মত-দ্বিমত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ধিক্কার এই রায়কে: পার্থ

দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রায় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষে বিপক্ষে নানা মত দিচ্ছেন অনেকে। রায়ে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার পাননি বলে মত দিচ্ছেন বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী বা বিএনপি মনা মানুষ। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ন্যায়বিচার হয়েছে বলে এর পক্ষে মত দিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে নিজের ফেরিভাইড পেজে এই রায়কে ধিক্কার জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০দলীয় জোটের শরিক বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

পার্থের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

টিভির পর্দাতে অনেক আওয়ামী সাংবাদিক আর বুদ্ধিজীবী এই মামলা আর রায়ের যথার্থতার ব্যাপারে অনেক যুক্তি দেয়ার চেষ্টা করছে…।। আমি শুধু এতটুকু বলব যে কোনো মামলাতে যদি বিন্দু পরিমাণ রাজনৈতিক প্রভাব থাকে তাহলে সেই মামলা …সকল কার্যক্রম এবং রায় সবই বেআইনি এবং ন্যায়বিচার পরিপন্থি…।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা এই মামলা কি এক শতাংশ না একশ শতাংশ রাজনৈতিক, তার বিচারের ভার বাংলাদেশের জনগণের …। এই মামলাতে কতখানি রাজনৈতিক প্রভাব আছে তা বিভিন্ন মন্ত্রীর আগাম বক্তব্য আর কারাগারের সাজসজ্জা দেখলেই বোঝা যায়। সরকারের মুখে আইনের শাসনের কথা শুনলে সিনহা সাহেবের ভেগে যাবার কথা মনে পরে…।

এত উঁচু মাপের রাজনীতিবিদদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ আদালতের কলমের খোঁচা কিংবা কোনো নির্বাহী আদেশ নির্ধারণ করে না…… আল্লাহ তায়ালা নির্ধারণ করবে জনগণের মাধ্যমে সঠিক সময়ে। ধিক্কার এই রায়কে…।।`

ধিক্কার এই রায়কে: পার্থ
                                  

দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রায় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষে বিপক্ষে নানা মত দিচ্ছেন অনেকে। রায়ে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার পাননি বলে মত দিচ্ছেন বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী বা বিএনপি মনা মানুষ। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ন্যায়বিচার হয়েছে বলে এর পক্ষে মত দিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে নিজের ফেরিভাইড পেজে এই রায়কে ধিক্কার জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০দলীয় জোটের শরিক বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

পার্থের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

টিভির পর্দাতে অনেক আওয়ামী সাংবাদিক আর বুদ্ধিজীবী এই মামলা আর রায়ের যথার্থতার ব্যাপারে অনেক যুক্তি দেয়ার চেষ্টা করছে…।। আমি শুধু এতটুকু বলব যে কোনো মামলাতে যদি বিন্দু পরিমাণ রাজনৈতিক প্রভাব থাকে তাহলে সেই মামলা …সকল কার্যক্রম এবং রায় সবই বেআইনি এবং ন্যায়বিচার পরিপন্থি…।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা এই মামলা কি এক শতাংশ না একশ শতাংশ রাজনৈতিক, তার বিচারের ভার বাংলাদেশের জনগণের …। এই মামলাতে কতখানি রাজনৈতিক প্রভাব আছে তা বিভিন্ন মন্ত্রীর আগাম বক্তব্য আর কারাগারের সাজসজ্জা দেখলেই বোঝা যায়। সরকারের মুখে আইনের শাসনের কথা শুনলে সিনহা সাহেবের ভেগে যাবার কথা মনে পরে…।

এত উঁচু মাপের রাজনীতিবিদদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ আদালতের কলমের খোঁচা কিংবা কোনো নির্বাহী আদেশ নির্ধারণ করে না…… আল্লাহ তায়ালা নির্ধারণ করবে জনগণের মাধ্যমে সঠিক সময়ে। ধিক্কার এই রায়কে…।।`

যারা বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান করে, তারা কিভাবে খালেদাকে সম্মান করবে?
                                  

ফেসবুকে গত রাতে বিলেতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে বিএনপি কর্মীদের তাণ্ডবের ভিডিওতে এক জায়গায় দেখা যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ছবিকে তারা অবমাননা করছে। বেয়াদব, অকৃতজ্ঞ, অর্বাচীন ওই অমানুষগুলোর কি মনে আছে, যে নেত্রীর জন্য বঙ্গবন্ধুর ছবিকে তারা অমর্যাদা করছে – সেই নেত্রীর সংসার বাঁচিয়ে দিয়ে সেই নেত্রীর মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু?

একদিন নিরুপায় হয়ে সেই নেত্রী যখন দাঁড়িয়ে ছিলেন বঙ্গবন্ধুর দ্বারে, নিজের মেয়ে বলে মর্যাদা দিয়ে স্বামীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। সেই বঙ্গবন্ধুর ছবিকে আপনারা অবমাননা করলেন? কি অকৃতজ্ঞ আপনারা! সরকারের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি রোধে আইন চেয়ে আসছি বহু বছর ধরে। এই কারণেই চাইছি। যেন কেউ আমাদের `৭১-এর কোন কিছু কখনও অবমাননা বা অস্বীকার করতে না পারে।

আজকে বঙ্গবন্ধুর ছবির অবমাননা দেখতে হল!!! হায় অকৃতজ্ঞ বাংলার কুলাঙ্গারের দল, যে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরো, যে বাংলাদেশের নামে শ্লোগান দাও, যে বাংলাদেশের মসনদে বসার লোভে উন্মাদ হয়ে গিয়েছ – সেই বাংলাদেশ পেলে কার হাত ধরে? তোমাদের মত কীটদের আঘাতে বঙ্গবন্ধুর মর্যাদার কোন যাবে আসবে না। ইতিহাসে তাঁর যে মর্যাদা লেখা হয়ে গেছে তা তোমরা ফিরে গিয়ে মুছে দিতে পারবে না। দল-মত নির্বিশেষে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অনুগত – শুধুমাত্র রাজাকারদের বংশধররা ছাড়া।

বঙ্গবন্ধুর ছবির অবমাননা তাদের সবার বুকে শেলের আঘাত হেনেছে। যে দলের লোকজন জাতির জনকের মর্যাদাই রাখতে পারে না, তাদের নেত্রীর মর্যাদা কেউ রক্ষা করতে পারবে না – এটাই প্রকৃতির বিধান। এই ধরার সামান্য মামলার কথা বলছি না। সেটা আদালতের ব্যাপার। অন্যদের মত মর্তের বিচার নিয়ে আমি অত উচ্ছ্বসিত নই কখনও। আমি বলছি `ন্যাচারাল জাস্টিস-এর কথা`। আর কেউ না জানুক, তাদের নেত্রী নিজে কিন্তু জানেন সত্যটা। আর জানেন উপরআলা। উপরআলার চোখ এড়িয়ে যাবার কোন উপায় নাই।

বার বার আপনারা মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, শহীদ বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস – যা কিছু আমাদের ইতিহাসের পবিত্র আমানত – তাকে অপমানিত করছেন, পদাঘাত করছেন বাংলাদেশের মানুষের বুকের সবচেয়ে আবেগের জায়গায়। আপনারা পিলিটিক্স করতে থাকুন, আমরা চোখের জলে উপরআলার দরবারে বিচার দিয়ে রাখলাম। এখন অপেক্ষা `ন্যাচারাল জাস্টিস`-এর।

লেখক: ডা. নূজহাত চৌধুরী, শহীদ কন্যা
(ফেসবুক স্ট্যাটাস)


আমার বই নৈতিকতাকে জাগিয়ে তুলবে: এসপি দেওয়ান লালন
                                  

অনেক দিন ধরেই আমার ভিতরে একটা তাড়না ছিল শিশুতোষ একটা কিছু লেখার । `বিতং বনে বনবনিয়ে` এই বইটি বের করতে পেরে সত্যি আমি আনন্দিত ও উৎফুল্ল ।

 আমাদের শৈশবের ফেবলস গুলো যা আমাদের পশুপাখিদের গল্প দিয়ে নৈতিক শিক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক মনন বিকশিত করার প্রয়াস তা আমাদের জন্য এক বিশাল পাওয়া কিন্তু আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এসব পড়ছে না শিখছে না তাই আমার এই ক্ষুদ্রপ্রয়াস ।

 বর্তমানকালের শিশুদের আকৃষ্ট করতে আমি – ডরেমন ও নবিতা, মোটু আর পাতলু, বেনটেন ও গোয়েন দের নিয়ে ছড়া লিখেছি ।

 

 

এছাড়া উপকথা গল্প গুলোকে -খরগোশ সজারু ও ধূর্ত শিয়াল, খরগোশ আর কচ্ছপ ,সিংহ শিয়াল ও বোকা গাধা, অহংকারী হাতি ও দুটি পাখি, ফোকলাদাঁত, পায়রা ও পিঁপড়া, খেকশিয়ালের বিয়ে, সিংহ বাঘ চিতা ও ধুর্ত শিয়াল, বুলবুল আর সারস পাখি, নৈশব্দ গুঞ্জন, হুররে হুয়া কি মজা, টাপুর তুপুর ছাগল ছানা, ঘাস ফড়িং, বন্ধুতা এক সুতা, লাল টুক টুক বউ, সাপ ও কাক, সোনালি ঈগল, কুচকাওয়াজ প্রভৃতি নিয়ে ছড়া লিখেছি ,আশা করছি এই বই আপনার আমার সোনামনিদের আনন্দ দিবে সাথে তাদের কোমলমতি মনে নৈতিকতার বোধ জাগিয়ে তুলবে। 

`বিতং বনে বনবনিয়ে`- শিশুতোষ ছড়ার বই
প্রকাশক-কবি  নীল সাধু , এক রঙ্গা এক ঘুড়ি
প্রচ্ছদ- কাদিমুল ইসলাম যাদু
পাওয়া যাবে- এক রঙ্গা এক ঘুড়ি, স্টল নং-৬৫৪, দাঁড়কাকের স্টল ও পুলিশের স্টলে ।

 

 
   Page 1 of 1
     মত-দ্বিমত
ধিক্কার এই রায়কে: পার্থ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
যারা বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান করে, তারা কিভাবে খালেদাকে সম্মান করবে?
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আমার বই নৈতিকতাকে জাগিয়ে তুলবে: এসপি দেওয়ান লালন
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......