শেয়ার করুন
Share Button
   বিশেষ সংবাদ
  নেপালে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত
  19, March, 2018, 5:49:4:PM

নিজস্ব প্রতিবেদক : নেপালে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল ৫টা ২৩ মিনিটে আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মাহমুদুল হক।

এর আগে ২৩ জনের মরদেহের কফিন ১৯টি মরদেহবাহী ফ্রিজিং গাড়িতে করে বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়। বিকেল ৫টায় আর্মি স্টেডিয়ামে পৌঁছায়।

সোমবার বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে মরদেহগুলো নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি কার্গো বিমান। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১ নম্বর ভিভিআইপি টারমাকে অবতরণ করে লাশবাহী ৬১-২৬৪০ নম্বর বিমানটি।

মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তার সঙ্গে ছিলেন বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী শাহজাহান কামাল। জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতির পক্ষে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ওবায়দুল কাদের এবং স্পিকার শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

যাদের মরদেহ আনা হয়েছে- আঁখি মনি, বেগম নুরুন্নাহার, শারমিন আক্তার, নাজিয়া আফরিন, এফএইচ প্রিয়ক, উম্মে সালমা, বিলকিস আরা, আখতারা বেগম, মো. রকিবুল হাসান, মো. হাসান ইমাম, মিনহাজ বিন নাসির, তামারা প্রিয়ন্ময়ী, মো. মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহারা তানভীন শশী রেজা, অনিরুদ্ধ জামান, রফিক উজ জামান, পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশিদ, খাজা সাইফুল্লাহ, ফয়সাল, সানজিদা ও নুরুজ্জামান।

এখনও তিন বাংলাদেশির মরদেহ শনাক্ত হয়নি। তারা হলেন- নজরুল ইসলাম, পিয়াস রয় ও আলিফুজ্জামান। ডিএনএ পরীক্ষার পর তাদের মরদেহ শনাক্ত করা হবে বলে জানা গেছে। তাদের মরদেহ শনাক্তের পর দেশে আনা হবে।

বিমানবন্দর থেকে মরদেহের কফিনগুলো সরাসরি আর্মি স্টেডিয়ামে নেয়া হবে। নিহতদের দেশে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে আর্মি স্টেডিয়ামে। এর আগে নেপালে তাদের জানাজা হয়।

আইএসপিআর-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নূর ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর স্বজনদের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হবে।

গত ১২ মার্চ (সোমবার) ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস-২১১ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। ৬৭ যাত্রী ও চার ক্রুসহ দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিমানটি বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয়। এতে ৫১ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে। এর মধ্যে ২৬ বাংলাদেশি নিহত ও ১০ বাংলাদেশি আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নেপালের বিভিন্ন হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। এরপর আহত ছয় বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত আনা হয়। রোববার বিকেলে আহত শাহিন বেপারীকে দেশে ফিরেয়ে আনা হয়। এর আগে শেহরিন আহমেদ, কামরুন্নাহার স্বর্ণা, মেহেদী হাসান, আলমুন্নাহার অ্যানি ও রাশেদ রুবায়েত দেশে ফেরেন। তারা সবাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন।

বিমানটিতে মোট ৬৭ যাত্রীর মধ্যে বাংলাদেশি ৩২ জন, নেপালি ৩৩ জন, একজন মালদ্বীপের ও একজন চীনের নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে পুরুষ যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩৭, নারী ২৮ ও দুজন শিশু ছিল।



:        
   আপনার মতামত দিন
     বিশেষ সংবাদ
বড় দরপতনের পর বেড়েছে সূচক
................................................................
বাংলাদেশে বিএমডব্লিউর নতুন মডেলের গাড়ি
................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল
................................................................
সূচকের বড় পতন, লেনদেন অর্ধেকে
................................................................
আইসিএমএবি’র নতুন সভাপতি সেলিম, সচিব রহমান খান
................................................................
ব্যাংক খাত নিয়ে অস্বস্তিতে সরকার
................................................................
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে সিঙ্গাপুরও লাভবান হবে
................................................................
রিজার্ভ চুরি: মামলা হবে নিউইয়র্কে
................................................................
বাণিজ্য মেলায় সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা প্রাণ-আরএফএল-এর চার প্রতিষ্ঠান
................................................................
সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের জন্য সরকার দায়ী : অর্থমন্ত্রী
................................................................