শেয়ার করুন
Share Button
   ফিচার
  ৫১ শিক্ষার্থীর অনশনের মধ্যেই রাবির আইন বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা
  16, February, 2016, 11:13:55:AM
ডিসকলিজিয়েট হওয়া ৫১ শিক্ষার্থীর অনশনের মধ্যেই সোমবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্যদিকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগের দাবিতে গত রবিবার বেলা ১১টা থেকে বিভাগের সামনে অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুইজন অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি করা হয়েছে।
 
জানা যায়, নির্ধারিত পরিমাণ ক্লাসে উপস্থিতি না থাকায় প্রথমবর্ষ চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি বিভাগের ৫১ শিক্ষার্থী। তবে ভুল শিকার করে ক্ষমা চেয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার দাবিতে গত রবিবার বেলা ১১টা থেকে বিভাগের সামনে অনশন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। সোমবার সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে বলে জানা গেছে।
 
রাবি সূত্রে জানা যায়, চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ৭৫ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হয়। তবে ৬০ শতাংশ উপস্থিতি থাকলে ননকলিজিয়েট হিসেবে জরিমানা দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু অনশনরত শিক্ষার্থীদের ৫৫ শতাংশেরও কম সংখ্যক ক্লাসে উপস্থিতি রয়েছে বলে বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের ক্লাসে উপস্থিতি ৫ শতাংশেরও কম বলে জানা যায়।
 
এদিকে একই দাবি ও পরীক্ষার সময় পরিবর্তনের দাবিতে প্রথমবর্ষের ওই শিক্ষার্থীদের সাথে গত রবিবার বেলা ১১টায় বিভাগের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছে বিভাগটির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা। ওই সব শিক্ষার্থীরও ক্লাসে উপস্থিতির হার ৬০ শতাংশের নিচে বলে জানা গেছে। আগামী ১৫ মার্চ দ্বিতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরুর রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে।
 
অনশনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইতোপূর্বে আইন বিভাগের ক্লাস ৬০ শতাংশেরও অনেক কম উপস্থিতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। তবে নতুন বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পরই পূর্বঘোষণা ছাড়াই ক্লাসে ৫৫ শতাংশের কম উপস্থিতি আছে, এমন শিক্ষার্থীদের ডিসকলিজিয়েট করে তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ বাতিল করা হয়েছে। এতে ৫১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছে না।
 
এদিকে বিভাগের শিক্ষকরা দাবি করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন মেনেই আমরা চলছি। ক্লাসে উপস্থিত না থাকার কারণেই তারা ডিসকলিজিয়েট হয়েছেন। বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক আবু নাসের মো. ওয়াহিদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘যদি তারা আমি আসার পর থেকেও ক্লাস করতো তাহলে ডিসকলিজিয়েট হতো না। কিন্তু বারবার ক্লাসে উপস্থিত থাকার তাগিদ দেয়া হলেও অনশনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা তা উপেক্ষা করায় এমনটি হয়েছে।’
 


:        
   আপনার মতামত দিন