লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সফলদের অনুকরণীয় ১০ অভ্যাস

আমরা বলি, মানুষ অভ্যাসের দাস। আপনি যদি নিজেকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তাহলে ‘অভ্যাস’ও কিন্তু আপনার দাস হতে পারে। সফল মানুষদের কিছু অনুকরণীয় অভ্যাসের কথা শোনা যাক। হয়তো এই অভ্যাসগুলো রপ্ত করলে আপনিও উপকার পাবেন।
ঘুম সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে দীর্ঘ দিন ধরে প্রচারণা চালাচ্ছেন আরিয়ানা হাফিংটন। ঘুমের ব্যাঘাত যেন না ঘটে, সেজন্য ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে থেকে তিনি মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না

১. নিয়ম করে ঘুমান
পরীক্ষার আগে কিংবা কাজের চাপে কখনো কখনো আমরা ‘ঘুম’কে অবহেলা করি। অনেক বড় বড় দায়িত্বের ভার কাঁধে থাকার পরও কিন্তু সফল মানুষেরা নিয়ম মেনে ঘুমান। টিভি ব্যক্তিত্ব এলেন ডিজেনারেস যেমন প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুমান। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, নারী উদ্যোক্তা আরিয়ানা হাফিংটন ও আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুমান। পেপসির প্রধান নির্বাহী ইন্দ্রা নুয়ি ঘড়ি ধরে ৫ ঘণ্টা ঘুমান নিয়ম মেনে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান তাঁরা। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে গেলে আমাদের শরীরের লুকানো দেহঘড়িটা কার্যকর থাকে। তাই ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করুন। ঘুম কম হলে শরীর ও মনে হতাশা ভর করে, কাজের আগ্রহ কমে যায়। সপ্তাহখানেক চেষ্টা করলেই আপনার ঘুমকে নিয়মে বেঁধে ফেলতে পারবেন।

২. ভোরের আলো দেখুন
নিয়ম করে ঘুমাতে গিয়ে রাত তিনটায় ঘুমাবেন আর সকাল দশটা-এগারোটায় উঠবেন, সেটা কিন্তু ঠিক হবে না। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক প্রতিদিন ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে ঘুম থেকে ওঠেন। টুইটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জ্যাক ডর্সির ঘুম ভাঙে ভোর পাঁচটায়। দ্য রক খ্যাত হলিউড অভিনেতা ডোয়াইন জনসন প্রতিদিন ভোর ৪টায় ওঠেন। এই অভ্যাস তৈরির জন্য আগে ঘুমানোর সময় মুঠোফোন দূরে রাখার অভ্যাস করুন। সকালের জন্য প্রতিদিন কিছু নির্দিষ্ট কাজ ঠিক করে নিন, তাহলে প্রতিদিন সকাল-সকাল ঘুম ভাঙবেই। টানা ৩ সপ্তাহ সকালে ওঠার চেষ্টা করতে পারলে আপনার সকালে ওঠার অভ্যাস গড়ে উঠবে।
নিয়মিত শরীরচর্চা করেন মার্ক জাকারবার্গ

৩. নিয়মিত ব্যায়াম করুন
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সপ্তাহে ৬ দিন ৪৫ মিনিট করে ব্যায়াম করেন। যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখনো একইভাবে ব্যায়াম করতেন তিনি। আমরা অনেকেই আক্ষেপ করি বলি, কাজের চাপে ব্যায়াম করার সময় পাচ্ছি না! অথচ ভেবে দেখুন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সাবেক প্রেসিডেন্ট তাঁর শত কাজের ভিড়ে শরীরচর্চাকেও একটা ‘গুরুত্বপূর্ণ কাজ’ হিসেবেই বিবেচনা করেন। ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্র্যানসন প্রতিদিন কাজ শুরুর আগে দৌড়ানো থেকে শুরু করে পাহাড়ে চড়ে এক ঘণ্টা ঘাম ঝরান। টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব অপরাহ্ উইনফ্রে প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত দুবার করে ২০ মিনিটের জন্য ধ্যান করেন। বয়স ৬০ পেরিয়েছে, এখনো প্রতিদিন অনন্ত ৪৫ মিনিট সময় দেন ব্যায়ামাগারে। আপনিও প্রতিদিন অন্তত ৪০ মিনিট হাঁটুন কিংবা দৌড়ান। বাড়িতেই ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। নিয়মিত ব্যায়ামে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে।
বিল গেটস প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি বই পড়েন

৪. অনেক বই পড়ুন
বিখ্যাতজনদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা শত কাজের মধ্যেও নিয়মিত বই পড়েন। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বছরে ৫০টি বই পড়েন, প্রতি সপ্তাহে পড়েন অন্তত একটি। ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গও ২০১৫ সাল থেকে সপ্তাহে একটি করে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন। ধনকুবের ওয়ারেন বাফেট প্রতিদিন গড়ে ৬০০ থেকে ১০০০ পৃষ্ঠা পড়ার চেষ্টা করেন। আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত বই পড়ার বাইরে নন-ফিকশন ধরনের বই দিয়ে শুরু করুন। শুরুটা করতে পারেন বারাক ওবামার লেখা ড্রিমস ফ্রম মাই ফাদার কিংবা নেলসন ম্যান্ডেলার জীবনী দিয়ে। প্রথম দিকে অনভ্যাসের কারণে বই পড়তে বিরক্তি লাগতে পারে। শুরুতে প্রতিদিন ৫-৬ পৃষ্ঠা করে পড়ুন। যানজটে বসে থাকার সময়টা বই পড়ে কাজে লাগান।

৫. প্রতিদিন সকালে নাশতা করুন
ব্যস্ততার কারণে অনেকে সকালে নাশতা খেতে চান না। আপনার সারা দিন কতটা কর্মোদ্দীপ্ত হবে, তা কিন্তু নির্ভর করে সকালের নাশতার ওপর। অপরাহ্ উইনফ্রে প্রতিদিন সকালে ডিম ও টোস্ট খান। মিশেল ওবামা ও বারাক ওবামাও সকালে ডিম দিয়ে নাশতা সারেন। গায়িকা বিয়ন্সের পাতে সকালে থাকে ডিম, সবজি ও লো-ফ্যাট দুধ। অভিনয়শিল্পী এমা ওয়াটসনের টেবিলে রুটি আর ডিম থাকে সকালের নাশতায়।

৬. প্রতিদিনের একটা পরিকল্পনা জরুরি
বিল গেটস, রিচার্ড ব্র্যানসন আর এলন মাস্ক প্রতি রাতে আগামীকাল কী কী করবেন, তা ঠিক করে নেন। কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে রাখলে তাড়াহুড়া করে কোনো কাজ করতে হয় না। ঘুমানোর আগে পরদিনের পরিকল্পনা এক টুকরো কাগজে লিখে রাখতে পারেন। কয়েক দিন এই নিয়ম মেনে চললে নিজের অগ্রগতি আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

৭. ফেসবুক ও ই-মেইলের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার
নারী উদ্যোক্তা ও লেখক আরিয়ানা হাফিংটন প্রতিদিন ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে থেকে ফেসবুক আর ই-মেইল ব্যবহার করেন না। শুধু তা-ই নয়, ঘুম থেকে ওঠার এক ঘণ্টা পরে তিনি ই-মেইল পড়েন। এ ছাড়া সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় তিনি ফেসবুক বা ই-মেইল থেকে দূরে থাকেন। লিংকডইনের সিইও জেফ ওয়েনার ইন্টারনেট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিনে ২ ঘণ্টার বেশি সময় দেন না। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুকে চোখ রাখবেন না। আবার রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে ফেসবুক আর মুঠোফোন থেকে দূরে থাকুন।

৮. নোট নিন
সেকালের বিখ্যাত মার্কিন লেখক মার্ক টোয়েন থেকে শুরু করে একালের উদ্যোক্তা মার্ক জাকারবার্গ—সফলদের মধ্যে অনেকেরই একটা জায়গায় মিল। তাঁরা সব সময় কোনো ভাবনা মাথায় এলে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য পেলে সেটা টুকে রাখেন। ক্লাসে, অফিসের মিটিংয়ে কিংবা নিজের একাকী সময়েও একটা নোটবুক সঙ্গে রাখতে পারেন।

৯. প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন
মার্ক জাকারবার্গ শত ব্যস্ততার মধ্যেও ম্যান্ডারিন ভাষা শিখেছেন। মার্কিন উদ্যোক্তা শন পার্কার কিংবা অভিনয়শিল্পী অ্যাস্টন কুচারও প্রতিদিন নতুন কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করেন। এই আগ্রহ আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বিস্তৃত করে। আপনি হয়তো সাইকেল চালাতে জানেন না, সময় করে শিখে ফেলছেন না কেন? নতুন কিছু শেখার আনন্দ আপনাকে অন্যান্য কাজেও আগ্রহ জোগাবে। নতুন একটা ভাষা শিখতে পারেন। এই অভ্যাস আপনার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াবে।

১০. মেধাবী ও বুদ্ধিমান বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান
মার্ক জাকারবার্গের নাকি বিল গেটসের সান্নিধ্য খুব পছন্দ। আবার বিল গেটস নাকি ওয়ারেন বাফেটের সঙ্গ পছন্দ করেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকদের ভিড়ে কিংবা মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে খুব আগ্রহ নিয়ে সময় ব্যয় করেন এই সফল মানুষেরা। এভাবে তাঁরা নতুন কিছু শিখতে, জানতে চেষ্টা করেন। আপনিও নতুন নতুন বন্ধু তৈরির চেষ্টা করতে পারেন। বিভিন্ন বিতর্ক উৎসব, প্রতিযোগিতা বা কুইজে অংশ নিয়ে নতুন বন্ধু তৈরি করুন।

সফলদের অনুকরণীয় ১০ অভ্যাস
                                  

আমরা বলি, মানুষ অভ্যাসের দাস। আপনি যদি নিজেকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তাহলে ‘অভ্যাস’ও কিন্তু আপনার দাস হতে পারে। সফল মানুষদের কিছু অনুকরণীয় অভ্যাসের কথা শোনা যাক। হয়তো এই অভ্যাসগুলো রপ্ত করলে আপনিও উপকার পাবেন।
ঘুম সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে দীর্ঘ দিন ধরে প্রচারণা চালাচ্ছেন আরিয়ানা হাফিংটন। ঘুমের ব্যাঘাত যেন না ঘটে, সেজন্য ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে থেকে তিনি মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না

১. নিয়ম করে ঘুমান
পরীক্ষার আগে কিংবা কাজের চাপে কখনো কখনো আমরা ‘ঘুম’কে অবহেলা করি। অনেক বড় বড় দায়িত্বের ভার কাঁধে থাকার পরও কিন্তু সফল মানুষেরা নিয়ম মেনে ঘুমান। টিভি ব্যক্তিত্ব এলেন ডিজেনারেস যেমন প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুমান। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, নারী উদ্যোক্তা আরিয়ানা হাফিংটন ও আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুমান। পেপসির প্রধান নির্বাহী ইন্দ্রা নুয়ি ঘড়ি ধরে ৫ ঘণ্টা ঘুমান নিয়ম মেনে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান তাঁরা। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে গেলে আমাদের শরীরের লুকানো দেহঘড়িটা কার্যকর থাকে। তাই ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করুন। ঘুম কম হলে শরীর ও মনে হতাশা ভর করে, কাজের আগ্রহ কমে যায়। সপ্তাহখানেক চেষ্টা করলেই আপনার ঘুমকে নিয়মে বেঁধে ফেলতে পারবেন।

২. ভোরের আলো দেখুন
নিয়ম করে ঘুমাতে গিয়ে রাত তিনটায় ঘুমাবেন আর সকাল দশটা-এগারোটায় উঠবেন, সেটা কিন্তু ঠিক হবে না। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক প্রতিদিন ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে ঘুম থেকে ওঠেন। টুইটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জ্যাক ডর্সির ঘুম ভাঙে ভোর পাঁচটায়। দ্য রক খ্যাত হলিউড অভিনেতা ডোয়াইন জনসন প্রতিদিন ভোর ৪টায় ওঠেন। এই অভ্যাস তৈরির জন্য আগে ঘুমানোর সময় মুঠোফোন দূরে রাখার অভ্যাস করুন। সকালের জন্য প্রতিদিন কিছু নির্দিষ্ট কাজ ঠিক করে নিন, তাহলে প্রতিদিন সকাল-সকাল ঘুম ভাঙবেই। টানা ৩ সপ্তাহ সকালে ওঠার চেষ্টা করতে পারলে আপনার সকালে ওঠার অভ্যাস গড়ে উঠবে।
নিয়মিত শরীরচর্চা করেন মার্ক জাকারবার্গ

৩. নিয়মিত ব্যায়াম করুন
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সপ্তাহে ৬ দিন ৪৫ মিনিট করে ব্যায়াম করেন। যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখনো একইভাবে ব্যায়াম করতেন তিনি। আমরা অনেকেই আক্ষেপ করি বলি, কাজের চাপে ব্যায়াম করার সময় পাচ্ছি না! অথচ ভেবে দেখুন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সাবেক প্রেসিডেন্ট তাঁর শত কাজের ভিড়ে শরীরচর্চাকেও একটা ‘গুরুত্বপূর্ণ কাজ’ হিসেবেই বিবেচনা করেন। ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্র্যানসন প্রতিদিন কাজ শুরুর আগে দৌড়ানো থেকে শুরু করে পাহাড়ে চড়ে এক ঘণ্টা ঘাম ঝরান। টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব অপরাহ্ উইনফ্রে প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত দুবার করে ২০ মিনিটের জন্য ধ্যান করেন। বয়স ৬০ পেরিয়েছে, এখনো প্রতিদিন অনন্ত ৪৫ মিনিট সময় দেন ব্যায়ামাগারে। আপনিও প্রতিদিন অন্তত ৪০ মিনিট হাঁটুন কিংবা দৌড়ান। বাড়িতেই ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। নিয়মিত ব্যায়ামে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে।
বিল গেটস প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি বই পড়েন

৪. অনেক বই পড়ুন
বিখ্যাতজনদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা শত কাজের মধ্যেও নিয়মিত বই পড়েন। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বছরে ৫০টি বই পড়েন, প্রতি সপ্তাহে পড়েন অন্তত একটি। ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গও ২০১৫ সাল থেকে সপ্তাহে একটি করে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন। ধনকুবের ওয়ারেন বাফেট প্রতিদিন গড়ে ৬০০ থেকে ১০০০ পৃষ্ঠা পড়ার চেষ্টা করেন। আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত বই পড়ার বাইরে নন-ফিকশন ধরনের বই দিয়ে শুরু করুন। শুরুটা করতে পারেন বারাক ওবামার লেখা ড্রিমস ফ্রম মাই ফাদার কিংবা নেলসন ম্যান্ডেলার জীবনী দিয়ে। প্রথম দিকে অনভ্যাসের কারণে বই পড়তে বিরক্তি লাগতে পারে। শুরুতে প্রতিদিন ৫-৬ পৃষ্ঠা করে পড়ুন। যানজটে বসে থাকার সময়টা বই পড়ে কাজে লাগান।

৫. প্রতিদিন সকালে নাশতা করুন
ব্যস্ততার কারণে অনেকে সকালে নাশতা খেতে চান না। আপনার সারা দিন কতটা কর্মোদ্দীপ্ত হবে, তা কিন্তু নির্ভর করে সকালের নাশতার ওপর। অপরাহ্ উইনফ্রে প্রতিদিন সকালে ডিম ও টোস্ট খান। মিশেল ওবামা ও বারাক ওবামাও সকালে ডিম দিয়ে নাশতা সারেন। গায়িকা বিয়ন্সের পাতে সকালে থাকে ডিম, সবজি ও লো-ফ্যাট দুধ। অভিনয়শিল্পী এমা ওয়াটসনের টেবিলে রুটি আর ডিম থাকে সকালের নাশতায়।

৬. প্রতিদিনের একটা পরিকল্পনা জরুরি
বিল গেটস, রিচার্ড ব্র্যানসন আর এলন মাস্ক প্রতি রাতে আগামীকাল কী কী করবেন, তা ঠিক করে নেন। কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে রাখলে তাড়াহুড়া করে কোনো কাজ করতে হয় না। ঘুমানোর আগে পরদিনের পরিকল্পনা এক টুকরো কাগজে লিখে রাখতে পারেন। কয়েক দিন এই নিয়ম মেনে চললে নিজের অগ্রগতি আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

৭. ফেসবুক ও ই-মেইলের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার
নারী উদ্যোক্তা ও লেখক আরিয়ানা হাফিংটন প্রতিদিন ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে থেকে ফেসবুক আর ই-মেইল ব্যবহার করেন না। শুধু তা-ই নয়, ঘুম থেকে ওঠার এক ঘণ্টা পরে তিনি ই-মেইল পড়েন। এ ছাড়া সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় তিনি ফেসবুক বা ই-মেইল থেকে দূরে থাকেন। লিংকডইনের সিইও জেফ ওয়েনার ইন্টারনেট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিনে ২ ঘণ্টার বেশি সময় দেন না। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুকে চোখ রাখবেন না। আবার রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে ফেসবুক আর মুঠোফোন থেকে দূরে থাকুন।

৮. নোট নিন
সেকালের বিখ্যাত মার্কিন লেখক মার্ক টোয়েন থেকে শুরু করে একালের উদ্যোক্তা মার্ক জাকারবার্গ—সফলদের মধ্যে অনেকেরই একটা জায়গায় মিল। তাঁরা সব সময় কোনো ভাবনা মাথায় এলে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য পেলে সেটা টুকে রাখেন। ক্লাসে, অফিসের মিটিংয়ে কিংবা নিজের একাকী সময়েও একটা নোটবুক সঙ্গে রাখতে পারেন।

৯. প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন
মার্ক জাকারবার্গ শত ব্যস্ততার মধ্যেও ম্যান্ডারিন ভাষা শিখেছেন। মার্কিন উদ্যোক্তা শন পার্কার কিংবা অভিনয়শিল্পী অ্যাস্টন কুচারও প্রতিদিন নতুন কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করেন। এই আগ্রহ আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বিস্তৃত করে। আপনি হয়তো সাইকেল চালাতে জানেন না, সময় করে শিখে ফেলছেন না কেন? নতুন কিছু শেখার আনন্দ আপনাকে অন্যান্য কাজেও আগ্রহ জোগাবে। নতুন একটা ভাষা শিখতে পারেন। এই অভ্যাস আপনার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াবে।

১০. মেধাবী ও বুদ্ধিমান বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান
মার্ক জাকারবার্গের নাকি বিল গেটসের সান্নিধ্য খুব পছন্দ। আবার বিল গেটস নাকি ওয়ারেন বাফেটের সঙ্গ পছন্দ করেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকদের ভিড়ে কিংবা মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে খুব আগ্রহ নিয়ে সময় ব্যয় করেন এই সফল মানুষেরা। এভাবে তাঁরা নতুন কিছু শিখতে, জানতে চেষ্টা করেন। আপনিও নতুন নতুন বন্ধু তৈরির চেষ্টা করতে পারেন। বিভিন্ন বিতর্ক উৎসব, প্রতিযোগিতা বা কুইজে অংশ নিয়ে নতুন বন্ধু তৈরি করুন।

১০ হাজার টাকায় নোকিয়ার ফোরজি ফোন, চার্জ থাকবে অন্তত ২ দিন
                                  

দেশের বাজারে সাশ্রয়ী মূল্যে প্রথমবারের মতো দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি সম্বলিত ফোরজি স্মার্টফোন নিয়ে এসেছে নোকিয়া। ৭ নভেম্বর মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নকিয়া টু মডেলের এই মোবাইলটি কিনলে এয়ারটেলের বান্ডেল অফার পাওয়া যাবে। আগামী ৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে নোকিয়া টু মডেলের মোবাইলটি কেনা যাবে মাত্র ৯ হাজার ৬০০ টাকায়।

৫ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লের এই ফোনটিতে এন্ট্রি লেভেলের কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর এবং ১জিবি র‌্যাম আছে। হ্যান্ডসেটটি অ্যান্ড্রয়েড ৭.১.১ ন্যুগাট অপারেটিং সিস্টেমে চলে। তাছাড়া এতে ৮ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা এবং ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা আছে। এতে ৮ জিবি অভ্যন্তরীন স্টোরেজ বিদ্যমান। এইচএমডি গ্লোবালালের সবচে সস্তা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন হতে যাচ্ছে নোকিয়া ২। তিনটি রঙে (পিউটার/ব্লাক, পিউটার/হোয়াইট এবং কপার/ব্লাক) পাওয়া যাবে এই স্মার্টফোনটি।

এদিকে ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪১০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার এর ব্যাটারি। ফলে ফোনটিতে অন্তত দুইদিন চার্জ থাকবে।নোকিয়ার এই মডেলটির সঙ্গে এয়ারটেল গ্রাহকরা একটি বান্ডেল অফার পাবেন। এই অফারের মধ্যে রয়েছে ৩শ’ মিনিট ভয়েস কল এবং ৯৯ জিবি ডাটা। এর মধ্যে ৬ জিবি যেকোনো ইন্টারনেট ব্রাউজিং এবং বাকি ৩ জিবি এয়ারটেল টিভি ও এয়ারটেল-ইয়ান্ডার মিউজিক অ্যাপের জন্য প্রযোজ্য।

 

নারী শরীর সম্পর্কে যে কয়টি ভুল ধারণা পোষণ করেন পুরুষরা
                                  

শিক্ষা-অশিক্ষা নিয়ে আমাদের চিন্তা ভাবনার শেষ নেই। কিন্তু আজও বহু পুরুষই যৌনতার ক্ষেত্রে অশিক্ষিতই থেকে যান। কারণ সঠিক যৌন শিক্ষার অভাব। আজও আমাদের দেশে এর ঠিকঠাক চল নেই। ফলে হয় বড়দের মুখে শুনে, নয়তো ভুল তথ্য সম্বলিত বই পড়ে পুরুষরা গোড়ায় তৈরি করে যৌনতার ধারণা। এই ধারণা তৈরির সময় নারীদেহ সম্পর্কে বহু ভুল কথা মনে গেঁথেই বেড়ে ওঠে পুরুষরা। পরে সে ভুল ভাঙে ঠিকই। কিন্তু তাতে যৌনশিক্ষার অভাবটা কোনওভাবেই অস্বীকার করা যায় না।

তা কোন কোন ভুল ধারণা পুরুষের মনে বাসা বেঁধে থাকে?

১) মহিলাদের শরীরে কোনও যৌনকেশ নেই। বহু পুরুষেরই প্রাথমিকভাবে এ ধরাণা থাকে। হরমোনের কারণেই পুরুষ শরীর রোমশ। নারীশরীর সেভাবে রোমশ নয়। শরীরের যে অঙ্গগুলিতে রোম দেখা যেতে পারে, সেখান থেকে তা নির্মূল করারও আধুনিক পদ্ধতির দ্বারস্থ হন মহিলারা। ফলত ধারণা গড়ে ওঠে যে, মহিলাদের শরীরে পিউবিক হেয়ার বা যৌনকেশও নেই। বস্তুত তা একেবারেই অর্থহীন। উলটে, যৌনতায় তৃপ্তির ক্ষেত্রে এই যৌনকেশের গুরুত্ব আছে। ভুল ধারণার কারণে এই পুরো বিষয়টিতেই অন্ধকারে থাকে অধিকাংশ পুরুষ।

 

 

 

[  জানেন, ঋতুমতী হওয়ার দিন কী কী রীতি মানতে হয় মহিলাদের? ]

২) সব মহিলাই বড় স্তন পছন্দ করেন বা গুরুস্তনী হতে ভালবাসেন-এটাও একটা ভুল ধারণা পুরুষদের। এটা ঠিক যে, বেশিরভাগ পুরুষ গুরুস্তনী মহিলাদের পছন্দ করেন। নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী তাঁরা মেয়েদেরও এক ছাঁচে ফেলে দেন। কিন্তু সত্যিই সকল মেয়েরা বড় স্তন পছন্দ করে না। এতে তাঁদের নানা অসুবিধাও হয়। সে অসুবিধার কথা পুরুষরা জানেন না বলেই, স্তন নিয়ে ভুল ধারণা তৈরি হয়। যৌনতার ক্ষেত্রেও এই ধারণার বশবর্তী হয়ে পুরুষরা এমন অনেক কাজ করে ফেলেন, যাতে মহিলারা পরবর্তীকালে বিপাকে পড়েন।

 ৩) আবার অনেক পুরুষের ধারণা, প্রত্যেক মহিলারই বোধহয় যে কোনও সময় স্তনদুগ্ধ ক্ষরিত হয়। হরমোনাল চেঞ্জ, সন্তান হওয়ার পর যা যা নারীশরীরে সংঘটিত হয়, তা সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা থাকে না পুরুষদের। স্তন নিয়েও কোনও জ্ঞান তাঁদের সামনে তুলে ধরা হয় না। ফলে এই অস্বাভাবিক একটা ধারণা পুরুষদের মনে বাসা বেঁধে থাকে।

 

 

 [ সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন পুরুষরাও, সম্ভাবনায় উচ্ছ্বসিত চিকিৎসকরা ]

৪) মহিলারা অন্তর্বাস পরেন পুরুষদের আকৃষ্ট করতেই। এরকম ধারণাও পোষণ করেন অনেক পুরুষ। একথা ঠিক যে, পুরুষ সঙ্গীকে আকৃষ্ট করা জন্য অনেক অভিনব ডিজাইনের অন্তর্বাস এসেছে বাজারে। কিন্তু সেটাই অন্তর্বাসের একমাত্র কাজ নয়। স্তনের আকৃতি তথা স্বাস্থ্য রক্ষার ক্ষেত্রেও অন্তর্বাসের বিরাট ভূমিকা আছে। যা পুরুষদের আজানাই থেকে যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে।

 ৫) নারীর ঋতুকালীন যন্ত্রণা নিয়েও পুরুষের বহু ভুল ধারণা থাকে। প্রথমত, সংস্কারের কারণে ঋতু নিয়ে কোনও আলোচনাই হয় না পুরুষদের সামনে। দক্ষিণ ভারতে তো প্রথা অনুযায়ী, এই সময় নারীরা পুরুষদের মুখদর্শন পর্যন্ত করেন না। ফলে এই বিষয়টি নিয়ে পুরুষরা রীতিমতো ধোঁয়াশায় থাকেন। অথচ পরবর্তীতে যৌনতা, সন্তানের জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে এই চক্র সম্পর্কে নারীর পাশাপাশি পুরুষেরও সম্যক ওয়াকিবহাল থাক উচিত। সেই জায়গাতে অনেকটাই পিছিয়ে থাকেন পুরুষরা।
আইফোন টেনে দুটি ব্যাটারি
                                  

ম্প্রতি চীনে আইফোন টেন স্মার্টফোন খোলা হয়েছে। আর এই স্মার্টফোন খোলার সম্পূর্ণ দৃশ্যটি ভিডিও করা হয়। ভিডিওতে দেখা গেছে আইফোন টেনে দুটি ব্যাটারি আছে। ব্যাটারি দুটি আলাদা আলাদাভাবে ফোনের ভিতরে রাখা।

অ্যাপল কখনো আইফোনের ব্যাটারি বিষয়ক তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করে না। তবে চীনা সার্টিফিকেশন ওয়েবসাইট টিনাতে আইফোন টেনের ব্যাটারির তথ্য প্রকাশ হয়েছে। 

জানা গেছে, আইফোন টেনে ২৭১৬ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি আছে। ভিডিওতে আইফোন টেনে ডুয়াল ব্যাটারিসহ ট্রু ডেপথ ক্যামেরা সেন্সর দেখা গেছে। তাছাড়া এতে অ্যাপলের এ১১ বায়োনিক প্রসেসর ছিল। আইফিক্সিট আইফোন ৮ প্লাস স্মার্টফোনও খুলে দেখেছে। তাতে আইফোন টেনের মতো দুটি ব্যাটারি নেই। ফোনে একটিমাত্র ব্যাটারি আছে যার ক্ষমতা ২৬৯১ মিলিঅ্যাম্পিয়ার। 

অ্যাপলের দাবি, আইফোন টেন আইফোন ৭ স্মার্টফোনের থেকে ২ ঘন্টা বেশি চার্জ ধরে রাখে। তাছাড়া এটি তারবিহীন চার্জিং প্রযুক্তি সমর্থন করে। ফোনটি সর্বোচ্চ ২১ ঘন্টা টকটাইম দেয়। ব্যাটারি ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি সমর্থন করে। হ্যান্ডসেটটি ৩০ মিনিটে ৫০ শতাংশ চার্জ গ্রহণে সক্ষম।

যেভাবে ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করবেন
                                  

#যেভাবে ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করবেন

১. প্রথমেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এ লগইন করুন।

২. এবার ডান দিকে উপরে অ্যাকাউন্টে এ ক্লিক করে ড্রপ ডাওন মেনু থেকে অ্যাকাউন্ট সেটিংসে এ যান।

 

৩. স্ক্রল করে নিচে দেখুন ডিঅ্যাক্টিভেট লেখা আছে, ওখানে ক্লিক করলে আর একটা পেজ খুলবে, ঐ পেজ এর নিচের দিকে কনফার্ম বাটন এ ক্লিক করলেই আপনার কাজ শেষ!

৪. এবার পিসি অফ করে একটা চাকুরি/ব্যবসাতে লেগে যান এবং যতো খুশি ইনকাম করুন।

(চলচ্চিত্র নির্মাতার ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

অফিসে কেন ফেসবুক চালাবেন না?
                                  

ঘুম থেকে উঠেই গুড মর্নিং স্ট্যাটাস, সঙ্গে সদ্য ঘুম থেকে ওঠা হিমির ছবি। রেস্টুরেন্ট, শপিং, পিকনিক, অফিস যেখানেই হিমি যাবেন ফেসবুকে চেক ইন দেওয়া চাই। হিমি সারাদিন কী করছে, কী ভাবছে, সেসবের মোটামোটি পরিষ্কার ধারণা তার ফেসবুক স্যাটাস থেকেই পাওয়া যায়। শুধু হিমি নয়, এমন অনেকেই আছি আমরা, যাদের সব কিছুই ফেসবুকে শেয়ার করা চাই। এতে মন্দ কিছু নেই। সমস্যা হয় তখন, যখন অতিরিক্ত আবেগের বসবর্তি হয়ে আমরা যা খুশী তা স্ট্যাটাস দেই। তেমনই একটি বিষয় হচ্ছে অফিসে ফেসবুক ব্যবহার করা। 

অনেক অফিসেই ফেসবুক ব্যবহার নিষিদ্ধ। কাজের সময়টুকু যেন শুধু কাজের জন্যই ব্যবহার হয়, তার জন্য এই নিষেধাজ্ঞা। পাশাপাশি আপনার স্ট্যাটাস যেন, কার্মক্ষেত্রকে যুদ্ধের ময়দানে পরিণত না করে, তাও বিবেচনা করা হয়। অবাক হচ্ছেন, ভাবছেন সামান্য এক স্ট্যাটাস তাতে কার কী এসে যায়? শুনুন তাহলে।

দুর্ভাগ্যবসত অফিসে আপনাকে হয়তো কাজ করতে হচ্ছে মনের বিরুদ্ধে। আবার ধরুন পাশের কলিগ খুব বিরক্তিকর। কিংবা বস একদিন রেগে দিয়ে আপনাকে বাজে কিছু বলল। এসবের প্রতিক্রিয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে দিলে, তা সাধারণত খুব ডিরেক্ট (সরাসরি) হয়ে থাকে। আর অফিসের কেউ না কেউ তো আপনার ফেসবুক বন্ধু হবেই। তার কাছ থেকে বিষয়টা অন্যেদের মাঝেও ছড়াবে। যার বিষয়ে দেয়া স্ট্যাটাস, সেও কিন্তু বিষয়টি জেনে যাবে। তখন বিষয়টা খুব অস্বস্তিকর হবে আপনার জন্য। যে মনোমালিন্য এতোদিন হাসির আড়ালে ঢাকা ছিল, তা চলে আসবে জনসম্মুখে। ফলে শুরু হতে পারে সরাসরি আক্রমনের প্রতিযোগিতা। এসব কারণেই অফিসে ফেসবুক ব্যবহার নিষিদ্ধ করে অনেক প্রতিষ্ঠান।

আচ্ছা ধরে নিন, আপনার অফিস এখনও এতোটা কঠোর হয়নি বা আপনার কাজই ফেসবুকে, তখন কি করবেন আপনি? আসলেই চিন্তার বিষয়। একবার মনের ভুলে অসচেতন হয়ে যেতেই পারেন আপনার।

- সহজ সমাধান হিসেবে অফিসের জন্য দ্বিতীয় একটি ফেসবুক একাউন্ট তৈরি করতে পারেন। 

- অফিসের শুধুমাত্র ঘনিষ্টদের ফেসবুকে এ্যাড করুন।

- অফিসে থাকাকালীন নিজের একাউন্ট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

- যার সঙ্গে দন্দ হতে পারে তাকে আগে থেকেই ব্লক করে রাখুন। নিশ্চিন্তে থাকুন সে জানতে পারবেন না। 

কারণ সেও নিশ্চয় আপনাকে তার ফেসবুকে চাইবেন না। 

অনেকের মতো আপনিও চাইলে অফিসের পর ফেসবুক স্ট্যাটাসে রাগ ঝাড়তে পারেন। সেটা অনেকটাই সেফ। কারণ তখন কেউ চাইলেও সরাসরি অফিসের সঙ্গে তা মেলাতে পারবে না। আর তা করলেও আপনি অফিস বহির্গত কোন কারণ দেখাতে পারবেন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন। ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলো আমাদের সামাজিক হতে এবং আনন্দ দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছিল। তাহলে সেটাকে অপছন্দের জিনিস দিয়ে নোংরা না করলেই কি ভালো নয়? তাছাড়া ফেসবুক তো বাস্তব কোন জগৎ নয়, যেখানে জীবনের প্রতিটি ঘটনার হাজিরা দিতে হবে।

 

মেয়ের ভুলে চাকরি হারালেন অ্যাপল ইঞ্জিনিয়ার
                                  

 টেক জায়ান্ট অ্যাপল তাদের একজন ইঞ্জিনিয়ারকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে, ওই ব্যক্তির কন্যা তার ইউটিউব চ্যানেলে আপকামিং ‘আইফোন এক্স’ স্মার্টফোনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করায়।


২৫ অক্টোবর বুধবার, ব্রুক অ্যামেলিয়া পিটারসন তার ইউটিউব চ্যানেলে আলোচিত ‘আইফোন এক্স’ এর একটি ভিডিও প্রকাশ করে। ভিডিওটিতে অ্যামেলিয়া জানিয়েছিল, ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপলের হেড কোয়ার্টারে তার বাবার অফিসে গিয়ে নতুন আইফোনটি ব্যবহার করেছে।

কিন্তু ৩০ অক্টোবর শনিবার, নতুন একটি ভিডিওতে অ্যামেলিয়া জানায়, তার সেই ভিডিওর ফলে তার ‘ন্যায়বান’ এবং ‘নিরীহ’ পিতা চাকরি হারিয়েছেন। অ্যামেলিয়া সকলকে অনুরোধ করেন, তার বাবাকে নিয়ে যেন কেউ কোনো খারাপ মন্তব্য না করে।

অ্যামেলিয়া বলেন, ‘যত পারেন আমাকে মন্দ বলুন। কিন্তু দয়া করে আমার বাবাকে নিয়ে বাজে কথা বলবেন না। কারণ তিনি সেরা ব্যক্তি।’

অ্যাপলের প্রধান কার্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় গত সপ্তাহে অ্যামেলিয়া তার বাবার সঙ্গে নাস্তা করার সময় আইফোন এক্সের ভিডিওটি ধারণ করেছিল। ভিডিওটিতে অ্যামেলিয়া শুরুতেই দেখায়, আসন্ন আইফোন এক্স স্মার্টফোনের দারুন সুবিধা- যেমন আইফোন এক্স ব্যবহার করে তার বাবা স্বয়ক্রিয়ভাবে ভাবে নাস্তার বিল পরিশোধ করেছে। এরপর বাবার হাত থেকে নিজের হাতে আইফোনটি নিয়ে বেশ কিছু সুবিধা দেখায়। ভিডিওটিতে অ্যামেলিয়া বলে, ‘বাবার নতুন আইফোন এক্স রয়েছে। দেখুন এই আইফোনের স্ক্রিন কত বড়... খুব সহজেই সোয়াইপ করা যায়।’

বাবা-মেয়ে এ সময় নতুন আইফোনের চমৎপ্রদ ফিচার অ্যানিমেটেড ইমোজি নিয়ে খেলা করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তার এই ভিডিওর কারণে অ্যাপল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে তার পিতাকে। অ্যামেলিয়ার মতে, সে ভাবতে পারেনি ভিডিওটি এত মানুষ দেখবে।

আগামী মাসের ৩ তারিখে আইফোন এক্স বাজারে ছাড়বে অ্যাপল। কিন্তু তার আগেই ওই ভিডিওর মাধ্যমে নতুন আইফোন ফাঁস হওয়ায় অ্যাপলের নির্দেশে ভিডিওটি ইউটিউব চ্যানেল মুছে ফেলেছে অ্যামেলিয়া।

নতুন ভিডিওটিতে সে উল্লেখ করে, ‘অ্যাপলে চাকরি করলে আপনি মানুষ হিসেবে যত ভালোই হোন না কেন, নিয়ম ভাঙলে কঠোর শাস্তি অনিবার্য।’



অ্যামেলিয়া আরো জানায়, ‘আমি অ্যাপলের অন্ধ ভক্ত না, এ ঘটনায় অ্যাপল পণ্য বর্জন করতেও যাচ্ছি না। কর্মীদের নিরাপত্তা এবং ভালোর জন্য নিয়মকানুন রয়েছে। আমার বাবার মাধ্যমে একটা নিয়ম ভঙ্গ হয়েছে এবং তিনি এর দায় পুরোপুরি নিয়েছেন।’ 

দুঃখজনক এ ঘটনা জানানোর সময় অ্যামেলিয়াকে কাঁদতে দেখা যায়।  

অ্যামেলিয়া তার ইউটিউব চ্যানেল থেকে আইফোন এক্সের ভিডিওটি মুছে ফেললেও, তা ভাইরাল হয়েছে ইউটিউবে। দেখুন ভিডিওটি: https://www.youtube.com/watch?v=RBeD8E2xxck

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বিচ হোটেল
                                  

বিশ্বের নানা প্রান্তের সৌন্দর্য উপভোগ করতে সবারই মন চায়। সে আকাঙক্ষা থেকেই যে যার সাধ্য মতো এসব সৌন্দর্য উপভোগে ব্যাকুল হয়ে থাকেন। বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বিচ হোটেল নিয়ে এবারের অ্যালবাম।

বিশ্বের সব থেকে আকর্ষণীয় শিক্ষিকা সে!
                                  

বিশ্বের উষ্ণতম অঙ্কের শিক্ষিকা তিনিই। তাঁকে দেখলে অঙ্কে মন বসতে বাধ্য। কঠিন অঙ্কের সমাধান হবে অনায়াসেই। তাঁর ক্লাস নেওয়ার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হইচই পড়ে গিয়েছে।

ভিডিওতে তিনি অঙ্ক শেখাতে শুরু করতেই যুবকদের শরীরে জাগছে বিশ্বউষ্ণায়ন। বেলারুশের এই গণিত শিক্ষিকার নাম ওকসানা নেভেসেলায়া।

ফেসবুক প্রোফাইলে নিজের সম্পর্কে তিনি লিখেছেন ‘যৌন আবেদন ও বুদ্ধিমত্তা হাতে হাত রেখে চলে।’

ইনস্টাগ্রামে তাঁর ক্লাস নেওয়ার ভিডিয়ো পোস্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ২,২৩,০০০ ফলোয়ার তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের অধিকাংশই পুরুষ। তাঁর অমন চাঁচাছোলা ফিগারে বোকা ভোলা হয়ে গিয়েছে বহু পুরুষ।

এক ভিডিওতে কামাল করেই থেমে যাননি ওকসানা। তাঁর পোস্টে ১০,০০০ লাইক পড়ার পরে ভক্তদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন। আপাতত মালয়েশিয়ায় ছুটি কাটাচ্ছেন এই হট গণিত শিক্ষিকা।

ছুটির মেজাজে তাঁর হটনেস আরও বেড়ে গিয়েছে। সেখান থেকে পোস্ট করে চলেছেন বিকিনি পরিহিত ছবি। সেই সব ছবি নতুন করে তাঁর উদ্বেল করে তুলেছে তাঁর ভক্তদের।

ওজন কমাবে তোয়ালে!
                                  

জাপানের মানুষেরা এত চিকন হয় কেন? এই প্রশ্ন কখনও কি আপনার মাথায় এসেছে? যদি এসে থাকে তাহলে আজ আপনি সেই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। জাপানের মানুষেরা এমন কিছু রুলস অনুসরণ করে, যাতে করে তাদের ওজন কম থাকে। এর জন্য তাদের ব্যায়াম বা ডায়েট করতে হয় না।

ডাক্তারের দেয়া এক বিশেষ ধরণের ব্যায়াম করে থাকেন তারা। যুগ যুগ ধরে তাদের এই ব্যায়াম সাহায্য করে আসতেছে। এজন্য আপনার শুধুমাত্র একটি তোয়ালে এবং একটি নির্দিষ্ট স্থানে বসে ব্যায়াম করার জন্য একটি মাদুর লাগবে।

স্টেপ- ১: আপনার তোয়ালে ভাজ করে সিলিন্ডার আকৃতির তৈরি করুন।

স্টেপ- ২: এবার সোজা হয়ে তোয়ালের উপর শুয়ে পড়ুন।

স্টেপ- ৩: আপনার কোমরের দিকে তোয়ালে রাখুন। যা আপনার নাভির সমান্তরালে থাকে।

স্টেপ- ৪: আপনার হাঁটু যেন কাধ বরাবর প্রস্থে থাকে।

স্টেপ- ৫: আপনার পায়ের বুড়ো আঙ্গুল দুটিকে পাশাপাশি সমানভাবে রাখুন।

স্টেপ- ৬: আপনার মাথার উপর দুই হাট রাখুন এবং দুই হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল মিলিয়ে রাখুন।

স্টেপ- ৭: এভাবে ৫ মিনিট শুয়ে থাকুন।

স্টেপ- ৮: এবার আস্তে আস্তে সোজা হয়ে বসুন এবং আবার একইভাবে পুনরাবৃত্তি করুন।

 

নিজেকে ভালো রাখুন, ভালো থাকুন
                                  

অন্যান্য প্রাণির সাথে মানুষের মূল পার্থক্যটাই হলো মনের। মানুষের মন থাকে, যা অন্য কোনো প্রাণির নেই। তাইতো মানুষের এত আবেগ, এত মন খারাপ, এত অভিমান। জীবনের চলার পথ সবটাই মসৃণ হবে এমনটা মনে করা বোকামি। সুখ যেমন আসে, দুঃখও আসে। আসে নানা ঘাত-প্রতিঘাত। সবকিছু সামলেই আমাদের আগামীর পথে হেঁটে যেতে হয়। তবু আমাদের মন খারাপ হয়, কারণ মন থাকলে মন খারাপও থাকবে। আর মন খারাপ হলে মনটাকে ভালো করার দায়িত্বও নিতে হবে আমাদেরই।

গুরুত্ব না দেয়া: যে বিষয়টি নিয়ে আপনার মন খারাপ, চেষ্টা করুন সেই বিষয়টিকে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে। কারণ যত বেশি ভাববেন ততই মন খারাপ বাড়বে বৈ কমবে না। তাই চেষ্টা করুন অন্য কিছু নিয়ে ভাবতে। বিশেষ করে এমনকিছু যা ভাবলে আপনার মন ভালো হয়। হতে পারে তা মধুর কোনো ভুল বা কোনো স্মৃতি।

বেড়ানো: কাজ আর ব্যস্ততায় যে জীবনটা আটকে আছে, চেষ্টা করুন তাকে একটু মুক্তি দিতে। অন্তত একটি বেলার জন্য হলেও বেড়িয়ে আসুন কোথাও থেকে। যতটাই বেড়াবেন, ততটাই অভিজ্ঞতার সঞ্চার হবে, ততটাই অজানাকে জানতে পারবেন। নতুন নতুন অনেক কিছুই দেখবেন, জানবেন। একটা সময় দেখবেন, মন খারাপের কারণটাই আর আপনার মনে পড়ছে না।

লেখা: কোনো কবিতা বা কোনো গল্প লিখতে হবে না আপনাকে। শুধু একটি খাতা আর কলম টেনে নিয়ে বসে পড়ুন। যা মন চায় লিখুন। নিজের অভিমানের কথা, না পাওয়ার কথা, দুঃখের কথা, যে কথা কাউকে বলা যায় না সেই কথা- সব লিখে ফেলুন। তারপর নিজের লেখা নিজেই পড়ুন। পড়তে পড়তে একসময় দেখবেন আপনার মন খারাপ কমতে শুরু করেছে। তারপর যখন মনে হবে কী সব ছাইপাশ লিখেছি, তখনই কাগজটি ছিড়ে টুকরো টুকরো করে উড়িয়ে দিন। মন ভালো হবেই।

শখের কাজ: আপনার শখের কাজ কী? শখের একটি ফুলের বাগান আছে? মন খারাপ হলে সেখানেই কাটান নাহয় কিছুটা সময়। ছবি আঁকতে ভালোলাগলে তাই করুন। গান গাইতে মন চাইছে? দরজা বন্ধ করে নিজের মনে গান করুন। কারণ আপনার কণ্ঠ ভালো না হলে ঘরের বাকি সবার তোপের মুখে পড়তে পারেন!

প্রার্থনা: আপনি যে ধর্মেই বিশ্বাসী হোন না কেন, প্রার্থনা করুন। প্রার্থনা আমাদের মনকে প্রশান্ত করে। নিজের সমস্ত চাওয়া-পাওয়ার কথা, আকাঙ্ক্ষার স্রষ্টার কাছে বলুন। ধর্মগ্রন্থ পড়ার চেষ্টা করুন নিয়মিত। দেখবেন, নিজেকে অনেকটাই হালকা লাগছে।

চুল পড়লে কী করবেন?
                                  

কারণ

► নানা রকম স্ট্রেসের কারণে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। মাথা গরম হয়।

যার প্রভাবে চুল পড়তে শুরু করে।

 

► সঠিক মাত্রায় পুষ্টিকর খাবার না খেলে চুল পুষ্টি পায় না, ফলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে যায়।

► ধুলাবালির কারণে চুলে খুশকি হয়। আর এর থেকে চুল পড়া শুরু হয়।

► অনেকে নানা রকম ওষুধ খান, যার কারণে চুল পড়ে যেতে পারে। আবার অনেকের ওষুধের বেশি ডোজ থাকে। যার থেকেও চুল পড়ে।

 

করণীয়

নিমপাতা

মাথার স্ক্যাল্পের ফুসকুড়ি, চুলকানি, ফাংগাস ইনফেকশনের ফলে অতিরিক্ত চুল পড়ে। অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানসমৃদ্ধ নিমপাতা খুশকি দূর করাসহ এসব সমস্যা সামাধান করে।  

 

ব্যবহারবিধি

৪ কাপ পানিতে এক মুঠো নিমপাতা দিয়ে ফোটান। পানি ফুটে উঠলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ছেঁকে নিন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এই পানি শ্যাম্পু করার পর মাথায় ঢেলে দিয়ে খানিকক্ষণ পর মাথা মুছুন। এ ছাড়া নিমপাতা বেটে মাথার স্ক্যাল্পে দিয়ে এক ঘণ্টা রেখে মাথা ধুয়ে ফেলতে পারেন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

 

নারিকেল তেল

নারিকেল তেলে থাকা অ্যান্টিফাংগাল উপাদান খুশকি তাড়াতে সক্ষম। একই সঙ্গে শুষ্কতা দূর করে চুল ময়েশ্চারাইজ করে চুল পড়া কমায়।

 

ব্যবহারবিধি

► বাটিতে খানিকটা তেল নিয়ে এতে লেবুর অর্ধেকটা রস মিশিয়ে মাথায় লাগিয়ে কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করুন। আধা ঘণ্টা পর  ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার করুন।

► ২ টেবিল চামচ ভিনেগার, ২ টেবিল চামচ পানি ও  ২০ ফোঁটা টি-ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। মাথার স্ক্যাল্পে কয়েক মিনিট লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার করুন।

 

সাদা সিরকা

সাদা সিরকা খুশকি তাড়ায় ও চুল পড়া কমায়।

 

ব্যবহারবিধি

২ কাপ পানিতে আধা কাপ সাদা সিরকা মিশিয়ে রাখুন। শ্যাম্পু করার পর এটা মাথায় ঢেলে দিন। এ ছাড়া ৩ কাপ পানির সঙ্গে ২ টেবিল চামচ সাদা সিরকা ও ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাথায় লাগিয়ে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে এক দিন করুন।

 

অলিভ অয়েল

অলিভ অয়েল চুল ও মাথার ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে। এছাড়া খুশকি দূর করে এবং চুল পড়া কমায়।

 

ব্যবহারবিধি

খানিকটা অলিভ অয়েল সামান্য গরম করে মাথার স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করুন। এবার তোয়ালে গরম পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে সেই তোয়ালে দিয়ে মাথা ও চুল ২০ মিনিট মুড়িয়ে রেখে দিন। এরপর শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে তিনবার করতে হবে।

 

লেবুর রস

লেবুর রস খুশকি দূর করে। এতে থাকা সাইট্রিক এসিড খুশকি তৈরির ফাংগাসের সঙ্গে লড়ে এবং মাথার প্রদাহ কমায়। ফলে চুল পড়াও কমে যায়।

 

ব্যবহারবিধি

আধা কাপ দইয়ের সঙ্গে অর্ধেকটা লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণটা মাথায়  ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন। খুশকি ও চুল পড়াও কমবে।   সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করুন।

 

মেথি

মেথিতে আছে অ্যান্টি-ফাংগাল প্রতিকারের উপাদান, যা খুশকি ও চুল পড়া রোধ করে।

 

ব্যবহারবিধি

৩ টেবিল চামচ মেথি সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে সকালে বেটে নিন। এর মধ্যে কয়েক চামচ দই মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগিয়ের রাখুন কয়েক ঘণ্টা। এর পর শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহার করুন।

মমতাজ সুন্দরীতমা
                                  
নীতিমালা
  • ১.
    সারা দেশ ও প্রবাসী বাংলাদেশি তরুণীরা (১৮–৩০ বয়স) এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
  • ২.
    অংশগ্রহণকারীদের নিজের তিনটি ছবি (ডান, বাম এবং সোজাসুজি তোলা) পাঠাতে হবে।
  • ৩.
    ছবিসহ অংশগ্রহণকারীদের পূর্ণ নাম, ই-মেইল ঠিকানা, মোবাইল নম্বর এবং জেলা/শহরের নাম দিয়ে সাবমিট করতে হবে। ছদ্মনাম গ্রহণযোগ্য নয়।
  • ৪.
    আগামী ১৬ জুন-২০১৭ পর্যন্ত প্রতিযোগীরা ছবি পাঠাতে পারবেন।
  • ৫.
    প্রতিযোগীদের পাঠানো ছবিগুলোর মধ্য থেকে সেরা ৪০টি ছবি বাছাই করে দর্শকের ভোটের জন্য এই পেজে প্রদর্শন করা হবে।
  • ৬.
    সর্বাধিক প্রাপ্ত ভোট ও বিচারকদের নম্বরের মাধ্যমে সেরা ১০টি ছবি বাছাই করা হবে।
  • ৭.
    সেরা ১০টি ছবি দর্শকের ভোটের জন্য আবার এই পেজে প্রদর্শন করা হবে।
  • ৮.
    স্বনামধন্য এক্সপার্টরা সেরা ১০ জনকে গ্রুমিং করাবেন।
  • ৯.
    দর্শক ভোট ও বিচারকদের নম্বরে প্রতিযোগীকে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় (গ্র্যান্ড ফিনালে) সেরা সুন্দরী নির্বাচিত করা হবে।
  • ১০.
    প্রথম গ্র্যান্ড বিজয়ী পাবেন ১ লাখ টাকা, প্রথম রানা‍রআপ পাবেন ৫০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় রানারআপের জন্য থাকছে ২৫ হাজার টাকা। এর সঙ্গে থাকছে মমতাজ হারবালের স্পন্সর করা টেলিফিল্ম ও বিজ্ঞাপনে এক বছর কাজ করার সুযোগ। বাকি সাতজনের জন্যও রয়েছে আকর্ষণীয় গিফট হ্যাম্পার। এ ছাড়া ফাইনালে অংশ নেওয়া ১০ জনের জন্য স্বীকৃতির সনদ তো থাকছেই।
  • ১১.
    পুরস্কার গ্রহণের জন্য বিজয়ীদের নিবন্ধিত ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বরটি সচল রাখতে হবে।
  • ১২.
    কোনো অসদুপায় অবলম্বন করলে প্রতিযোগীকে বাদ দেওয়া হবে।
  • ১৩.
    প্রতিযোগিতার নিয়মাবলিতে যেকোনো পরিবর্তনের অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
  •  
    বিজয়ী হতে প্রতিযোগিতায় অংশ নিন এবং আপনজনকে জানাতে পেজটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি বেশি শেয়ার করুন।
  • নিয়মাবলি: http://www.ntvbd.com/mumtaz-sundoritoma/
     
কখন কতটা পানি পান করবেন?
                                  

পানি না থাকলে শরীরটাই থাকবে না! আমাদের দেহের কোষ-কলার কাজকর্ম সঠিকভাবে চালিয়ে যেতে পানি অপরিহার্য। শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে, রেচনক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের ক্ষতিকর পদার্থ বার করে দিতে, সুষ্ঠুভাবে পাচনক্রিয়া পরিচালনা করতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে, অস্থিসন্ধির নমনীয়তা রক্ষা করতে ও সর্বোপরি মস্তিষ্ক রক্ষা করার জন্য পানি অপরিহার্য। এছাড়া বয়স ধরে রাখতে ও ত্বক টানটান রাখতে জলের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এককথায় বলা যায় পানি ছাড়া আমাদের দেহযন্ত্রটি অচল হয়ে পড়বে।

 

দৈনিক কতটা পানি প্রত্যেকের পান করা উচিত?

সাধারণত দিনে প্রত্যেকের তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার পানি পান করা উচিত। অবশ্য কে কোন ধরনের পানিবায়ুতে বাস করছেন, কেমন ধরনের কাজ করছেন তার ওপরে পানিপানের অভ্যাস ও পরিমাণ নির্ভর করে। গ্রীষ্মপ্রধান দেশে মানুষের ঘাম হয় বেশি। ফলে অনেকটা পানি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে যারা শীতপ্রধান দেশে বাস করেন, তাঁদের ঘাম হয় কম। তাঁদের পানিপানের পরিমাণ গ্রীষ্মপ্রধান দেশে বসবাসকারী মানুষের চাইতে নিশ্চয় কম হবে। আবার কিছু মানুষ সারাদিন এসি’তে থাকেন। শরীর থেকে ঘাম ঝরে না একবিন্দু। অথচ কিছু লোককে দিনভর রৌদ্রে ঘাম ঝরিয়ে কাজ করতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই এই শ্রেণির মানুষকে পানি একটু বেশিই পান করতে হবে।

ছোটরাও বাইরে ঘোরাঘুরি করে, ছোটাছুটি করে। এই গ্রীষ্মে তাদের কতটা পানি করা দরকার?

 ছোট মানে কতটা ছোট, সেটা দেখতে হবে। সাধারণভাবে স্কুলে যায় এমন বাচ্চাদের সম্পর্কে বলা যেতে পারে। স্কুলগোয়িং বাচ্চাদের অন্তত দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, তারা যেন যেখান সেখান থেকে পানি না খায়। সেক্ষেত্রে পানিবাহিত নানা অসুখে পড়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

বড়দেরও পানিবাহিত অসুখে পড়ার আশঙ্কা থাকে। শুদ্ধ পানি পান করার উপায় কী?

বিশ্বের সমস্ত উন্নত দেশে সরকারেরই দায়িত্ব থাকে জনগণকে শুদ্ধ পানি সরবরাহ করার। এ দেশে বহু জায়গায় কোনও কোনও বাড়িতে পানিই পৌঁছয় না! সেখানে শুদ্ধ পানি সরবরাহ করা তো আরও বড় চ্যালেঞ্জ। উন্নত দেশে শহরে যে সমস্ত উৎস থেকে পানি সরবরাহ হয়, সেখানে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। এমনকী ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন-এর বেঁধে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী সেই জলের গুণমানের পরীক্ষা হয়। আমাদের দেশে সেইরকম নজরদারির ব্যবস্থা কোথায়? ফলে এ দেশের মানুষের মধ্যে হেপাটাইটিস-এ, হেপাটাইটিস-ই, টাইফয়েড, কলেরা, ডায়ারিয়া মতো পানিবাহিত রোগ হয়। নজরদারির কারণেই উন্নত দেশের মানুষের মধ্যে এই রোগগুলি কম দেখা যায় আর এ দেশে বেশি হয়।

সাধারণ মানুষ কীভাবে শুদ্ধ পানি পান করতে পারে?

খুব সহজে শুদ্ধ পানি পাওয়ার একটাই উপায় আছে। পানি ফুটিয়ে পান করা। রাতে পানি ফুটিয়ে নিতে হবে। এতে জলে থাকা ব্যাকটেরিয়া মারা পড়বে। তারপর সারারাত একটা পাত্রে সেই পানি রেখে ঠান্ডা করতে হবে। এর ফলে জলে থাকা অজৈব পদার্থগুলি জলের নিচে থিতিয়ে পড়বে। সকালে পাত্রে রাখা জলের নিচের অংশটুকু রেখে বাকিটা ছেঁকে পান করলেই চলবে। এছাড়া যাঁদের বাড়িতে ওয়াটার পিউরিফায়ার রাখার সামর্থ্য আছে, তাঁরা নিজের উদ্যোগে রিভার্স অসমোসিস প্রযুক্তিযুক্ত ওয়াটার পিউরিফায়ার রাখতে পারেন। তবে এই পদ্ধতি খরচসাপেক্ষ এবং অনেকটা পানি নষ্ট হয়।

সাধারণ পিউরিফায়ার ব্যবহার করা কি যাবে না?

সাধারণ পিউরিফায়ারে নোংরা আটকানোর ক্ষমতা থাকলেও ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীবাণু ধ্বংস ও প্রতিরোধ করার ব্যবস্থা নেই।

খাওয়ার আগে পানি পান করলে কি খাবার হজম ভালো সাহায্য করে?

সেরকম কোনও ব্যাপার নেই। অনেকে রোগা হওয়ার জন্য প্রতিবার খাওয়ার আগে অনেকটা পানি পান করেন। এর ফলে জিভ চাইলেও অতিরিক্ত খাবার খাওয়া যায় না। তবে খাবার খাওয়ার অন্তত আধঘণ্টা পর পানি পান করলে খাদ্য হজমে সুবিধা হয়।

খাবার সময়ে পানিপান করলে নাকি খাদ্য ভালো হজম হয় না?

এরকম নির্দিষ্ট কোনও প্রতিবন্ধকতা নেই। খাবার খাওয়ার সময় সামান্য পরিমাণে পানি পান করাই যায়। মুশকিল হল, অনেকেই সময়ের অভাবে তাড়াহুড়ো করে খান। পানি দিয়ে খাবার গিলে নেন। এমন অভ্যাস ভালো নয়। খাবার চিবিয়ে খেলে তবেই হজম দ্রুত হবে। কারণ খাওয়ার সময় মুখগহ্বরে থাকা নানা গ্রন্থি থেকে এনজাইম ক্ষরিত হয়ে খাবারে মেশে। এছাড়া পাকস্থলীসহ পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন অ্যাসিড, এনজাইম ক্ষরিত হয়। খাবার খেতে খেতে প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে সেগুলির কার্যকারিতা বিঘ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ফল খেয়ে পানি খেতে নেই কেন?

আলাদা করে কোনও কারণ নেই। ফলও তো আসলে খাবার। খাবারের সঙ্গে হজমে সাহায্যকারী অ্যাসিড, এনজাইমগুলি মিশতে হবে। সেকারণেই অনেকে ফল খাওয়ার পরেই পানি খেতে নিষেধ করেন। তবে সামান্য পানি পান করাই যায়।

পানি খুব কম পান করলে কী কী বিপদ হতে পারে?

যে কোনও কাজেই খুব দ্রুত ক্লান্তি আসবে, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দেবে। হজমে সমস্যা, ওজন বৃদ্ধি পাওয়া, দ্রুত জরা আসা, নার্ভের অসুখ, কিডনি, হার্টের সমস্যা— নানা ধরনের রোগ হতে পারে। আগেই বলেছি, পানি ছাড়া শরীরযন্ত্রটি অচল।

পানি কম খেলে যেমন বিপদ, বেশি খেলেও কি বিপদ হয়?

অতিরিক্ত যে কোনও কিছুই শরীরের পক্ষে খারাপ। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনের বেশি পানি পান করলে হাইপোথার্মিয়া দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে, সোডিয়াম পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়, পেটের ও লিভারের সমস্যা দেখা দেয়, ব্রেনসহ সারা শরীরের কোষ ফুলে যায়। এছাড়া হার্টে অতিরিক্ত চাপ পড়ে, বেড়ে যায় কিডনির কাজ । দীর্ঘ দিন এমন হতে থাকলে হার্ট ও কিডনির অসুখ হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

কোন কোন অসুখ থাকলে পানি পান নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে?

হার্টের ও কিডনির সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে পানি পান করুন। বিশেষ করে কিডনির অসুখ থাকলে রোগীকে সারাদিনে হিসাব করেই পানি পান করতে হবে।

কেউ ঠান্ডা পানি পান করতে ভালোবাসেন, কেউ আবার গরম পানি। এই ধরনের অভ্যাসের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি শরীরে পড়ে?

চীন দেশে আগে লোকে উষ্ণ পানিই পান করত। আর উষ্ণ পানি পান করে তাঁদের জাতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, এমন খবর এখনও পর্যন্ত নেই। তা বলে ফোসকা পড়া গরম পানি নিশ্চয় কেউ পান করেন না! আর ঠান্ডা জলের প্রসঙ্গে বলি, বহু মানুষ ঠান্ডা পানি পান করতে পছন্দ করেন। আসলে কে, কেমন পানি পান করবে তা মানুষ এবং একটা জাতির অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। সূত্র: ওয়েবসাইট

জীবনের কঠিন সময়গুলো পার করবেন যেভাবে
                                  

জীবনের অর্থই হচ্ছে একটি যাত্রা। যে যাত্রাপথে আপনার সাথে হাজার মানুষের দেখা হবে, কথা হবে, আপনার সাথে বন্ধুত্ব হবে আবার তা চোখের পলকে ভেঙেও যাবে। জীবনের এই সময়ের সবটুকু পথই সুন্দরভাবে কাটবে তা কিন্তু নয়। কারণ আপনি খারাপ সময়ের দেখা না পেলে সুখের মূল্য বুঝবেন না। তেমনি জীবন পথে অতিবাহিত হওয়া কঠিন সময় আপনার সংস্পর্শে না এলেও আপনি ভেতর থেকে কতটা আত্মবিশ্বাসী আর নিজের প্রতি আস্থা রাখতে পারেন তাও বুঝে উঠতে পারবেন না। কঠিন সময় কখন আসবে তা যেমন কেউ জানেনা তেমনি সেই সময়ে কী করতে হবে তা নিয়েও অনেকে অনেক কিছু ভাবেন। কেউ ভাবেন এই সময় আর শেষ হবার না। নিজের প্রতি নিজের এই কম আত্মবিশ্বাস আপনার জেতা বাজিটাও মাঝে মাঝে হারিয়ে দেয়। তাই জীবনের এই বহমান ধারার মাঝে যখনি কঠিন সময় আসবে তখনি নিজের প্রতি আরও বিশ্বাসী হয়ে উঠুন। আর বলুন যে খারাপ সময় যেমন যাচ্ছে তেমনি ভালো সময় খুব সহজেই আসবে। জীবনের চরম মুহূর্ততেও ঠান্ডা মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত দিয়ে এই কঠিন সময়গুলো পার করা যায়।

 

সব সময় একইরকম থাকবে না
এটি হওয়া উচিৎ আপনার এই কঠিন সময়ে চলার মূল মন্ত্র। এই ছোট একটি কথা আপনাকে নানাভাবে কঠিন সময়ে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে। পরিবর্তনকে ভয় পাবেন না। তাকে আপনার জীবনে আসতে দিন। কারণ এই পরিবর্তনই কেবল আপনাকে এই কঠিন সময় থেকে উদ্ধার করতে পারে। সময়ের পরিবর্তন কেবল বাহ্যিক পরিবর্তন আনে না পাশাপাশি আনে মনে, চিন্তাশক্তিতে আর দৃষ্টি ভঙ্গিতেও। যা আপনাকে জীবনের কঠিন সময়েও ভালো কিছুর জন্য তৈরি করবে।

শিক্ষা নেওয়া
আপনি আপনার জীবনের কঠিন সময় পার করার জন্য যা যা করছেন তা আপনাকে যেমন জীবন সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছে তেমনি করছে মানসিকভাবেও দৃঢ় করছে। জীবনের বাজে সময়ে আমরা ভাবি আসলেই কি এটি আমার প্রাপ্য ছিলো! আমি কি আসলেই এর জন্য উপযুক্ত ছিলাম! আমার ভাগ্য কি এতোই খারাপ! আসলে জীবনে এসব প্রশ্ন একটি অংশ। আপনি আপনার শরীরের কোনো অংশ ছাড়া যেমন চলতে পারবেন না, তেমনি এই প্রশ্নগুলো ছাড়া আপনি বুঝবেন না আসলে জীবনের অর্থ কী! তাই সময়ের দাবিতে আসা বাজে সময়কেও সুন্দরভাবে গ্রহণ করে তাকে পার করার সময় আপনার মাধ্যমে করা কাজ থেকে শিক্ষা নিন।

Jibon

সাহায্য
জীবনে কোনো সমস্যা হলে আপনি প্রথমেই যা করেন তা হচ্ছে তার থেকে নিজেকে টেনে তুলতে একা একা অনবরত চেষ্টা করে যান। এটি না করে সমস্যা কেন সৃষ্টি হয়েছে তা লক্ষ করুন। আর সমাধানের জন্য সাহায্য চান। এই অন্যের থেকে পাওয়া ছোট একটি সাহায্য আপনাকে মনে মনে এটা ভাবতে সাহায্য করবে যে আপনি একা নন। আপনার আশেপাশে আপনার সমাজ আর আপনাকে পছন্দ করে এমন মানুষ আছে। এটি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে দারুণ কাজ করে।

ক্ষমা করতে এবং ক্ষমা চাইতে শিখুন
জীবনের এই যাত্রা পথে আপনাকে ক্ষমা করা এবং ক্ষমা চাওয়া এই দুটি জিনিস শিখতে হবে। যার সাহায্যে আপনি এই কঠিন সময় পার করতে পারবেন। কিছু সময় আমাদের সাথে খারাপ কিছু ঘটলে যাকে দ্বারা ঘটে তাকে নানাভাবে দোষ দিতে থাকি আর কষ্ট পাই। কিন্তু আপনি যদি খেয়াল করেন তবে দেখবেন তাতে আপনার ভালোও লুকিয়ে আছে। তাই ক্ষমা করুন তাকে, যে মানুষটি আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে। তাহলে দেখবেন নিজের মাঝেই কেমন প্রশান্তি অনুভব করছেন।

আজকের দিনটিকে ঘিরে বাঁচুন
আগামিকাল আপনার জীবনে কী ঘটতে যাচ্ছে তা কেউ যানে না। তারপরেও এই অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের কল্পনার শেষ নেই। আর এই কল্পনা মাঝে মাঝে গিয়ে দাঁড়ায় চিন্তা আর জীবনকে কঠিন করার মাধ্যম। তাই আপনি ঠিক যে দিনটিতে অবস্থান করছেন সেই দিনটি মন ভরে উপভোগ করুন। দেখবেন কঠিন সময় আর আপনার কাছে কঠিন লাগছে না।

জিরার যত উপকারী ব্যবহার
                                  

স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে জিরা বেশ আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জিরা ব্যবহার করে কিছু সমস্যার ঘরোয়া সমাধানের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট ফেমিনা।

১. হজমের উন্নতি

জিরা হজমের সমস্যা সমাধানে ভালো উপাদান। এর মধ্যে থাকা থাইমল কম্পাউন্ড এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তেল হজমকে ভালো করতে সাহায্য করে। তাই আপনি যদি হজমের সমস্যায় ভোগেন, জিরার চা তিনবেলা পান করতে পারেন।

প্রণালি

এক কাপ পানি নিন। এর মধ্যে এক টেবিল চামচ জিরা দিন। এটি সেদ্ধ করুন। দিনে তিনবার এটি পান করুন।

২. কোষ্ঠকাঠিন্য

জিরার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ আঁশ। এটি গ্যাসট্রোএনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের কার্যক্রমকে ভালো রাখে।

প্রণালি

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে বাঁচতে এক টেবিল চামচ জিরা ভেজে নিন। রং গাঢ় হলে একে নামিয়ে গুঁড়া করুন। এই গুঁড়ার মধ্যে পানি ও মধু মেশান। এটি প্রতিদিন খালি পেটে পান করুন।

৩. অ্যাজমা ও ঠান্ডা

জিরার মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদানের জন্য এটি অ্যাজমা ও ঠান্ডা প্রতিরোধে সাহায্য করে; সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে।

প্রণালি

এক টেবিল চামচ জিরা এক গ্লাস পানির মধ্যে দিন। এর মধ্যে কিছু কুচি করা আদা দিন। ভালোমতো সেদ্ধ করুন। একে দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন।

৪. গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে

জিরার গুঁড়া কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি গর্ভবতী নারীর বমি ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়। এ ছাড়া প্রসব ভালোভাবে হওয়ার ক্ষেত্রেও এটি সাহায্য করে।

প্রণালি

এক গ্লাস গরম দুধ নিন। এর মধ্যে আধা চা চামচ জিরার গুঁড়া নিন এবং এক টেবিল চামচ মধু যোগ করুন। ভালোভাবে মেশান। এটি প্রতিদিন পান করুন।


   Page 1 of 3
     আমাদের পত্রিকা লাইফস্টাইল
সফলদের অনুকরণীয় ১০ অভ্যাস
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
১০ হাজার টাকায় নোকিয়ার ফোরজি ফোন, চার্জ থাকবে অন্তত ২ দিন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নারী শরীর সম্পর্কে যে কয়টি ভুল ধারণা পোষণ করেন পুরুষরা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আইফোন টেনে দুটি ব্যাটারি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
যেভাবে ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করবেন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
অফিসে কেন ফেসবুক চালাবেন না?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
মেয়ের ভুলে চাকরি হারালেন অ্যাপল ইঞ্জিনিয়ার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বিচ হোটেল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিশ্বের সব থেকে আকর্ষণীয় শিক্ষিকা সে!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ওজন কমাবে তোয়ালে!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নিজেকে ভালো রাখুন, ভালো থাকুন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
চুল পড়লে কী করবেন?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
মমতাজ সুন্দরীতমা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
কখন কতটা পানি পান করবেন?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জীবনের কঠিন সময়গুলো পার করবেন যেভাবে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জিরার যত উপকারী ব্যবহার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সম্পর্ক করুন `বই পড়ুয়া`নারীদের সঙ্গে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
লিখতে হবে না, চিন্তা করলেই আপডেট হবে ফেসবুকে!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
গরমে আরাম
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
১০ মিনিট ঘরে তেজপাতা পোড়ালে কী হয়?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
প্লাস্টিকের ডিম চিনবেন যেভাবে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নীলাদ্রির নীল জলে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বন্ধু নাকি প্রেমিক, কীভাবে বুঝবেন?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
গরমে সারাদিন সতেজ থাকার উপায়
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‘ভালোবাসা আইছে তাই ৩ টাকার ফুল ২০ টাকা’
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ফুটবল ব্যালেন্স তার নেশা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
৩০ দিন টানা আদা খেলে কী হয়?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রসুনের দারুণ স্বাস্থ্য উপকারিতা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
শেষ পর্যায়ে এইডসের প্রতিষেধক তৈরির কাজ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ওষুধি গাছের গ্রাম নাটোরের লক্ষ্মীপুর
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
হঠাৎ কানব্যথা?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
হার্ট বার্ন হলে যেসব ওষুধ সেবন ক্ষতিকর
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ঘাড়ে ব্যথার কারণ ও প্রতিকার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
কি খাওয়াচ্ছেন আপনার বাচ্চাকে !
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
তরুণদের জন্য সর্বনাশ বয়ে আনে যে ৮টি বদভ্যাস
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ত্বকের যত্নে টমেটোর পাঁচটি ব্যবহার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
স্তন ক্যান্সার শনাক্তে আরও সঠিক পরীক্ষা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
৬০০ রোগের মহৌষধ হলুদ!
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বাড়িতে ব্যায়াম: গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
গর্ভবতী মায়ের কোমর ব্যথার কারণ ও প্রতিকার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......