ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ঢাকায় যানজট কমাতে ‘ট্রাফিক ফিচার’ চালু করলো গুগল

ঢাকার রাস্তার যানজট কমাতে এবার সুসংবাদ নিয়ে এলো গুগল। বাসা বা অফিস থেকে বের হওয়ার আগে আপনার কাঙ্ক্ষিত সড়কে যানজটের ধরণ কেমন তা অগ্রিম জানিয়ে দেবে গুগল ম্যাপের ট্রাফিক ফিচার। ফলে আপনি বিকল্প পথে সহজে গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারবেন।

২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এই সেবাটি গুগল চালু করলেও বাংলাদেশে সেবাটি চালু হয়েছে গত বৃহস্পতিবার।

গুগল ম্যাপের ট্রাফিক ফিচারের মাধ্যমে পাওয়া যাবে রাস্তা সম্পর্কে পূর্ণ আপডেট। শহরে রাস্তাগুলোর কোথায় জ্যাম লেগে আছে এবং কোথাকার রাস্তা ফাঁকা আছে তার সবই বিস্তারিত জানা যাবে। এমন কি আপনি যে রাস্তা দিয়ে এখন কাজের উদ্দেশ্যে যেতে চাচ্ছেন সে রাস্তার পরিস্থিতি কেমন এবং আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে কত সময় লাগবে সেটিও জানা যাবে গুগল ম্যাপের এ সার্ভিস দিয়ে।

ট্রাফিক ফিচারে রাস্তায় ট্রাফিক জ্যামের ওপর নির্ভর করে ম্যাপে থাকা সড়কের রং পরিবর্তন হবে। যে রাস্তায় সবুজ রং দেখা যাবে সেখানে জ্যাম নেই। কমলা রং হলে বুঝতে হবে সেখানে হালকা জ্যাম রয়েছে। লাল রং হওয়ার অর্থ জ্যাম লেগে রয়েছে আর গাঢ় লাল রং মানে সেখানে তীব্র যানজট লেগেছে।

এ সেবাটি পাওয়ার জন্য প্লে স্টোর থেকে আপডেট গুগল ম্যাপ নামিয়ে নিতে হবে। ম্যাপের মেন্যু থেকে ‘রিয়্যাল টাইম ট্রাফিক’-এ ক্লিক করলে তিনটি সমান্তরাল লাইন দেখা যাবে, যেখানে ড্রপ-ডাউন মেনু রয়েছে। ‘ট্রাফিক’ অপশনে গিয়ে ‘লাইভ ট্রাফিক’ থেকে ‘টিপিক্যাল ট্রাফিক’ করে নিন।

ট্রাফিক অপশনটি চালু হলে রাস্তার ওপরে সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল রং দেখতে পাওয়া যাবে। অপশনটি চালু থাকা অবস্থায় গাড়ি চলাচলের আপডেট নিয়ে ডিভাইসে কিছুক্ষণ পরপর নোটিফিকেশন আসবে। তবে ঢাকার সব গলির রাস্তার ট্রাফিক আপডেট এখনও চালু হয়নি।

এ ব্যাপারে গুগল লোকাল গাইড বাংলাদেশের মডারেটর মাহাবুব হাসান বলেন, চালু হওয়া এই ফিচারটি ব্যবহার করে এখন শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ও বড় সড়কগুলোর আপডেট পাওয়া যাচ্ছে। পরবর্তীতে অন্যান্য রাস্তার আপডেটও এখানে যুক্ত করা হবে। ফিচারটি এখন পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। এই ফিচারটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে আরও উন্নত অভিজ্ঞতা প্রদানে কাজ করে যাচ্ছে গুগল।

গুগল এ সেবাটি মূলত ব্যবহারকারীদের ফোন ও গাড়িতে থাকা জিপিএস ব্যবহার করে এই ট্রাফিক আপডেট তৈরি করে। একটি নির্দিষ্ট রাস্তায় একটি জিপিএস কতক্ষণ অবস্থান করছে এবং এর চলার গতি কেমন, তা থেকেই ওই রাস্তার ট্রাফিক সম্পর্কে ধারণা নেওয়া হয়।

গুগল ম্যাপের অসংখ্য সেবা মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সহজ করে দিয়েছে। গুগল ম্যাপের মাধ্যমে শুধুমাত্র পথ দেখা যায় না; এর সাহায্যে এটিএম, হোটেল, ক্যাফে বা প্রয়োজনীয় স্থান খুঁজে পাওয়া যায়, পছন্দের জায়গা ‘পিন’ করে রাখা যায়, ইন্টারনেট কানেকশন থাকাকালীন প্রয়োজনীয় ম্যাপটি ‘ডাউনলোড’ করে ‘সেভ’ করে অফলাইন থেকেও ম্যাপ দেখা যায়, ট্রাফিক কখন কোথায় কেমন তা দেখা যায়।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি গুগল ম্যাপ চালু করা হয় এবং ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম রিয়েল টাইম ট্রাফিক আপডেট সেবাটি চালু করে গুগল। এরপর সেবাটি বিভিন্ন দেশে চালু করেছে গুগল। প্রতিবেশি দেশ ভারতের কলকাতাসহ ১২টি শহরে এ সেবা চালু হয় ২০১৫ সালের ৩০ জুন। এর আগে ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর দেশটির আরও ২২টি শহরে এ সেবা চালু করে গুগল।

ঢাকায় যানজট কমাতে ‘ট্রাফিক ফিচার’ চালু করলো গুগল
                                  

ঢাকার রাস্তার যানজট কমাতে এবার সুসংবাদ নিয়ে এলো গুগল। বাসা বা অফিস থেকে বের হওয়ার আগে আপনার কাঙ্ক্ষিত সড়কে যানজটের ধরণ কেমন তা অগ্রিম জানিয়ে দেবে গুগল ম্যাপের ট্রাফিক ফিচার। ফলে আপনি বিকল্প পথে সহজে গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারবেন।

২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এই সেবাটি গুগল চালু করলেও বাংলাদেশে সেবাটি চালু হয়েছে গত বৃহস্পতিবার।

গুগল ম্যাপের ট্রাফিক ফিচারের মাধ্যমে পাওয়া যাবে রাস্তা সম্পর্কে পূর্ণ আপডেট। শহরে রাস্তাগুলোর কোথায় জ্যাম লেগে আছে এবং কোথাকার রাস্তা ফাঁকা আছে তার সবই বিস্তারিত জানা যাবে। এমন কি আপনি যে রাস্তা দিয়ে এখন কাজের উদ্দেশ্যে যেতে চাচ্ছেন সে রাস্তার পরিস্থিতি কেমন এবং আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে কত সময় লাগবে সেটিও জানা যাবে গুগল ম্যাপের এ সার্ভিস দিয়ে।

ট্রাফিক ফিচারে রাস্তায় ট্রাফিক জ্যামের ওপর নির্ভর করে ম্যাপে থাকা সড়কের রং পরিবর্তন হবে। যে রাস্তায় সবুজ রং দেখা যাবে সেখানে জ্যাম নেই। কমলা রং হলে বুঝতে হবে সেখানে হালকা জ্যাম রয়েছে। লাল রং হওয়ার অর্থ জ্যাম লেগে রয়েছে আর গাঢ় লাল রং মানে সেখানে তীব্র যানজট লেগেছে।

এ সেবাটি পাওয়ার জন্য প্লে স্টোর থেকে আপডেট গুগল ম্যাপ নামিয়ে নিতে হবে। ম্যাপের মেন্যু থেকে ‘রিয়্যাল টাইম ট্রাফিক’-এ ক্লিক করলে তিনটি সমান্তরাল লাইন দেখা যাবে, যেখানে ড্রপ-ডাউন মেনু রয়েছে। ‘ট্রাফিক’ অপশনে গিয়ে ‘লাইভ ট্রাফিক’ থেকে ‘টিপিক্যাল ট্রাফিক’ করে নিন।

ট্রাফিক অপশনটি চালু হলে রাস্তার ওপরে সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল রং দেখতে পাওয়া যাবে। অপশনটি চালু থাকা অবস্থায় গাড়ি চলাচলের আপডেট নিয়ে ডিভাইসে কিছুক্ষণ পরপর নোটিফিকেশন আসবে। তবে ঢাকার সব গলির রাস্তার ট্রাফিক আপডেট এখনও চালু হয়নি।

এ ব্যাপারে গুগল লোকাল গাইড বাংলাদেশের মডারেটর মাহাবুব হাসান বলেন, চালু হওয়া এই ফিচারটি ব্যবহার করে এখন শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ও বড় সড়কগুলোর আপডেট পাওয়া যাচ্ছে। পরবর্তীতে অন্যান্য রাস্তার আপডেটও এখানে যুক্ত করা হবে। ফিচারটি এখন পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। এই ফিচারটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে আরও উন্নত অভিজ্ঞতা প্রদানে কাজ করে যাচ্ছে গুগল।

গুগল এ সেবাটি মূলত ব্যবহারকারীদের ফোন ও গাড়িতে থাকা জিপিএস ব্যবহার করে এই ট্রাফিক আপডেট তৈরি করে। একটি নির্দিষ্ট রাস্তায় একটি জিপিএস কতক্ষণ অবস্থান করছে এবং এর চলার গতি কেমন, তা থেকেই ওই রাস্তার ট্রাফিক সম্পর্কে ধারণা নেওয়া হয়।

গুগল ম্যাপের অসংখ্য সেবা মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সহজ করে দিয়েছে। গুগল ম্যাপের মাধ্যমে শুধুমাত্র পথ দেখা যায় না; এর সাহায্যে এটিএম, হোটেল, ক্যাফে বা প্রয়োজনীয় স্থান খুঁজে পাওয়া যায়, পছন্দের জায়গা ‘পিন’ করে রাখা যায়, ইন্টারনেট কানেকশন থাকাকালীন প্রয়োজনীয় ম্যাপটি ‘ডাউনলোড’ করে ‘সেভ’ করে অফলাইন থেকেও ম্যাপ দেখা যায়, ট্রাফিক কখন কোথায় কেমন তা দেখা যায়।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি গুগল ম্যাপ চালু করা হয় এবং ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম রিয়েল টাইম ট্রাফিক আপডেট সেবাটি চালু করে গুগল। এরপর সেবাটি বিভিন্ন দেশে চালু করেছে গুগল। প্রতিবেশি দেশ ভারতের কলকাতাসহ ১২টি শহরে এ সেবা চালু হয় ২০১৫ সালের ৩০ জুন। এর আগে ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর দেশটির আরও ২২টি শহরে এ সেবা চালু করে গুগল।

নিজে নিজেই চলবে বাইক, চিনতে পারবে মালিককে (ভিডিও)
                                  

প্রযুক্তি এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। সেই প্রযুক্তিরই অপর নাম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)।

আকর্ষণীয় তিন চাকার স্পোর্টস বাইকের পর সম্প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্বলিত নতুন বাইক নিয়ে আসছে ইয়ামাহা। টোকিওর ৪৫তম বার্ষিক মোটর শো’তে ইয়ামাহা মোটরওআইডি নামে এই বাইকটির কার্যক্রম সংক্রান্ত বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।  

 

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আধুনিক এই বাইকে অসাধারণভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। এই বাইকটি নিজে নিজেই চলতে এবং নির্দেশনা মানতে সক্ষম। পাশাপাশি নিজের মালিককেও চিনতে পারে ইয়ামাহার এই নতুন বাইকটি।

বার্ষিক ওই অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, নিজেই নিজের ভারসাম্য রক্ষা করতে সক্ষম এই বাইকটি চালকের নির্দেশনা অনুযায়ী সামনে এগুতে বা পেছনে যেতে পারে। বিদ্যুৎ শক্তিতে চালিত এই বাইকটির দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৬৬ মিলিমিটার, প্রস্থ ৬০০ মিলিমিটার এবং উচ্চতা ১ হাজার ৯০ মিলিমিটার। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি সম্বলিত এই বাইকের ওজন ২১৩ কেজি।  

তবে বাইকটি কবে নাগাদ বিশ্ববাজারে পাওয়া যাবে তা জানানো হয়নি। 

শিক্ষার্থীদের স্কুলবাস দিন : বিত্তবানদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী
                                  

নব আলো:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীতে স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলবাস দিতে সমাজের বিত্তবান ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘রাজধানীর স্কুলগুলোতে সমাজের বিত্তবানরা যদি স্কুলে বাস উপহার দেন তাহলে শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়ার যেমন সুবিধা হবে, তেমনি রাজধানীর প্রাইভেটকারের ওপর চাপ কমে যাবে। কমে যাবে যানজটও।’

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) দুটি স্কুলে সাতটি স্কুলবাসের চাবি হস্তান্তর এবং শেখ ফজিলাতুন নেসা মুজিব মেমোরিয়াল কে পি জে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজে একটি ফোর-ডি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

রোববার (১৩ মার্চ) সকালে নিজ কার্যালয়ে নিটল-নিলয় গ্রুপের দেওয়া সাতটি বাসের চাবি ‘বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ পাবলিক স্কুল ও কলেজ’ এবং ‘বীরশ্রেষ্ঠ আবদুর রউফ পাবলিক স্কুল ও কলেজের’ অধ্যক্ষের হাতে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, স্বরাষ্ট্র সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান, বিজিবির মহাপরিচালক আজিজ আহমেদ ও নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল মাতলুব আহ্মাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের টাটা কোম্পানি নির্মিত ৩৫ আসনের সাতটি বাসের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক স্কুল ও কলেজের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ মো. মোস্তাফিজুর রহমান চারটি এবং বীরশ্রেষ্ঠ আবদুর রউফ পাবলিক স্কুল ও কলেজের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বশীরুদ্দীন তিনটি বাসের চাবি গ্রহণ করেন।

এছাড়া শেখ ফজিলাতুন নেসা মুজিব মেমোরিয়াল কে পি জে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সি কলেজে একটি ফোর-ডি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন দেওয়া হয়।

শতাব্দী পেল সাহসের পুরস্কার
                                  

রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রীর নাম শামসুন্নাহার শতাব্দী। মন্ত্রীর আশ্বাস অনুযায়ী সে ও তার অনেক বন্ধু হাজির। চলে অপেক্ষার পালা। না, কথা রাখলেন মন্ত্রী, ঠিক সকাল ৬টায় বিআরটিসির মহিলা বাস সার্ভিস এসে হাজির।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে কাছে পেয়ে গণপরিবহনে চলাচলে দুর্ভোগ নিয়ে অভিযোগ করেছে এক স্কুলছাত্রী। অভিযোগ শুনে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় মিটারবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিদর্শনে যান মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষদের অভিযোগ শোনেন। এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী শামসুন্নাহার শতাব্দী হাত তুলে ইংরেজিতে বলে, ‘মিস্টার মিনিস্টার! আই হ্যাভ এ কোশ্চেন।’ জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘হোয়াট ইজ ইয়োর কোশ্চেন। আর ইউ জার্নালিস্ট?’উত্তরে শতাব্দী বলে, ‘নো! আই অ্যাম এ স্টুডেন্ট।’

এরপর রাজধানীর শেওড়াপাড়ার বাসা থেকে স্কুলে আসার পথে গণপরিবহনে নিজের দুর্ভোগের কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে শতাব্দী। সে জানায়, শেওড়াপাড়া থেকে ১২৩ নম্বর বাসে মেয়েদের তুলতে চায় না। তাই প্রায় প্রতিদিনই তার স্কুলে আসতে দেরি হয়।

এছাড়া অন্য অনেক বাসেও সিট খালি নেই বলে মেয়েদের তুলতে চায় না বলেও অভিযোগ করে। অভিযোগ শুনে মন্ত্রী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি নিয়ে বিআরটিএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

এ সময় সেতুমন্ত্রী বলেন, সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত স্কুলটাইমে বিআরটিসির বাসে অবশ্যই স্কুলশিক্ষার্থীদের তুলতে হবে। তিনি বলেন, ‘গণপরিবহনে নারী ও শিশুদের জন্য সংরক্ষিত আসন রাখার বিধান মেনে চলতে হবে।’
সকাল সাড়ে ৬টায় গাড়ির চাকা ঘুরতে শুরু করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। উচ্ছাস তখন শতাব্দীসহ সব শিক্ষার্থীর মাঝে। শতাব্দীর ভাষায়, ‘আমার বন্ধুদের জন্য উচ্ছাসটা অনেক বেশি। আমি আমার বন্ধুদের জন্যই কাজটা করেছি। কারণ তারা অনেক কষ্ট করে স্কুলে যায়। সেজন্য আমার কাছে এই বাস পাওয়ার আনন্দ অনেক।’

নিজের সাহসিকতাকে বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয় শতাব্দীর।

বন্ধুর এমন কর্মে তার প্রতি শুভকামনা জানালো তার সহপাঠী এবং বন্ধুরাও। এই বাসের ব্যবস্থা হওয়ায় এখন আর তাদের স্কুলে যেতে দেরি হবে না, শিক্ষকের কাছে শাস্তিও পেতে হবে না। তাই ভবিষ্যতে শতাব্দী যেনো আরো ভালো কিছু করতে পারে এই কামনা বন্ধুদের।

শতাব্দীর মা-ও নিজ সন্তানের সাহসিকতার প্রশংসা করেন। বলেন, শতাব্দী মেয়েদের কল্যাণে একটা কাজ করেছে। তাই মা হিসেবে তিনি গর্বিত। এমন উদ্যোগে সরকারকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

ঢাকা মহানগরীতে সরকারি পরিবহন সংস্থা বিআরটিসির সাড়ে ৬শ’ পরিবহনের মধ্যে মাত্র ১৯টি বাস চলে শুধু নারীদের জন্য। কর্মক্ষেত্রে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী নারী শিক্ষার্থীদের জন্য শহরে মহিলা বাস সার্ভিস বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন নারী যাত্রীরা।

একটি সাহসী বইয়ের জয়জয়কার
                                  
অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বই বিক্রির ধুমই বলে দিচ্ছে মেলার ভাঙনের সুর বেজে উঠেছে। মেলার অধিকাংশ স্টলেই বই বিক্রির ধুম চলছে। যারাই মেলা চত্বর ছেড়ে বাড়ি ফিরছেন, তাদের মধ্যে খুব কম হাতই দেখা যাচ্ছে যে হাতে বই নেই। গ্রন্থানুরাগী অনেকের আবার দুইহাত ভর্তি বই দেখা গেছে। কেউ কেউ তো বিশাল আকারের ব্যাগ নিয়ে এসেছেন বই কিনতে। এসবই বলে দিচ্ছে মাসব্যাপী মেলার আছে আর মাত্র এক দিন। আগামীকাল অমর একুশে গ্রন্থমেলার সমাপনী।
 
কমলাপুরের কবি জসিমউদ্দীন রোড থেকে মেলায় আগত চাকরীজীবী রোকেয়া রহমান বাসসকে জানান, মেলা তো আবার এক বছরের জন্য শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই দরকারী কিছু বই কিনতে এসেছি। কী কী বই কিনেছেন, জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি, উপন্যাস, কবিতা ও বাচ্চাদের জন্য কিছু বই।
 
প্রকাশক ও বিক্রেতাদের দাবির মুখে অমর একুশে গ্রন্থমেলার সমাপনী দিনের সময় আরো ১ ঘন্টা বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলা একাডেমি। ২৪ ফেব্রুয়ারির ঝড়ের কারণে ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলার শুরুর সময় ১ ঘন্টা করে এগিয়ে এনেছিল বাংলা একাডেমি। কিন্তু প্রকাশকদের অব্যাহত দাবির কারণে আগামীকাল সমাপনী দিনে মেলা আরো ১ ঘন্টা এগিয়ে দুপুর ১টা থেকে শুরুর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তাই আগামীকাল সোমবার মেলা দুপুর ২টার পরিবর্তে ১টা থেকে শুরু হবে এবং চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।
 
আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি। সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি সচিব বেগম আক্তারী মমতাজ।শুভেচ্ছা বক্তৃতা প্রদান করবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। গ্রন্থমেলা ২০১৬-এর প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৬-এর সদস্য-সচিব ড. জালাল আহমেদ। 
এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি ১২০৯ স্কুলকে শোকজ
                                  

এসএসসির ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা এক হাজার ২০৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে সরকার। আগামী ২৫ মার্চের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানকে নোটিসের জবাব দিতে হবে জানিয়ে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলছেন, জবাব পাওয়ার পর এদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী জানান, চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় ৩ হাজার ৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত অর্থ নিয়েছিল বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৮০৩টি শিক্ষা অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দিয়েছে। ৯৯৯টি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তারা বাড়তি টাকা নেয়নি। খবর বিডিনিউজ’র
মন্ত্রী বলেন, ১২০৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনো জবাব না দেওয়ায় হাই কোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি কেন বাতিল করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নোটিস দেওয়া হয়েছে। যে ৯৯৯টি প্রতিষ্ঠান ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায় করেনি বলে জানিয়েছে, তাদের দাবির যথার্থতা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলেও শিক্ষামন্ত্রী জানান। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফরম পূরণে শিক্ষা বোর্ড নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি অর্থ নিচ্ছে গত ১ ডিসেম্বর এক আদেশে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট। এরপর গত ২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন ও ফি হিসেবে এবং এসএসসির ফরম পূরণের সময় আদায় করা বাড়তি টাকা ফেরত দিতে সাত দিন সময় বেঁধে দেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ওই সময় শেষ হয়।
অতিরিক্ত বেতন-ফি
যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেতন-ফি বাবাদ
অতিরিক্ত টাকা নিয়েছে সেগুলোর তালিকা গতকালই পাওয়া গেছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের আরেকটি এজেন্সির মাধ্যমেও এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, অনিয়ম করে কেউ রেহাই পাবে না। চলতি বছর কতগুলো প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত বেতন-ফি আদায় করেছে জানতে চাইলে নাহিদ বলেন, সেই সংখ্যা এখনও ফাইনাল করিনি, তাই বলছি না। তবে অনেকেই অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দিয়েছে। গত ১৭ জানুয়ারি সরকারের অনুমোদন না নিয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বর্ধিত বেতন ও ফি আদায় না করার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিকদের বলেন, যৌক্তিক’ কারণ দেখাতে পারলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে।

 

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে আনন্দ-উচ্ছ্বাস
                                  

বর্ণাঢ্য ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হলো। সকাল থেকে সমাবর্তন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন থেকে বঙ্গবন্ধু চত্বর মাঠে ছিল বর্ণাঢ্য আয়োজন।

শিক্ষাজীবনের বহু কাক্সিক্ষত এই মাহেন্দ্রক্ষণে আনন্দ ভাগাভাগি করতে নতুন-পুরনো শিক্ষার্থীরা যোগ দিয়েছিলেন দল বেঁধে। অনেকেই ক্যাম্পাস জীবনের ফেলে আসা সেই সোনাঝরা দিনগুলোতে ফিরে যান। শিক্ষক-সহপাঠী ও দেশ বরেণ্য ব্যক্তিদের সংমিশ্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্থান মহোৎসবে পরিণত হয়। সমাবর্তনে অংশ নেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য গ্র্যাজুয়েটদের চোখেমুখে উচ্ছ্বাস ছাপিয়ে উঠে। বিজয় ’৭১, মরণ সাগর, টিএসসি, শহীদ মিনার, জব্বার মার্কেট, কে.আর মার্কেট, করিম ভবনসহ ক্যাম্পাসের প্রায় প্রতিটি জায়গায় দেখা যায় আড্ডা। ক্যাম্পাস জীবনের প্রাণের সতীর্থদের স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তোলার মহড়া চলে; ক্যাম্পাসের আনাচে কানাচে থেকে ভেসে আসে ক্যামেরার ‘ক্লিক ক্লিক’ শব্দ।

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে রঙিন একটি দিন কাটল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটদের। প্রিয় ক্যাম্পাসে স্মৃতির রোমন্থনে পুরো একটি দিন আনন্দের ভেলায় ভাসলেন দেশসেরা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষক-সহপাঠী ও দেশ বরেণ্যদের সঙ্গে মাতলেন খানিকটা সময়। প্রাণের বন্ধনে একে অন্যের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে প্রত্যেকেই যেন কয়েক মুহূর্তের জন্য ফিরে গিয়েছিলেন সেই সব হারানো দিনে। হাতড়ে ফিরেছেন ক্যাম্পাস জীবনের বিগত বছরগুলোর সেই উচ্ছল, বাধাহীন, তারুণ্য ও যৌবনের ছোট গল্পগুলোকে।

কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের গ্র্যাজুয়েট এম আনোয়ারুল হক বলেন, ‘গাউন পরে ক্যাম্পাসে ঘুরতে ভাল লাগছিল। কিন্তু যখন মনে হচ্ছে আজ থেকে প্রাক্তন হয়ে গেলাম তখন মনটা একটু খারাপ হয়ে যাচ্ছে। ক্যাম্পাসের সেই দিনগুলোর কথা আজ খুব মনে পড়ছে’।

সমাবর্তনের সময়সূচী অনুযায়ী সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে শোভাযাত্রাসহ উপস্থিত হন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য আব্দুল হামিদ। এরপর সকাল ১১টা ৭ মিনিটে সমাবর্তনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি। এরপরই স্বাগত বক্তব্য দেবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোঃ আলী আকবর। পরে ১১টা ২৩ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য আব্দুল হামিদ গ্র্যাজুয়েটদের হাতে সনদ তুলে দেন। দুপুর ১২টার দিকে আচার্যের ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।

১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ ৫৪ বছরে বাকৃবিতে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে মাত্র ছয়বার। সর্ব প্রথম ১৯৬৮ সালের ২৮ মার্চ তৎকালীন আচার্য আব্দুল মোমেন খানের সভাপতিত্বে বাকৃবিতে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে দ্বিতীয়, ১৯৯৪ সালের ৫ জুন খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে তৃতীয়, ১৯৯৭ সালের ২০ ডিসেম্বর শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে চতুর্থ, ২০০৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিত্বে পঞ্চম এবং ২০১১ সালের ৮ মার্চ মোঃ জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে ষষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সমাবর্তনে এক হাজার ৯১৯ শিক্ষার্থীকে স্নাতক এবং দুই হাজার ৮৫১ শিক্ষার্থীকে স্নাতকোত্তর এবং ৩৮ শিক্ষার্থীকে পিএইচডি ডিগ্রীর সনদ দেয়া হয়। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের উপাচার্য ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী। এছাড়া অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান। এছাড়া জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি, মোসলেম উদ্দিন এমপি, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার জি এম সালেহ উদ্দিন, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আলী, ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী, পুলিশ সুপার মঈনুল হকসহ উর্ধতন সরকারী কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর দাবিতে শাহবাগে অবস্থান
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
আজ শুক্রবার এই দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান গ্রহণ করছেন। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের ব্যানারে বেলা ৩টায় এই কর্মসূচি শুরু হয়।  বিপুল সংখ্যক চাকরিপ্রার্থীর অংশগ্রহণে শাহবাগে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ভোগান্তি ‍মুখে পড়েন যাত্রীরা।
কর্মসূচিতে অংশ নেযা কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী ঢাকাটাইমসকে বলেন, তাঁরা যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করছেন। গড় আয়ু যখন ৪৫ বছর ছিল, তখন চাকরিতে প্রবেশের বয়স ছিল ২৭। গড় আয়ু যখন ৫০ ছাড়াল, তখন প্রবেশের বয়স ৩০ করা হলো। এখন গড় আয়ু প্রায় ৭১। এ ছাড়া সেশনজটসহ বিভিন্ন কারণে নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীরা পাস করেও বের হতে পারেন না। অবসরের বয়সও দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। বিদেশের কোনো কোনো দেশেও চাকরির প্রবেশের বয়স বেশি। এসব বিবেচনায় চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানো উচিত। এই দাবিতে তাঁরা গত প্রায় তিন বছর ধরে আন্দোলন করে আসছেন।

নতুন প্রজন্মই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে : শিক্ষামন্ত্রী
                                  

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, শিক্ষাই হচ্ছে শক্তি। বাংলাদেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে শিক্ষা। আমাদের নতুন প্রজন্ম নিজেদের চিন্তা, শক্তি, জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশেকে দ্রুত বিশ্বের দরবারে উচ্চ মর্যাদায় নিয়ে যাবে। নতুন প্রজন্মই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে।

 

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর রিকাবিবাজারস্থ কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির স্প্রিং টার্ম ২০১৬-এর নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা এখন ড্রোন, ভোটিং মেশিন, সাবমেরিনসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে। আধুনিক জ্ঞান-প্রযুক্তির কারণে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির সুনাম সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়বে।

 

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, পাকিস্তানের ঘাতক দালালরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, আদর্শকে হত্যা করে অন্য পথে নিয়ে যায়। স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরা আজও চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।

 

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সালেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও ডাইরেক্টর (ফাইন্যান্স) ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার মিহির কান্তি চৌধুরীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, শাবি প্রবির ট্রেজারার প্রফেসর ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম গোলাম কিবরিয়া তাফাদার।

নিজ খরচে ভারতে পড়তে যাওয়ার সুযোগ
                                  
ভারতের বিভিন্ন স্বনামধন্য কলেজ ও প্রতিষ্ঠানে নিজ খরচে পড়ার জন্য যোগ্য বাংলাদেশের নাগরিকদের কাছ থেকে দরখাস্ত চেয়েছে ভারত সরকার।
 
২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল, ডেন্টাল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফার্মেসি বিষয়ে বাংলাদেশিরা পড়ার সুযোগ পাবে বলে ভারতীয় হাই কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
 
এসব পাঠ্যক্রমে ভর্তি হতে হলে প্রার্থীর এসএসসি ও এইচএসসিতে (ভারতের সিবিএসই মানের ১০+২ অনুরূপ) পদার্থ, রসায়ন ও গণিত (বি ই/ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে) অথবা পদার্থ, রসায়ন ও প্রাণিবিদ্যা অর্থাৎ উদ্ভিদ ও জীববিজ্ঞানে (এমবিবিএস/বিডিএস/বি ফার্মাসি/ডিপ্লোমা ইন ফার্মেসির ক্ষেত্রে) কমপক্ষে ৬০ শতাংশ এবং ইংরেজিতে ৫০ শতাংশ নম্বরসহ গড়ে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে।
 
আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে যে কোনো কর্মদিবসে (রোববার-বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ চার সেট আবেদনপত্র গুলশান-১ নম্বরের ১৪২ নম্বর সড়কের ২ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনের শিক্ষা বিভাগে জমা দিতে হবে।
 
তার আগে প্রয়োজনীয় সনদ/কাগজপত্র বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন থেকে সত্যায়িত করে নিতে হবে।
 
ব্যক্তিগতভাবে আবেদনপত্র জমা দেয়ার সময় প্রার্থীদের মূল সনদ পরীক্ষণের জন্য জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রসহ নির্দেশাবলী ভারতীয় হাই কমিশনের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে।
 
প্রয়োজনে ৯৮৮৮৭৮৯-৯১ (এক্সটেনশন ৩১১ বা ১৪২) নম্বরে অথবা attedu@hcidhaka.gov.in বা education@hcidhaka.gov.in ই-মেইলে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
ভুয়া সনদপত্র তৈরি, এবিইউ’র ২ কর্মকর্তার কারাদণ্ড
                                  

ভুয়া সার্টিফিকেট বানিয়ে ব্যবসা করার অভিযোগে আমেরিকা-বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির (এবিইউ) দুই কর্মকর্তাকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যরা। 
 
বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর মালিবাগের ডিআইটি রোড এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়টিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
 
আটক ব্যক্তিরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির অ্যাডমিশন এক্সিকিউটিভ মাকসুদা আক্তার (২৮) ও অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার শাকিলা সুহাগান জেরিন (২৬)।
 
তাৎক্ষণিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেন তাদের প্রত্যেককে দুই মাস করে কারাদণ্ডাদেশ দেন। একই সঙ্গে ভুয়া সনদপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র জব্দ করে র‌্যাব-৩।
 
অভিযানকালে র‌্যাবের এএসপি রবিউল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৫১ শিক্ষার্থীর অনশনের মধ্যেই রাবির আইন বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা
                                  
ডিসকলিজিয়েট হওয়া ৫১ শিক্ষার্থীর অনশনের মধ্যেই সোমবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্যদিকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগের দাবিতে গত রবিবার বেলা ১১টা থেকে বিভাগের সামনে অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুইজন অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি করা হয়েছে।
 
জানা যায়, নির্ধারিত পরিমাণ ক্লাসে উপস্থিতি না থাকায় প্রথমবর্ষ চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি বিভাগের ৫১ শিক্ষার্থী। তবে ভুল শিকার করে ক্ষমা চেয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার দাবিতে গত রবিবার বেলা ১১টা থেকে বিভাগের সামনে অনশন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। সোমবার সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে বলে জানা গেছে।
 
রাবি সূত্রে জানা যায়, চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ৭৫ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হয়। তবে ৬০ শতাংশ উপস্থিতি থাকলে ননকলিজিয়েট হিসেবে জরিমানা দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু অনশনরত শিক্ষার্থীদের ৫৫ শতাংশেরও কম সংখ্যক ক্লাসে উপস্থিতি রয়েছে বলে বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের ক্লাসে উপস্থিতি ৫ শতাংশেরও কম বলে জানা যায়।
 
এদিকে একই দাবি ও পরীক্ষার সময় পরিবর্তনের দাবিতে প্রথমবর্ষের ওই শিক্ষার্থীদের সাথে গত রবিবার বেলা ১১টায় বিভাগের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছে বিভাগটির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা। ওই সব শিক্ষার্থীরও ক্লাসে উপস্থিতির হার ৬০ শতাংশের নিচে বলে জানা গেছে। আগামী ১৫ মার্চ দ্বিতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরুর রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে।
 
অনশনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইতোপূর্বে আইন বিভাগের ক্লাস ৬০ শতাংশেরও অনেক কম উপস্থিতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। তবে নতুন বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পরই পূর্বঘোষণা ছাড়াই ক্লাসে ৫৫ শতাংশের কম উপস্থিতি আছে, এমন শিক্ষার্থীদের ডিসকলিজিয়েট করে তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ বাতিল করা হয়েছে। এতে ৫১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছে না।
 
এদিকে বিভাগের শিক্ষকরা দাবি করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন মেনেই আমরা চলছি। ক্লাসে উপস্থিত না থাকার কারণেই তারা ডিসকলিজিয়েট হয়েছেন। বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক আবু নাসের মো. ওয়াহিদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘যদি তারা আমি আসার পর থেকেও ক্লাস করতো তাহলে ডিসকলিজিয়েট হতো না। কিন্তু বারবার ক্লাসে উপস্থিত থাকার তাগিদ দেয়া হলেও অনশনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা তা উপেক্ষা করায় এমনটি হয়েছে।’
 

   Page 1 of 1
     ফিচার
ঢাকায় যানজট কমাতে ‘ট্রাফিক ফিচার’ চালু করলো গুগল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নিজে নিজেই চলবে বাইক, চিনতে পারবে মালিককে (ভিডিও)
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
শিক্ষার্থীদের স্কুলবাস দিন : বিত্তবানদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
শতাব্দী পেল সাহসের পুরস্কার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
একটি সাহসী বইয়ের জয়জয়কার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি ১২০৯ স্কুলকে শোকজ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে আনন্দ-উচ্ছ্বাস
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর দাবিতে শাহবাগে অবস্থান
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নতুন প্রজন্মই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে : শিক্ষামন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নিজ খরচে ভারতে পড়তে যাওয়ার সুযোগ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ভুয়া সনদপত্র তৈরি, এবিইউ’র ২ কর্মকর্তার কারাদণ্ড
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
৫১ শিক্ষার্থীর অনশনের মধ্যেই রাবির আইন বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......