মেলায় সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রাণ-আরএফএল-এর চার প্রতিষ্ঠান
                                  

২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারীর সম্মাননা পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সহযোগী চার প্রতিষ্ঠান। সোমবার রাজধানীর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (হিসাব) চৌধুরী আতিয়ুর রাসুলের হাতে সম্মাননাপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এবারের বাণিজ্য মেলায় সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী ১০টি প্রতিষ্ঠানকে এ সম্মাননা দিয়েছে এনবিআর। এর মধ্যে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চারটি প্রতিষ্ঠান হলো- আরএফএল প্লাস্টিকস লিমিটেড, ডিউরেবল প্লাস্টিক লিমিটেড, রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড।

সম্মাননা প্রদানের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান ও এনবিআরের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

চৌধুরী আতিয়ুর রাসুল বলেন, `সেরা ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আমাদেরই চারটি প্রতিষ্ঠান। এটি নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ভবিষ্যতে আরো বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।`

 

সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের জন্য সরকার দায়ী : অর্থমন্ত্রী
                                  

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, সরকারি কাজের জন্য আমরা সরকারি ব্যাংকগুলোকে চাপাচাপি করি, সোনালী ব্যাংক এদের মধ্যে সবার আগে। সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের জন্য সরকার দায়ী।

শনিবার সকালে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে (আইডিইবি) সোনালী ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সোনালী ব্যাংককে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য ঋণ বিতরণের আগে ভালোভাবে প্রকল্প বিশ্লেষণ ও গ্রাহকের কেওয়াইসি (নো ইউর কাস্টমার) ফর্ম ভালোভাবে চেক করতে হবে।

এসময় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, গভর্নর ফজলে কবির, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনুসু রহমান, ব্যাংকের চেয়ারম্যান আশরাফুল মকবুল ও এমডি ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বক্তব্য রাখেন।

 


   Page 1 of 1
     অর্থনীতি
বড় দরপতনের পর বেড়েছে সূচক
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বাংলাদেশে বিএমডব্লিউর নতুন মডেলের গাড়ি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সূচকের বড় পতন, লেনদেন অর্ধেকে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আইসিএমএবি’র নতুন সভাপতি সেলিম, সচিব রহমান খান
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ব্যাংক খাত নিয়ে অস্বস্তিতে সরকার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে সিঙ্গাপুরও লাভবান হবে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রিজার্ভ চুরি: মামলা হবে নিউইয়র্কে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বাণিজ্য মেলায় সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রাণ-আরএফএল-এর চার প্রতিষ্ঠান
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের জন্য সরকার দায়ী : অর্থমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......