জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
একুশের চেতনা অনুপ্রেরণার উৎস : রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় অমর একুশের চেতনা আজ অনুপ্রেরণার অবিরাম উৎস বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

তিনি বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি মহান ভাষা আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী ভাষা শহীদ রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার, শফিউরসহ নাম না জানা অন্যান্য শহীদদের। আমি সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি ১৯৪৮ সালে মাতৃভাষার দাবিতে গঠিত ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’এর নেতৃত্ব দেন এবং কারাবরণ করেন।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

আগামীকাল (বুধবার) বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় এ দিবস পালিত হবে। রাষ্ট্রপতি মহান ‘শহীদ দিবস’ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’উপলক্ষে বাংলাভাষীসহ বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগণ ও জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্মরণ করি তৎকালীন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে যিনি পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে ঐতিহাসিক প্রস্তাব তুলে ধরেন। স্মরণ করি ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহসহ সকল ভাষা সংগ্রামীকে, যাদের দূরদৃষ্টি, অসীম ত্যাগ, সাহসিকতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। বাঙালি পায় মাতৃভাষার অধিকার।

আবদুল হামিদ বলেন, মহান ভাষা আন্দোলন দেশের জাতীয় ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এ আন্দোলন ছিল বাঙালির মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নিজস্ব জাতিসত্তা, স্বকীয়তা ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষারও আন্দোলন।

 

একুশের চেতনা অনুপ্রেরণার উৎস : রাষ্ট্রপতি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় অমর একুশের চেতনা আজ অনুপ্রেরণার অবিরাম উৎস বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

তিনি বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি মহান ভাষা আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী ভাষা শহীদ রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার, শফিউরসহ নাম না জানা অন্যান্য শহীদদের। আমি সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি ১৯৪৮ সালে মাতৃভাষার দাবিতে গঠিত ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’এর নেতৃত্ব দেন এবং কারাবরণ করেন।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

আগামীকাল (বুধবার) বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় এ দিবস পালিত হবে। রাষ্ট্রপতি মহান ‘শহীদ দিবস’ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’উপলক্ষে বাংলাভাষীসহ বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগণ ও জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্মরণ করি তৎকালীন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে যিনি পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে ঐতিহাসিক প্রস্তাব তুলে ধরেন। স্মরণ করি ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহসহ সকল ভাষা সংগ্রামীকে, যাদের দূরদৃষ্টি, অসীম ত্যাগ, সাহসিকতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। বাঙালি পায় মাতৃভাষার অধিকার।

আবদুল হামিদ বলেন, মহান ভাষা আন্দোলন দেশের জাতীয় ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এ আন্দোলন ছিল বাঙালির মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নিজস্ব জাতিসত্তা, স্বকীয়তা ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষারও আন্দোলন।

 

একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে একুশে পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে পদক তুলে দিয়েছেন।

নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য সম্মানিত ২১ ব্যক্তিকে এবার একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে।

এবার যারা একুশে পদক পেয়েছেন তারা হলেন- ভাষা আন্দোলনে আ জ ম তকীয়ুল্লাহ (মরণোত্তর) ও অধ্যাপক মির্জা মাজহারুল ইসলাম। 


সমাজসেবায় নিরাপদ সড়কের জন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা ইলিয়াস কাঞ্চন এবং অভিনয়ে হুমায়ূন ফরীদি (মরণোত্তর)।

সঙ্গীতে শেখ সাদী খান, সুজেয় শ্যাম, ইন্দ্র মোহন রাজবংশী, মো. খুরশীদ আলম ও মতিউল হক খান।

নৃত্যে একুশে পদক পেয়েছেন মীনু হক। নাটকে পেয়েছেন নিখিল সেন।

চারুকলায় কালিদাস কর্মকার এবং আলোকচিত্রে গোলাম মুস্তাফা এবার পদক পেয়েছেন।

এ ছাড়া সাংবাদিকতায় রণেশ মৈত্র, গবেষণায় ভাষাসৈনিক অধ্যাপক জুলেখা হক (মরণোত্তর), অর্থনীতিতে মইনুল ইসলাম, ভাষা ও সাহিত্যে সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম খান (কবি হায়াৎ সাইফ), সুব্রত বড়ুয়া, রবিউল হুসাইন ও মরহুম খালেকদাদ চৌধুরী একুশে পদক পেয়েছেন।

পদকপ্রাপ্ত প্রত্যেকে একটি সোনার মেডেল, একটি সাম্মাননাপত্র ও এক লাখ টাকা পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন। ভাষা আন্দোলনে নিহত শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিবছর বিশিষ্ট নাগরিকদের একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

 

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সজাগ থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : অানসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অাপনারা সারা দেশে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করেন। দরিদ্র ও সন্ত্রাসমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অানসার বাহিনীকে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, অাসন্ন জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানে অানসার বাহিনীকে সজাগ থাকতে হবে এবং কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো অপশক্তি যেন দেশের শান্তি বিনষ্ট করতে না পারে সে জন্য সজাগ থাকতে হবে।

সোমবার গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ অানসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৩৮তম জাতীয় সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এর অাগে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছার পরপরই প্রধানমন্ত্রীকে সশস্ত্র সালাম জানান অানসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবুজ খোলা জিপে চড়ে প্যারেড পরিদর্শন করেন। সাহসিকতা ও সেবামূলক কাজে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য নির্ধারিত সদস্যদের প্রধানমন্ত্রী পদক পরিয়ে দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা যখন সারা দেশে অাগুন সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছিল, তখন অাপনারা তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন। অামরা যখনই ক্ষমতায় এসেছি তখনই বাংলাদেশের প্রত্যেকটি বাহিনীর উন্নয়নে কাজ করেছি।

অানসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে চেইন অব কমান্ড মেনে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় অাসার পর অামরাই প্রথম অানসার বাহিনীকে পতাকা হাতে তুলে দিয়েছিলাম। অামরা অাপনাদের জন্য সর্বনিম্ন ১৩০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকা পর্যন্ত ঝুঁকি ভাতা বৃদ্ধি করেছি। অাপনাদের কাজের মাধ্যমে অাপনারা সরকারের নির্ভর বাহিনী হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বাংলাদেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশ যেন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সে জন্য অাপনাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

খালেদা নির্বাচনে থাকবেন : সিইসির আশা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক :  সব সমস্যা কাটিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। 


সোমবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের খাসকামড়ায় তার সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে আসার সময় সাংবাদিকদের নিজের এ আশার কথা জানান তিনি।

৮ ফেব্রুয়ার দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের সাজা হওয়ার পর বিএনপি চেয়ারপারসন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না- তা নিয়ে নানা মত রয়েছে।

 

সিইসি বলেন, আমি আশা করি সব সমস্যার সমাধান হলে তিনি (খালেদা) নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা এবং না করা সম্পূর্ণ উচ্চ আদালতের ওপর নির্ভর করছে।

৮ ফেব্রুয়ারি যে মামলায় খালেদার সাজা হয়েছে, ওই মামলাতে সাজা হয়েছে তার ছেলে তারেকেরও। খালেদা কারাগারে যাওয়ার পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করছেন তারেক।

বিএনপি বলছে, খালেদা-তারেক ছাড়া নির্বাচনে যাবে না তারা। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের মনে করেন- মামলার কারণে আদালতের সিদ্ধান্তে বেগম খালেদা জিয়া যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারেন তাহলেও তার দল বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে

 

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ অঞ্চলে চাষকে উৎসাহিত করেছিলেন : প্রধানমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : চায়ের বহুমুখী ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । আজ রবিবার সকালে বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী ২০১৮’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি পঞ্চগড় জেলার চায়ের প্রসঙ্গ তোলেন ।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনিই পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ অঞ্চলে চাষকে উৎসাহিত করেছিলেন এবং সে সরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দেওয়াতেই এই পঞ্চগড়ে চা চাষের শুরু। আজকে এই চা ইংল্যান্ডের হ্যারডস-এও পাওয়া যাচ্ছে

তিনি বলেন, সরকার চায় বাংলাদেশের চা গুণগত মানে উন্নত হয়ে সারাবিশ্বে নিজের স্থান করে নিক ,  আমাদের চা সারা বিশ্বে নিজের স্থান করে নিক। আরো উন্নত হোক এবং চা গবেষণা ইনস্টিটিউট চায়ের গুণগত মান বৃদ্ধির জন্যও গবেষণা আরো জোরদার করবে।   

তিনি আরো বলেন, ‘বিভিন্ন ফ্লেভারযুক্ত চা ছাড়াও চা থেকে বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রী, যথা- টি সোপ, টি শ্যাম্পু, টি টুথপেস্ট প্রভৃতি এবং খাদ্য সামগ্রী, যেমন-টি কোলা, চা-এর আচার প্রভৃতি উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চা উৎপাদনের জন্য যে দুটি পাতা একটি কুঁড়ি আমরা নিচ্ছি তা ছাড়াও যে চা গাছটা থেকে যাচ্ছে তা বহুমুখীকরণে আমাদের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’

বাংলাদেশ চা বোর্ড চা ও চা জাত পণ্য বহুমুখীকরণের উপর কাজ করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে বর্তমানে মূল্য সংযোজিত বিভিন্ন ধরনের চা উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে। সাতকড়া চা, লেমন চা, মশলা চা, জিনজার চা, তুলসি চা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেমিক্যাল ফার্টিলাইজার ও পেস্টিসাইডস ব্যবহার না করে অর্গানিক পদ্ধতিতেও চা উৎপন্ন করা হচ্ছে। বিভিন্ন বাগানে সিটিসি ব্ল্যাক টি এর পাশাপাশি গ্রিন টি ও অর্থোডক্স টি তৈরি করা হচ্ছে। চায়ের মোড়কজাত ও বাজারজাতকরণে এসেছে নতুনত্ব।

বিভিন্ন কম্পানি আকর্ষণীয় মোড়ক, সিলিন্ডার ও টি ব্যাগে চা বাজারজাত করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব ভ্যালু এডেড চা উচ্চমূল্যে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। চা গাছের পোকা মাকড় দমনে নতুন নতুন উপায় উদ্ভাবন করাসহ ফ্লেভার্ড চা’এর বিষয়েও গবেষণা চলছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এতে করে চায়ের উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমনি এর গুণগত মান আরো উন্নত হবে, সেটাই আমাদের আশা।

প্রধানমন্ত্রী চা উৎপাদনের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত লাগার পাশাপাশি সেই বৃষ্টির পানি যেন বাগানে দাঁড়াতে না পারে তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হয় উল্লেখ করে ধানের বিভিন্ন প্রজাতির মত ক্ষরা সহিষ্ণু বা অল্পবৃষ্টি সহিষ্ণু চা উৎপাদনের দিকেও সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়ার আহ্বান জানান।

এবার দেশে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হওয়াকে চা বাগানের মালিকদের জন্য সুখবর উল্লেখ করে তিনি চা শ্রমিকদের কল্যাণে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেওয়ার জন্যও বাগান মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

মাটির রকম ভেদে চায়ের স্বাদ ভিন্ন হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আবার এক জায়গার চায়ের সঙ্গে আরেক জায়গার চা ব্লেন্ড করেও খাওয়া হয়। খুব কড়া চায়ের জন্য আসাম টি এবং সুগন্ধি চা হচ্ছে দার্জিলিং টি। শ্রীলংকায় হয় মসলা চা, সর্দি-কাশিতে এটি খুবই ভাল শরীরের জন্য। আসামের সঙ্গে দার্জিলিং চা মিক্স করে খেতে ব্যক্তিগতভাবে তিনি পছন্দ করেন বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে চা বাগান ও কারখানাগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাগানের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের ওপর নির্মম অত্যাচার করে। শ্রমিকদের বাড়িঘর ও চা কারখানা জ্বালিয়ে দেয়। অনেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। সে সময় অনেক চা বাগানের বিদেশি মালিকগণ এ দেশ ছেড়ে চলে যান। ফলে অনেকগুলো চা বাগানই পরিত্যক্ত হয়ে যায়। এই অবস্থায় জাতির পিতা ক্ষতিগ্রস্ত চা বাগানগুলো পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে চা উৎপাদনকারীদের ভর্তুকি প্রদানসহ স্বল্পমূল্যে সার সরবরাহের ব্যবস্থা করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত চা বাগানগুলো পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে জাতির পিতার উদ্যোগ সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি (জাতির পিতা) ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভলপমেন্ট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া’ থেকে ৩০ লাখ রুপি ঋণ নিয়ে চা শিল্পের যন্ত্রপাতি আমদানি করেন এবং সেগুলো চা বাগানগুলোকে প্রদান করে সহজ শর্তে মূল্য পরিশোধ করার সুযোগ দেন।

চা বাগানের শ্রমিকদের বঙ্গবন্ধু নাগরিকত্ব ও ভোটের অধিকার প্রদান করেন উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, বঙ্গবন্ধু চা বাগানের মালিকদেরকেও ১০০ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকানা সংরক্ষণের অনুমতি প্রদান করেন।

জাতির পিতার যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে চা হয়ে ওঠে বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্য, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জাতির পিতার আর্দশ অনুসরণ করে দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। 

২০০১ সালে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে পুনরায় চা শিল্পের উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ করি। আমরা ‘চা আইন ২০১৬’ প্রণয়ন করেছি।’

চা শিল্পের উন্নয়নে তাঁর সরকার ২০১৬ সালে ‘উন্নয়নের পথনকশা :

বাংলাদেশ চা শিল্প’ শিরোনামে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে দেশে বর্তমানে চায়ের উৎপাদন প্রায় ৮ কোটি ৫০ লাখ কেজিতে দাঁড়িয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে মধ্যম মেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২৫ সালে দেশে চায়ের মোট উৎপাদন দাঁড়াবে প্রায় ১৪ কোটি কেজি।

ঢাকার মতিঝিলে চা বোর্ডের নিজস্ব জায়গায় ৩০ তলা ‘বঙ্গবন্ধু চা ভবন’ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তাঁর সরকার, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, চা বাগানের শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে বাগানগুলোতে পর্যাপ্ত স্কুল ও হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। চা বাগানে কর্মরত গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং অন্যান্য নারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যথাসম্ভব দ্রুততার সঙ্গে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য বাংলাদেশ চা বোর্ডকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে তাঁর সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এ সময় তাঁর সরকারের শাসনে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের খণ্ড চিত্র তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে জনগণের মাথাপিছু আয় ১,৬১০ মার্কিন ডলার। মানুষের জীবনযাত্রার মানের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। চায়ের অব্যাহত চাহিদা মেটাতে আমরা ‘ক্ষুদ্র চা চাষ প্রকল্পে’ উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছি। এর ফলে দেশের উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারি, দিনাজপুর, লালমনিরহাট এবং পার্বত্য অঞ্চলের বান্দরবান জেলায় ক্ষুদ্র চা চাষ প্রকল্প ব্যাপক বিস্তার ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী পর্ব শেষে প্রদর্শনীর বিভিন্ন স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বাণিজ্য সচিব শুভাশিষ বোস এবং চা-বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশীয় চা সংসদের চেয়ারম্যান আর্দাশিল কবির।

সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ চা বোর্ড (বিটিবি) যৌথভাবে বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। দেশ-বিদেশের চা প্রেমীদের কাছে চায়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে এই প্রদর্শনীতে।

 

খালেদা জিয়াকে নতুন করে কোনও মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে না: আইনমন্ত্রী
                                  
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কোনও মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়নি। নতুন করে কোনও মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হবেও না।

শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সাংবাদিকরা এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি সেখানে যুবলীগের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির আনন্দ র‌্যালিতে অংশ নেন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক মন্তব্য করেছেন মামলার সার্টিফায়েড কপির বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা যা বলেছেন— তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমি যতটুকু শুনেছি বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) তারা জজ সাহেবকে জিম্মি করে রায়ের কপির বিষয়ে কথা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

রায়ের কপি সম্পর্কে  মন্ত্রী বলেন, রায়ের কপি ৬শ’ ৩২পৃষ্ঠা। এটা যুক্তি সঙ্গতভাবে টাইপ হতে যত দিন সময় লাগে, তত দিন উনারা (আদালত) সময় নেবেন। এর চেয়ে এক মিনিট বেশি রাখার জন্য সরকারের কোনও ইচ্ছা নেই। এ ব্যপারে সরকার কোনও নাক গলাবে না।

পরে মন্ত্রী আখাউড়ায় দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রয়াত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুল হকের মরদেহ দেখতে তার হীরাপুরে গ্রামের বাড়িতে যান। এসময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন।

 
 
 
বাংলাদেশে ঢুকলো আরও ২৮৩ রোহিঙ্গা
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি: জারের টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ দিয়ে গত দু’দিনে আরও ৫৯ পরিবারের ২৮৩ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে। টেকনাফ সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ নাফ নদ ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বুধবার ৪৪ পরিবারের ২১৩ জন ও বৃহস্পতিবারে ১৫ পরিবারের ৭০ রোহিঙ্গা নতুন করে প্রবেশ করেছে।

 

গত ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ থামানো যাচ্ছে না। প্রতিদিন টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে রোহিঙ্গারা।

 

টেকনাফের সাবরাং হারিয়াখালীর সেনাবাহিনী ত্রাণকেন্দ্রে দায়িত্বরত জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, কোনোভাবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ থামছে না। কোনো না কোনো সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন রোহিঙ্গা ঢুকছে বাংলাদেশে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৫৯ পরিবারে ২৮৩ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। প্রথমে তাদেরকে সাবরাং হারিয়া সেনাবাহিনীর হারিয়াখালী ত্রাণকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। এরপর চাল, ডাল, সুজি, চিনি, তেল ও লবণ দিয়ে গাড়িতে করে টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরে পাঠানো হয়েছে।

 

এদিকে গত বছরের ২৫ আগস্টের পর থেকে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসতে সহযোগিতা, এদেশে আশ্রয়, আনায়নে ব্যবহৃত নৌকা ও রোহিঙ্গা দালালসহ প্রায় সাত শতাধিক জনকে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে। আদায় করেছে জরিমানাও। এরপরও রোহিঙ্গাদের এদেশে আসতে সহযোগিতা করছে কিছু অসাধু লোকজন।

রূপার নৌকা ফিরিয়ে দিলেন সেতুমন্ত্রী
                                  

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গিয়েছিলেন ঢাকার ধামরাই উপজেলায়। ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ধামরাইয়ের চৌহাটে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের সঙ্গে সংযোগ রক্ষাকারী বংশী নদীর ওপর নির্মিত সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি। 

উদ্বোধন শেষে মঞ্চে বসেছেন কাদের, এমন সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল মালেকের নির্দেশনায় মাইকে ঘোষণা এলো, এখন রূপার তৈরি নৌকা মন্ত্রীকে তুলে দেবেন...,  ঘোষণা শেষ না হতেই থামিয়ে দিলেন ওবায়দুল কাদের। 

বিরক্তি নিয়েই কাদের বললেন, থামেন। এটা আমি নেবো না। জানেন না, আমি এগুলো নিই না। তারপরও কেন দিতে চান?

কথা যেন শুনতে পাননি এমপি মালেক। থামলেন না তিনি। পীড়াপীড়ি শুরু করলেন। কিন্তু কিছুতেই রাজি করানো গেলো না ওবায়দুল কাদেরকে।

শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত ভঙ্গিতে রূপার নৌকাকে পেছনে ঠেলে দিলেন এমপি মালেক। তবে কিছুক্ষণ পরে ‘ফুলের তৈরি নৌকা’ নিয়ে মন্ত্রীকে উপহার দিলে তা সাদরে গ্রহণ করেন ওবায়দুল কাদের। 

 

ইন্টারনেট প্রশ্ন ফাঁস করে না, করে মানুষ : মোস্তাফা জব্বার
                                  

দেশের পরীক্ষা নেয়ার ‘প্রাচীন’ পদ্ধতি ডিজিটাল যুগে ‘অচল’ হয়ে যাবে- এমন মন্তব্য করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘মানুষের ধারণা ইন্টারনেট প্রশ্ন ফাঁস করে। কিন্তু ইন্টারনেট প্রশ্ন ফাঁস করে না, করে মানুষ।’

বুধবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান। ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা- ২০১৮’ উপলক্ষে ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম, ডাটাকার্ড প্রকাশ ও জাতীয় পরিচয়পত্র পরিবহনের জন্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ডাক বিভাগের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের (এমওইউ) জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রতিদিনই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফাঁসকারীদের ধরা কি সম্ভব- এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁস কেমন করে হয় এবং এগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিষয়। শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারবেন। আমাদের দিক থেকে যে বিষয়টি স্পষ্ট করা দরকার তা হলো, প্রচলিত যে পদ্ধতিতে আমরা পরীক্ষা গ্রহণ করি, প্রশ্ন যেভাবে প্রস্তুত করি, প্রশ্ন প্রস্তুত করা থেকে পরীক্ষার্থী পর্যন্ত যেভাবে পৌঁছায়; প্রক্রিয়াটি এমন যে এতসব মানুষ এত স্তরে যুক্ত আছেন, এটি যে কারো জন্যই একটি চ্যালেঞ্জ। পুরো প্রক্রিয়াটির মধ্যে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার বিধান করা। এটা সত্যি সত্যি দুরুহ একটি কাজ।’

 

কাল ফের আলোচনা : রোহিঙ্গাদের ফেরাতে জোর দেবে বাংলাদেশ
                                  

বাংলাদেশের আহ্বানে মিয়ানমারের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আসছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। তাদের সঙ্গে বৈঠকে নৃশংস নির্যাতনের মুখে দেশটির রাখাইন রাজ্য থেকে কক্সবাজারে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে শক্ত অবস্থান জানান দেবে বাংলাদেশ।

নৌ ও সমুদ্রসীমার নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার আগারগাঁওয়ে কোস্টগার্ড সদর দফতরে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের আহ্বানে এর আগে বাংলাদেশ থেকে আমরা গিয়েছিলাম। সেবার রোহিঙ্গা ইস্যুতে জোরালো বক্তব্য রাখে বাংলাদেশ। এবার বাংলাদেশের আহ্বানে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল আসছে। মূলত রোহিঙ্গা নির্যাতন ও অনুপ্রবেশ বন্ধ এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে কথাবার্তা হবে।

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক চাপের বিষয়টি গৌণ পর্যায়ে গেছে কিনা- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গৌণ নয়। বিষয়টির ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। চাপ আছে বলে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসছে। এবারও আমরা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে কথাবার্তা বলব এবং আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখব।

রোহিঙ্গাদের আসা কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আগে হাজারে হাজারে আসতো। এখন তা হচ্ছে না। অনেকটা কমেছে। রোহিঙ্গাদের আসার সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসা হবে।

প্রসঙ্গত, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যৌথ কার্যকরী গ্রুপের (জেডাব্লিউজি) বৈঠক ১৫ জানুয়ারি মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের খুঁটিনাটি বিষয় দেখভালের জন্য ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট চুক্তি সই হয়। রোহিঙ্গারা কোন সীমান্ত দিয়ে ফেরত যাবে, যাওয়ার আগে বাংলাদেশের কোন অস্থায়ী ক্যাম্পে অবস্থান করবে, মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার পরে কোথায় থাকবে ইত্যাদি বিষয়গুলো ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এর আগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের মাধ্যমে গত ১৯ ডিসেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে জেডাব্লিউজি গঠন করা হয়। জেডাব্লিউজি’র টার্মস অব রেফারেন্সের (কার্যপদ্ধতি) সম্মতিপত্রও সই হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২৩ জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে জেডাব্লিউজি প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে বলে ওই সময় জানানো হয়।

গত ২৩ নভেম্বর মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী জেডাব্লিউজি বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন, রাখাইন রাজ্যে পুনর্বাসন এবং মিয়ানমার সমাজে পুনঃএকত্রিকরণের পদক্ষেপ নেবে।

জেডাব্লিউজি সার্বিক প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করবে এবং নিজ নিজ দেশের সরকারকে তিন মাস অন্তর মূল্যায়ন প্রতিবেদন দেবে। প্রত্যাবাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে জাতিসঙ্ঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এবং আগ্রহী আন্তর্জাতিক অংশীদারদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

গত ২৫ আগস্টের পর আসা সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা এবং ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবরের পরে আসা ৮৭ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের জন্য বিবেচনায় নেয়া হবে। এর আগে থেকে বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করে আসছেন।

প্রশ্ন ফাঁসের হোতারা ধরা না পড়ার কারণ জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা কাজ করছে, কয়েকজন ধরা পড়েছে। আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সহযোগিতা করছি। আশা করছি খুব দ্রুত হোতারা ধরা পড়বে।

 

‘খালেদা জিয়াকে পুরাতন ভবনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখা হয়েছে’- বিএনপির এমন দাবি সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) নতুন ভবনেই আছেন। তাকে পুরাতন কারাগারের ভেতরে ডে-কেয়ার সেন্টারে রাখা হয়েছে। সেটি নতুন ও স্বাস্থ্যসম্মত। কারাবিধি অনুযায়ী তিনি যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবার কথা তা তাকে দেয়া হচ্ছে। সহসা খালেদা জিয়াকে অন্য কারাগারে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেই।’

এর আগে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ২৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পদকে ভূষিতদের পদকপ্রদান ও প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন। এছাড়া বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক অতিথিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
                                  

দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূর করতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগে উন্নয়ন সহযোগীদের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যাগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট (ইফাদ)-এর ৪১তম পরিচালনা পরিষদের সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে মূল বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ একটি প্রধান বিবেচ্য বিষয় এবং বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা ছাড়া এটি অর্জন করা যাবে না। দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূরীকরণে উন্নয়ন সহযোগীদের আরও উদার হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইফাদ-এর সহায়তার ও সহযোগিতার মডেলটি জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থা থেকে অনেক ভিন্ন। ইফাদ-এর এই মডেলটি মানবতায় এখনকার মতে অনাগত দিনগুলোতেও কাজ করে যাবে। দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা স্থাপন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন অর্জন করা যাবে না। গ্রামীণ সামাজিক ও জলবায়ুগত স্থিতিশীলতার উন্নয়নে একটি ব্যাপকভিত্তিক টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতি প্রয়োজন।

শেখ হাসিনা টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতি তৈরিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদীভাবে স্থিতিশীলতা আনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রায় এক দশক ধরে সুশাসন থাকায় বাংলাদেশ ভাগ্যবান। আমরা সতর্কতার সাথে চার বছরের আর্থসামাজিক প্রবৃদ্ধি হিসেব করে আমাদের কৌশল নির্ধারণ করেছি এবং গত ৯ বছর ধরে এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের জনসংখ্যা ৯ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে এবং এর অর্ধেক হবে মধ্যবিত্ত। এর ফলে বিশ্বের আবাদী জমি, বনভূমি এবং পানির ওপর প্রচন্ড চাপ পড়বে। সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধিতে অনেক দেশের আবাদী জমি ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে এবং ‘সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ছাড়াই আমরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবো।’

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা কিভাবে এ ধরনের বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবেলা করব? আমি আপনাদের আমার দেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে কৃষি প্রবৃদ্ধির কথা তুলে ধরব, যা আমরা বৈশ্বিক পর্যায়ে মানব উন্নয়নের জন্য অন্যান্য দেশ গ্রহণ করতে পারে অথবা আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সঙ্কট মোকাবেলায় বাংলাদেশিরা আস্থার সঙ্গে শক্তভাবে লড়াই করে সমস্যার সমাধান এবং সঙ্কট কাটিয়ে ওঠতে বিকল্প উপায় গ্রহণের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করে। বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং চলতি বছর অসময়ে বার বার বন্যার কারণে অপ্রত্যাশিতভাবে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘আপনারা নোট রাখতে পারেন যে, আমরা খাদ্য উৎপাদন ১৯৭১ সালের ১১ মিলিয়ন টন থেকে ২০১৭ সালে ৩৯ মিলিয়ন টনে উন্নীত করেছি। যদিও এ সময় এক-তৃতীয়াংশ আবাদী জমি হারিয়েছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, গ্রামাঞ্চলে কাউকে পিছনে ফেলে রাখা যাবে না -এ চ্যালেঞ্জই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের জনসংখ্যার প্রায় ৭২ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে এবং ৪৩ শতাংশ কৃষি খাতে শ্রমজীবী হিসেবে কাজ করে, যারা দেশের জিডিপিতে ১৫ শতাংশ অবদান রাখছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে অন্যান্য চরম চ্যালেঞ্জেরও মুখোমুখি হতে হচ্ছে। কারণ, ২০৮০ সালের মধ্যে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা মাত্র ৬৫ সে.মি. বাড়লেই বাংলাদেশকে তার ৪০ শতাংশ উৎপাদনশীল ভূমি হারাতে হবে।

 

আমাদের ছেলে মেয়েদের বিদেশে যেতে হবে না : গওহর রিজভী
                                  

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. গওহর রিজভী বলেন, স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশের দারিদ্র্যতার হার ছিল ৮০% আর এখন আমরা ২১% এ এসে গেছি। আমার বিশ্বাস আগামী তিন বছরের মধ্যে দারিদ্র্যের হার আমরা ১০% এর নিচে নিয়ে আসবো।

মঙ্গলবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুল বড় মাঠে তিন দিনব্যাপী বই মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রফেসর ড. গওহর রিজভী দেশের উন্নয়নের জন্য আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমি আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি এ সরকার আবার ক্ষমতায় থাকলে আমাদের দেশের চেহারা বদলে যাবে। আমাদের ছেলে মেয়েদের বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। এ দেশেই তাদের জন্য সুযোগ হবে এবং বাবা মায়েদের সঙ্গে থেকে কাজ করতে পারবে।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়ালের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এমপি রমেশ চন্দ্র সেন, ৩ আসনের এমপি ইয়াসিন আলী, সংরক্ষিত আসনের এমপি সেলিনা জাহান লিটা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মু. সাদেক কুরাইশী, পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ প্রমুখ।

পরে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. গওহর রিজভী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে খাস জমির কাগজ বিতরণ, একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে এক লাখ টাকার চেক প্রদান, ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন ক্লাবে অনুদান প্রদান, বীরাঙ্গনা মাতা টেপরি রাণীর জন্য নির্মিত নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর, নতুন বইয়ের মোড়ক উম্মোচন ও বেলুন উড়িয়ে বই মেলার উদ্বোধন করেন।

 

সংসদের সাংবাদিক লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি
                                  

জাতীয় সংসদের সাংবাদিক লাউঞ্জে গিয়ে আবার আড্ডায় মেতে ওঠলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময় তিনি তার স্বভাবসুলভ ছন্দে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মেতে ওঠেন হাস্যরসে।

মঙ্গলবার সংসদের বৈঠকের মাগরিবের নামাজের বিরতির কিছু আগে সরাসরি সাংবাদিক লাউঞ্জে যান তিনি। এ সময় রাষ্ট্রপতি সংসদ বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের খোঁজ-খবর নেন। প্রায় মিনিট বিশেক সময় কাটান সাংবাদিকদের সঙ্গে। নিজের ব্যক্তি জীবনের কথাও তুলে ধরেন। দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হওয়ায় সাংবাদিকরা তাকে অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকের জন্য একটি মধ্যাহ্নভোজের আমন্ত্রণের কথা জানান। শিগগিরই এর দিনক্ষণ জানাবেন বলেও জানান। এ নিয়েও হাস্যরসে মেতে ওঠেন রাষ্ট্রপতি। বললেন, মিষ্টি নয়, ফুল পেট খাওয়াবো।

 

জানান আত্মজীবনী লিখছেন তিনি। বলেন, সময় পাওয়া যায় না। যতটুক পাই লিখি। তবে আত্মজীবনী লেখে শেষ করবো, এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি বলেন, ভেবেছিলাম ২৩ ফেব্রুয়ারির পরে মুক্ত জীবন ফিরে পাব, কিন্তু সেটা তো আর হলো না।

সুযোগ পেলেই পুরনো ঠিকানা জাতীয় সংসদে আসেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। সাতবারের সংসদ সদস্য, দুইবারের স্পিকার, একবারের ডেপুটি স্পিকার ও বিরোধী দলের উপনেতার দায়িত্ব পালন করা সংসদ অন্তঃপ্রাণ মানুষটিকে সংসদই টানে বার বার। সময় ও সুযোগ পেলেই সংসদে যেমন আসেন, তেমনি আসেন সংসদে তার সঙ্গে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে। মঙ্গলবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। আর এসেই স্বভাবসুলভ আড্ডার আমেজে জানালেন দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরের মধুর আক্ষেপটিও। বললেন, ভেবেছিলাম ২৩ এপ্রিলের পর আবার মুক্তজীবন ফিরে যাবো। কিন্তু সেটা তো আর হলো না।

সংসদের আসার আগে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশনে দেয়া তার বক্তব্য নিয়েও গল্প করেন। বিভিন্ন কনভোকেশনে দেয়া বক্তব্য নিয়ে হাস্যরসের বিষয়ে বলেন, আমি মেইন ডিশের সঙ্গে একটু চাটনি দেই আর কী?

 

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ প্রশ্নফাঁসের সমাধান নয় : জাফর ইকবাল
                                  

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ বা পরীক্ষার আগে ইন্টারনেট বন্ধ রাখা কোনটাই সঠিক সমাধান নয় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষাবিদ, লেখক ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের মূল কারণ উদঘাটন করে এর সমাধান করাটাই সব চেয়ে বেশি প্রয়োজন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সিলেটের মিরের ময়দানে আঞ্চলিক বেতার ভবনে বিশ্ব বেতার দিবস অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ প্রবীণ শিক্ষক বলেন, ইন্টারনেট বন্ধের কথা না ভেবে প্রয়োজনে বিজি প্রেসে প্রশ্ন না ছাপিয়ে বিকল্প উপায়ে প্রশ্ন ছাপানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

জাফর ইকবাল বলেন, এভাবে প্রশ্নফাঁস চলতে থাকলে এদেশে শিক্ষার কোনো গুরুত্ব থাকবে না। সরকারকে এগুলো বন্ধ করতে হবে। প্রশ্নফাঁস নিয়ে আমি শহীদ মিনারে বৃষ্টিতে ভিজে আন্দোলন করেছি, তখন প্রশ্নফাঁসের কথা স্বীকারও করা হয়নি। এখন স্বীকার করা হচ্ছে। কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

তিনি অারও বলেন, কিভাবে প্রশ্নফাঁস রোধ করা যায় সে বিষয়ে ভাবতে হবে। দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের শাস্তি দিতে হবে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষার প্রতিটি বিষয়েই পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্ন এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। পরীক্ষা শুরুর ২৪ মিনিট থেকে দেড় ঘণ্টা আগে প্রশ্নগুলো আপ করা হয় ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন সামাজিকমাধ্যমে।

যারা সামাজিকমাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস করেছে, তারা রীতিমতো মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়ে আসছে। এমনকি তাদেরকে কিছু করা যাবে না বলেও সামাজিক মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ দিয়ে আসছে।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কমিটি গঠনের পাশাপাশি প্রশ্নফাঁসকারীদের ধরতে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পরীক্ষার্থী, ব্যাংকার, অভিভাবকসহ গ্রেফতার হয়েছেন শতাধিক।

পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস রোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বাধা দিতে পরীক্ষা শুরুর সময় আড়াই ঘণ্টা ইন্টারনেট বন্ধ রাখার উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। তবে তা পরে বাতিল করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁস বন্ধে পর্যায়ক্রমে এমসিকিউ তুলে দেয়ার কথা ভাবছেন তারা।

 

বিচারপতি ‘সঙ্কট’ কাটাতে চলতি মাসেই নিয়োগ
                                  

সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে শিগগিরই বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। চলতি মাসে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে এবং এ মাসে শেষ না হলে তা আগামী মাসে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এমন তথ্য জানিয়েছে।

২ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। তার নিয়োগের পরই আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারক বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞা পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগের পর এখন আপিল বিভাগে বিচারকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারজন। হাইকোর্ট বিভাগে বর্তমানে বিচারপতির সংখ্যা ৮০।

সাংবিধানিক মামলাসহ আপিল বিভাগে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মামলার সংখ্যা ১৬ হাজার ৫৬৫টি। শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চার লাখ ৭৬ হাজার ৭৫০টি মামলা রয়েছে। এসব মামলা নিষ্পত্তিতে বিচারক নিয়োগের কোনো বিকল্প নেই বলে জানান আইনজীবীরা।

তারা জানান, আপিল বিভাগে যে সংখ্যক মামলা রয়েছে দ্রুত তা নিষ্পত্তিতে বিচারক নিয়োগ প্রয়োজন। চারজন বিচারক দিয়ে আপিল বিভাগের দুটি বেঞ্চ গঠন করা সম্ভব নয়। দুটি বেঞ্চ গঠন করতে আরো বিচারপতি নিয়োগ দিতে হবে। আরো দুটি বেঞ্চ গঠন হলে মামলা নিষ্পত্তিতে গতি পাবে।

হাইকোর্ট বিভাগের দ্বৈত ও একক মিলিয়ে ৪৯টি বেঞ্চে বিচারিক কাজ পরিচালনার ব্যবস্থা রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইটে এমনটি উল্লেখ আছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৪ সালে হাইকোর্ট বিভাগে ১০৫ জন বিচারপতি ছিলেন। অবসর, মৃত্যুবরণ, অসুস্থ ও কয়েক বছর ধরে বিচারক নিয়োগ বন্ধ থাকায় সর্বোচ্চ আদালতে এখন বিচারক সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ২০১৭ সালে এসে বিচারক সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৮২ জনে।

চলতি বছর জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে অবসরে গেছেন হাইকোর্ট বিভাগের আরো দুই বিচারপতি। বর্তমানে ৮০ জন বিচারপতি দিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ মামলা পরিচালনা করছেন সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ।

সিনিয়র আইনজীবীরা মনে করেন, দ্রুত বিচারপতি নিয়োগ না দিলে উচ্চ আদালতে মামলাজট আরো তীব্র হবে। ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন বিচারপ্রার্থীরা।

সম্প্রতি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আশ্বস্ত করেছেন যে, শিগগিরই বিচারক নিয়োগ দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক সঙ্কট দূর হবে।

তিনি বলেন, `বিচারক নিয়োগের জন্য আইন তৈরি হবে। নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। বিচারপতি নিয়োগের জন্য অচিরে আইন তৈরি করে এর সমাধান হবে।`

এর আগে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতির সঙ্কট দূর করতে ২০১৬ সালের মাঝামাঝি আটজন বিচারপতি নিয়োগের সুপারিশ করেছিল কর্তৃপক্ষ, যদিও তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

আপিল বিভাগে ১১ জন বিচারপতি থাকার কথা থাকলেও এখন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ আছেন মাত্র চারজন। এর আগে আপিল বিভাগে মোট বিচারপতি ছিলেন নয়জন। গেল বছর ১ জানুয়ারি বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। বাকি আটজনের মধ্যে বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা ২০১৭ সালের ৭ জুলাই এবং বিচারপতি মো. নিজামুল হক ১৪ মার্চ অবসরে যান। সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা অবসরের আগেই পদত্যাগ করেন। সর্বশেষ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহ্হাব মিঞাও পদত্যাগ করেন।

গেল বছর হাইকোর্ট বিভাগে মোট বিচারপতি ছিলেন ৮২ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বিচারপতি মো. ফজলুল রহমান ও বিচারপতি এম. মোয়াজ্জাম হোসেন অবসরে যান। ফলে হাইকোর্টে এখন বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০ জন।

বিচারক নিয়োগের বিষয়ে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, যেভাবে মামলার সংখ্যা বাড়ছে তাতে জট কমানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে বিচারক নিয়োগ দেয়া দরকার। আপিল বিভাগে যেখানে ১১ জন বিচারক থাকার বিধান রয়েছে সেখানে আছেন মাত্র চারজন। হাইকোর্টেও অতিরিক্ত ২০-২৪ জন বিচারক দরকার।

`তাই আশা করছি সহসাই উভয় বিভাগে বিচারক নিয়োগ দেয়া হবে। আইনমন্ত্রী বলেছেন, শিগগিরই বিচারক নিয়োগ দেবেন। আমরাও এমনটি আশা করছি।`

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ বলেন, সঙ্কট রয়েছে, তা দূর করার জন্য সরকারও রয়েছে। বিচারক নিয়োগ দিলেই সঙ্কট কেটে যাবে।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজ উদ্দিন ফকির বলেন, `বিচারপতি সঙ্কট- এমনটি বলবো না। কোয়ান্টিটি দিয়ে হয় না, কোয়ালিটির দরকার। বিচারপতি নিয়োগের সংখ্যা যতই হোক কোয়ালিটি নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য ভালোভাবে স্ক্যানিং প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গুরুত্বসহকারে বিষয়টি দেখবেন- এমন প্রত্যাশা রইলো।`

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে বিচারক নিয়োগের বিষয়ে বলা হয়েছিল, আমেরিকায় ১০ লাখ মানুষের জন্য ১০৭ জন, কানাডায় ৭৫ জন, ইংল্যান্ডে ৫১ জন, অস্ট্রেলিয়ায় ৪১ জন, ভারতে ১৮ জন বিচারক রয়েছেন। অথচ বাংলাদেশে ১০ লাখ মানুষের জন্য মাত্র ১০ জন বিচারক। জনসংখ্যা এবং মামলার সংখ্যা অনুপাতে বিচারক নিয়োগ প্রদান এখন সময়ের দাবি।

 

 
খালেদা জিয়ার কারামুক্তিতে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না : ওবায়দুল কাদের
                                  

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির বিষয়য়ে সরকার কোন হস্তক্ষেপ করবে না, এটি এখন সম্পূর্ণ আদালতের বিষয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আপিলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন আদালত। এ বিষয়ে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল রেডিসনের বিপরীত দিকে এয়ারপোর্ট রোডে, বিআরটিএর নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণ সাড়া না দিলে গণআন্দোলন হবে না। বিএনপির ডাকে বিগত নয় বছর সাড়া দেয়নি জনগণ। নেতারা যদি আন্দোলনের ডাক দিয়ে ঘরে বসে থাকেন, তাহলে আন্দোলন কীভাবে সম্ভব?

মন্ত্রী বলেন, আন্দোলন কখনও সফল হবে না যদি জনগণের সমর্থন না থাকে। খালেদা জিয়ার জন্য মানুষ রাস্তায় নামেনি। মানুষ কী এখন বিএনপির জন্য রাস্তায় নামবে? মানুষ এখন আর আন্দোলের মুডে নয়, নিবার্চনের মুডে আছে।

তিনি বলেন, তারা একবার বলছে যে কোনো পরিস্থিতিতে নিবার্চনে যাবে, আবার বলছে খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। তারা আসলে কোনটা চায়?

কাদের বলেন, খালেদা জিয়ার আপিলের সুযোগ আছে। জামিন দেবে কিনা, সে সিদ্ধান্ত নেবেন আদালত। ওনার কারাবাস প্রলম্বিত হবে কিনা তা আদালতই ভাল জানেন, সরকার হস্তক্ষেপ করবে না।

তিনি বলেন, আমরা চাই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন। সে জন্য বিএনপির মতো বড় দলের নির্বাচনে থাকাটা দরকার।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ চায় না বিএনপি ভেঙে যাক, সে চেষ্টাও করবো না। বিএনপি ভাঙলে তার জন্য তারা নিজেরাই দায়ী হবে। আমরা বিএনপির সংকট ঘনীভূত করবো না। তাদের সংকট বাড়াতে তারেক রহমানই যথেষ্ট।

 
 
 

   Page 1 of 5
     জাতীয়
একুশের চেতনা অনুপ্রেরণার উৎস : রাষ্ট্রপতি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সজাগ থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
খালেদা নির্বাচনে থাকবেন : সিইসির আশা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ অঞ্চলে চাষকে উৎসাহিত করেছিলেন : প্রধানমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
খালেদা জিয়াকে নতুন করে কোনও মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে না: আইনমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বাংলাদেশে ঢুকলো আরও ২৮৩ রোহিঙ্গা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রূপার নৌকা ফিরিয়ে দিলেন সেতুমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ইন্টারনেট প্রশ্ন ফাঁস করে না, করে মানুষ : মোস্তাফা জব্বার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
কাল ফের আলোচনা : রোহিঙ্গাদের ফেরাতে জোর দেবে বাংলাদেশ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আমাদের ছেলে মেয়েদের বিদেশে যেতে হবে না : গওহর রিজভী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সংসদের সাংবাদিক লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ প্রশ্নফাঁসের সমাধান নয় : জাফর ইকবাল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিচারপতি ‘সঙ্কট’ কাটাতে চলতি মাসেই নিয়োগ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
খালেদা জিয়ার কারামুক্তিতে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না : ওবায়দুল কাদের
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আর কোনো মামলায় খালেদাকে গ্রেফতার দেখানো হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রকাশ করবে সরকার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
কর্মক্ষেত্রে ‘ড্রেস কোড’ চান সিভিল সার্ভিসের নারী কর্মকর্তারা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ইতালি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
দ্বৈত ভোটারদের বিরুদ্ধে ইসির মামলার নির্দেশ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
জাতীয় অন্ধ সংস্থার মহাসচিব হত্যায় দুই জনের মৃত্যুদণ্ড
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
সরকার ভীত নয় : আইনমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ইতালির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
১০ হাজার কনস্টেবল নেবে বাংলাদেশ পুলিশ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
৩২ ধারা বাতিল না হলে কঠোর অান্দোলনের হুশিয়ারী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিচারকরা স্বাধীনভাবে কাজ করছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রাজাকার আলবদর ও মানবতাবিরোধীদের তালিকা প্রকাশের উদ্যোগ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
খালেদা জিয়া এখন কোথায়:প্রধানমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
এ রায়ে আওয়ামী লীগের সন্তুষ্ট বা অসন্তুষ্ট হওয়ার বিষয় নয় :হাছান মাহমুদ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলেই ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
শেখ হাসিনা সেনানিবাসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
তোমরা কইতে পারো এ বুইড়া, তাড়াতাড়ি মর : রাষ্ট্রপতি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ভীত হবেন না স্বাভাবিক থাকুন : আইজিপি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
‌খালেদার কী হবে তা কোর্টই জানেন, আমরা বলতে পারি না :
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
মাঠে নেমেছে বিজিবিও
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতে অনিয়ম রোধে সরকার ব্যর্থ : টিআইবি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিদেশেও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে সেনাবাহিনী : প্রধানমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
রায়কে কেন্দ্র করে রাজধানীতে প্রবেশে কড়াকড়ি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
প্রধানমন্ত্রী ইতালি যাচ্ছেন রোববার
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আবদুল হামিদ দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিচারকদের অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
পর্যটনকে অর্থ‌নৈ‌তিক খাত বি‌বেচনা করা হ‌য়ে‌ছে : প্রধানমন্ত্রী
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
আমিও এক সময় সাংবাদিক ছিলাম: প্রধান বিচারপতি
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফের রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মো. আবদুল হামিদ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ভিআইপি-জরুরি সেবার গাড়ির আলাদা লেনের প্রস্তাব
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
ফের বনানী ফের জন্মদিন ফের ধর্ষণ
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
দুর্ঘটনায় আহতকে যে কোনো হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদানে রুল
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......
স্মৃতিসৌধে সুইস প্রেসিডেন্টের শ্রদ্ধা
............ ...... ....... ....... ............................. .......................... ... .... ......