লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পথশিশুদের খাইয়ে প্রেম উদযাপন, ভাইরাল প্রেমিক যুগল

নিউজ ডেস্ক:  সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ছবি প্রকাশ হবার পর তা ভাইরাল হয়ে গেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে পথশিশুদের খাইয়েই ভা্লোবাসা দিবস উদযাপন করছেন যুগল।

‘বং নোটিফিকেশন’ নামে এক জনপ্রিয় ফেসবুক পেজে আপলোড করা হয়েছে ছবিটি। ভ্যালেন্টাইনস ডে। প্রেমের এ দিন সেলিব্রেশন নিয়ে নানা মুনির নানা মত। কেউ বলেন এ আসলে ব্রিটিশ সংস্কৃতির প্রভাব। পালটা যুক্তি দিয়ে অনেকেই আবার বলেন, আমদের দৈনন্দিন জীবনে বিদেশী সংস্কৃতির প্রভাব তো কম নেই! তাহলে একটা দিনকেই বা কেন কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে?

কারও মত, প্রেমের জন্য কি সত্যিই একটা দিন নির্দিষ্ট করা যায়? হয়তো যায় না। প্রেমের উদযাপন নিয়ে আলাদা করে তিক্ততা টেনে আনার দরকার নেই। তবে এর সঙ্গে মিশেছে রাজনীতিও। কোনও কোনও কট্টরবাদী সংগঠন ভ্যালেন্টাইনস ডে পালনের বিরুদ্ধে আবার ফতোয়া জারি করে। এই এতকিছুর মধ্যে যেন একঝলক খুশির হাওয়া নিয়ে এসেছে ছবিটি। বুঝিয়ে দিচ্ছে প্রেমের অন্য মানেও।

প্রেম মানে শুধু তুমি-আমি আর সুখের বাসরকুঞ্জ নয়। অন্তত এই সেদিনও সেরকমই ভাবত মানুষ। ভাবত, প্রেম কখনও সমাজ নিরপেক্ষ নয়। ফলত রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে এক সূত্রে বাঁধা পড়তেন যুবক-যুবতী। ব্যক্তিগত সুখের থেকেও সেখানে সামাজিক আদর্শই বড় হয়ে দাঁড়াত। আজ হয় লোকমুখে, নয় গল্পে উপন্যাসে সে সব পড়তে আমাদের ভাল লাগে।

কিন্তু এই সময়ের বুকে আক্ষেপ জেগে থাকে, আজ আর কালবেলার মাধবীলতা কই? সত্যই কি সময়ের চক্রে সব হারিয়ে গিয়েছে? আপাতভাবে তা মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে এ সময়ের গর্ভে কিছুই হারিয়ে যায় না। সময় অন্তে তা ফিরে ফিরে আসে। যেমন ফিরে এসেছেন যুগল। এই তীব্র আত্মকেন্দ্রিক যুগেও নিজেদের প্রেমের উদযাপন তারা ছড়িয়ে দিয়েছেন পথশিশুদের মধ্যে। ছোটছোট খুদেদের মুখের হাসিই হয়ে উঠেছে তাদের উপহার।

ইতিমধ্যেই প্রায় হাজার মানুষ এ ছবি শেয়ার করেছেন, কমেন্টে কমেন্টে তাদের আশীর্বাদ করছেন নেটিজেনরা। চাইছেন, এভাবেই প্রেম আসুক। এভাবেই প্রেম খুঁজে পাক তার গুরুত্ব। কিন্তু কারা এই তরুণ-তরুণী। আপাতত তাদের পরিচয় জানা যাচ্ছে না।

তবে মানবিকতার এ ছবির একটাই পরিচয়, সকলেই মানুষ। এর থেকে বড় সত্যি আর কিছু নেই। এর থেকে বড় পরিচয়ও আর কিছু হতে পারে না।

 
 
 
পথশিশুদের খাইয়ে প্রেম উদযাপন, ভাইরাল প্রেমিক যুগল
                                  

নিউজ ডেস্ক:  সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ছবি প্রকাশ হবার পর তা ভাইরাল হয়ে গেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে পথশিশুদের খাইয়েই ভা্লোবাসা দিবস উদযাপন করছেন যুগল।

‘বং নোটিফিকেশন’ নামে এক জনপ্রিয় ফেসবুক পেজে আপলোড করা হয়েছে ছবিটি। ভ্যালেন্টাইনস ডে। প্রেমের এ দিন সেলিব্রেশন নিয়ে নানা মুনির নানা মত। কেউ বলেন এ আসলে ব্রিটিশ সংস্কৃতির প্রভাব। পালটা যুক্তি দিয়ে অনেকেই আবার বলেন, আমদের দৈনন্দিন জীবনে বিদেশী সংস্কৃতির প্রভাব তো কম নেই! তাহলে একটা দিনকেই বা কেন কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে?

কারও মত, প্রেমের জন্য কি সত্যিই একটা দিন নির্দিষ্ট করা যায়? হয়তো যায় না। প্রেমের উদযাপন নিয়ে আলাদা করে তিক্ততা টেনে আনার দরকার নেই। তবে এর সঙ্গে মিশেছে রাজনীতিও। কোনও কোনও কট্টরবাদী সংগঠন ভ্যালেন্টাইনস ডে পালনের বিরুদ্ধে আবার ফতোয়া জারি করে। এই এতকিছুর মধ্যে যেন একঝলক খুশির হাওয়া নিয়ে এসেছে ছবিটি। বুঝিয়ে দিচ্ছে প্রেমের অন্য মানেও।

প্রেম মানে শুধু তুমি-আমি আর সুখের বাসরকুঞ্জ নয়। অন্তত এই সেদিনও সেরকমই ভাবত মানুষ। ভাবত, প্রেম কখনও সমাজ নিরপেক্ষ নয়। ফলত রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে এক সূত্রে বাঁধা পড়তেন যুবক-যুবতী। ব্যক্তিগত সুখের থেকেও সেখানে সামাজিক আদর্শই বড় হয়ে দাঁড়াত। আজ হয় লোকমুখে, নয় গল্পে উপন্যাসে সে সব পড়তে আমাদের ভাল লাগে।

কিন্তু এই সময়ের বুকে আক্ষেপ জেগে থাকে, আজ আর কালবেলার মাধবীলতা কই? সত্যই কি সময়ের চক্রে সব হারিয়ে গিয়েছে? আপাতভাবে তা মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে এ সময়ের গর্ভে কিছুই হারিয়ে যায় না। সময় অন্তে তা ফিরে ফিরে আসে। যেমন ফিরে এসেছেন যুগল। এই তীব্র আত্মকেন্দ্রিক যুগেও নিজেদের প্রেমের উদযাপন তারা ছড়িয়ে দিয়েছেন পথশিশুদের মধ্যে। ছোটছোট খুদেদের মুখের হাসিই হয়ে উঠেছে তাদের উপহার।

ইতিমধ্যেই প্রায় হাজার মানুষ এ ছবি শেয়ার করেছেন, কমেন্টে কমেন্টে তাদের আশীর্বাদ করছেন নেটিজেনরা। চাইছেন, এভাবেই প্রেম আসুক। এভাবেই প্রেম খুঁজে পাক তার গুরুত্ব। কিন্তু কারা এই তরুণ-তরুণী। আপাতত তাদের পরিচয় জানা যাচ্ছে না।

তবে মানবিকতার এ ছবির একটাই পরিচয়, সকলেই মানুষ। এর থেকে বড় সত্যি আর কিছু নেই। এর থেকে বড় পরিচয়ও আর কিছু হতে পারে না।

 
 
 
কে এই সুন্দরী ললনা?
                                  

রোববার থেকে মাত্র ২৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপিং মাতিয়ে রেখেছে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামসহ সামাজিক যোগাযোগের সব মাধ্যম। ভিডিওতে দেখা যায়, কলেজের ইউনিফর্ম পরা এক মেয়ে তাঁর এক ছেলে সহপাঠীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভ্রু নাচাচ্ছেন। এই ভ্রু নাচানোর ফাঁকে আচমকা তাঁর চোখের পলকে সেই ছেলে সহপাঠী ‘ধরা’ খেয়ে যান। মেয়েটির চোখের ইশারার আসলে ধরা খেয়েছে পুরো ইন্টারনেটবাসী। কাজলকালো সেই চোখের অদ্ভুত ইশারায় পাগল না হয়ে উপায় নেই। অনেকের মনে কৌতূহল, কে সেই মেয়ে? কী তাঁর নাম?

যাঁরা এই সুন্দরীর প্রেমে পড়েছেন, তাঁরা জেনে নিন, মেয়েটির নাম প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়ার। বয়স ১৮। পরিবার আর কাছের বন্ধুরা তাঁকে রিয়া নামে ডাকেন। অল্প সময়ের মধ্যে লাখো দর্শকের মন কেড়ে নেওয়া এই মেয়ের জন্ম কেরালার ত্রিশূরে। সেখানকার বিমলা কলেজে প্রথম বর্ষের ছাত্রী। মালায়লাম ও ইংরেজি ছাড়া অন্য কোনো ভাষা জানেন না।

আর প্রিয়ার যে ভিডিও ক্লিপটি ভাইরাল হয়েছে, সেটি একটি সিনেমার গানের দৃশ্য। মালায়লাম সেই ছবির নাম ‘অরু আদার লাভ’। পরিচালক ওমর লুলু। এটিই বড় পর্দায় প্রিয়ার প্রথম কাজ। ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী মার্চে। প্রথম দর্শনেই এই বালিকা বাজিমাত করেছেন! পুরো ছবি মুক্তি পেলে যে কী অবস্থা হবে, কে জানে? প্রিয়া এর আগে মডেলিং করেছেন। র‍্যাম্পেও হেঁটেছেন অনেক। মোহিনীআট্ট্যম নৃত্যশিল্পী তিনি। ভ্রু নাচানোর অদ্ভুত কৌশল সেখান থেকেই রপ্ত করেছেন। এত অল্প সময়ের মধ্যে ইন্টারনেট সেনসেশনে পরিণত হওয়ায় প্রিয়া এখন আনন্দে উড়ছেন। ফেসবুক লাইভে এসে ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে লাইক দেওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছেন।

মজার ব্যাপার হলো, প্রিয়ার অসাধারণ অভিব্যক্তি দেখে শুধু ছেলেরা নন, অনেক মেয়েও পাগল হচ্ছেন। একবার ভিডিওটিতে ক্লিক করে বারবার না দেখে পারছেন না অনেকেই। মিষ্টি হাসির এই মেয়ের সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য গুগলে খোঁজ নিচ্ছেন একটু পরপর। এর মধ্যে প্রিয়ার অসংখ্য ভুয়া অ্যাকাউন্টে সয়লাব হয়ে গেছে ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রাম। আসল অ্যাকাউন্টসহ ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোতেও অনুসারীর সংখ্যা মিনিটে মিনিটে বেড়ে চলেছে। এদিকে ভক্তদের আগ্রহ দেখে প্রিয়া গতকাল রোববার টুইটারে নিজের অ্যাকাউন্ট খুলেছেন।

হঠাৎ মালায়লাম ছবির এক নবাগত নায়িকা এভাবে সবার মনোযোগ পেয়ে যাবেন, সেটা পরিচালক নিজেও বুঝি ঠাওর করতে পারেনি। ‘অরু আদার লাভ’ ছবিতে প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়ার 

 

নাচো মন ফাগুনের অগ্নিধারায়
                                  

‘ফাগুন, হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান--

তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান--

 

আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ॥’

প্রকৃতি প্রেমে সিদ্ধকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ফাগুনবন্দনা করে লেখা বিখ্যাত গান। আজ ফাগুনের উদাস হাওয়ায় বাঁধন ছিঁড়েছে প্রাণ। বাঁধন ছেঁড়া প্রাণ তাই উড়ু উড়ু। ফাগুনের অগ্নিধারায় আপনকেও হারালো মন। হারানো মন ঘুরছে ফাগুন রাঙা যেন বনে বনে।

বছর ঘুরে আবারও ফাগুন এলো। ষড়ঋতুর বাংলায় বসন্তের রাজত্ব একেবারে প্রকৃত সিদ্ধ। ঋতুরাজ বসন্তের বর্ণনা কোনো রঙতুলির আঁচড়ে শেষ হয় না। কোনো কবি-সাহিত্যিক বসন্তের রূপের বর্ণনায় নিজেকে তৃপ্ত করতে পারেন না। তবুও বসন্ত বন্দনায় প্রকৃতি-প্রেমীদের চেষ্টার যেন অন্ত থাকে না।

আজ ১ ফাল্গুন। প্রকৃতি সাজবে তার নতুর রূপে। গাছে গাছে ফুল ফুটুক আর নাই-বা ফুটুক, বসন্ত তার নিজ রূপ মেলে ধরবেই। ফাগুনের আগুনে, মন রাঙিয়ে বাঙালি তার দীপ্ত চেতনায় উজ্জীবিত হবে।

 

বাঙালির ইতিহাস আবেগের। এ আবেগ যেমন মানুষে মানুষে ভালোবাসার, তেমনি মানুষের সঙ্গে প্রকৃতিরও বটে। দিন-ক্ষণ গুণে গুণে বসন্ত বরণের অপেক্ষায় থাকে বাঙালি। কালের পরিক্রমায় বসন্ত বরণ আজ বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম উৎসব। আবাল-বৃদ্ধা, তরুণ-তরুণী বসন্ত উম্মাদায় আজকে মেতে উঠবে।

শীতকে বিদায় জানানোর মধ্যদিয়েই বসন্ত বরণে চলবে ধুম আয়োজন। শীত চলে যায় রিক্ত হস্তে, আর বসন্ত আসে ফুলের ডালা সাজিয়ে। বাসন্তী ফুলের পরশ আর সৌরভে কেটে যাবে শীতের জরা-জীর্ণতা।

বসন্তকে সামনে রেখে গ্রাম বাংলায় মেলা, সার্কাসসহ বাঙালির নানা আয়োজনের সমারোহ থাকবে। ভালোবাসার মানুষেরা মন রাঙাবে বাসন্তী রঙ্গেই। শীতের সঙ্গে তুলনা করে চলে বসন্তকালের পিঠা উৎসবও।

তরুণীরা বাসন্তী রঙয়ের শাড়ি পরে প্রকৃতির কোলে নিজেকে সপে দিতে চাইবে। আর বসন্তের উদাস হাওয়ায় তরুণেরা নিজেকে প্রকাশ করবে প্রেমে প্রেমে। বসন্ত যেন মানবমন আর প্রকৃতির রূপ প্রকাশের লীলা-খেলা।

 

বসন্ত উৎসব বলি আর বরণই বলি, এটি মিশে আছে একেবারে আবহমান গ্রাম বাংলার মাটি-মানুষের সঙ্গে। শ্যামলী বাংলার গাছ-গাছালিতে পত্রপল্লবের নতুন কুড়ি যেন গ্রামীণ মানুষের অন্তরকে আরও শুভ্র করে, করে পবিত্রও।

তবে বসন্ত উৎসব আজ গ্রামীণ আয়োজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। শহুরে মানুষের কাছেও বসন্তের আবেদন ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে শহরের তরুণ-তরুণীরা বসন্ত বরণে দিনভর ব্যস্ত থাকে। ফুলে ফুলে ভরে যাবে তরুণীর চুলের খোপা। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বসবে খাবারের মেলা।

এদিন দর্শনীয় স্থানগুলো মানুষের পদচারণায় যেন তিল ধরার ঠাঁই থাকে না। বসন্তের আগমনে নব উদ্যমে জেগে উঠুক বাঙালি, জেগে উঠুক বাঙালির প্রাণ।

 

ভালোবাসা দিবসে যা দেয়া যেতে পারে
                                  

`ভ্যালেন্টাইনস ডে` বা ভালোবাসা দিবস৷ এদিন ভালোবাসার মানুষকে কি উপহার দেয়া যায়, তা নিয়ে নিশ্চয় অনেকে চিন্তাভাবনা করছেন৷ তাঁদের সুবিধার্থে এগিয়ে এবার এসেছেন বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ব্লগার৷

সামহয়্যার ইন ব্লগে আশিক আহমেদ বাপ্পী পোস্টের শিরোনাম ``ভ্যালেনটাইন টিপস``৷ সেখানে তিনি উপহার হিসেবে কি দেয়া যেতে পারে তার একটা তালিকা করে দিয়েছেন৷ প্রথমেই তিনি চিঠি লেখার পরামর্শ দিয়েছেন৷ এক্ষেত্রে তাঁর যুক্তি হলো, ``আজকাল আর কেউ চিঠি লেখে না৷ সবাই ই-মেল/এসএমএস/ফেসবুকে ভালোবাসার মানুষকে উইশ করে ফেলে৷ সুতরাং আপনি চিঠি লিখতে পারেন, কিছুটা ব্যাতিক্রম হবে৷``

বাপ্পীর উপহারের তালিকায় আরও আছে চকলটে, কার্ড, ডলস বা টেডি, ফুল ইত্যাদি৷ তিনি লিখেছেন, ``পৃথিবীতে এমন মেয়ে কম পাওয়া যাবে যারা চকলেট পছন্দ করে না৷`` আর কার্ডের ক্ষেত্রে বাপ্পীর পরামর্শ কার্ড কেনার পর তার উপর কিছু একটা লেখা; সেটা কবিতার কোনো লাইনও হতে পারে৷

ফুল নিয়ে এই ব্লগারের কথা, ``ভ্যালেনটাইনস ডে অথচ ফুল দিবেন না, এটা কি হয়?? 

ছোট বড় মাঝারি সাইজের অনেকগুলা লাল গোলাপ কিনুন৷ তারপর সবকিছু সুন্দর করে একটা ঝুড়িতে প্যাকেট করুন৷ সেখানে কিছু গোলাপ পাপড়ি ছিটিয়ে দিন৷ তারপরে তাকে নিয়ে রিকশায় ঘুরে বেড়ান৷ ভালো কোথাও খেতে যান৷ তার হাত ধরে থাকুন, চোখের দিকে তাকিয়ে বলুন – আই লাভ ইউ৷ আই লাভ ইউ৷``

 

এরপর বিবাহিতরা কীভাবে ভালোবাসা দিবস পালন করতে পারেন তারও কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বাপ্পী৷

এদিকে, আমারব্লগে ভালোবাসা দিবসের সম্ভাব্য উপহার বিষয়ে পোস্ট দিয়েছেন ব্লগার আমিন৷ তিনি উপহার হিসেবে ফুলের পাশাপাশি পছন্দ করেন বই৷ তাঁর পরামর্শ হচ্ছে, ভালোবাসার মানুষটিকে তার পছন্দের বই উপহার দেয়া যেতে পারে৷ ``কখনো নিজের পছন্দের বই কিনে তাকে দিবেন না কারণ আপনি স্ট্রবেরি পছন্দ করলেও ওই স্ট্রবেরি দিয়ে কিন্তু মাছ ধরা যায় না৷ বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে চাইলে তাকে তার পছন্দের খাবারটি দিতে হবে৷``

তবে ব্লগার আমিন মনে করেন, একজন ভালোবাসার মানুষের জন্য শপথের চেয়ে আর কোনো বড় উপহার থাকতে পারে না৷ তিনি লিখেছেন, ``...উপরের উল্লেখিত উপহারগুলো হয়ে থাকে শুধু শুভেচ্ছা আদান প্রদানের জন্য৷ একজন ভালোবাসার মানুষের জন্য শপথের চেয়ে আর কোনো বড় উপহার থাকতে পারে না৷ শপথ করার আগে ভেবে নিন, আজ ভালোবাসার মানুষ হিসেবে যে আপনার পাশে অবস্থান করেছে, সে এই বিশেষ দিনে অন্য কারো সাথেও হয়ত থাকতে পারত৷...তাই ভালোবাসা দিবসের এই দিনে তার কোমল দুটি হাতের উপর হাত রেখে শপথ করুন তাকে কোনো দিন না ছেড়ে যাবার৷ শপথ করুন তাকে কোনো কষ্ট না দেবার৷ শপথ করুন তার সাথে কোনোদিন বিশ্বাসঘাতকতা না করার৷``

 


যে কারণে নারীদের কাছে বেশি আকর্ষণীয় বিবাহিত পুরুষ
                                  
অনলাইন ডেস্ক : কোন ধরণের পুরুষের প্রতি নারীর মন গলবে তা হয়তো জানা নেই। কেউ বলবে টল, ডার্ক, হ্যান্ডসাম পুরুষের প্রতি৷ কারোর ভোট পড়বে বুদ্ধিমত্তার দিকে৷ কিন্তু গবেষণা বলছে, যদি কোনও পুরুষ বিবাহিত হয় বা যদি কোনও পুরুষের প্রেমিকা থাকে, তারা অন্য নারীদের চোখে বেশি আকর্ষণীয়৷

গবেষণা আরও বলছে, নারীরা তখন মনে করেন, সেই পুরুষ দয়ালু স্বভাবের হয় ও বিশ্বস্ত হয়৷ তারা ভালো বাবা হয় বলেও জানা গেছে৷ মনোবিদরা বলছেন, কোনও পার্টনার থাকলে সেই পুরুষ নারীদের কাছে বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেন৷ মেয়ে পাখি ও মাছেরা এই যুক্তিতেই সঙ্গী নির্বাচন করে৷

গবেষকরা জানাচ্ছেন, ৪৯ জন নারীকে পুরুষদের রেটিং দিতে বলা হয়৷ পুরুষের সৌন্দর্য, হাতের উপর নির্ভর করে নম্বর দিতে বলা হয়৷ কিন্তু যখন অন্যদের রেটিং দেখানো হয়, সেই নারীদের মধ্যে ১৩% মুখের আদলের অ্যাভারেজ রেটিংয়ের দিকে যান৷ বাকিদের মধ্যে ১৪% অ্যাভারেজ আর্ট রেটিং দিয়েছে৷

রিসার্চটি করে সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়৷ স্টোরির প্রধান লেখক কেট ক্রস জানিয়েছেন, মানুষের ধারণা অন্যদের মতামতের ভিত্তিতে পরিবর্তিত হয়৷ এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে৷  

 
 
 
   Page 1 of 1
     লাইফস্টাইল
পথশিশুদের খাইয়ে প্রেম উদযাপন, ভাইরাল প্রেমিক যুগল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
কে এই সুন্দরী ললনা?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নাচো মন ফাগুনের অগ্নিধারায়
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ভালোবাসা দিবসে যা দেয়া যেতে পারে
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
যে কারণে নারীদের কাছে বেশি আকর্ষণীয় বিবাহিত পুরুষ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......