ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
যে দ্বীপে শুধুই নারীরাই যেতে পারেন

ফিচার ডেস্ক : পৃথিবীতে এমন একটা দ্বীপ রয়েছে, যেখানে শুধু নারীরাই যেতে পারবে। ওই দ্বীপে পুরুষ প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ। ‘‌সুপারসি’ নামের এই দ্বীপটি ফিনল্যান্ডে।

ক্রিশ্চিয়ানা রোথ নামে এক মার্কিন তরুণী একটি দ্বীপ খুঁজে পেয়েছিলেন ফিনল্যান্ডের সমুদ্র উপকূলে। বাল্টিক সাগরের সবুজ নীল পানির উপর জেগে থাকা একটুকরো এই ভূখণ্ডটির নাম দিয়েছিলেন ‘‌সুপারসি’‌। ক্রিশ্চিয়ানা তখনই মনে মনে পরিকল্পনা করে ফেলেছিলেন দ্বীপটি শুধু নারীদের জন্য তৈরি করবেন। ভাবা মাত্রই কাজ। সবুজে ঘেরা ছোট্ট এই দ্বীপটিতে তিনি তৈরি করেন একটি রিসোর্ট। যেখানে থাকার অধিকার পাবেন শুধু মেয়েরাই। একেবারে স্বাধীন আর মুক্ত মনে ঘুরে বেড়াতে পারবেন তারা।

এই রিসর্টের নামে ক্রিশ্চিয়ানা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি কমিউনিটিও তৈরি করেন। তার নাম দেন ‘সুপারসি কমিউনিটি’‌। ক্রিশ্চিয়ানা জানিয়েছেন, সবসময় পুরুষসঙ্গীকে নিয়েই বেড়াতে যেতে হবে এমন কোনও বাধ্যবাধকতায় তিনি বিশ্বাসী নন। নিরাপত্তার কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েরা পুরুষদের সঙ্গে বেড়াতে যান। এমন পরিস্থিতিতে মেয়েদের মুক্ত করেই এই ‘‌সুপারসি’ দ্বীপের ভাবনাচিন্তা তার মাথায় এসেছে বলে জানান তিনি।

ক্রিশ্চিয়ানা বলেন, ‘‌সুপারসি’ মেয়েদের মনের বিভিন্ন ইচ্ছে পূরণের সুযোগ করে দেবে। এখানে মেয়েরা যতখুশি আনন্দ, হৈ হুল্লোর করতে পারবেন। কেউ তাদের বাধা দেবে না। কেউ নজরদারিও চালাবে না।

 

যে দ্বীপে শুধুই নারীরাই যেতে পারেন
                                  

ফিচার ডেস্ক : পৃথিবীতে এমন একটা দ্বীপ রয়েছে, যেখানে শুধু নারীরাই যেতে পারবে। ওই দ্বীপে পুরুষ প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ। ‘‌সুপারসি’ নামের এই দ্বীপটি ফিনল্যান্ডে।

ক্রিশ্চিয়ানা রোথ নামে এক মার্কিন তরুণী একটি দ্বীপ খুঁজে পেয়েছিলেন ফিনল্যান্ডের সমুদ্র উপকূলে। বাল্টিক সাগরের সবুজ নীল পানির উপর জেগে থাকা একটুকরো এই ভূখণ্ডটির নাম দিয়েছিলেন ‘‌সুপারসি’‌। ক্রিশ্চিয়ানা তখনই মনে মনে পরিকল্পনা করে ফেলেছিলেন দ্বীপটি শুধু নারীদের জন্য তৈরি করবেন। ভাবা মাত্রই কাজ। সবুজে ঘেরা ছোট্ট এই দ্বীপটিতে তিনি তৈরি করেন একটি রিসোর্ট। যেখানে থাকার অধিকার পাবেন শুধু মেয়েরাই। একেবারে স্বাধীন আর মুক্ত মনে ঘুরে বেড়াতে পারবেন তারা।

এই রিসর্টের নামে ক্রিশ্চিয়ানা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি কমিউনিটিও তৈরি করেন। তার নাম দেন ‘সুপারসি কমিউনিটি’‌। ক্রিশ্চিয়ানা জানিয়েছেন, সবসময় পুরুষসঙ্গীকে নিয়েই বেড়াতে যেতে হবে এমন কোনও বাধ্যবাধকতায় তিনি বিশ্বাসী নন। নিরাপত্তার কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েরা পুরুষদের সঙ্গে বেড়াতে যান। এমন পরিস্থিতিতে মেয়েদের মুক্ত করেই এই ‘‌সুপারসি’ দ্বীপের ভাবনাচিন্তা তার মাথায় এসেছে বলে জানান তিনি।

ক্রিশ্চিয়ানা বলেন, ‘‌সুপারসি’ মেয়েদের মনের বিভিন্ন ইচ্ছে পূরণের সুযোগ করে দেবে। এখানে মেয়েরা যতখুশি আনন্দ, হৈ হুল্লোর করতে পারবেন। কেউ তাদের বাধা দেবে না। কেউ নজরদারিও চালাবে না।

 

ভালোবেসেই মুক্ত করো সংকোচের দ্বার
                                  

‘ভালোবাসা’, এর চেয়ে কোমল শব্দ আর কী হতে পারে! একটি মাত্র শব্দ, তাতে এত মধু! এত আবেগ! ভালোবাসা আছে বলেই মানুষ বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে। ভালোবাসা আছে বলেই মানুষ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতে ওঠে।

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসা কোনো দিবস বা সময়-ক্ষণ গুনে আসে না। ভালোবাসার সত্ত্বা সর্বজনীন। ভালোবাসা বহুরূপী। তবুও কালের পরিক্রমায় ১৪ ফেব্রুয়ারি যেন ভালোবাসা প্রকাশের একটি আনুষ্ঠানিক দিবসে রূপ নিয়েছে।

সকল সংকোচ আড়াল করে আপনকে আপন করার দিন আজ। প্রেম-ভালাবাসার নির্মল আনন্দে মেতে উঠবে বিশ্ব। বিশেষত তরুণ-তরুণীরা প্রেমময় আবেগে ভালোবাসার বাহু মেলে ধরবে।

সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ভালোবাসা দিবসের ছোঁয়া লেগেছে সম্প্রতি। বিশেষ করে শহুরে জীবনে এই দিবসের প্রভাব দিনে দিনে বেড়েই চলছে। তবে গ্রামেও এখন ভালোবাসা দিবসের বিশেষ আয়োজন লক্ষ্য করা যায়।

ফুলে ফুলে সাজবে ভালোবাসার মন। মালাবদলও হয় এমন দিনে। অনলাইন, মোবাইল, ক্ষুদেবার্তায় ভালোবাসার রূপ ফুটে উঠবে। গোলাপের পাপড়ি দিয়ে নতুবা লিপস্টিক মাখা চুমোর চিত্র প্রেমচিঠিতে মেখে পাঠাবে প্রিয়তমার কাছে। আর নানা আকর্ষণীয় উপহার-সামগ্রী দিয়ে মন জয় করতে প্রেমচিঠি পাঠাবে প্রিয়তমার কাছে।

 

ভালোবাসা দিবসে শুধু তরুণ-তরুণীরাই আনন্দে মাতবে এমন নয়। পরিবার-স্বজন আর বিভিন্ন বয়সী মানুষদের মাঝেও এ দিবসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

জানা যায়, দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এ উৎসবের সূত্রপাত। এক খ্রিস্টান পাদ্রি ও চিকিৎসক ফাদার সেন্ট ভ্যালেনটাইনের নামানুসারে দিনটির নাম `ভ্যালেনটাইনস ডে` করা হয়। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিস্টানবিরোধী রোমানসম্রাট গথিকাস আহত সেনাদের চিকিৎসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মৃত্যুর আগে ফাদার ভ্যালেনটাইন তার আদরের একমাত্র মেয়েকে একটি ছোট্ট চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি নাম সই করেছিলেন `ফ্রম ইওর ভ্যালেনটাইন`।

সেন্ট ভ্যালেনটাইনের মেয়ে এবং তার প্রেমিক মিলে পরের বছর থেকে বাবার মৃত্যুর দিনটিকে ভ্যালেনটাইনস ডে হিসেবে পালন করা শুরু করেন। যুদ্ধে আহত মানুষকে সেবার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে ভালোবেসে দিনটি বিশেষভাবে পালন করার রীতি ক্রমে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

 

ভ্যালেনটাইনস ডে সর্বজনীন হয়ে ওঠে আরও পরে প্রায় ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে। দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার পেছনে রয়েছে আরও একটি কারণ। সেন্ট ভ্যালেনটাইনের মৃত্যুর আগে প্রতি বছর রোমানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত `জুনো` উৎসব। রোমান পুরানের বিয়ে ও সন্তানের দেবী জুনোর নামানুসারে এর নামকরণ। এ দিন অবিবাহিত তরুণরা কাগজে নাম লিখে লটারির মাধ্যমে তার নাচের সঙ্গীকে বেছে নিত।

৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে রোমানরা যখন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীতে পরিণত হয় তখন `জুনো` উৎসব আর সেন্ট ভ্যালেনটাইনের আত্মত্যাগের দিনটিকে একই সূত্রে গেঁথে ১৪ ফেব্রুয়ারি `ভ্যালেনটাইনস ডে` হিসেবে উদযাপন শুরু হয়। কালক্রমে এটি সমগ্র ইউরোপ এবং ইউরোপ থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

 

ভালোবাসা দিবসে ভাগ্য ভালো যাদের
                                  

আর মাত্র তিন দিন পরই বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিনটিকে ঘিরে মানসিক উত্তেজনা-উন্মাদনা শুরু হয়ে গেছে এখনই। কে কাকে কী উপহার দিবেন- এ নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। সবাই সময় কাটাতে চান প্রিয়জনের সঙ্গে। কিন্তু ভাগ্য কী বলছে?

প্রিয়জনের সান্নিধ্য পেতে ভাগ্যও একটি বড় ব্যাপার। ভাগ্যের ব্যাপারে রাশিফলের কথাও চিন্তা করা যেতে পারে। যদিও সবার জন্য ভাগ্যের চাকা সমানভাবে ঘোরে না। তবে তিনটি রাশির ক্ষেত্রে এ বছর ভালোবাসা দিবসটি অতি সুপ্রসন্ন।

এবছর মনের মানুষের কাছে প্রেম নিবেদন করতে পারেন তিন রাশির জাতক-জাতিকারা। রাশিগুলো হচ্ছে- মীন, কুম্ভ ও সিংহ রাশি। মীন রাশির ক্ষেত্রে এ বছর ভালোবাসা দিবস ভালোভাবেই কাটবে। মনের মানুষের কাছে ভালোবাসা পাওয়ার জন্য এ রাশির জাতক-জাতিকাদের এখনই আদর্শ সময়।

এবছর ভালো সময় কাটবে কুম্ভ রাশির জাতক-জাতিকাদের। নারীর কাছে প্রেম নিবেদন করার জন্য এ বছর ভালোবাসা দিবসই সেরা সময়। এ ছাড়া সিংহ রাশির জাতক-জাতিকাদেরও এ বছর ভাগ্য ভালো বলা যায়। প্রিয়জনের কাছে অফুরন্ত ভালোবাসা পাবেন তারা।

 

১০ টাকার বিরিয়ানি
                                  

১০ টাকায় বিরিয়ানি! কীভাবে সম্ভব? মাত্র ১০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ডিমসহ পুরো এক প্লেট বিরিয়ানি।

ট্রল পেইজগুলো বলছে- দেশে নাকি ১০ টাকার বিরিয়ানি চলে? ১০ টাকার বিরিয়ানি দিবি কি-না বল? ১০ টাকার বিরিয়ানি কি জীবনের সবকিছু? ১০ টাকার বিরিয়ানি না খেলে জীবন বৃথা হয়ে যেত?

ফেসবুকের মাধ্যমেই জানা গেল, ১০ টাকার বিরিয়ানি রহস্য। পুরান ঢাকার ওয়ারিতে বনগ্রাম মসজিদের নিচে পাওয়া যায় এ বিরিয়ানি। উদ্যোক্তার নাম- তানভীর। সবার কাছে তিনি ‘তানভীর ভাই’ নামে পরিচিত।

ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নয়, পুরান ঢাকার ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এবং দরিদ্র শিশুদের জন্যই তার এ উদ্যোগ। প্রধান ক্রেতা হচ্ছেন, আশপাশের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকরা। তবে বিরিয়ানির প্রকৃত দাম ৩৫ টাকা।

প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি কীভাবে ১০ টাকায় বিরিয়ানি দিচ্ছেন? পোলাও এর চাল ও মুরগী আসল কি-না? ১০ টাকার এ বিরিয়ানি কি স্বাস্থ্যসম্মত? উত্তরও মিলেছে। পুরান ঢাকার কাপ্তান বাজার ঘুরে কমদামে পোলাও এর পুরনো চাল এবং মুরগির ‘ছাটকা’ (রোস্টের অংশ নেওয়ার পর যা বাকি থাকে) সংগ্রহ করেন তানভীর। এসব দিয়েই তৈরি হয় বিরিয়ানি।

ফেসবুকে শরিফুল ইসলাম রনি লিখেছেন, কারো যদি ১০ টাকা দেয়ার সামর্থ নাও থাকে তাহলেও তানভীর তার হাতে বিরিয়ানি তুলে দেন। কোনো শিশুর হাত থেকে যদি বিরিয়ানির প্লেট পড়ে যায় তাহলে তার হাতে নতুন প্লেটে বিরিয়ানি তুলে দেন তানভীর।

ওয়ারি এলাকার কর্মজীবী তরুণ রেজুয়ার রহমান বলেন, ‘কয়েক বছর ধরে এখানে বিরিয়ানি বিক্রি হতে দেখছি। বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিরিয়ানি পাওয়া যায়। সবসময়ই ভিড় থাকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফেসবুকে এ ১০ টাকার বিরিয়ানি নিয়ে অনেক সমালোচনা দেখছি। আমার মনে হয় সমালোচনার করার আগে এখানে এসে বিরিয়ানি খেয়ে যাওয়া উচিত।’


   Page 1 of 1
     ফিচার
যে দ্বীপে শুধুই নারীরাই যেতে পারেন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ভালোবেসেই মুক্ত করো সংকোচের দ্বার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ভালোবাসা দিবসে ভাগ্য ভালো যাদের
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
১০ টাকার বিরিয়ানি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......