শেয়ার করুন
Share Button
   জাতীয়
  নতুন বাংলাদেশ তৈরির লক্ষ্য শেখ হাসিনার
  12, January, 2018, 6:36:59:PM

আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ৯ বছরে এক বিস্ময়কর সাফল্য দেখিয়ে অনন্য ও ঈর্ষণীয় অবস্থান তৈরি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিচক্ষণতা ও নেতৃত্বের দৃঢ়তা দিয়ে এক নতুন বাংলাদেশ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছেন তিনি। তার হাত ধরে সফলতা এসেছে কূটনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নসহ সব ক্ষেত্রেই। বন্ধন তৈরি করেছেন বিশ্বব্যাপী। ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক ও উন্নয়ন অংশীদারিত্বে স্থাপিত হয়েছে মাইলস্টোন।

সরকারের ৯ বছরের উন্নয়ন ও অগ্রগতি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ৯ বছরে সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো কোনো স্থানে হয়তো ভুল ত্রুটি হতে পারে, তবে সার্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশ বিস্ময়কর সাফল্য দেখিয়েছে। সরকারের ধারাবাহিকতার কারণেই আমরা আগামী এপ্রিল নাগাদ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ১১-তে পৌঁছেছে। পরিকল্পনা করেছেন চট্টগ্রামকে দ্বিতীয় সিঙ্গাপুর বানানোর। বাস্তবায়ন হচ্ছে ১০০ ইকোনমিক জোন। অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে নজরকাড়া সাফল্য হিসেবে দেখা দিচ্ছে পদ্মাসেতু। পাশাপাশি চার লেন মহাসড়ক, উড়ালসড়ক এখন আর স্বপ্ন নয়, রীতিমতো বাস্তবতা। শেখ হাসিনার পরিকল্পনাতেই বাংলাদেশ এখন প্রায় সব ক্ষেত্রে ডিজিটাল। পাওয়া যাচ্ছে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎও। তার প্রযুক্তিবান্ধব কৃষিনীতির কারণেই বাংলাদেশ ইতিমধ্যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পর রফতানির সক্ষমতাও অর্জন করেছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন স্থিতিশীলতা। এখনকার মতো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দেশের নিকট অতীতে দেখা যায়নি। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রায় পুরোটাই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিয়ন্ত্রণে। তাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হচ্ছে সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি প্রায় একক সিদ্ধান্তে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন করেছেন। ঘরে-বাইরে সমালোচিত এ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠিত হলেও শেখ হাসিনার ক্ষমতা ও সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেননি কেউ। বরং তার রাজনৈতিক বিচক্ষণতার কাছে রীতিমতো পর্যুদস্ত হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ।

যুদ্ধাপরাধের বিচার ইস্যুতে জামায়াত দেশব্যাপী ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েও শেখ হাসিনার দৃঢ়তায় ফাটল ধরাতে পারেনি। পরাক্রমশালী যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের চাপ-কৌশলের বিপরীতে বিশ্বরাজনীতির দ্বিতীয় ধারার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততাও শেখ হাসিনার অনন্য রাজনৈতিক কৌশল। সব মিলিয়ে রাজনীতির মাঠে শেখ হাসিনা আছেন চালকের আসনে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম চাল উৎপাদনকারী দেশ। ফলের ফলনও ঈর্ষণীয়। ছাগল উৎপাদনে চতুর্থ, আম উৎপাদনে সপ্তম এবং পেয়ারা উৎপাদনে দেশ অষ্টম স্থানে। মাছ উৎপাদনেও চতুর্থ অবস্থান। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রফতানিকারক দেশের দাবিও রাখে বাংলাদেশ। দেশি-বিদেশি অনেক অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ, বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অভিমতেও আমাদের অর্জনের বিস্তর স্বীকৃতি রয়েছে।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে সরকার দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। এ সময়ে মাথাপিছু জাতীয় আয় পূর্ববর্তী অর্থবছর হতে ১৪৫ মার্কিন ডলার বৃদ্ধি পেয়ে ১,৬১০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সময় রফতানি আয় ৩৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি আমদানি প্রবৃদ্ধিও ইতিবাচক অবস্থায় রয়েছে এবং অর্থবছর শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীকে আরও যুগোপযোগী ও কার্যকর করার লক্ষ্যে `জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল`প্রণয়ন করা হয়েছে। হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভে ২০১০-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং অতি দারিদ্র্যের হার ছিল ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১৬-সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী এ হার যথাক্রমে ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ ও ১২ দশমিক ৯ শতাংশে হ্রাস পেয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক অতি দারিদ্র্যের হার ছিল ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ।

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বস্ত্র ও পাট খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। দেশের মোট রফতানি আয়ের ৮৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ বস্ত্র খাত থেকে অর্জিত হয়। `বস্ত্র নীতি-২০১৭` প্রণয়ন করা হয়েছে । বস্ত্র পরিদফতরকে বস্ত্র অধিদফতরে উন্নীত করা হয়েছে। ৬ মার্চ `জাতীয় পাট দিবস` হিসাবে ঘোষণা করেছে। `পাট আইন, ২০১৭` প্রণয়ন করা হয়েছে। পাট থেকে ভিসকস, জৈব পানীয়, ব্যাগ তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সরকার প্রতিবছরের ন্যায় ২০১৭ সালে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস হতে খাদ্যশস্য সংগ্রহের মাধ্যমে সরকারি গুদামসমূহে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ গড়ে তুলছে। গত বছর ফসলহানির কারণে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহের পাশাপাশি বৈদেশিক উৎস হতে ১৫ লক্ষ মেট্রিকটন খাদ্যশস্য সংগ্রহের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সরকার স্বল্প ও সীমিত আয়ের জনগোষ্ঠীকে খাদ্য নিরাপত্তা প্রদানের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়ন পর্যায়ে ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে মাসিক ৩০ কেজি করে বছরে পাঁচ মাস চাল বিতরণ করছে। চলতি অর্থবছরে খাদ্যভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর জন্য প্রায় পাঁচ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা, নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে খোলাবাজারে চাল বিক্রির উদ্দেশ্যে ৬১২ কোটি টাকা এবং ১০ টাকা মূল্যে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির জন্য ৭২৩ কোটি টাকার খাদ্যশস্য বরাদ্দ দিয়েছে।

পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং হাওর-বাওরের উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আগ্রহে দেশের প্রধান প্রধান নদীসমূহে ড্রেজিং ও নদী-ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পুনঃখননসহ ৮৯৬ কিলোমিটার নদীর ড্রেজিং সমাপ্ত হয়েছে এবং প্রায় ১১২ লক্ষ ঘনমিটার ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের আওতায় ২৫৪টি গুচ্ছগ্রাম প্রতিষ্ঠা করে ১০ হাজার ৭০৩টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত `সবার জন্য বাসস্থান` কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের আওতায় ৫০ হাজার পরিবার পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে চার হাজার ৫৫০টি পরিবারের পুনর্বাসন সম্পন্ন হয়েছে।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে জুন- ২০১৯ সালের মধ্যে প্রায় দুই লাখ ৫০ হাজার পরিবারকে গৃহনির্মাণসহ পুনর্বাসনে কার্যক্রম চলমান আছে। এ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ ৩৮ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এছাড়া ২০ হাজার ৭৭৫টি গৃহহীন পরিবারকে গৃহনির্মাণ করে দেয়া হয়েছে।

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্যদূরীকরণ ও তাদের স্বাবলম্বী করার জন্য ক্ষুদ্র ঋণের পরিবর্তে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে গুরুত্ব দিয়ে `একটি বাড়ি একটি খামার`প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৭ লাখ ১১ হাজার ১৮৬টি বাড়িতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পারিবারিক খামার স্থাপন করা হয়েছে। দুধের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণসহ গ্রামীণ অর্থনীতি বিকাশের লক্ষ্যে মিল্ক ভিটার নিজস্ব অর্থায়নে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দুগ্ধ শীতলীকরণকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

দেশে প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নসহ শিক্ষার জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানে বিভিন্ন মেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে। বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় ইতোমধ্যে এক হাজার ৪৫৮ প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই সরবরাহ করা হচ্ছে। শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পুনর্গঠন করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ নামে দুটি আলাদা বিভাগ সৃষ্টি করেছে।

মহাকাশে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট `বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১`-এর নির্মাণকাজ শতভাগ সমাপ্ত যা উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় রয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সফলভাবে পরিচালনার জন্য `বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড`গঠন করা হয়েছে। গাজীপুর ও বেতবুনিয়ায় স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে ইতোমধ্যে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে পুলিশ বাহিনীতে বিভিন্ন পদবির ৪৫ হাজার ৫৫৭টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। সারাদেশে ১০১টি নতুন থানা ভবন, ৫০টি হাইওয়ে আউটপোস্ট, ১৯টি নৌ পুলিশ ফাঁড়ি এবং ব্যারাক, ৯টি পুলিশ সুপার অফিস ভবন নির্মাণসহ অনুরূপ আরও স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। সীমান্তে নজরদারির জন্য ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে চারটি ব্যাটালিয়ন এবং ৬০টি বিওপি করা হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একাত্তরের ৭ই মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বজ্রকন্ঠে ঘোষণা করেছিলেন - `এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম`। গত ৩০ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে ইউনেসকো ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ওই ভাষণকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এ স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলতর হয়েছে। দেশ ও জাতির জন্য এ এক বিরল সম্মান।

বর্তমান সরকার সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা ৯০০ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকায় উন্নীত করাসহ বছরে দুটি উৎসবভাতা প্রদান করছে। বিভিন্ন শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মৃত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, শহিদ পরিবারের রাষ্ট্রীয় ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করে মাসিক সর্বনিম্ন ২৫ হাজার এবং সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। ৬৭৬ জন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করে মাসিক সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ১৫ হাজার টাকা হারে প্রদান করা হচ্ছে।



:        
   আপনার মতামত দিন
     জাতীয়
আখেরি মোনাজাত শেষে বাড়ি ফিরছেন মুসল্লিরা
................................................................
বিশ্ব ইজতেমার মোনাজাতে মানুষের ঢল
................................................................
তুরাগ তীরে লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়
................................................................
ইজতেমায় অংশ নেবেন না মাওলানা সাদ : ডিএমপি
................................................................
বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি শেষ : সমবেত হচ্ছেন মুসল্লিরা
................................................................
কওমী মাদ্রাসা নিয়ে ভয়ঙ্কর চক্রান্তে খ্রিস্টান পরিচালিত ‘মুভ ফাউন্ডেশন’
................................................................
তাবলীগের দু-পক্ষের সংঘর্ষের নেপথ্যে মাওলানা সাদ!
................................................................
মাওলানা সাদ বিষয়ে উত্তরার পরামর্শ সভায় আলেমদের ৩ সিদ্ধান্ত
................................................................
বিশ্ব ইজতেমা শুরু ১২ জানুয়ারি
................................................................
আজ প্রবারণা পূর্ণিমা
................................................................
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হচ্ছে পবিত্র আশুরা
................................................................
প্রতিমা বিসর্জন আজ
................................................................
আজ কুমারী পূজা
................................................................
দুর্গা মন্ত্রে দুর্গতি নাশ
................................................................
ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়
................................................................
যে সব কারণে রোজা ভঙ্গ হয়
................................................................
রাজধানীতে হেফাজতের বিক্ষোভ
................................................................
রোজাদার জান্নাতে প্রবেশ করবে ‘রাইয়ান’ দিয়ে
................................................................
ধৈর্য্য ও সিয়াম সাধনা
................................................................
বাংলায় কোরআন পড়া ও শোনা
................................................................
বাংলাদেশে জনসংখ্যায় মুসলিমদের অনুপাত কমেছে
................................................................
৩০ রোজা ফরজের রহস্য এবং আমাদের করণীয়
................................................................
মূর্তি ধ্বংস করুন নতুবা আপনারা ধ্বংস হয়ে যাবেন: চরমোনাই পীর
................................................................
দ্বিতীয় রমজানের দোয়া
................................................................
দ্বিতীয় রোজার সাহরি ও ইফতার সময়
................................................................
সেহরি ও ইফতারের দোয়া
................................................................
সৌভাগ্যের রজনী আজ, লাইলাতুল বরাত (ভিডিও)
................................................................
শবে বরাত হোক বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়িমুক্ত
................................................................
আজ পবিত্র শবেবরাত
................................................................
মূর্তি অপসারণ করা না হলে রাজপথে আন্দোলন : চরমোনাই পীর
................................................................
এবারের রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়-সূচী
................................................................
শ্রমিকদের জন্য প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) তার উম্মতদের উদ্দেশ্য করে যা বলেন
................................................................
১১ মে পবিত্র শবে বরাত
................................................................
যে ঘড়ি মানুষকে ইসলামের পথ দেখাতো
................................................................
আজ পবিত্র শবে মিরাজ
................................................................
জান্নাত ও জাহান্নামের দিকে ধাবিত করে যে কাজ
................................................................
খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের শুভ ইস্টার সানডে আজ
................................................................
পহেলা বৈশাখে হেফাজতের আহ্বান
................................................................
ইসলাম জঙ্গিবাদকে স্বীকৃতি দেয় না
................................................................
জুমার খুতবায় যা বললেন মদিনার ইমাম
................................................................
২৮ মে থেকে শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান
................................................................
৪ এপ্রিল ঢাকায় আসছে মক্কা ও মদিনার চার ইমাম
................................................................
স্বাধীনতা নিয়ে যা বলে ইসলাম
................................................................
ফেনীতে আঞ্চলিক ইজতেমার বৃহত্তম আসর
................................................................
আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন এমনই
................................................................
আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো পটুয়াখালীর ইজতেমা
................................................................
পবিত্র কাবা শরীফে বৃষ্টির জন্য ইসতেস্কার নামাজ (ভিডিও)
................................................................
আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমা
................................................................
বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাত শুরু
................................................................
বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত রোববার
................................................................